Miscellaneous (1294 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Sustainable Development Goals (SDGs) হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা। ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে "Transforming our world: The 2030 Agenda for Sustainable development" শিরোনামের একটি কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- Goal 5 (পঞ্চম লক্ষ্য): বিশ্বব্যাপী লিঙ্গ সমতা অর্জন (Gender equality) এবং সকল নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ:
- Goal 3: সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ
- Goal 4: মানসম্মত শিক্ষা
- Goal 10: বৈষম্য হ্রাস
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Sustainable Development Goals (SDGs)-এর ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে ত্রয়োদশ লক্ষ্য বা Goal 13 হলো জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ (Climate action)
- এই লক্ষ্যের মূল উদ্দেশ্য হলো Climate change বা জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (UNFCCC)-এর আওতায় COP (Conference of the Parties) শীর্ষক বৈশ্বিক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজিত হয়, যা Goal 13 অর্জনে সরাসরি ভূমিকা রাখে এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Sustainable Development Goals (SDGs)-এর মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে চতুর্থ লক্ষ্য বা Goal 4 সম্পূর্ণভাবে মানসম্মত শিক্ষা (Quality education) নিশ্চিত করার প্রতি নিবেদিত।
- এর উদ্দেশ্য হলো সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ:
- Goal 2: ক্ষুধামুক্তি (Zero Hunger)
- Goal 3: সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ (Good Health and Well-being)
- Goal 5: লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন (Gender Equality)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Sustainable Development Goals (SDGs)-এর সার্বজনীন স্বীকৃত দাপ্তরিক নাম হলো Agenda 2030 বা "The 2030 Agenda for Sustainable Development"
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে এই ফ্রেমওয়ার্কটি গৃহীত হয়।
- এর আওতায় ২০১৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য মোট ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) এবং ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- (উল্লেখ্য, Agenda 21 হলো ১৯৯২ সালে আর্থ সামিটে গৃহীত পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক একটি ভিন্ন কর্মপরিকল্পনা)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Millennium Development Goals (MDGs)-এর মেয়াদ শেষে এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে জাতিসংঘ Sustainable Development Goals (SDGs) গ্রহণ করে।
- ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর গৃহীত "The 2030 Agenda for Sustainable Development" কর্মসূচির অধীনে মোট ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) নির্ধারণ করা হয়।
- এই লক্ষ্যগুলোর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।
- ১৭টি লক্ষ্যের পাশাপাশি এতে ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য (Targets) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা বৈশ্বিক দারিদ্র্য নির্মূল, পৃথিবী রক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে United Nations Millennium Declaration বা সহস্রাব্দ ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। এই ঘোষণাপত্রের ওপর ভিত্তি করেই Millennium Development Goals (MDGs) বা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা প্রণয়ন করা হয়।

MDG-এর মেয়াদ ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এবং এতে মোট ৮টি লক্ষ্যমাত্রা অন্তর্ভুক্ত ছিল। যথা:
১. চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল করা।
২. সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন।
৩. লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন।
৪. শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস করা।
৫. মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন।
৬. এইচআইভি-এইডস, ম্যালেরিয়া এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে সংগ্রাম।
৭. পরিবেশগত সহনশীলতা নিশ্চিতকরণ।
৮. উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সৃষ্টি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Millennium Development Goals (MDGs)-এর মোট ৮টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে Goal 4-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বব্যাপী শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস করা (reducing the global child mortality rate)

উল্লেখ্য, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যগুলোর মধ্যে Goal 2 ছিল সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন, Goal 3 ছিল লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং Goal 5 ছিল মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ আয়োজিত সহস্রাব্দ শীর্ষ বৈঠকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৮টি লক্ষ্য পূরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা Millennium Development Goals (MDGs) নামে পরিচিত।

এর মধ্যে প্রথম লক্ষ্য বা MDG 1-এর মূল উদ্দেশ্য হলো চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল করা (To eradicate extreme poverty and hunger)

উল্লেখ্য, MDG-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৭টি লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে Sustainable Development Goals (SDGs) বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ (The Hague) শহরে অবস্থিত হলেও বিচারিক এখতিয়ার (jurisdiction) অনুযায়ী ICC এবং ICJ-এর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে:

International Court of Justice (ICJ): এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। এর মূল কাজ হলো রাষ্ট্রগুলোর মধ্যেকার (between states) আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করা। এখানে কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি অভিযুক্ত করা যায় না, মামলার পক্ষ হতে পারে কেবল রাষ্ট্র।

International Criminal Court (ICC): এটি রোম সংবিধি (Rome Statute) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক আদালত। এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিকভাবে গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের (individuals) বিচার করা। ICC কোনো রাষ্ট্রের বিচার করে না, বরং রাষ্ট্রের নাগরিক বা নেতাদের ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২০০২ সালে রোম সংবিধির (Rome Statute) অধীনে প্রতিষ্ঠিত International Criminal Court (ICC) মূলত গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের বিচার করে।

রোম সংবিধি অনুযায়ী ICC-এর বিচারিক এখতিয়ার (jurisdiction) প্রধানত ৪টি বড় অপরাধের ওপর বিস্তৃত। এগুলো হলো:
১. Genocide (গণহত্যা)
২. Crimes against humanity (মানবতাবিরোধী অপরাধ)
৩. War crimes (যুদ্ধাপরাধ)
৪. Crime of aggression (আগ্রাসনের অপরাধ)

এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত। এটি জাতিসংঘের কোনো অঙ্গ নয়, তবে উভয়ের মধ্যে একটি সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court বা ICC)-এ মোট ১৮ জন বিচারক দায়িত্ব পালন করেন।
- বিচারকদের পদকালীন মেয়াদ ৯ বছর এবং তারা সাধারণত পুনর্নির্বাচিত হতে পারেন না।
- বি.দ্র: আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ)-এ বিচারকের সংখ্যা ১৫ জন, তাই ICC এবং ICJ-এর বিচারক সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court বা ICC) প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হলো রোম সংবিধি (Rome Statute)
- এই চুক্তিটি ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ সালে গৃহীত হয়।
- তবে রোম সংবিধি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এবং ICC তার কার্যক্রম শুরু করে ১ জুলাই, ২০০২ সালে।
- এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ (The Hague) শহরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice বা ICJ)-এর মোট বিচারক সংখ্যা ১৫ জন
- আদালতের যেকোনো বিচারিক কার্যক্রম বা অধিবেশন (sitting) পরিচালনার জন্য ন্যূনতম ৯ জন বিচারকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, যাকে কোরাম (quorum) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত এই আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ (The Hague) শহরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice বা ICJ) হলো জাতিসংঘের (United Nations) প্রধান বিচারিক অঙ্গ।
- এটি ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গের মধ্যে এটি একমাত্র অঙ্গ, যার সদর দপ্তর নিউইয়র্কের বাইরে নেদারল্যান্ডসের হেগ (The Hague) শহরে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice বা ICJ)-এর বিচারকদের পদকালীন মেয়াদ ৯ বছর
- আদালতে মোট ১৫ জন বিচারক থাকেন, যারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের সম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন।
- আদালতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য প্রতি তিন বছর অন্তর এক-তৃতীয়াংশ (৫ জন) বিচারকের মেয়াদ শেষ হয় এবং সেই পদগুলোতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- একজন বিচারক মেয়াদ শেষে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Minamata disease হলো একটি মারাত্মক স্নায়বিক রোগ, যা Mercury (পারদ) বিষক্রিয়ার কারণে ঘটে।
- ১৯৫০-এর দশকে জাপানের মিনামাটা উপসাগরে প্রথম এই রোগটি শনাক্ত হয়। শিল্পকারখানা থেকে নির্গত methylmercury পানিকে দূষিত করে এবং মাছের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এই বিষক্রিয়া ঘটায়।
- এটি মূলত কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে (CNS) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- অন্যান্য ভারী ধাতু যেমন Lead (সীসা), Arsenic (আর্সেনিক) বা Cadmium (ক্যাডমিয়াম) ভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নবজাতকদের Tuberculosis (TB) বা যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধের জন্য BCG (Bacillus Calmette-Guérin) টিকা দেওয়া হয়।
- এটি মূলত শিশুদের miliary TB এবং TB meningitis এর মতো মারাত্মক যক্ষ্মা থেকে প্রাথমিক সুরক্ষা প্রদান করে।
- উচ্চ যক্ষ্মা ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে জন্মের পরপরই এই টিকা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- অন্যান্য টিকার তুলনায় BCG জন্মের পরপরই দেওয়া নিরাপদ ও কার্যকরী, যা শিশুর vulnerable neonatal period-এ সর্বোচ্চ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করে।

Reference: Clark's Positioning in Paediatrics, 21st Edition, Volume 1, Chapter 6, Page 135
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Insulin therapy হলো Diabetes mellitus এর প্রধান চিকিৎসা।
- Diabetes mellitus একটি দীর্ঘস্থায়ী বিপাকীয় ব্যাধি, যা deficient insulin secretion (অপর্যাপ্ত ইনসুলিন নিঃসরণ) বা ইনসুলিনের প্রতি কোষের সংবেদনশীলতা কমে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট chronic hyperglycemia দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের (pancreas) বিটা কোষ থেকে উৎপন্ন একটি হরমোন, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- Type 1 diabetes-এ অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না এবং Type 2 diabetes-এ শরীর ইনসুলিনের প্রতি প্রতিরোধী হয়ে ওঠে, ফলে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়।
- অন্যান্য অপশনসমূহ: Hypertension (উচ্চ রক্তচাপ), Hypothyroidism (থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি) এবং Osteoporosis (হাড়ের ক্ষয়রোগ) এর সাথে ইনসুলিন থেরাপির সম্পর্ক নেই।

Reference: Harrison's Principles of Internal Medicine, 20th Edition, Volume 2, Endocrinology/Diabetes Chapter, Page 2500
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- দ্রুত বর্ধনশীল ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার জন্য শক্তিশালী রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে যে চিকিৎসা দেওয়া হয়, তাকে Chemotherapy বলা হয়।
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় Oncology বিভাগের বিশেষজ্ঞরা (Oncologist) এই পদ্ধতির প্রয়োগ করে থাকেন।
- অন্যান্য অপশনসমূহ:
- Radiotherapy: এই পদ্ধতিতে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে উচ্চ মাত্রার বিকিরণ (radiation) ব্যবহার করা হয়।
- Immunotherapy: এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে (immune system) শক্তিশালী করে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।
- Physiotherapy: এটি শারীরিক ব্যায়াম এবং ম্যানুয়াল থেরাপির মাধ্যমে শরীরের কার্যক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে, যা ক্যান্সার ধ্বংস করার কোনো পদ্ধতি নয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Tuberculosis (TB) বা যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী নির্দিষ্ট জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis নামক একটি ব্যাকটেরিয়া।
- এটি একটি ধীরগতিতে বৃদ্ধি পাওয়া acid-fast bacillus, যা মূলত ফুসফুসকে আক্রমণ করে, তবে শরীরের অন্যান্য অঙ্গকেও প্রভাবিত করতে পারে।
- এই ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরে mycolic acid থাকে, যা এটিকে সাধারণ স্টেইন এবং অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী করে তোলে। এটি নির্ণয়ের জন্য Ziehl-Neelsen stain এর মতো বিশেষ পদ্ধতির প্রয়োজন হয়।
- অন্যান্য অপশনসমূহ: Streptococcus pneumoniae নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে, Bacillus anthracis অ্যানথ্রাক্স রোগের জন্য দায়ী এবং Staphylococcus aureus বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সংক্রমণ ও রোগের কারণ।

Reference: Robbins Basic Pathology, Kumar et al., 10th Edition
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Widal test সাধারণত Typhoid (টাইফয়েড বা এন্টারিক ফিভার) নির্ণয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- এই রোগটি Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে।
- এই পরীক্ষায় রোগীর রক্তে ব্যাকটেরিয়ার অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া নির্দিষ্ট agglutinating antibodies (O এবং H অ্যান্টিবডি) শনাক্ত করা হয়। অ্যান্টিবডির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি সাম্প্রতিক বা চলমান সংক্রমণকে নির্দেশ করে।
- যেসব এলাকায় টাইফয়েডের প্রাদুর্ভাব বেশি, সেখানে ব্লাড কালচার সহজে না করা গেলে ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিসে এই পরীক্ষাটি বিশেষভাবে সহায়ক।

Reference: Harrison's Principles of Internal Medicine, Kasper et al., 20th Edition
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Vitamin C বা Ascorbic acid-এর তীব্র অভাবেই প্রধানত Scurvy রোগ হয়ে থাকে।
- Vitamin C মানবদেহে collagen synthesis-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রক্তনালী, ত্বক এবং হাড়ের গঠনে সাহায্য করে।
- এর অভাবে কোলাজেন গঠন ব্যাহত হয়, যার ফলে মাড়ি থেকে রক্তপাত, দুর্বলতা, অস্থিসন্ধিতে ব্যথা এবং ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়ার মতো Scurvy-এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

Reference: Davidson's Principles and Practice of Medicine, 23rd Edition.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Aedes aegypti মশা Dengue virus সংক্রমণের প্রধান বাহক বা vector হিসেবে কাজ করে।
- এই মশাগুলো মূলত day-biting (দিনের বেলা কামড়ায়) এবং এরা শহরাঞ্চলে পরিষ্কার ও জমে থাকা স্থির পানিতে বংশবৃদ্ধি করে।
- Dengue ভাইরাস মশার দেহে রেপ্লিকেট করে এবং কামড়ের মাধ্যমে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়। অন্যদিকে Anopheles এবং Culex মশা যথাক্রমে ম্যালেরিয়া এবং জাপানিজ এনসেফালাইটিসের মতো রোগের বাহক।

Reference: Davidson's Principles and Practice of Medicine, 23rd Edition, Chapter: Infectious Diseases, Page 743.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- খাদ্যে Iodine-এর অভাবই মূলত Goitre বা গলগণ্ড রোগের প্রধান কারণ।
- Iodine মানবদেহের thyroid gland-এর জন্য অপরিহার্য, কারণ এটি থাইরয়েড হরমোন (T3 এবং T4) তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
- পর্যাপ্ত আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি যথেষ্ট পরিমাণে হরমোন তৈরি করতে পারে না, যার ফলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে গ্রন্থিটি আকারে বড় হয়ে যায় (compensatory glandular hyperplasia), যা Goitre নামে পরিচিত।

Reference: Harrison's Principles of Internal Medicine, 20th Edition.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Mitochondria-কে কোষের 'powerhouse' বা শক্তিকেন্দ্র বলা হয় কারণ এটি কোষে শক্তি উৎপাদনের প্রধান স্থান।
- এখানে oxidative phosphorylation প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ATP (Adenosine triphosphate) উৎপন্ন হয়।
- ATP কোষের বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য energy currency হিসেবে কাজ করে।

Reference: Robbins Basic Pathology, 10th Edition.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানবদেহের রক্তের গড় স্বাভাবিক pH মান 7.4 (সাধারণত 7.35 থেকে 7.45 এর মধ্যে থাকে)।
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা এবং এটি slightly alkaline বা সামান্য ক্ষারীয় প্রকৃতির।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের (H+) ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে, যা 0 থেকে 14 স্কেলে পরিমাপ করা হয়।
- মানবদেহের স্বাভাবিক বিপাকীয় কাজ এবং এনজাইমের সঠিক কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য রক্তের এই নির্দিষ্ট pH মাত্রা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Reference: Guyton and Hall Textbook of Medical Physiology, 13th Edition.
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানব মস্তিষ্কে ভারসাম্য রক্ষা এবং ঐচ্ছিক পেশির চলাচলে সমন্বয় সাধনের প্রধান কাজ করে Cerebellum বা লঘুমস্তিষ্ক।
- এটি সংবেদী অঙ্গ, সুষুম্নাকাণ্ড (spinal cord) এবং মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশ থেকে তথ্য গ্রহণ করে পেশির কার্যকলাপকে সুনির্দিষ্ট করে।
- এটি শরীরের postural stability, coordination, এবং ঐচ্ছিক চলাচলে নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য।

- অন্যদিকে, Cerebrum (গুরুমস্তিষ্ক) বুদ্ধি, চিন্তা ও স্মৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।
- Medulla oblongata শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃদস্পন্দনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- Hypothalamus শরীরের তাপমাত্রা, ক্ষুধা এবং হরমোন নিঃসরণের মতো কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।

তাই, ভারসাম্য এবং সমন্বয় রক্ষায় Cerebellum-এর ভূমিকা এটিকে অন্যান্য অংশ থেকে আলাদা করে।

Reference: Principles of Neural Science, 5th Edition, Chapter 39, pp. 852-860
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একজন সুস্থ মানুষের হৃৎপিণ্ডে মোট চারটি প্রকোষ্ঠ (Four chambers) থাকে: দুটি অলিন্দ (Right and Left Atria) এবং দুটি নিলয় (Right and Left Ventricles)।
- এই chambered structure-এর কারণে অক্সিজেনযুক্ত (oxygenated) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত (deoxygenated) রক্ত আলাদা থাকে, যা pulmonary এবং systemic সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে দক্ষ রক্ত সঞ্চালন নিশ্চিত করে।
- একমুখী রক্তপ্রবাহ (unidirectional blood flow) বজায় রাখতে এবং হৃৎপিণ্ডের সঠিক কার্যকলাপের জন্য এই চার-প্রকোষ্ঠের গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Reference: Gray's Anatomy, Henry Gray, 42nd Edition
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানবদেহের এন্ডোক্রাইন (Endocrine) বা অন্তঃক্ষরা তন্ত্রের "Master Gland" বলা হয় Pituitary gland-কে।
- এর প্রধান কারণ হলো, পিটুইটারি গ্রন্থি অন্যান্য অনেক অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে যা শরীরের বৃদ্ধি, বিপাক (metabolism) এবং প্রজনন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

- এটি গ্রোথ হরমোন (GH), থাইরয়েড-স্টিমুলেটিং হরমোন (TSH), অ্যাড্রেনোকোর্টিকোট্রপিক হরমোন (ACTH) এবং লুটেইনাইজিং হরমোন (LH) নিঃসরণ করে, যা থাইরয়েড গ্রন্থি, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি এবং গোনাড (gonads)-এর কাজকে প্রভাবিত করে।
- অন্যদিকে, Adrenal gland মূলত মানসিক চাপ বা stress মোকাবিলায় কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসরণ করে; Thyroid gland বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে; এবং Pancreas রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী ইনসুলিন নিঃসরণ করে।

একাধিক গ্রন্থির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতার জন্যই Pituitary gland-কে "Master Gland" বলা হয়।

Reference: Ganong's Review of Medical Physiology, 26th Edition, Chapter 11 - The Endocrine System, Page 345-355

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানুষের ত্বক, চুল এবং চোখের রঙের জন্য দায়ী রঞ্জক পদার্থটির নাম হলো Melanin
- ত্বকের এপিডার্মিসের (epidermis) নিচের স্তরে থাকা melanocyte কোষগুলো এই মেলানিন তৈরি করে।
- মেলানিন কেবল রঙই প্রদান করে না, বরং এটি ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) শোষণ করে ত্বককে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

- অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
- Keratin হলো একটি গাঠনিক প্রোটিন, যা ত্বক, চুল ও নখের প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, কিন্তু এটি কোনো রঞ্জক নয়।
- Hemoglobin হলো লোহিত রক্তকণিকার প্রোটিন, যা রক্তকে লাল রঙ দেয় এবং অক্সিজেন পরিবহন করে।
- Carotene হলো একটি রঞ্জক যা গাজর বা অন্যান্য উদ্ভিদে পাওয়া যায় এবং এটি ত্বকে সামান্য হলদেটে ভাব আনতে পারে, তবে ত্বকের প্রধান রঞ্জক মেলানিন।

Reference: Robbins Basic Pathology, 10th Edition, Chapter 3 / Page 115
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0