বাংলাদেশ রেলওয়ে (ট্রেড এ্যাপ্রেন্টিস) - ২৪.০১.২০২৬ (70 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত ধারাটি হলো: ১৪৪, ৮১, ৩৬, ......
সংখ্যাগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, প্রতিটি সংখ্যাই একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা (Perfect Square)।
১৪৪ = (১২)²
৮১ = (৯)²
৩৬ = (৬)²

এখানে সংখ্যাগুলোর বর্গমূল যথাক্রমে ১২, ৯, ৬।
১২ থেকে ৯ এর পার্থক্য = ৩
৯ থেকে ৬ এর পার্থক্য = ৩
সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যার বর্গমূল হবে ৬ থেকে ৩ কম।

বর্গমূলটি হবে = ৬ - ৩ = ৩
অতএব, নির্ণেয় সংখ্যাটি = (৩)² = ৯
সঠিক উত্তর: ৯

শর্টকাট টেকনিক:
সংখ্যাগুলোর বর্গমূল: ১২, ৯, ৬
দেখা যাচ্ছে ৩ করে কমছে।
১২ → ৯ → ৬ → (৬-৩)=৩
পরের সংখ্যা ৩ এর বর্গ = ৯।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আমরা জানি, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr² (যেখানে r হলো ব্যাসার্ধ)
ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাস = d
তাহলে, আদি ব্যাসার্ধ, r = d/2
আদি ক্ষেত্রফল = π(d/2)² = πd²/4

প্রশ্নমতে, ব্যাস ৪ গুণ বৃদ্ধি পেলে,
নতুন ব্যাস = 4d
নতুন ব্যাসার্ধ = 4d/2 = 2d
নতুন ক্ষেত্রফল = π(2d)² = π(4d²) = 4πd²

এখন, নতুন ক্ষেত্রফল / আদি ক্ষেত্রফল
= 4πd² / (πd²/4)
= 4πd² × 4/πd²
= ১৬
সুতরাং, ক্ষেত্রফল ১৬ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
সঠিক উত্তর: ১৬

শর্টকাট টেকনিক:
বৃত্তের ব্যাস বা ব্যাসার্ধ যত গুণ বৃদ্ধি পায়, ক্ষেত্রফল তার বর্গের সমান গুণ বৃদ্ধি পায়।
ব্যাস বৃদ্ধি = ৪ গুণ
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পাবে = (৪)² গুণ = ১৬ গুণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'ক' ও 'খ' একত্রে ১ দিনে করে কাজটির ১/১২ অংশ
'ক' একা ১ দিনে করে কাজটির ১/২০ অংশ

সুতরাং, 'খ' একা ১ দিনে করে = (১/১২ - ১/২০) অংশ
= (৫ - ৩)/৬০ অংশ [১২ ও ২০ এর লসাগু ৬০]
= ২/৬০ অংশ
= ১/৩০ অংশ

'খ' ১/৩০ অংশ কাজ করে ১ দিনে
অতএব, 'খ' সম্পূর্ণ বা ১ অংশ কাজ করে = (১ ÷ ১/৩০) দিনে = ৩০ দিনে।
সঠিক উত্তর: ৩০ দিনে

শর্টকাট টেকনিক:
যদি দুইজনের কাজ করার দিন a এবং একজনের কাজ করার দিন b হয়, তবে অপরজনের কাজ করার দিন = (ab) / (a - b)
এখানে, a = ২০, b = ১২
সময় লাগবে = (২০ × ১২) / (২০ - ১২) দিন
= ২৪০ / ৮ দিন
= ৩০ দিন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এখানে,
আসল (P) = ৬৫০ টাকা
মুনাফার হার (R) = ৭% = ৭/১০০
সময় (N) = ৬ বছর
মুনাফা (I) = ?

আমরা জানি,
I = PNR
= ৬৫০ × ৬ × ৭/১০০
= (৬৫০ × ৪২) / ১০০
= ২৭৩০০ / ১০০
= ২৭৩ টাকা
সুতরাং, মুনাফা ২৭৩ টাকা।
সঠিক উত্তর: ২৭৩ টাকা

শর্টকাট টেকনিক:
I = (আসল × সময় × হার) / ১০০
= (৬৫০ × ৬ × ৭) / ১০০
শূন্য কেটে দিলে,
= (৬৫ × ৪২) / ১০
= ২৭৩০ / ১০ = ২৭৩ টাকা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
a - 1/a = 5√3
প্রদত্ত রাশি = a² + 1/a²
আমরা জানি, a² + b² = (a - b)² + 2ab

সুতরাং,
a² + 1/a² = (a - 1/a)² + 2.a.1/a
= (5√3)² + 2
= 5².(√3)² + 2
= 25 × 3 + 2
= 75 + 2
= 77
সঠিক উত্তর: 77

শর্টকাট টেকনিক:
যদি x - 1/x = n হয়, তবে x² + 1/x² = n² + 2 হবে।
এখানে n = 5√3
মান = (5√3)² + 2
= 75 + 2
= 77
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, চিনির পূর্বমূল্য ছিল ১০০ টাকা।
১০% কমে যাওয়ায় চিনির বর্তমান মূল্য = (১০০ - ১০) টাকা = ৯০ টাকা।
খরচ একই রাখতে হলে, বর্তমানে ৯০ টাকার চিনিকে পূর্বের ১০০ টাকার চিনির সমান ব্যবহার করতে হবে।
অর্থাৎ, ৯০ টাকার চিনিতে ব্যবহার বাড়াতে হবে = (১০০ - ৯০) টাকার চিনি = ১০ টাকার চিনি।

এখন,
৯০ টাকায় ব্যবহার বাড়াতে হবে ১০ টাকার চিনি
১ টাকায় ব্যবহার বাড়াতে হবে ১০/৯০ টাকার চিনি
১০০ টাকায় ব্যবহার বাড়াতে হবে (১০ × ১০০) / ৯০ টাকার চিনি
= ১০০/৯ %
= ১১ (১/৯)%

সুতরাং, চিনির ব্যবহার ১১ (১/৯)% বাড়াতে হবে।

শর্টকাট টেকনিক:
এই ধরনের অংকের ক্ষেত্রে সূত্রটি হলো:
বৃদ্ধির হার = {হ্রাসকৃত মান / (১০০ - হ্রাসকৃত মান)} × ১০০%
= {১০ / (১০০ - ১০)} × ১০০%
= (১০ / ৯০) × ১০০%
= ১০০/৯ %
= ১১ (১/৯)%
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, সংখ্যাটির একক স্থানীয় অংকটি = x
এবং দশক স্থানীয় অংকটি = y
প্রশ্নমতে,
অংকদ্বয়ের সমষ্টি, x + y = 15 .........(i)
এবং তাদের গুণফল, xy = 56 .............(ii)

আমরা জানি,
(x - y)2 = (x + y)2 - 4xy
বা, (x - y)2 = (15)2 - 4 × 56
বা, (x - y)2 = 225 - 224
বা, (x - y)2 = 1
বা, x - y = 1 ..........(iii)

এখন, (i) ও (iii) যোগ করে পাই,
2x = 16
বা, x = 8
x এর মান (i) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই,
8 + y = 15
বা, y = 7
সুতরাং সংখ্যাটি = 10y + x = 10 × 7 + 8 = 70 + 8 = 78
(বি:দ্র: এখানে x ও y এর মান অদলবদল হলেও সংখ্যাটি ৮৭ হতে পারত, কিন্তু অপশনে ৭৮ আছে।)

শর্টকাট টেকনিক (অপশন টেস্ট):
অপশনগুলো যাচাই করি:
অপশন ১: ৭৮ -> ৭+৮=১৫ এবং ৭×৮=৫৬ (শর্ত পূরণ করে)
অপশন ২: ৯৬ -> ৯+৬=১৫ কিন্তু ৯×৬=৫৪ (শর্ত পূরণ করে না)
অপশন ৩: ৯৪ -> ৯+৪=১৩ (শর্ত পূরণ করে না)
অপশন ৪: ৬৯ -> ৬+৯=১৫ কিন্তু ৬×৯=৫৪ (শর্ত পূরণ করে না)
সঠিক উত্তর: ৭৮
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, m = 2
প্রদত্ত রাশি = 27m3 + 54m2 + 36m + 3
রাশিটিকে (a+b)3 এর সূত্রে ফেলার চেষ্টা করি:
= (3m)3 + 3⋅(3m)2⋅2 + 3⋅(3m)⋅22 + 23 - 23 + 3
= (3m + 2)3 - 8 + 3
= (3m + 2)3 - 5

এখন m = 2 বসিয়ে পাই,
= (3 × 2 + 2)3 - 5
= (6 + 2)3 - 5
= (8)3 - 5
= 512 - 5
= 507

বিকল্প পদ্ধতি (সরাসরি মান বসিয়ে):
27(2)3 + 54(2)2 + 36(2) + 3
= 27 × 8 + 54 × 4 + 72 + 3
= 216 + 216 + 72 + 3
= 432 + 75
= 507
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, বিক্রয়মূল্য = x টাকা
প্রশ্নানুসারে, ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ।
সুতরাং, ক্রয়মূল্য = 2x টাকা
যেহেতু, ক্রয়মূল্য > বিক্রয়মূল্য, তাই এখানে ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতি = ক্রয়মূল্য - বিক্রয়মূল্য
= 2x - x টাকা
= x টাকা

আমরা জানি, লাভ বা ক্ষতি সবসময় ক্রয়মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়।
শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতি / ক্রয়মূল্য) × ১০০%
= (x / 2x) × 100%
= (1 / 2) × 100%
= 50%

সুতরাং, ক্ষতির পরিমান ৫০%

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত সমীকরণ: x2 - x - 12 = 0
মিডল টার্ম বা উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই:
x2 - 4x + 3x - 12 = 0 [কারণ -4x এবং +3x যোগ করলে -x হয় এবং গুণফল -12x2 হয়]
বা, x(x - 4) + 3(x - 4) = 0
বা, (x - 4)(x + 3) = 0

হয়,
x - 4 = 0
বা, x = 4

অথবা,
x + 3 = 0
বা, x = -3

সুতরাং, সমীকরণের মূলদ্বয় হলো: -3, 4

শর্টকাট টেকনিক (অপশন টেস্ট):
অপশন থেকে মানগুলো সমীকরণে বসিয়ে দেখি কোনগুলো সিদ্ধ করে।
অপশন ৩ এর মান (-3) বসালে: (-3)2 - (-3) - 12 = 9 + 3 - 12 = 0 (মিলেছে)
অপশন ৩ এর মান (4) বসালে: (4)2 - 4 - 12 = 16 - 4 - 12 = 16 - 16 = 0 (মিলেছে)
যেহেতু দুটি মানই সমীকরণকে শূন্য করে, তাই সঠিক উত্তর: -3, 4
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি, ভগ্নাংশটি = x/y

১ম শর্তমতে,
(x + 7) / y = 2
বা, x + 7 = 2y ..... (i)

২য় শর্তমতে,
x / (y - 2) = 1
বা, x = y - 2
বা, x - y = -2 ..... (ii)

(i) ও (ii) নং সমীকরণ সমাধান করি।
(i) হতে পাই, x = 2y - 7

x এর মান (ii) নং এ বসিয়ে পাই,
2y - 7 - y = -2
বা, y = 7 - 2
বা, y = 5

y এর মান (ii) নং এ বসিয়ে পাই,
x - 5 = -2
বা, x = 5 - 2
বা, x = 3

সুতরাং, ভগ্নাংশটি 3/5।

বিকল্প পদ্ধতি (শর্টকাট):
অপশন টেস্ট করে খুব সহজে উত্তর বের করা যায়।
অপশন (১) হলো 3/5।
১ম শর্ত: লবের সাথে ৭ যোগ করলে, (3 + 7)/5 = 10/5 = 2। (শর্ত মিলেছে)
২য় শর্ত: হর থেকে ২ বিয়োগ করলে, 3/(5 - 2) = 3/3 = 1। (শর্ত মিলেছে)
তাই সঠিক উত্তর 3/5।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি,
আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = x মিটার
শর্তমতে, আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = 3x মিটার

আমরা জানি,
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ

প্রশ্নমতে,
3x × x = 300
বা, 3x² = 300
বা, x² = 100
বা, x = 10
∴ প্রস্থ = 10 মিটার এবং দৈর্ঘ্য = 3 × 10 = 30 মিটার।

আমরা জানি,
পরিসীমা = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= 2(30 + 10) মিটার
= 2 × 40 মিটার
= 80 মিটার।

শর্টকাট টেকনিক:
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের গুণফল ৩০০। যেহেতু দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ, তাই ৩ দিয়ে ৩০০ কে ভাগ করে বর্গমূল করলে প্রস্থ পাওয়া যাবে।
প্রস্থ = √(300 ÷ 3) = √100 = 10
দৈর্ঘ্য = 10 × 3 = 30
পরিসীমা = 2 (30 + 10) = 80।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে, a + b = 8
                  a - b = 2

আমরা জানি,
ab = ((a + b)/2)² - ((a - b)/2)²
= (8/2)² - (2/2)²
= (4)² - (1)²
= 16 - 1
= 15

অথবা,
4ab = (a + b)² - (a - b)²
বা, 4ab = (8)² - (2)²
বা, 4ab = 64 - 4
বা, 4ab = 60
বা, ab = 60/4
বা, ab = 15

শর্টকাট টেকনিক:
এমন দুটি সংখ্যা চিন্তা করুন যাদের যোগফল ৮ এবং বিয়োগফল ২।
সংখ্যা দুটি ৫ এবং ৩ (কারণ ৫+৩=৮ এবং ৫-৩=২)।
সুতরাং, ab = 5 × 3 = 15।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ধরি,
বিক্রয়মূল্য = 5 টাকা
শর্তমতে, ক্রয়মূল্য = 5 এর 4/5 = 4 টাকা
লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য = 5 - 4 = 1 টাকা

এখন,
4 টাকায় লাভ হয় 1 টাকা
∴ 1 টাকায় লাভ হয় 1/4 টাকা
∴ 100 টাকায় লাভ হয় (1 × 100) / 4 টাকা
= 25 টাকা
সুতরাং, লাভের হার 25%।

শর্টকাট টেকনিক:
শতকরা লাভ = (পার্থক্য / ক্রয়মূল্য) × 100
এখানে ভগ্নাংশ 4/5 এর অর্থ ক্রয়মূল্য 4, বিক্রয়মূল্য 5।
লাভ = 5 - 4 = 1
লাভ % = (1/4) × 100 = 25%
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণিতে '০' (শূন্য) কে সাহায্যকারী সংখ্যা বা অভাবজ্ঞাপক অঙ্ক বলা হয়।
- কারণ, শূন্য নিজে কোনো মান প্রকাশ করতে পারে না, কিন্তু অন্য কোনো অঙ্কের ডানে বসে তার মান বৃদ্ধি করে তাকে সার্থক করে তোলে বা নতুন সংখ্যা গঠনে সাহায্য করে।
- যেমন: ১ এর ডানে ০ বসলে তা ১০ হয়। তাই ০ কে সাহায্যকারী অঙ্ক বা সংখ্যা বলা হয়।
- অন্যদিকে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে বলা হয় সার্থক অঙ্ক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মনে করি, বাঁশটির সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = ১ অংশ
কাদায় আছে বাঁশটির = ১/৩ অংশ
পানিতে আছে বাঁশটির = ৩/৫ অংশ

সুতরাং, কাদা ও পানিতে মোট আছে = (১/৩ + ৩/৫) অংশ
= (৫ + ৯)/১৫ অংশ
= ১৪/১৫ অংশ

সুতরাং, পানির উপরে আছে = (১ - ১৪/১৫) অংশ
= (১৫ - ১৪)/১৫ অংশ
= ১/১৫ অংশ

প্রশ্নমতে,
বাঁশটির ১/১৫ অংশ = ৬ হাত
বা, বাঁশটির ১ বা সম্পূর্ণ অংশ = (৬ × ১৫) হাত
= ৯০ হাত

সুতরাং, বাঁশটি ৯০ হাত লম্বা।

শর্টকাট টেকনিক:
এই ধরণের অংকে হরগুলোর লসাগু বের করে মোট অংশ ধরা সুবিধাজনক।
৩ ও ৫ এর লসাগু = ১৫। ধরি মোট বাঁশ = ১৫ একক।
কাদায় = ১৫ এর ১/৩ = ৫ একক
পানিতে = ১৫ এর ৩/৫ = ৯ একক
মোট (কাদা + পানি) = ৫ + ৯ = ১৪ একক।
পানির উপরে বাকি আছে = ১৫ - ১৪ = ১ একক।
১ একক = ৬ হাত হলে, মোট ১৫ একক = ১৫ × ৬ = ৯০ হাত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত অপশনগুলোর দশমিক ভগ্নাংশগুলোর তুলনা করে পাই:
অপশন ১: ০.৯০
অপশন ২: ০.১১
অপশন ৩: ০.৩২৫
অপশন ৪: ০.০৯১

সহজভাবে তুলনা করার জন্য দশমিকের পর সবগুলোর ঘর সংখ্যা সমান করি (শূন্য বসিয়ে):
১) ০.৯০০
২) ০.১১০
৩) ০.৩২৫
৪) ০.০৯১

এখন পূর্ণসংখ্যার মতো তুলনা করলে দেখা যায়:
৯১ < ১১০ < ৩২৫ < ৯০০
অর্থাৎ, সবচেয়ে ছোট সংখ্যাটি হলো ০৯১ বা ০.০৯১।

শর্টকাট টেকনিক:
দশমিক বিন্দুর ঠিক পরের ঘরটি (তথা দশমাংশ স্থান) লক্ষ্য করি:
১ম সংখ্যায় ৯, ২য় সংখ্যায় ১, ৩য় সংখ্যায় ৩, ৪র্থ সংখ্যায় ০।
যেহেতু ০ সবচেয়ে ছোট, তাই ০.০৯১ ই ক্ষুদ্রতম সংখ্যা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রদত্ত রাশি: ০.১৬২৩ - ৩১
এখানে একটি ছোট দশমিক সংখ্যা থেকে একটি বড় পূর্ণসংখ্যা বিয়োগ করতে হবে। তাই ফলাফল ঋণাত্মক (-) হবে এবং ৩১ থেকে ০.১৬২৩ বিয়োগ করে সামনে মাইনাস চিহ্ন বসাতে হবে।

সাজিয়ে লিখি:
৩১.০০০০
- ০.১৬২৩
--------------
৩০.৮৩৭৭

যেহেতু বড় সংখ্যার আগে মাইনাস ছিল, তাই উত্তর হবে: -৩০.৮৩৭৭

শর্টকাট টেকনিক:
সাধারণ বিয়োগের মতোই চিন্তা করুন। ৩১ টাকা থেকে ১৬ পয়সা (প্রায়) বাদ দিলে ৩০ টাকা ৮৪ পয়সার মতো থাকে। উত্তরের অপশনগুলোতে ৩০ এর ঘরে একমাত্র -৩০.৮৩৭৭ আছে, তাই এটিই সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,
a + b = 7 এবং ab = 10

আমরা জানি,
(a - b)² = (a + b)² - 4ab
বা, (a - b)² = (7)² - 4 × 10
বা, (a - b)² = 49 - 40
বা, (a - b)² = 9
বা, a - b = ±3

এখন, a + b = 7 এবং a - b = 3 হলে,
যোগ করে পাই, 2a = 10 বা a = 5
বিয়োগ করে পাই, 2b = 4 বা b = 2
আবার, a - b = -3 ধরলে a = 2, b = 5
অপশনগুলোতে a = 5, b = 2 দেওয়া আছে।

শর্টকাট টেকনিক (অপশন টেস্ট):
অপশনগুলো যাচাই করি:
১) ২ + (-৫) = -৩ (৭ নয়, বাদ)
২) ৪ + (-৩) = ১ (৭ নয়, বাদ)
৩) -২ + (-৫) = -৭ (৭ নয়, বাদ)
৪) ৫ + ২ = ৭ এবং ৫ × ২ = ১০ (শর্ত পূরণ করে)
সুতরাং, সঠিক উত্তর: a = 5, b = 2

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সৌরজগতে বর্তমানে শনি (Saturn) গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা সর্বাধিক।
- ২০২৩ সালে শনি গ্রহের নতুন কিছু উপগ্রহ আবিষ্কৃত হওয়ায় এর মোট উপগ্রহ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৬টি
- এর আগে বৃহস্পতি (Jupiter) গ্রহের উপগ্রহ সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি (বর্তমানে ৯৫টি)।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো শনি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস
- প্রাকৃতিক গ্যাসে প্রচুর পরিমাণে মিথেন ($CH_4$) থাকে।
- এই মিথেন থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদন করা হয়, যা পরবর্তীতে নাইট্রোজেনের সাথে বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়া ($NH_3$) তৈরি করে।
- অবশেষে, এই অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া উৎপাদন করা হয়।
- যদিও অ্যামোনিয়া একটি মধ্যবর্তী উপাদান, কিন্তু প্রাথমিক বা মূল কাঁচামাল হিসেবে মিথেন গ্যাসকেই ধরা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (বর্তমানে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন) একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা যা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।
এই সংস্থাটি মূলত দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা, অসম প্রতিযোগিতা রোধ এবং শুল্ক নীতি প্রণয়নে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করে। অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়ন করলেও, বাণিজ্যিক শুল্ক ও নীতি-নির্ধারণের কাজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ১ নম্বর সেক্টর গঠিত হয়েছিল চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়ি এলাকা, ফেনী নদী পর্যন্ত এবং বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও কাপ্তাই নিয়ে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ঢাকা ছিল ২ নম্বর সেক্টরে, সিলেট ছিল ৪ ও ৫ নম্বর সেক্টরে এবং খুলনা ছিল ৯ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নটিক্যাল মাইল হলো সমুদ্র ও বিমান চলাচলে ব্যবহৃত একটি দূরত্বের একক।
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

আমরা জানি,
১ কিলোমিটার = ৩২৮০.৮৪ ফুট

সুতরাং,
১.৮৫২ × ৩২৮০.৮৪ ≈ ৬০৭৬ ফুট

পরীক্ষার সুবিধার জন্য এই মানটি সাধারণত ৬০৮০ ফুট ধরা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের মৃত্যু হয় ১৫৩০ সালে আগ্রায় এবং তাকে প্রাথমিকভাবে সেখানেই সমাহিত করা হয়। কিন্তু বাবরের ইচ্ছা অনুযায়ী, পরবর্তীতে তার দেহাবশেষ আফগানিস্তানের কাবুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে 'বাগ-ই-বাবর' (Bagh-e Babur) বা বাবর উদ্যানে তাকে পুনরায় সমাহিত করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
- সিকান্দ্রায় সম্রাট আকবরের সমাধি অবস্থিত।
- ইয়াঙ্গুনে শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের সমাধি রয়েছে।
- আগ্রায় তাজমহলে সম্রাট শাহজাহান ও মমতাজ মহলের সমাধি অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সামুরাই (Samurai) হলো প্রাক-আধুনিক জাপানের একধরনের যোদ্ধা শ্রেণী বা সামরিক আভিজাত্য।
- জাপানি শব্দ 'সাবুরাই' থেকে এর উৎপত্তি, যার অর্থ 'সেবা করা'।
- ১২শ শতাব্দী থেকে ১৮৭০-এর দশকে তাদের বিলুপ্তির আগ পর্যন্ত জাপানি ইতিহাসে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- তারা তাদের আনুগত্য, সামরিক দক্ষতা এবং 'বুশিদো' (Bushido) বা 'যোদ্ধার পথ' নামক সম্মান নীতি মেনে চলার জন্য বিখ্যাত।
- এটি জাপান ছাড়া অন্য কোনো দেশের (যেমন চীন বা ভিয়েতনাম) সংস্কৃতির অংশ নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রশাসনিক ও পরিচালন কাজের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্যবস্থাকে যমুনা নদী দ্বারা ভৌগোলিকভাবে ২টি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো:
১. পূর্বাঞ্চল (East Zone) - যার সদর দপ্তর চট্টগ্রামে।
২. পশ্চিমাঞ্চল (West Zone) - যার সদর দপ্তর রাজশাহীতে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নারায়াণগঞ্জ শহরকে প্রাচ্যের ডান্ডি বলা হয়। স্কটল্যান্ডের 'ডান্ডি' (Dundee) শহরটি পাট শিল্পের জন্য বিশ্বখ্যাত ছিল।
- একইভাবে, একসময় নারায়ণগঞ্জ ছিল বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রধান কেন্দ্র এবং শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত এই শহরে অসংখ্য পাটের কল গড়ে উঠেছিল।
- তাই এর গুরুত্ব বিবেচনায় একে 'প্রাচ্যের ডান্ডি' উপাধি দেওয়া হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ২০২৪ (WTO) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বের শীর্ষ দেশ হলো চীন
- তাদের বিশাল উৎপাদন ক্ষমতা, দক্ষ শ্রমশক্তি এবং উন্নত সাপ্লাই চেইনের কারণে তারা দীর্ঘদিন ধরে এই স্থান ধরে রেখেছে।
- আমদানিতে শীর্ষ দেশ- যুক্তরাষ্ট্র।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0