Miscellaneous (1335 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Ionosphere বা আয়নমণ্ডল হলো বায়ুমণ্ডলের একটি ঊর্ধ্ব স্তর, যা মেসোস্ফিয়ারের ঠিক উপরে অবস্থিত।
- এই স্তরে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে গ্যাসীয় কণাগুলো আয়নিত অবস্থায় থাকে।
- বায়ুমণ্ডলের Ionosphere স্তরে আয়নের আধিক্যের ফলে বেতার তরঙ্গ (radio waves) প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে, যা দীর্ঘ দূরত্বের রেডিও যোগাযোগ সম্ভব করে তোলে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Tropopause হলো বায়ুমণ্ডলের এমন একটি সীমানা, যা Troposphere (সর্বনিম্ন স্তর) এবং Stratosphere-কে একে অপরের থেকে আলাদা করে।
- ট্রপোস্ফিয়ারে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পায়, তবে Tropopause বা ট্রপোপজ স্তরে এসে তাপমাত্রা কমা বন্ধ হয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Troposphere হলো বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বগামী।
- মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় ও বায়ুপ্রবাহের মতো প্রায় সমস্ত আবহাওয়ার ঘটনা (weather phenomena) এই স্তরেই ঘটে।
- বায়ুমণ্ডলের মোট ভরের প্রায় ৭৫-৮০% এবং জলীয় বাষ্প এই স্তরেই বিদ্যমান থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের Stratosphere স্তরেই ওজোন স্তর (ozone layer) অবস্থিত।
- এটি সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (ultraviolet radiation) শোষণ করে নেয়, যা পৃথিবীর জীবজগতকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Gobi Desert (গোবি মরুভূমি) এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল ঠান্ডা মরুভূমি (cold winter desert)।
- এটি মূলত চীনের উত্তরাংশ এবং মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশ জুড়ে বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ১২ লক্ষ ৯৫ হাজার বর্গ কি.মি.।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আতাকামা মরুভূমি (Atacama Desert) দক্ষিণ আমেরিকা (South America) মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্কতম অমেরু (non-polar) মরুভূমি।
- মূলত চিলির উত্তর সীমান্তে জুড়ে রয়েছে এর বিস্তার।
- এর এক দিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরের জলরাশি এবং অপরদিকে আন্দিজ পর্বতমালা। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফ্লাডপ্লেইন (Floodplain): নদীর তীরবর্তী নিচু ও সমতল ভূমি যা পর্যায়ক্রমিক বন্যার সময় প্লাবিত হয়, তাকে Floodplain বা প্লাবনভূমি বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর তথ্য:
ডেল্টা (Delta): নদীর মোহনায় পলি জমা হয়ে তৈরি ভূমিরূপ।
মালভূমি (Plateau): সমতল পৃষ্ঠবিশিষ্ট বিস্তীর্ণ উঁচু ভূখণ্ড।
মোহনা (Estuary): নদীর যে অংশে সমুদ্রের জোয়ারের জল প্রবেশ করে নদী ও সমুদ্রের জলের মিশ্রণ ঘটে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইন্দো-গাঙ্গেয় সমভূমি (Indo-Gangetic Plain): এটি ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে অবস্থিত একটি অত্যন্ত উর্বর সমভূমি।
- এটি মূলত তিনটি প্রধান নদী ব্যবস্থা: সিন্ধু (Indus), গঙ্গা (Ganga) এবং ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra)-এর পলি সঞ্চয়ের (depositional work) মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- উদাহরণস্বরূপ, ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে, যা এই সমভূমি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
উত্তর আমেরিকার বিস্তীর্ণ সমভূমির নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমিগুলিকে প্রেইরি (Prairies) বলা হয়।
অন্যান্য তৃণভূমি:
- পাম্পাস (Pampas): দক্ষিণ আমেরিকা (বিশেষ করে আর্জেন্টিনা) এর নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমি।
- স্টেপস (Steppes): ইউরোপ ও সেন্ট্রাল এশিয়ার বিস্তীর্ণ তৃণভূমি।
- সাভানা (Savannas): আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চলের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় তৃণভূমি।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অ্যালুভিয়াল প্লেইন (Alluvial plain): দীর্ঘকাল ধরে নদীর স্রোতের মাধ্যমে বাহিত পলি (sediment) জমা হয়ে সৃষ্ট বিস্তীর্ণ এবং সমতল ভূভাগকে Alluvial plain বা পাললিক সমভূমি বলা হয়।
অন্যান্য ভূ-প্রকৃতি:
- কোস্টাল প্লেইন (Coastal plain): সমুদ্র তীরবর্তী সমভূমি।
- গ্লেসিয়াল প্লেইন (Glacial plain): হিমবাহের প্রভাবে সৃষ্ট সমতল ভূমি।
- অ্যাবিসাল প্লেইন (Abyssal plain): গভীর সমুদ্র তলদেশের বিস্তীর্ণ সমতল অংশ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভারতের Chota Nagpur Plateau (ছোটনাগপুর মালভূমি) মূলত বিপুল Mineral deposits (খনিজ সম্পদ)-এর মজুতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
- একে ভারতের 'খনিজ ভাণ্ডার' বা 'রুঢ়' (Ruhr of India) বলা হয়।
- এখানে প্রচুর পরিমাণে কয়লা, আকরিক লোহা, অভ্র, ম্যাঙ্গানিজ এবং বক্সাইট পাওয়া যায়।
- এটি প্রধানত Jharkhand, Odisha, West Bengal এবং Chhattisgarh জুড়ে বিস্তৃত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উত্তর আমেরিকার Colorado Plateau (কলোরাডো মালভূমি) বিখ্যাত Grand Canyon-এর জন্য পরিচিত।
- Colorado River (কলোরাডো নদী) দীর্ঘদিন ধরে এই মালভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এই সুবিশাল ও সুগভীর গিরিখাত (Canyon) তৈরি করেছে।
- শুষ্ক অঞ্চলে কোমল শিলার স্তর নদীর স্রোতে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এই ধরণের গিরিখাত সৃষ্টি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভারতের Deccan Plateau (দাক্ষিণাত্য মালভূমি) মূলত Volcanic fissure eruption (ফাটল দিয়ে নিঃসারিত আগ্নেয়গিরির লাভা) দ্বারা গঠিত।
- লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভূত্বকের ফাটল দিয়ে ব্যাসল্ট (Basalt) লাভা নির্গত হয়ে স্তরে স্তরে জমা হয়ে এই বিস্তীর্ণ মালভূমি তৈরি করে, যা Deccan Traps নামেও পরিচিত।
- এই আগ্নেয় শিলা ক্ষয়ে গিয়েই পরবর্তীতে Black Soil (কালো মাটি বা রেগুর) তৈরি হয়েছে, যা তুলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Nohkalikai Falls হলো ভারতের সর্বোচ্চ প্লঞ্জ (plunge) জলপ্রপাত, যা Meghalaya (মেঘালয়) রাজ্যে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা প্রায় ৩৪০ মিটার (১,১১৫ ফুট)।
- এটি মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জির কাছাকাছি অবস্থিত, যা পৃথিবীর অন্যতম বৃষ্টিবহুল স্থান।
- অন্যান্য অপশনের মধ্যে Jog Falls কর্ণাটকের শরাবতী নদীতে এবং Dudhsagar Falls গোয়ার মান্ডোভী নদীতে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলপ্রপাত Victoria Falls আফ্রিকার Zambezi River (জাম্বেজি নদী) দ্বারা সৃষ্ট।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের Zambia (জাম্বিয়া) এবং Zimbabwe (জিম্বাবুয়ে) দেশের সীমান্তে অবস্থিত।
- প্রায় ১.৭ কিলোমিটার চওড়া এবং ১০৮ মিটার উঁচু এই জলপ্রপাতটির স্থানীয় নাম 'Mosi-oa-Tunya', যার অর্থ 'বজ্রনাদী ধোঁয়া'।
- জাম্বেজি নদী আফ্রিকার অন্যতম প্রধান দীর্ঘ নদী যা ভারত মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত (Niagara Falls) উত্তর আমেরিকার একটি বিখ্যাত জলপ্রপাত।
- এটি United States of America (যুক্তরাষ্ট্র) এবং Canada (কানাডা) এর আন্তর্জাতিক সীমান্তে অবস্থিত।
- বিশেষ করে এটি আমেরিকার নিউইয়র্ক রাজ্য এবং কানাডার অন্টারিও প্রদেশের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করেছে।
- এটি উভয় দেশের জন্য একটি প্রধান জলবিদ্যুৎ শক্তির উৎস (hydroelectric power source) হিসেবে কাজ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- S-waves বা Secondary waves হলো এক প্রকার ভূকম্পন তরঙ্গ, যা কেবলমাত্র কঠিন মাধ্যম দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
- এটি তরল বা বায়বীয় মাধ্যম দিয়ে যেতে পারে না।
- যেহেতু পৃথিবীর outer core তরল, তাই S-waves এর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হতে বাধা পায়।
- এই তরঙ্গের বৈশিষ্ট্যই প্রমাণ করে যে পৃথিবীর outer core তরল অবস্থায় রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Asthenosphere (অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার) হলো ঊর্ধ্ব গুরুমণ্ডল (Upper Mantle)-এর একটি অংশ, যা Lithosphere-এর ঠিক নিচে অবস্থিত।
- এটি সান্দ্র (viscous) এবং নমনীয় (ductile) প্রকৃতির।
- সান্দ্র বলতে বোঝায় এটি কঠিনের মতো আচরণ করে তবে দীর্ঘ সময় ধরে তরলের মতো প্রবাহিত হতে পারে।
- টেকটোনিক প্লেটগুলো মূলত এই অ্যাস্থেনোস্ফিয়ারের সান্দ্র স্তরের উপর ভাসমান থাকে এবং ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃথিবীর সবচেয়ে বাইরের কঠিন আবরণ বা খোলসকে Lithosphere (অশ্মমণ্ডল) বলা হয়।
- এটি প্রধানত দুটি স্তর নিয়ে গঠিত: The crust (ভূত্বক) এবং The uppermost solid mantle (ঊর্ধ্ব গুরুমণ্ডলের কঠিন অংশ)
- এই Lithosphere অংশটিই বিভিন্ন টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত থাকে, যা Asthenosphere-এর উপর দিয়ে চলাচল করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল বা Core প্রধানত দুটি ধাতব উপাদান দ্বারা গঠিত: Iron (লোহা - Fe) এবং Nickel (নিকেল - Ni)
- এই উপাদানগুলোর রাসায়নিক সংকেতের আদ্যক্ষর নিয়ে কেন্দ্রমণ্ডলকে অনেক সময় Nife বলা হয়।
- পৃথিবীর inner core (কঠিন) এবং outer core (তরল) মূলত এই লোহা এবং নিকেলের সমন্বয়েই গঠিত, যা পৃথিবীর কাঠামোগত ঘনত্ব এবং চৌম্বক ক্ষেত্র (magnetic field) বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভূ-অভ্যন্তরের বিভিন্ন স্তরের ঘনত্ব ও বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে স্তরগুলোকে পৃথককারী রেখাকে বিযুক্তিরেখা (Discontinuity) বলে।

- Mohorovičić discontinuity (Moho): এটি পৃথিবীর ভূত্বক (Crust) এবং গুরুমণ্ডলকে (Mantle) পৃথক করেছে।
- Gutenberg discontinuity: এটি কেন্দ্ৰমণ্ডল (Core) এবং গুরুমণ্ডলকে (Mantle) পৃথক করেছে।
- Conrad discontinuity: এটি ভূত্বকের সিয়াল (Sial) এবং সিমা (Sima) স্তরকে পৃথক করেছে।
- Lehmann discontinuity: এটি বহিঃকেন্দ্রমণ্ডল ও অন্তঃকেন্দ্রমণ্ডলকে পৃথক করেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাস (equatorial diameter) প্রায় 12,756 kilometers

সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- 6,378 kilometers: এটি পৃথিবীর নিরক্ষীয় ব্যাসার্ধ (equatorial radius)।
- 40,075 kilometers: এটি পৃথিবীর নিরক্ষীয় পরিধি (equatorial circumference)।
- পৃথিবীর মেরু ব্যাস (polar diameter) নিরক্ষীয় ব্যাসের তুলনায় সামান্য কম, যা প্রায় 12,714 kilometers।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রাচীন গ্রিক গণিতবিদ, ভূগোলবিদ ও জ্যোতির্বিদ Eratosthenes সর্বপ্রথম পৃথিবীর পরিধি (circumference) প্রায় নিখুঁতভাবে পরিমাপ করেন।

গ্রিক বিজ্ঞানীদের অন্যান্য অবদান:
- প্রাচীন গ্রিকরাই প্রথম সংগঠিতভাবে বিজ্ঞান চর্চা শুরু করেন এবং পৃথিবীর প্রথম মানচিত্র অঙ্কন করেন।
- তাঁরাই প্রথম প্রমাণ করেন যে পৃথিবী একটি গ্রহ এবং এটি নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- Geography শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন Eratosthenes, তাই তাঁকে ভূগোলের জনকও বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ঢাকা শহরের মতো বড় নগরীতে ঘন ঘন জলাবদ্ধতার (urban waterlogging) প্রধান মানবসৃষ্ট (anthropogenic) কারণ হলো প্রাকৃতিক জলাভূমি ভরাট করা (Filling up of natural wetlands)। অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং অবকাঠামো নির্মাণের জন্য খাল-বিল ও জলাশয় ভরাট করার ফলে বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারে না, যার ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক (Arsenic) নামক বিষাক্ত ধাতব পদার্থের ব্যাপক উপস্থিতি একটি বিশাল জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত বড় চ্যালেঞ্জ।

- দীর্ঘমেয়াদে আর্সেনিকযুক্ত পানি পানের ফলে Chronic arsenicosis দেখা দেয়।
- এর প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ত্বকের পরিবর্তন (যেমন: melanosis, hyperkeratosis), peripheral neuropathy এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি।
- এটি সাধারণত কয়েক বছর ধরে কম মাত্রার আর্সেনিক গ্রহণের ফলে ধীরে ধীরে শরীরে প্রকাশ পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর তীরে বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষ প্রতি বছর নদীভাঙন (Riverbank erosion) নামক ধ্বংসাত্মক হাইড্রো-মরফোলজিক্যাল (hydro-morphological) প্রপঞ্চের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়। বর্ষাকালে নদীর প্রবল স্রোত ও পানির স্তর বৃদ্ধির কারণে নদীর তীর ভেঙে লোকালয়, কৃষিজমি ও স্থাপনা বিলীন হয়ে যাওয়া এখানকার একটি নিয়মিত বিপর্যয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুন্দরবন (Sundarbans) হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

- গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর ব-দ্বীপে বঙ্গোপসাগরের কূলে অবস্থিত এই বনের আয়তন প্রায় ১,৪০,০০০ হেক্টর।
- এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন সময়ে বাতাসের গতিবেগ ও জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা কমিয়ে উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলকে রক্ষা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের নিম্নভূমি ও উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত হুমকি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি (Sea-level rise)

- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের লোনা পানি উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ করে, যা লবণাক্ততা বৃদ্ধি (Salinity Intrusion) ঘটায়।
- এই লোনা পানি ফসলের জমিতে মিশে গিয়ে কৃষিকাজ, বিশেষ করে বীজ অঙ্কুরোদগম ও গাছের বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।
- নদীর মিঠা পানির প্রবাহ শুষ্ক মৌসুমে কমে যাওয়ায় এই সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। এছাড়া ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মৌসুমী বায়ুপ্রবাহ এবং বঙ্গোপসাগরের প্রভাবে এখানে Tropical Monsoon Climate বা ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু বিরাজ করে।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাঙ্গামাটি জেলার Kaptai (কাপ্তাই) নামক স্থানে অবস্থিত।
- ১৯৬২ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে খরস্রোতা কর্ণফুলী নদীতে 'কাপ্তাই বাঁধ' নির্মাণের মাধ্যমে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়।
- এটি 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' নামে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0