ঐকিক নিয়মের সাহায্যে ধাপে ধাপে সমাধান: ৩ জন লোক ৩টি কাজ করতে পারে ৩ দিনে ১ জন লোক ৩টি কাজ করতে সময় নেবে = (৩ × ৩) দিনে = ৯ দিনে [লোক কমলে সময় বেশি লাগবে] অতএব, ১ জন লোক ১টি কাজ করতে সময় নেবে = (৯ ÷ ৩) দিনে = ৩ দিনে [কাজের পরিমাণ কমলে সময় কম লাগবে] সুতরাং, ১ জন লোক ১টি কাজ ৩ দিনে করতে পারবে।
সম্পর্ক বা Analogy: - বই : কাগজ - বই তৈরি করার প্রধান উপাদান হলো কাগজ। - আসবাবপত্র : কাঠ - একইভাবে, আসবাবপত্র (Furniture) তৈরি করার প্রধান ও ঐতিহ্যগত উপাদান হলো কাঠ।
অন্যান্য অপশনসমূহ: - লোহা, প্লাস্টিক বা স্টিল: এগুলো দিয়েও বর্তমানে কিছু আসবাবপত্র তৈরি করা হয় ঠিকই, তবে আসবাবপত্রের মূল, প্রাচীন ও সর্বাধিক প্রচলিত উপাদান হিসেবে 'কাঠ'-কেই বিবেচনা করা হয়। তাই এনালজির সম্পর্ক অনুযায়ী 'কাঠ' সবচেয়ে মানানসই ও সঠিক উত্তর।
সম্পর্কের ধাপগুলো বিশ্লেষণ করলে পাই: ১. 'ক' হলো 'খ' এর পিতা। অর্থাৎ, 'খ' এর বাবা হলো 'ক'। ২. 'গ' হলো 'ক' এর ভাই। অর্থাৎ, 'গ' হলো বাবার ('ক'-এর) ভাই। আমরা জানি, বাবার ভাইকে চাচা বা কাকা বলা হয়। যেহেতু 'গ' হলো 'খ'-এর বাবার ভাই, তাই 'গ' হবে 'খ'-এর চাচা।
দিক নির্ণয়ের ধাপগুলো অনুসরণ করি: ১. প্রথমে লোকটি উত্তর দিকে ১০ মিটার গেল। ২. এরপর ডানদিকে (অর্থাৎ পূর্ব দিকে) ঘুরে ১৫ মিটার গেল। ৩. তারপর আবার ডানদিকে (অর্থাৎ দক্ষিণ দিকে) ঘুরে ১০ মিটার গেল। যেহেতু সে প্রথমে উত্তর দিকে ১০ মিটার গিয়েছিল এবং শেষে ঠিক দক্ষিণ দিকে ১০ মিটার ফিরে এসেছে, তাই সে তার শুরুর অবস্থানের সমান্তরাল রেখায় চলে এসেছে। শুরুর বিন্দু থেকে সে শুধুমাত্র পূর্ব দিকে ১৫ মিটার সরে গেছে। সুতরাং, সে শুরুর স্থান থেকে পূর্ব দিকে আছে।
এখানে কোডিংয়ের নিয়মটি হলো প্রতিটি বর্ণ তার ঠিক আগের ইংরেজি বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে (অর্থাৎ -১ ধাপ পেছানো হয়েছে)। যেমন: M এর আগের বর্ণ L, A এর আগের বর্ণ Z, C এর আগের বর্ণ B ইত্যাদি। একই নিয়মে BOMBAY শব্দটির ক্ষেত্রে: B → A (B এর আগের বর্ণ) O → N (O এর আগের বর্ণ) M → L (M এর আগের বর্ণ) B → A (B এর আগের বর্ণ) A → Z (A এর আগের বর্ণ) Y → X (Y এর আগের বর্ণ) সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হবে A N L A Z X।
প্রদত্ত ধারাটির প্যাটার্ন বা নিয়মটি হলো পূর্ববর্তী সংখ্যার দ্বিগুণের সাথে ১ যোগ। এখানে, ২ × ২ + ১ = ৫ ৫ × ২ + ১ = ১১ ১১ × ২ + ১ = ২৩ একইভাবে, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে: ২৩ × ২ + ১ = ৪৭
একটি খাড়া পাহাড়ে সোজা পথে ওঠার ক্ষেত্রে ঢাল (Slope) অনেক বেশি থাকে, যার ফলে অভিকর্ষজ বলের বিরুদ্ধে কাজ করতে অনেক বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়। • রাস্তাটি সর্পিলাকার বা Zigzag হলে রাস্তার মোট দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায়, কিন্তু ঢাল বা খাড়াই কমে যায়। • পদার্থবিজ্ঞানের নততল (Inclined Plane) নীতি অনুযায়ী, ঢাল যত কম হয়, বস্তুকে উপরে তুলতে তত কম বল প্রয়োগ করতে হয়। সুতরাং, কম বল প্রয়োগ করে সহজেই পাহাড়ে ওঠার জন্যই পাহাড়ের রাস্তা সর্পিলাকার বা আঁকাবাঁকা করা হয়।
সাইকেলের সামনের স্প্রোকেট (যেটির সাথে প্যাডেল যুক্ত থাকে) পেছনের স্প্রোকেটের চেয়ে বড় হওয়ার প্রধান সুবিধা হলো গতি বৃদ্ধি পাওয়া। • সামনের স্প্রোকেট বড় হলে প্যাডেল একবার ঘুরালে পেছনের ছোট স্প্রোকেটটি একাধিকবার ঘোরে। • এর ফলে পেছনের চাকা বেশিবার ঘোরে এবং সাইকেল দ্রুত অধিক দূরত্ব অতিক্রম করে, যা শেষ পর্যন্ত সাইকেলের গতি (Speed) বাড়িয়ে দেয়। • তবে গতি বাড়লেও প্যাডেল ঘুরাতে তুলনামূলকভাবে বেশি বল প্রয়োগ করতে হয়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
কোনো বস্তুর ভারকেন্দ্র (Center of Mass/Gravity) মাটি বা ভূমির যত কাছাকাছি থাকে, বস্তুটির স্থিতিশীলতা (Stability) তত বেশি হয়। • স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো বস্তুর ভারকেন্দ্র যথাসম্ভব নিচে অবস্থান করা। • ভারকেন্দ্র নিচে থাকলে বস্তুটি সহজে উল্টে যায় না, কারণ এর ওপর ক্রিয়াশীল অভিকর্ষ বলের রেখা বস্তুর ভূমির ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে। • এ কারণেই রেসিং কার বা স্পোর্টস কারগুলো মাটি থেকে খুব কম উচ্চতায় তৈরি করা হয়, যাতে দ্রুত গতিতে বাঁক নেওয়ার সময় সহজে উল্টে না যায়।
হাতুড়ি দিয়ে কাঠ থেকে পেরেক তোলার ক্ষেত্রে হাতুড়িটি একটি প্রথম শ্রেণির লিভার (Lever) হিসেবে কাজ করে। • লিভারের নীতি অনুযায়ী, বলবাহুর দৈর্ঘ্য (যেখানে হাত দিয়ে বল প্রয়োগ করা হয়) যত বেশি হবে, কাজ করতে তত কম বল প্রয়োগ করতে হবে। • হাতুড়ির হাতল লম্বা হলে বলবাহুর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায়। • এর ফলে টর্ক (Torque) বা ঘূর্ণন বল বৃদ্ধি পায়, যা খুব কম বল প্রয়োগ করেই পেরেক তুলতে সাহায্য করে।
গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল বা দরজার গোল নব চাকা ও অক্ষদণ্ড (Wheel and Axle) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। • এটি মূলত এক ধরনের সরল যন্ত্র, যেখানে একটি বড় চাকা (Wheel) একটি ছোট অক্ষদণ্ড বা শ্যাফটের (Axle) সাথে যুক্ত থাকে এবং তারা একসাথে ঘোরে। • চাকার ব্যাসার্ধ অক্ষদণ্ডের ব্যাসার্ধের চেয়ে বড় হওয়ায়, চাকার পরিধিতে অল্প বল প্রয়োগ করলে তা অক্ষদণ্ডে একটি বড় ঘূর্ণন বল বা টর্ক তৈরি করে। • এই নীতির কারণেই গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলে অল্প বল প্রয়োগ করে খুব সহজেই ভারী গাড়ির দিক নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
তৃতীয় শ্রেণির লিভারে প্রচেষ্টা বা বল (Effort) ফালক্রাম এবং ভারের (Load) মাঝখানে অবস্থান করে। মানুষের হাত, চিমটা এবং মাছ ধরার ছিপ হলো তৃতীয় শ্রেণির লিভারের উদাহরণ। - যেমন মানুষের হাতের ক্ষেত্রে কনুইয়ের সন্ধি ফালক্রাম হিসেবে, হাতের তালুর বস্তু ভার হিসেবে এবং মাঝখানে থাকা বাইসেপস পেশির সংকোচন প্রচেষ্টা বা বল হিসেবে কাজ করে।
দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারের ক্ষেত্রে ভার (Load) থাকে ফ্যালক্রাম ও বলের (Effort) মাঝখানে। যাঁতি এবং এক চাকার ঠেলাগাড়ি হলো দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারের উদাহরণ। - যাঁতির ক্ষেত্রে এক প্রান্তে ফ্যালক্রাম থাকে, অন্য প্রান্তে হাত দিয়ে বল প্রয়োগ করা হয় এবং মাঝখানে সুপারি বা বস্তু (ভার) রেখে কাটা হয়। - একইভাবে এক চাকার ঠেলাগাড়িতে সামনের চাকাটি ফ্যালক্রাম হিসেবে কাজ করে, পেছনের হাতলে বল প্রয়োগ করা হয় এবং মাঝখানের অংশে ভার বহন করা হয়।
প্রথম শ্রেণির লিভারের ক্ষেত্রে ফ্যালক্রাম (Fulcrum) সর্বদা ভার (Load) এবং বলের (Effort) মাঝখানে অবস্থান করে। কাঁচি, সাধারণ তুলাদণ্ড এবং সাঁড়াশি হলো প্রথম শ্রেণির লিভারের উদাহরণ। - কাঁচির ক্ষেত্রে মাঝখানে থাকা স্ক্রু বা কবজাটি ফ্যালক্রাম হিসেবে কাজ করে। এর এক প্রান্তে হাত দিয়ে বল প্রয়োগ করা হয় এবং অন্য প্রান্তে থাকা কাগজ বা কাপড় ভার হিসেবে কাজ করে। - একইভাবে সাধারণ তুলাদণ্ড এবং সাঁড়াশিতেও ফ্যালক্রাম বিন্দুটি বল ও ভারের ঠিক মাঝখানে থাকে।
সমান্তরালভাবে যুক্ত দুটি চাকার ড্রাইভ বেল্ট বা ফিতা যদি ক্রস করে বা 'X' আকৃতিতে যুক্ত থাকে, তবে চাকা দুটি একে অপরের বিপরীত দিকে ঘোরে। - এক্ষেত্রে চালক চাকা (Driving wheel) যেদিকে ঘোরে, ফিতার ক্রস সংযোগের কারণে চালিত চাকা (Driven wheel) তার উল্টো দিকে ঘুরতে বাধ্য হয়। - উল্লেখ্য, ড্রাইভ বেল্ট যদি ক্রস না করে সরাসরি বা সমান্তরালভাবে (Open belt drive) যুক্ত থাকে, তবে চাকা দুটি সর্বদা একই দিকে ঘোরে।
খুব সহজ একটি প্র্যাকটিক্যাল চিন্তা করি। ছেলেটি সামনের দিক থেকে ১৯ তম, তার মানে তার ঠিক সামনে ১৮ জন ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। আবার সে পেছনের দিক থেকেও ১৯ তম, তার মানে তার ঠিক পেছনেও ১৮ জন ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। তাহলে লাইনে মোট ছেলে আছে = সামনের ১৮ জন + ওই ছেলেটি নিজে ১ জন + পেছনের ১৮ জন = ১৮ + ১ + ১৮ = ৩৭ জন।
অথবা সূত্র: বামের অবস্থান + ডানের অবস্থান - ১ = ১৯ + ১৯ - ১ = ৩৭
প্রথমে ইংরেজির অক্ষরগুলোর জায়গায় সঠিক গাণিতিক চিহ্ন বসিয়ে রাশিটি বাংলায় সাজিয়ে লিখি: ১৩ + ৬৪ ÷ ৮ × ৩ - ১৪ এখন সরল অঙ্কের নিয়ম বা BODMAS (বদমাস) রুল অনুযায়ী সমাধান করতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে ভাগ, তারপর গুণ, এরপর যোগ ও বিয়োগের কাজ করতে হয়। = ১৩ + (৬৪ ÷ ৮) × ৩ - ১৪ [ভাগের কাজ আগে] = ১৩ + ৮ × ৩ - ১৪ = ১৩ + (৮ × ৩) - ১৪ [এরপর গুণের কাজ] = ১৩ + ২৪ - ১৪ = ৩৭ - ১৪ [এরপর যোগ ও বিয়োগ] = ২৩
এই সিরিজটির প্যাটার্ন খুব চমৎকার। লক্ষ করলে দেখবে, সিরিজের প্রতিটি পদ প্রথম পদ (৩) এর সাথে নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যা যোগ করে তৈরি হয়েছে। আর এই যোগ হওয়া সংখ্যাগুলো হলো ২ এর বিভিন্ন পাওয়ার বা ঘাত। আসুন মিলিয়ে দেখি: ১ম পদ: ৩ ২য় পদ: ৩ + ৪ = ৭ ৩য় পদ: ৩ + ৮ = ১১ ৪র্থ পদ: ৩ + ১৬ = ১৯ (এখানে ১৬ যোগ হলো কেন? কারণ ৪, ৮, ১৬, ৩২.. এভাবে দ্বিগুণ হয়ে বাড়ছে) ৫ম পদ: ৩ + ৩২ = ৩৫ (মিলে গেছে!) ৬ষ্ঠ পদ: ৩ + ৬৪ = ৬৭ (এটিও মিলেছে!) যেহেতু লজিকটি সম্পূর্ণ মিলে যাচ্ছে, তাই মাঝের প্রশ্নবোধক স্থানে ১৯ বসবে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- এখানে বক্তা হলেন রহিম। তিনি একটি ছবির দিকে ইঙ্গিত করছেন। - রহিমের উক্তিটি হলো, "সে আমার মায়ের একমাত্র মেয়ের মেয়ে"। - এখানে "রহিমের মা"-এর একমাত্র মেয়ে হলো স্বয়ং রহিমের বোন। কারণ রহিম একজন পুরুষ (নাম অনুযায়ী)। - সুতরাং, সমীকরণটি দাঁড়ায়: রহিমের মায়ের একমাত্র মেয়ে = রহিমের বোন। - ছবির মেয়েটি হলো সেই বোনের মেয়ে। - বোনের মেয়েকে বলা হয় ভাগ্নী। - অতএব, ছবিটি রহিমের ভাগ্নীর।
- টেবিল, চেয়ার এবং বেঞ্চ হলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার যা সাধারণত কাঠ, প্লাস্টিক বা ধাতু দিয়ে তৈরি হয় এবং বসার বা জিনিস রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়। - কিন্তু কলম হলো একটি লেখালেখির উপকরণ বা স্টেশনারি সামগ্রী যা লেখা বা আঁকার কাজে ব্যবহৃত হয়। - অন্য তিনটি অপশন (টেবিল, চেয়ার, বেঞ্চ) শ্রেণিকক্ষ বা ঘরে আসবাব হিসেবে থাকে, যেখানে কলম ব্যক্তিগত ব্যবহারের একটি ক্ষুদ্র বস্তু। - তাই ব্যবহারের ধরন এবং উপাদানের দিক থেকে কলম অন্য তিনটি শব্দ (টেবিল, চেয়ার, বেঞ্চ) থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও বেমানান।
- প্রশ্নে দেওয়া সম্পর্কটি হলো কারণ ও ফলাফল বা উৎসের সাথে তার প্রধান কাজের সম্পর্ক। - সূর্য যেমন তাপ বা শক্তি উৎপাদন ও বিকিরণ করে, তেমনি চাকা ঘোরার মাধ্যমে গতি সৃষ্টি করে। - সূর্য হলো তাপের একটি প্রধান উৎস, যার অস্তিত্বের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তাপ প্রদান করা। - একইভাবে, চাকার প্রধান কাজ বা উদ্দেশ্য হলো ঘূর্ণনের মাধ্যমে গতি সঞ্চার করা বা কোনো বস্তুকে সচল করা। - গাড়ি বা রাস্তা চাকার সাথে সম্পর্কিত হলেও, চাকার প্রত্যক্ষ কাজ বা আউটপুট হলো গতি, যা সূর্য ও তাপের সম্পর্কের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- ইংরেজি বর্ণমালার ক্রম অনুযায়ী বর্ণগুলো হলো: A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L... - প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে ‘E’ এর পর ৪টি অক্ষর বাদ দেওয়ার কথা। - ‘E’ এর পরবর্তী চারটি অক্ষর হলো যথাক্রমে F, G, H এবং I। - এই চারটি বর্ণ (F, G, H, I) বাদ দিলে এর ঠিক পরপরই আসে ‘J’। - তাই সঠিক উত্তরটি হলো J।
প্রশ্নে দেওয়া আছে, ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার। আমাদের নির্ণয় করতে হবে ১ মার্চ কী বার।
১. প্রথমে আমাদের খেয়াল করতে হবে ২০২৪ সালটি অধিবর্ষ (Leap Year) কি না। ২০২৪ সংখ্যাটি ৪ দ্বারা বিভাজ্য (২০২৪ ÷ ৪ = ৫০৬), তাই ২০২৪ সালটি একটি অধিবর্ষ বা Leap Year। আমরা জানি, অধিবর্ষে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে হয়।
২. ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত মোট দিনের সংখ্যা গণনা করি: ফেব্রুয়ারি মাসের অবশিষ্ট দিন = (২৯ - ১) = ২৮ দিন। এরপর মার্চ মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত = ১ দিন।
সুতরাং, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত মোট সময় ব্যবধান = ২৮ + ১ = ২৯ দিন।
৩. এখন, এই ২৯ দিনকে ৭ দিয়ে ভাগ করে অবশিষ্ট দিন বের করতে হবে (কারণ ৭ দিনে এক সপ্তাহ হয়): ২৯ ÷ ৭ = ৪ সপ্তাহ এবং অবশিষ্ট ১ দিন।
৪. যেহেতু ১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ছিল, তাই ২৯ দিন পর বারটি হবে বৃহস্পতিবারের সাথে ১ দিন যোগ করে পাওয়া বার। নির্ণেয় বার = বৃহস্পতিবার + ১ দিন = শুক্রবার।
সুতরাং, ২০২৪ সালের ১ মার্চ হবে শুক্রবার।
শর্টকাট টেকনিক: মাসের তারিখ একই থাকলে বার নির্ণয়ের জন্য মাসের মোট দিন সংখ্যাকে ৭ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষ যোগ করতে হয়। ২০২৪ সাল অধিবর্ষ হওয়ায় ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে। ২৯ কে ৭ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ থাকে ১ (২৯ = ৪ × ৭ + ১)। তাই, পরবর্তী মাসের (মার্চ) একই তারিখের বার হবে = বর্তমান বার + ১ = বৃহস্পতিবার + ১ = শুক্রবার।
আমরা জানি, একটি ঘড়ির আয়নায় প্রতিফলিত সময় এবং প্রকৃত সময়ের সমষ্টি সর্বদা ১২ ঘণ্টা বা ১১ : ৬০ মিনিট হয়।
ধরি, প্রকৃত সময় = $x$
প্রশ্নমতে, আয়নায় প্রতিফলিত সময় + প্রকৃত সময় = ১১ : ৬০ বা, ১২ : ৩০ + $x$ = ১১ : ৬০ বা, ০ : ৩০ + $x$ = ১১ : ৬০ [∵ ঘড়ির কাঁটায় ১২টা এবং ০টা একই সময় নির্দেশ করে] বা, $x$ = ১১ : ৬০ - ০ : ৩০ বা, $x$ = ১১ : ৩০ $\therefore$ প্রকৃত সময় হলো ১১টা ৩০ মিনিট।
সঠিক উত্তর: ১১টা ৩০ মিনিট
শর্টকাট টেকনিক: আয়নায় সৃষ্ট প্রতিবিম্বের সময়ের ক্ষেত্রে, ১১ : ৬০ থেকে প্রদত্ত সময়টি বিয়োগ করলেই প্রকৃত সময় পাওয়া যায়। তবে প্রদত্ত সময়টি যদি ১১ : ০০ এর বেশি হয় তবে ২৩ : ৬০ থেকে বিয়োগ করতে হবে অথবা ১২-কে ০ ধরে ১১ : ৬০ থেকে বিয়োগ করতে হবে।
এখানে, প্রদত্ত সময় = ১২ : ৩০ (যেহেতু ১২টা, তাই ১২ কে ০ ধরলে সময়টি হয় ০ : ৩০)
$\therefore$ প্রকৃত সময় = ১১ : ৬০ - ০ : ৩০ = ১১ : ৩০ মিনিট।
- প্রদত্ত প্রশ্নের অ্যানালজি বা সাদৃশ্যটির মূল সম্পর্ক হলো 'পেশা ও তার প্রধান হাতিয়ার'। - কাঠমিস্ত্রি (Carpenter) যেভাবে কাঠ কাটার জন্য প্রধান অস্ত্র হিসেবে করাত (Saw) ব্যবহার করেন। - ঠিক একইভাবে, একজন সৈনিক (Soldier) যুদ্ধের ময়দানে তার প্রধান অস্ত্র হিসেবে বন্দুক (Gun) ব্যবহার করেন। - যদিও ট্যাংক (Tank) এবং ইউনিফর্ম (Uniform) সৈনিকের সাথে সম্পর্কিত, কিন্তু 'Saw' যেমন কাঠমিস্ত্রির হাতে থাকা একটি ব্যক্তিগত হাতিয়ার, তেমনি 'Gun' সৈনিকের হাতে থাকা ব্যক্তিগত হাতিয়ার। - 'Barrack' হলো সৈনিকদের থাকার জায়গা, কোনো হাতিয়ার নয়।
- যদি কোনো ব্যক্তি মাথার ওপর ভর দিয়ে বা মাথা নিচের দিকে দিয়ে ব্যায়াম করেন, তবে তার দিক পরিবর্তন সাধারণ অবস্থার ঠিক বিপরীত হয়। - সাধারণ অবস্থায় কোনো ব্যক্তি যদি পশ্চিম দিকে মুখ করে দাঁড়ান, তবে তার বাম হাত দক্ষিণ দিকে এবং ডান হাত উত্তর দিকে থাকে। - কিন্তু যখন তিনি মাথা নিচের দিকে দেবেন এবং মুখ পশ্চিম দিকেই থাকবে, তখন তাঁর শরীরের ওপরের অংশ উল্টে যাওয়ায় হাতের দিকও পরিবর্তিত হবে। - এই উল্টে যাওয়া অবস্থায়, তাঁর ডান হাত দক্ষিণ দিকে এবং বাম হাত উত্তর দিকে নির্দেশ করবে। - অতএব, মাথা নিচের দিকে দিয়ে মুখ পশ্চিমে থাকলে, ব্যক্তির বাম হাত উত্তর দিকে থাকবে।
- ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমিক (Alphabetical Order) নিয়ম অনুযায়ী অভিধান বা ডিকশনারিতে শব্দ সাজানো হয়। - প্রদত্ত শব্দটি চারটি হলো: Apple, Apart, Aptitude, এবং Apply। - শব্দগুলোর প্রথম অক্ষর সবারই 'A', তাই আমাদের দ্বিতীয় অক্ষরটি দেখতে হবে। - দ্বিতীয় অক্ষরগুলো হলো: Apple-এর 'p', Apart-এর 'p', Aptitude-এর 'p' এবং Apply-এর 'p'। সবগুলোরই দ্বিতীয় অক্ষর সমান। - এবার তৃতীয় অক্ষর তুলনা করতে হবে: Apple-এর 'p', Apart-এর 'a', Aptitude-এর 't', এবং Apply-এর 'p'। - এখানে 'a', 'p' এবং 't'-এর মধ্যে ইংরেজি বর্ণমালায় 'a' সবার আগে আসে, তাই Apart শব্দটি তালিকার প্রথমে থাকবে। - বাকি শব্দগুলোর (Apple, Aptitude, Apply) মধ্যে তুলনা করলে দেখা যায়, Apple ও Apply-এর তৃতীয় অক্ষর 'p', কিন্তু Aptitude-এর তৃতীয় অক্ষর 't'। - ইংরেজি বর্ণমালায় 'p' অক্ষরটি 't' অক্ষরের আগে আসে (p, q, r, s, t)। - যেহেতু Apple এবং Apply-এর তৃতীয় অক্ষর 'p', তাই এই দুটি শব্দ Aptitude-এর আগে বসবে। - সুতরাং, সবার শেষে যে শব্দটি আসবে তা হলো Aptitude, কারণ এর তৃতীয় অক্ষর 't' বাকি শব্দগুলোর তৃতীয় অক্ষরের চেয়ে পরে আসে।
- সঠিক ক্রমটি হলো: Apart → Apple → Apply → Aptitude।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।