'কোথা থেকে আসা হচ্ছে?'- উক্ত উদাহরণটি কোন বাচ্যের?

A কর্তৃবাচ্য

B ভাববাচ্য

C কর্মবাচ্য

D কোনটিই নয়

Solution

Correct Answer: Option B

- বাক্যের বিভিন্ন প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য (Voice) বলা হয়। অর্থাৎ, বাক্যের যে প্রকাশভঙ্গির মাধ্যমে বোঝা যায় কর্তার, কর্মের নাকি ক্রিয়ার অর্থের প্রাধান্য ঘটছে, তাকেই বাচ্য বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে বাচ্য প্রধানত তিন প্রকার। যথা: ১. কর্তৃবাচ্য, ২. কর্মবাচ্য ও ৩. ভাববাচ্য।

প্রদত্ত বাক্যটি হলো- 'কোথা থেকে আসা হচ্ছে?'
- এই বাক্যটিতে কর্তার উল্লেখ নেই, বরং এখানে ক্রিয়ার অর্থই প্রধান হয়ে উঠেছে।
- যখন কোনো বাক্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়াপদটি সর্বদাই নামপুরুষের হয়, তখন সেই বাক্যকে ভাববাচ্য বলে।
- ভাববাচ্যে কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার ভাব বা অর্থই মুখ্য হয়ে ওঠে। সাধারণত ‘হয়’ বা ‘যা’ ধাতু দিয়ে গঠিত ক্রিয়াপদ ভাববাচ্যে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ‘আসা হচ্ছে’, ‘যাওয়া হবে’, ‘খাওয়া হয়েছে’ ইত্যাদি।
- এখানে 'আসা হচ্ছে' ক্রিয়াটি কর্তার নিয়ন্ত্রণাধীন নয় বরং ক্রিয়ার নিজস্ব ভাব প্রকাশ করছে, তাই এটি একটি ভাববাচ্যের উদাহরণ।

• উদাহরণ:
- আমার খাওয়া হলো না। (ভাববাচ্য)
- তোমাকে হাঁটতে হবে। (ভাববাচ্য)
- কোথা থেকে আসা হচ্ছে? (ভাববাচ্য)

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- কর্তৃবাচ্য: যে বাক্যে কর্তাই প্রধান এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে। যেমন: 'সে বই পড়ে', 'রবীন্দ্রনাথ গীতাঞ্জলি লিখেছেন'। প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে কর্তা প্রধান নয়, তাই এটি কর্তৃবাচ্য নয়।
- কর্মবাচ্য: যে বাক্যে কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং ক্রিয়াপদ কর্মের অনুসারী হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে। কর্মবাচ্য হতে হলে বাক্যে অবশ্যই কর্ম থাকতে হবে। যেমন: 'আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে', 'রবীন্দ্রনাথ কর্তৃক গীতাঞ্জলি লিখিত হয়েছে'। প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে কোনো কর্মপদ নেই (কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না), তাই এটি কর্মবাচ্য নয়।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions