দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার) - ৩০.১১.২০২৪ (60 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

মনেকরি, 
O কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তের AB জ্যার উপর OC লম্ব।
∴ OB = 13 cm
OC = 5 cm

∆OCB-সমকোণী ত্রিভুজ হতে পাই, OB² = OC² + BC² 
⇒ 13² = 5² + BC²
⇒ BC² = 169 - 25 = 144
∴ BC = 12

∴ AB জ্যা এর দৈর্ঘ্য = 2 × BC = 2 × 12 cm = 24 cm
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৮৯২৫৬১৭২৮ - ১৭৮৬৮৯৪৫
= ১৮৭৪৬৯২৭৮৩ 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সম্পূরক কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি।
৭৮° কোণের সম্পূরক কোণ = ১৮০° - ৭৮° = ১০২°
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

বর্গক্ষেত্রটির বাহুর দৈর্ঘ্য = ৮ ফুট

 ∴ কৰ্ণ =৮√২ ফুট

তাহলে কর্ণের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (৮√২)২ 
= ৬৪ ×  ২ 
= ১২৮ বর্গফুট

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৪৫ বছর
পিতা ও মাতার মোট বয়স (৪৫ × ২) বছর = ৯০ বছর

পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের গড় ৩৬ বছর
পিতা, মাতা ও এক পুত্রের মোট বয়স= (৩৬ × ৩) = ১০৮ বছর

পুত্রের বয়স = (১০৮ - ৯০) = ১৮ বছর
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মহিলা কর্মীর অনুপাত ১৬ এবং সংখ্যা = ৩২ জন।
যেহেতু পুরুষ কর্মীর অনুপাত ৯, তাহলে সংখ্যা হবে ১৮ জন।
মোট কর্মী = (৩২ + ১৮) = ৫০ জন
পুরুষকর্মীর শতকরা হার = (১৮ × ১০০)/৫০ = ৩৬%
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
৫০২৪+৩৫৮০৮ + ৩০১৪৯ + ৯৮৪+২৪+ ৩৯৮১২ + ৮৭২১১৯ = ৯৮৩৯২০
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ত্রিভুজটির একটি কোণ x হলে অপর দুটি কোণের সমষ্টি হবে x
শর্তমতে, x + x = 180°
⇒ 2x = 180°
∴ x = 90°
∴ ত্রিভুজটি সমকোণী ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
০.২ × ০.০২ × ০.০০২
= ০.০০০০০৮ 

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মনেকরি, 
সংখ্যা দুইটি ৫ক ও ৮ক

প্রশ্নমতে, 
(৫ক + ২)/(৮ক + ২) = ২/৩
১৬ক + ৪ = ১৫ক + ৬
১৬ক - ১৫ক = ৬ - ৪
ক = ২

সংখ্যা দুইটি ৫ ×২ = ১০ ও ৮ × ২ = ১৬
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১ টি আপেলের ক্রয়মূল্য = ৫০/৩ = ২৫/৩
আবার,
১ টি আপেলের বিক্রয়মূল্য = ৫০/৫ = ১০ টাকা

∴ লাভ = ১০ - ২৫/৩
         = (৩০ - ২৫)/৩
         = ৫/৩ টাকা

তাহলে,
শতকরা লাভ = {(৫/৩) / (২৫/৩)} x ১০০% 
                = (৫/৩) x (৩/২৫) x ১০০%
                = ২০%
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এক কোটিতে ১০ মিলিয়ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
৫টি ১০ টাকার নোট = (৫ × ১০) টাকা
                         = ৫০ টাকা

১০ টি ২০ টাকার নোট = (১০ × ২০) টাকা
                           = ২০০ টাকা 

৪টি ৫০ টাকার নোট (৪ × ৫০) টাকা
                           = ২০০ টাকা 

মোট = ৫০ + ২০০ + ২০০ = ৪৫০ টাকা

আবার, 
১৮ টি ১০০ টাকার নোট = (১৮ × ১০০) টাকা = ১৮০০ টাকা

৫টি ১০ টাকার নোট ও ১০ টি ২০ টাকার নোট একত্রে ১৮ টি ১০০ টাকার নোটের = ৪৫০/১৮০০ = ১/৪ অংশ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
একটি রাস্তার পাশে এক সারিতে ১৫ টি গাছ লাগানো আছে।
একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব ১০ মিটার।

∴ একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব ১০ মিটার হলে প্রথম ও শেষ গাছে দুটি মধ্যে দূরত্ব = ১৪ × ১০ মিটার
= ১৪০ মিটার
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, 
x + y = 12
x - y = 2

আমরা জানি
4xy = (x + y)2 - (x - y)2
বা, 4xy = (12)2 - 22
বা, 4xy = 144 - 4
বা, 4xy = 140
∴ xy = 35
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
চৌবাচ্চার আয়তন নির্ণয় (ঘনমিটারে):
আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
= ৩ মি × ২ মি × ৪ মি
= ২৪ ঘনমিটার

ঘনমিটারকে লিটারে রূপান্তর:
১ ঘনমিটার = ১০০০ লিটার
∴ ২৪ ঘনমিটার = ২৪ × ১০০০ লিটার = ২৪,০০০ লিটার
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বুধ গ্রহ:
- সৗরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস, পানি ও প্রাণীর কোনো অস্তিত্ব নেই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh)।

ওয়াট (Watt):
- এটি বৈদ্যুতিক শক্তির ক্ষমতার একক।
- এটি দেখায় কত দ্রুত শক্তি ব্যবহার হচ্ছে, কিন্তু এটি একটি সময়কালকে বিবেচনায় নেয় না।

ওয়াট-ঘণ্টা (Watt-hour):
- এটি একটি সময়কাল (এক ঘণ্টা) ধরে ব্যবহার করা শক্তির পরিমাণ।
- এটি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি ব্যবহারের একক।

কিলোওয়াট-ঘণ্টা (kWh):
- এটি একটি পরিমাণ শক্তির একক যা ১ কিলোওয়াট (1000 ওয়াট) ক্ষমতা সম্পন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র ১ ঘণ্টা ধরে চললে ব্যবহৃত শক্তি নির্দেশ করে।
- এটি সাধারণত বিদ্যুৎ বিলের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এক ইউনিট শক্তির সমান।

তাহলে, বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা, যা শক্তির পরিমাণ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভিটামিনের অভাব শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- প্রতিটি ভিটামিনের নির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে এবং এগুলোর অভাব হলে বিশেষ কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

ভিটামিন-বি:
- ভিটামিন বি বিশেষ করে ভিটামিন বি১২ ও ফলিক অ্যাসিড রক্তকণিকা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এর অভাবে রক্তশূন্যতা (Anemia) হতে পারে, কারণ এটি লোহিত রক্তকণিকার সঠিক উৎপাদন ও অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।

ভিটামিন-এ:
- ভিটামিন এ-এর অভাব হলে রাতকানা রোগ (Night Blindness) হয়, যার ফলে কম আলোতে বা রাতের বেলায় দেখার ক্ষমতা কমে যায়।
- এটি চোখের রেটিনার সঠিক কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভিটামিন-ডি:
- ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সহায়তা করে, যা হাড়ের গঠনের জন্য অপরিহার্য।
এর অভাবে –
- শিশুদের রিকেটস (Rickets): এটি একটি হাড়ের রোগ, যেখানে হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়, ফলে পা বাঁকা হয়ে যেতে পারে।
- বয়স্কদের অস্টিওম্যালাসিয়া (Osteomalacia): এটি হাড় নরম হওয়ার রোগ, যা ব্যথা ও দুর্বলতা সৃষ্টি করে।
- চুল পড়া: ভিটামিন ডি-এর অভাব চুলের ফলিকলের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়, যার ফলে অ্যালোপেসিয়া (Alopecia) বা অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সমুদ্র উপকূলে লবণাক্ত ও কর্দমাক্ত মাটিতে উদ্ভিদের প্রধান মূল থেকে শাখা মূল মাটির ওপরে খাড়াভাবে উঠে আসে।
- এই সব মূলে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে।
- এই ধরনের রূপান্তরিত মূলকে শ্বাসমূল বা নিউমাটোফোর বলে।
- যেমন: সুন্দরী, গরান ও কেওড়া।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লর্ড কার্জন (১৮৯৯-১৯০৫) রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করেন এবং ১৬ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়। 
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ।
- ঢাকায় এই প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয়। 
- পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয়'পশ্চিম বঙ্গ' প্রদেশ; এর রাজধানী হয় কলকাতা। 
- বঙ্গভঙ্গ ঘোষণার ফলে পূর্ব বাংলার মুসলিম সম্প্রদায় একে স্বাগত জানালেও হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- পরবর্তীতে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনের কারণে লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদের সুপারিশ করে। 
- এরপর রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে ১৯১১ সালে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- এ ঘোষণা কার্যকর হয় ২০ জানুয়ারি, ১৯১২ সালে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য ।
- ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে ৩টি দেশ সদস্যপদ লাভ করে ।
- এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি বিসাউ ।
- বর্ণক্রমানুসারে নাম আসায় বাংলাদেশ ১৩৬তম, গ্রানাডা ১৩৭তম এবং গিনি বিসাউ ১৩৮তম সদস্যপদ লাভ করে । 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রণালি হলো এক ধরনের সংকীর্ণ জলভাগ, যা দুটি বৃহৎ জলভাগকে যুক্ত করে এবং দুটি স্থলভাগকে বিচ্ছিন্ন করে।
- অর্থাৎ প্রণালি একই সাথে দুটি ভূমিকে যেমন পৃথক করে তেমনি আবার দুটি বৃহৎ জলাধারকে সংযুক্তও করে। পক প্রণালি বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরকে সংযুক্ত করেছে। আর ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে

★ বিখ্যাত প্রণালী সমূহ মনে রাখার টেকনিক:
১. পক- (ভারত শ্রীলঙ্কাকাকে পোক দিলো) ভারত হতে শ্রীলঙ্কা পৃথক ।
২. বেরিং- (আমেরিকা হতে এশিয়াতে আসা বোরিং) আমেরিকা হতে এশিয়া পৃথক ।
৩. জিব্রাল্টার-(মরক্কো ও স্পেনে জেব্রা পাওয়া যায়) মরক্কো (আফ্রিকা) হতে স্পেন (ইউরোপ) পৃথক।
৪. ফ্লোরিডা- (ফ্লোরিডা কিবা?) ফ্লোরিডা হতে কিউবা পৃথক ।
৫. মালাক্কা- ( সুমিত্রা মালির মালা)সুমিত্রা হতে মালয়েশিয়া পৃথক ।
৬. হরমুজ- (আমিরাতের ইরানী তরমুজ খায়) আরব আমিরাত ও ইরানের মধ্যে অবস্থিত।
৭. বাব-এল-মান্দেব- ( লোহা এল আরবে ) লোহিত সাগর ও আরব সাগরে অবস্থিত।
৮. ডোভার- ( UK ও FRANCE এর মাঝে ডোবা আছে) যুক্তরাজ্য হতে ফ্রান্স পৃথক।
৯. বসফোরাস- (ইউরেশিয়া BOSS ) ইউরোপ হতে এশিয়া পৃথক।
১০. পানামা খাল- (উত্তর দক্ষিণ আমেরিকায় পান খাওয়া নিষেধ) উত্তর আমেরিকা হতে দক্ষিণ আমেরিকা পৃথক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিয়ের জন্য পুরুষের ২১ বছর ও নারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর পূর্ণ হতে হবে।
- এর চেয়ে কম বয়সে বিয়ে করলে তা বৈধতা পাবে না ও বাল্যবিবাহ হিসেবে বিবেচিত হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লালবাগ কেল্লা (আওরঙ্গবাদ দুর্গ) পুরান ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি দুর্গ।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে শাহজাদা আযম শাহ ১৬৭৮ সালে এর নির্মাণ শুরু করেন এবং সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলেও এর নিমার্ণ কাজ অব্যাহত থাকে।
- ১৬৮৪ সালে শায়েস্তা খানের কন্যা ইরান দুখত (পরিবিবি) এর মৃত্যু হলে শায়েস্তা খান এর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন ।
- ১৮৪৪ সালে আওরঙ্গবাদ দুর্গের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কাবাডি ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে গৃহীত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- কাবাডি একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা, যা গ্রামবাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
- এটি বাংলার মাটিতে বহু পুরনো সময় থেকে জনপ্রিয় ছিল।
- সহজ সরঞ্জাম ও খেলোয়াড়ের শরীরিক দক্ষতার উপর নির্ভরশীল এই খেলা বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগণের মাঝে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হওয়ায় ১৯৭২ সালে সরকার এটিকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়।
- কাবাডির মূল চেতনা এবং এর ঐতিহ্যিক গুরুত্বের কারণেই স্বাধীনতার পরপরই কাবাডিকে জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- কাবাডি খেলা সর্বপ্রথম শুরু হয় ভারতে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ বিভাগের অধীনে দেশে ৬টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ও কোম্পানি রয়েছে।
- এগুলো হলো-
- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি);
- ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিশন কোম্পানি (ডিপিডিসি);
- ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো);
- ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো);
- নর্দার্ন ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) ও
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

অন্যদিকে, 
- Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC) বা বাংলাদেশ শক্তি নিয়ন্ত্রক সংস্থা গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পেট্রোলিয়াম পণ্য নিয়ন্ত্রণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য; 
- পূর্বে- ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মায়ানমার; 
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং 
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
 
♦ বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫ টি রাজ্যের সীমানা রয়েছে। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ।
 
♦ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য— ৪টি (আসাম, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা)।
 
♦ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯ টি। যথা- মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার, দার্জিলিং।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইজমির শহরটি তুরস্কে অবস্থিত।
- এটি তুরস্কের তৃতীয় বৃহত্তম শহর এবং এজিয়ান সাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- ইজমির শহরটি তার প্রাচীন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং আধুনিক স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত।
- এটি তুরস্কের পশ্চিম অংশে অবস্থিত এবং ইজমির প্রদেশের রাজধানী।

ভৌগোলিক অবস্থান:
- ইজমির শহরটি এজিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত, যা এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর হিসেবে গড়ে তুলেছে।
- ইজমির শহরটি প্রাচীনকালে "স্মার্না" নামে পরিচিত ছিল এবং এটি গ্রিক, রোমান এবং অটোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
- এটি তুরস্কের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং পর্যটন গন্তব্য।
- ইজমির শহরটি তার বিখ্যাত ক্লক টাওয়ার, কেমরাল্টি বাজার এবং ঐতিহাসিক স্থানগুলোর জন্য পরিচিত।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে ৪ ক্যাটাগরিতে মোট ৬৭৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়।
- এর মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন),
- বীর উত্তম (৬৮ জন),
- বীর বিক্রম (১৭৫ জন)
- বীর প্রতীক (৪২৬ জন)।

উল্লেখ্য, ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম), নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক) ও মোসলেম উদ্দিন (বীর প্রতীক) এর খেতাব বাতিল করে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0