Solution
Correct Answer: Option C
‘নীরব’ শব্দটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
- সন্ধির নিয়ম: ই কিংবা উ স্বরধ্বনির পরের বিসর্গের (ঃ) সঙ্গে ‘র’-এর সন্ধি হলে বিসর্গের লোপ হয়।
- বিসর্গ লোপ পাওয়ার ফলে বিসর্গের আগের ই-কার বা উ-কার পরিবর্তিত হয়ে দীর্ঘ স্বর (ঈ-কার বা ঊ-কার) হয়।
- এখানে ‘নিঃ’ এর শেষে বিসর্গ আছে এবং তার আগে ‘ই’ ধ্বনি (হ্রস্ব ই) রয়েছে, যার পরে ‘রব’ এর ‘র’ যুক্ত হয়েছে।
- নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ উঠে গিয়ে আগের ‘নি’ (হ্রস্ব ই) পরিবর্তিত হয়ে ‘নী’ (দীর্ঘ ঈ) হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ: নিঃ + রব = নীরব।
• উদাহরণ:
- নিঃ + রস = নীরস
- নিঃ + রোগ = নীরোগ
- দুঃ + রাজ = দূরাজ
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- নী + রব: ‘নী’ শব্দটি মূল নয়, মূল উপসর্গ বা অংশটি ‘নিঃ’।
- নি + রব: বিসর্গ ছাড়া এটি সাধারণ সংযোগ বোঝালে বানানে পরিবর্তন (দীর্ঘ ঈ) হতো না, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
- নীঃ + রব: মূলে দীর্ঘ ঈ-কার থাকে না, বরং সন্ধির ফলে দীর্ঘ ঈ-কার সৃষ্টি হয়।