'আষাঢ়ে বৃষ্টি নামে'- 'আষাঢ়ে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?

A কর্তায় ৫মী

B কর্মে ২য়া

C অপাদানে ৭মী

D অধিকরণে ৭মী

Solution

Correct Answer: Option D

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়), আধার (স্থান) এবং বিষয়কে অধিকরণ কারক বলা হয়। প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে ‘আষাঢ়ে’ শব্দটি দ্বারা বৃষ্টির সময় বা কালকে নির্দেশ করা হয়েছে।
যেহেতু ‘আষাঢ়’ একটি মাসের নাম এবং এটি ক্রিয়ার কাল বা সময় নির্দেশক, তাই এটি কালাধিকরণ বা অধিকরণ কারক। ‘আষাঢ়’ শব্দের শেষে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘আষাঢ়ে’ হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ‘এ’ হলো ৭মী বিভক্তি

- ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
- চেনার উপায়: ক্রিয়াকে ‘কোথায়’ বা ‘কখন’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
- অধিকরণ কারক তিন প্রকার: ১. কালাধিকরণ (সময়), ২. আধারাধিকরণ (স্থান), ৩. ভাবাধিকরণ (বিষয়/অবস্থা)।

উদাহরণ:
- প্রভাতে সূর্য ওঠে। (কখন ওঠে? প্রভাতে - কালাধিকরণ)
- পুকুরে মাছ আছে। (কোথায় আছে? পুকুরে - আধারাধিকরণ)
- কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়। (ভাবাধিকরণ)

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- কর্তায় ৫মী: কর্তা হলো যে ক্রিয়া সম্পাদন করে। এখানে ‘আষাঢ়’ নিজে কোনো কাজ করছে না, তাই এটি কর্তা নয়। তাছাড়া ৫মী বিভক্তি হলো ‘হতে/থেকে’, যা এখানে অনুপস্থিত।
- কর্মে ২য়া: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তা কর্ম কারক। ‘আষাঢ়’ কোনো কর্ম নয়, বরং সময়।
- অপাদানে ৭মী: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহিত, জাত, বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে বিচ্যুত বা উৎপন্ন হওয়ার বিষয় নেই, বরং সময় নির্দেশিত হচ্ছে।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions