- বৃত্তের দৈর্ঘ্য কে পরিধি বলে। - একটি বৃত্তের যেকোনো দুটি বিন্দুর সংযোজক রেখাকে জ্যা বলে। - বৃত্তের পরিধির অংশকে চাপ বলে। - বৃত্তের ব্যাসার্ধ r হলে বৃত্তের পরিধি = 2πr
প্রশ্নে বলা হয়েছে, একটি টিকাকেন্দ্রে ৩০ জন টিকা গ্রহণকারী অনুপস্থিত ছিল এবং অনুপস্থিতির হার ৩%। অর্থাৎ, মোট টিকা গ্রহণের কথা ছিল যাদের, তার মধ্যে ৩% অংশ অনুপস্থিত ছিল, যার সংখ্যা ৩০।
এখন, অনুপস্থিতির হার = (অনুপস্থিত সংখ্যার মান / মোট টিকা গ্রহণের কথা ছিল এমন ব্যক্তির সংখ্যা) × ১০০
এখানে, অনুপস্থিতির হার = ৩% অনুপস্থিত সংখ্যা = ৩০
তাহলে, ৩ = (৩০ / মোট সংখ্যা) × ১০০ => মোট সংখ্যা = (৩০ × ১০০) / ৩ => মোট সংখ্যা = ৩০০০ / ৩ = ১০০০
অর্থাৎ, মোট ১০০০ জনের টিকা গ্রহণের কথা ছিল।
অন্য অপশনগুলো (২০০০, ৫০০, ১৫০০) দিয়ে হিসাব করলে অনুপস্থিতির হার ৩% হবে না, তাই সেগুলো সঠিক নয়।
এখানে, ১ ঘণ্টা = (৬০ x ৬০) সেকেন্ড ৬০ কি.মি. = (৬ X ১০০০) মিটার (৬০ X ১০০০) মিটার যেতে সময় লাগে (৬০ x ৬০) সেকেন্ড ১ '' '' '' '' (৬০ x ৬০)/(৬০ x ১০০০) সেকেন্ড ১০০ '' '' '' '' (৬০ x ৬০ x ১০০)/(৬০ x ১০০০) = ৬ সেকেন্ড ।
দেওয়া আছে, পিতা,মাতা ও কন্যার গড় বয়স =৩০ বছর " " ও " মোট " ৩×৩০ বছর =৯০ বছর আবার মাতা ও কন্যার গড় বয়স =২৫ বছর অতএব , " " মোট " =২×২৫ বছর =৫০ বছর তাহলে পিতার বয়স ৯০-৫০ =৪০ বছর
মাসিক বেতন = ১০০ টাকা প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য ১০ টাকা কর্তনের পর করিম সাহেব পান = ১০০ - ১০ = ৯০ টাকা
করিম সাহেব ৯০ টাকা পান যখন মাসিক বেতন ১০০ টাকা করিম সাহেব ১ টাকা পান যখন মাসিক বেতন ১০০/৯০ টাকা করিম সাহেব ২৭০০ টাকা পান যখন মাসিক বেতন (১০০× ২৭০০)/৯০ = ৩০০০ টাকা
- ভিটামিন-কে এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনোন। - এটি প্রোথ্রোম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। - এছাড়াও ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমেও ভিটামিন কে ব্যবহার করা হয়। - ভিটামিন-কে রক্ত তঞ্চন (Blood Clotting) করার প্রয়োজনীয় প্রোটিন ফিব্রিনোজেন তৈরি করে। - এর অভাবে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়। - ভিটামিন কে এসেনশিয়াল ফ্যাটসলিউবল ভিটামিন। - এটি হাড় ও হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। - ক্ষতস্থান হতে রক্তপড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। - সবুজ রঙের শাকসবজি, লেটুসপাতা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ডিমের কুসুম প্রভৃতি ভিটামিন কে এর উৎস। - ভিটামিন- ডি এর অভাবে রিকেটস ও অস্টিওম্যালাসিয়া রোগ হতে পারে। - ভিটামিন- এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হতে পারে।
পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে যত উপরে উঠা যায় তত বায়ুর চাপ কমতে থাকে। উপরে উঠলে দেহের ভেতরের চাপ বাইরের বায়ুর চাপ অপেক্ষা অধিক হলে দেহের রক্তনালিতে প্রচণ্ড চাপ পড়ে। এ চাপে নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে আসে।
হেপাটাইটিস-এ হলো একটি ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণ, যার কারণে লিভার ফুলে ওঠে। এই রোগটি সাধারণত পাঁচ বছরের কম বয়েসের বাচ্চাদের মধ্যে দেখা যায় আর এই রোগের কোনও উপসর্গ দেখা দেয় না। যদিও, এই রোগের প্রবলতা বয়েসের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে। সাধারণত, এই সংক্রমণ খুব স্বল্প সময়ের জন্যই স্থায়ী হয় এবং খুব কম ক্ষেত্রেই মৃত্যু ঘটে।
এর মূল কারণ কি কি?
হেপাটাইটিস-এ সংক্রমণ মূলত হেপাটাইটিস-এ ভাইরাস (এইচএভি) নামক একটি ভাইরাসের করণে হয়। অসুখটি মূলত, এই ভাইরাস সম্বলতি মলের দ্বারা সংক্ৰমিত খাদ্য এবং জল গ্রহণ করলে ছড়িয়ে পড়ে। এই সংক্রমণ এক ব্যক্তির থেকে অপর ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে যেতে পারে:
অসুস্থ ব্যক্তির দ্বারা রান্না করা খাবার খেল।
অবিশুদ্ধ জল পান করার কারণে।
যৌন মিলন অথবা নিজ যত্ন সামগ্রীর মাধ্যমে সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে ব্যক্তিগতভাবে সংস্পর্শে আসা।
কাশি, স্পর্শ, আলিঙ্গন ও স্তন্যপানের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়া সম্ভব নয়।
- Neurologist হলেন এমন একজন ডাক্তার যিনি স্নায়ুতন্ত্রের রোগ নিয়ে গবেষণা করেন এবং এর চিকিৎসা করেন। আমাদের মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড এবং স্নায়ু নিয়ে গঠিত এই জটিল সিস্টেমের যেকোনো সমস্যা, যেমন স্ট্রোক, মৃগীরোগ, পারকিনসন্স রোগ, মাইগ্রেন ইত্যাদির চিকিৎসা নিউরোলজিস্টরা করে থাকেন।
- Nephrologist হলেন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যিনি কিডনি বা বৃক্কের রোগ নিয়ে কাজ করেন। কিডনির কার্যকারিতা, কিডনি ফেইলিওর, কিডনিতে পাথর, উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনির ক্ষতি এবং কিডনি ডায়ালাইসিসের মতো বিষয়গুলো নেফ্রোলজিস্টদের আওতায় পড়ে।
- Cardiologist হলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালীর বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করেন, যেমন হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিওর, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন (অ্যারিথমিয়া), উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল সংক্রান্ত সমস্যা।
- Urologist হলেন এমন একজন ডাক্তার যিনি মূত্রতন্ত্রের কার্যকারিতা ও রোগ নিয়ে চিকিৎসা করেন। নারী ও পুরুষের মূত্রনালী, মূত্রাশয়, কিডনি এবং পুরুষদের প্রজনন অঙ্গের (যেমন প্রোস্টেট, অণ্ডকোষ) রোগ ও সমস্যাগুলির চিকিৎসা ইউরোলজিস্টরা করে থাকেন। এর মধ্যে মূত্রনালীর সংক্রমণ, কিডনিতে পাথর, প্রোস্টেটের সমস্যা এবং মূত্রাশয়ের ক্যান্সারও অন্তর্ভুক্ত।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- TT (Tetanus Toxoid) টিকা গর্ভাবস্থায় মা এবং শিশুর জন্য অত্যাবশ্যকীয়। - টিটেনাস একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটানি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়। - এই ব্যাকটেরিয়া ত্বকের ক্ষত বা আঘাতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং টেটানোস্পাসমিন নামক একটি বিষ উৎপন্ন করে। - এই বিষ স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং চিকিৎসা না করলে প্রাণঘাতী হতে পারে।
- গর্ভাবস্থায় TT টিকা নেওয়া মায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মা ও শিশুকে টিটেনাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। - গর্ভাবস্থায় মা যদি TT টিকা গ্রহণ করেন, তাহলে তার শরীরে পর্যাপ্ত এন্টিবডি তৈরি হয়, যা শিশুরও সুরক্ষা প্রদান করে। - তাছাড়া, জন্মের পর নবজাতককে টিটেনাসের ঝুঁকি থেকে বাঁচানোর জন্য মায়ের টিটেনাস টক্সয়েড ভ্যাকসিন নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।
থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে গলগন্ড রোগ
বলে। সাধারণত আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ রোগ হয়।
গলগন্ড রোগ নির্ণয় ও সারাতে রেডিও আইসোটোপ ব্যবহার
করা হয়।
ডেঙ্গু ভাইরাসের ৪টি ভিন্ন স্ট্রেইন (serotypes) রয়েছে, যা যথাক্রমে DENV-1, DENV-2, DENV-3, এবং DENV-4 নামে পরিচিত। প্রতিটি স্ট্রেইনই ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টি করতে পারে। একবার কোন একটি স্ট্রেইন দ্বারা আক্রান্ত হলে ওই স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু অন্য স্ট্রেইন দ্বারা পরবর্তীতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
একাধিক স্ট্রেইন দ্বারা সংক্রমণ হওয়া ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার (DHF) বা ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম (DSS)-এর মতো জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। এজন্য ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত থাকতে সচেতনতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থিত নিউক্লিও প্রোটিন গঠিত যে সব তন্তুর মাধ্যমে জীবের যাবতীয় বৈশিষ্ট্য বংশ পরম্পরায় সঞ্চারিত হয় তাকে ক্রোমোজোম বলে। - মানুষের দেহকোষে মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। - এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সামরিক পরিচালনার জন্য দেশকে সাতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন একজন সেক্টর কমান্ডার যিনি তার এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের নেতৃত্ব দিতেন। ফেনী শহর ছিলো পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল এবং এটি সেক্টর ২ এর অন্তর্ভুক্ত ছিলো। সেক্টর ২-এর অধীনে চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা সমূহ ছিলো।
- সেক্টর ১ ছিলো রংপুর, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর এলাকা। - সেক্টর ২ ছিলো চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা এলাকা। - সেক্টর ৩ ছিলো সিলেট, মৌলভীবাজার এলাকা। - সেক্টর ৪ ছিলো ময়মনসিংহ এবং এর আশপাশের অঞ্চল। - সেক্টর ৫ ছিলো ঢাকা ও আশপাশের এলাকা।
অতএব, ফেনী শহর মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর ২ এর অধীনে ছিলো, যা সঠিক উত্তর হিসেবে Option 1: ২-কে নিশ্চিত করে।
ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা : জহিরউদ্দীন মুহম্মদ বাবর ( (১৫২৬-১৫৩০) ) - বাবর জাতিতে : তুর্কি - বাবরের পৈতৃক নিবাস : পরগানা (আফগানিস্তান) - বাবরের জন্ম বাবর : পরগনার আন্দিজান শহরে, ১৪৮৩ সালে। - সিংহাসন আরোহন করেন : ১২ বছর বয়সে (পরগনার সিংহাসন) - বাবর দিল্লীর সিংহাসনে বসেন : ১৫২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে - ভারতবর্ষে কামানের ব্যবহার করেন : বাবর (ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো) - বাবর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের নাম (মোঘল শাসকদের মধ্যে তিনি প্রথম আত্মজীবনী লিখেন) : তুযুক-ই-বাবর/বাবুর নামা (তুর্কি/চাঘাতাই ভাষায় লিখিত)। এ জীবনী লিখতে তাকে উৎসাহিত করেন কবি মীর আলিশির নাভাই - বাবর মারা যান : ১৫৩০ খ্রি: সমাহিত করা হয়- কাবুলে
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান শুধু যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে অন্যন্য তা নয়, বরং দেশে যেটুকু বন এখনও অবশিষ্ট রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম। - ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে। - এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর। - জীববৈচিত্র্যে ভরপুর লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে দেখা মেলে নানা বিরল প্রজাতির পশু পাখির। - সারা দুনিয়ার পাখি প্রেমিকরা দূর দূরান্ত হতে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পাখি দেখতে ছুটে আসেন। - এ বনের মধ্যে এবং আশেপাশে খাসিয়া ও টিপরা আদিবাসীরা বাস করেন। - দূরত্ব: ঢাকা থেকে ১৬০ কিঃ মিঃ উত্তর পূর্বে দিকে অবস্থিত। - রেল বা সড়ক পথে শ্রীমঙ্গল পৌঁছে গাড়িতে করে যেতে ১৫-২০ মিনিট লাগে। - লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা-চিরহরিৎ জাতীয় বনভূমি।
- প্রণালী হলো এক ধরনের সংকীর্ণ জলভাগ, যা দুটি বৃহৎ জলভাগকে যুক্ত করে এবং দুটি স্থলভাগকে বিচ্ছিন্ন করে তাকে প্রণালী বলে। - অর্থাৎ প্রণালী একই সাথে দুটি ভূমিকে যেমন পৃথক করে তেমনি আবার দুটি বৃহৎ জলাধারকে সংযুক্তও করে। - জিব্রাল্টার প্রণালি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে আর স্পেন ও মরক্কোকে (ইউরোপ-আফ্রিকা) পৃথক করেছে।
• গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিবসঃ - আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস : ৩ ডিসেম্বর - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস : ৭ এপ্রিল - অটিজম সচেতনতা দিবস : ২ এপ্রিল - আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস : ১ মে - বিশ্ব ধাত্রী দিবস : ৫ মে - রেড ক্রস / রেড ক্রিসেন্ট দিবস : ৮ মে - বিশ্ব পরিবেশ দিবস : ৫ জুন - বিশ্ব নারী দিবস : ৮ মার্চ - জাতীয় পাট দিবস : ৬ মার্চ। - জাতীয় গণহত্যা দিবস : ২৫ মার্চ - বিশ্ব বর্ণবৈষম্য দিবস : ২১মার্চ - আন্তর্জাতিক পানি দিবস : ২২ মার্চ - আন্তজার্তিক আবহাওয়া দিবস : ২৩ মার্চ - বিশ্ব ধরিত্রী দিবস : ২২ এপ্রিল
পেনিসিলিন এক ধরনের এন্টিবায়োটিক, যা
পেনিসিলিয়াম ছত্রাক থেকে আবিষ্কৃত হয়। ২৮ সেপ্টেম্বর,
১৯২৮ সালে অণুজীব বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। আর ১৯৪২ সালে মানুষের
শরীরের উপযোগী হিসেবে পেনিসিলিন তৈরি করেন জার্মান
বংশোদ্ভূত ইংরেজ প্রাণ রসায়নবিদ আর্নেস্ট চেইন।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।