International Politics (33 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের মধ্যে যে সীমারেখা রয়েছে, তার আনুষ্ঠানিক নাম হলো Green Line বা সবুজ রেখা।
- এই রেখাটি ১৯৪৯ সালের অস্ত্রবিরতি চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছিল, যা ইসরায়েল ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর (মিসর, জর্ডান, লেবানন, সিরিয়া) মধ্যে ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর স্থাপন করা হয়।
- এই রেখাটি মূলত ইসরায়েলের পূর্ব সীমান্ত এবং পশ্চিম তীর ও গাজা ভূখণ্ডের মধ্যে বিভাজন রেখা হিসেবে পরিচিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- NATO-এর প্রথম সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ হয়েছিল বসনিয়া যুদ্ধে (The Bosnian War)
- ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা অঞ্চলে সংঘটিত এই যুদ্ধে, NATO প্রথমবারের মতো সরাসরি সামরিক অভিযান চালায়।
- ১৯৯৪ এবং ১৯৯৫ সালে NATO বিমান বাহিনী বসনিয়ার উপর no-fly জোন কার্যকর করে এবং বসনিয়ান সার্বীয় সামরিক অবস্থান ও বিমানঘাঁটিতে বোমাবর্ষণ চালায়।
- এই সময়েই NATO-এর প্রথম যুদ্ধবিমান সংঘর্ষ ঘটে, যেখানে চারটি সার্বীয় যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতির অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো, এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল—বিশেষ করে ছোট দলগুলিও—তাদের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে সংসদে আসন পায়। ফলে, সংসদে বৃহৎ দলের পাশাপাশি ছোট দলগুলোরও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।

পিআর পদ্ধতির আরও যেসব সুবিধা রয়েছে:
- ভোটের অনুপাতে আসন বণ্টন: PR পদ্ধতিতে, একটি দল যত শতাংশ ভোট পায়, প্রায় সেই অনুপাতে তারা সংসদে আসন পায়। ফলে, কেবল বড় দল নয়, ছোট দলগুলোও তাদের ভোটের অনুপাতে সংসদে প্রবেশের সুযোগ পায়।
- রাজনৈতিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি: এই পদ্ধতিতে ছোট দল, সংখ্যালঘু গোষ্ঠী, বা বিশেষ স্বার্থসম্পন্ন দলগুলোও সংসদে তাদের কণ্ঠ তুলে ধরতে পারে। এতে সংসদে নানামুখী মতামত ও রাজনৈতিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়।
- প্রতিটি ভোটের মূল্য: PR পদ্ধতিতে প্রতিটি ভোটের মূল্য থাকে, কারণ ভোট নষ্ট হয় না; এমনকি ছোট দলকে দেওয়া ভোটও আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।
- বৃহৎ দলের একচেটিয়া আধিপত্য কমে: Winner-takes-all বা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভিত্তিক ব্যবস্থায় ছোট দল প্রায়ই উপেক্ষিত হয়, কিন্তু PR পদ্ধতিতে তাদেরও সমান সুযোগ থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাশিয়ান পপুলিস্ট আন্দোলন "অ্যানার্কিজম"-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন মিখাইল বাকুনিন।
- তিনি একজন বিশিষ্ট রাশিয়ান বিপ্লবী এবং অ্যানার্কিজমের অন্যতম প্রধান তাত্ত্বিক হিসেবে পরিচিত।
- বাকুনিন আধুনিক অ্যানার্কিজমের ভিত্তি স্থাপন করেন এবং রাষ্ট্র ও কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে তার দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করেন।
- তার কাজ এবং আদর্শ পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী অ্যানার্কিস্ট আন্দোলনে গভীর প্রভাব ফেলে।

[তথ্যসূত্র: Britannica, Examveda]
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন একটি পরোক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়, যেখানে জনগণ সরাসরি প্রেসিডেন্টকে ভোট না দিয়ে "ইলেক্টোরাল কলেজ" নামে পরিচিত একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে ভোট দেয়।
- ইলেক্টোরাল কলেজে মোট ৫৩৮টি ভোট থাকে, যা প্রতিটি রাজ্যের জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় (প্রতিটি রাজ্যের কংগ্রেস সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী)।
- প্রেসিডেন্ট হতে হলে একজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে হয়।
- ইলেক্টোরাল কলেজের এই পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে বর্ণিত এবং এটি জনগণের জনপ্রিয় ভোট ও রাজ্যভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

[তথ্যসূত্র: Britannica, USAGov]
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

The French Revolution was a period of far-reaching social and political upheaval in France that lasted from 1789 until 1799, and was partially carried forward by Napoleon during the later expansion of the French Empire.

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী অনেকে কিছুর জন্য বিখ্যাত-
• ১৭৮০ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে ব্রিটেন ও আমেরিকার মধ্যে এক চুক্তি সম্পাদিত হয়। এটিকে প্রথম ভার্সাই চুক্তি বলা হয়। ১ম ভার্সাই চুক্তি আমেরিকার স্বাধীনতা অর্জনের একটি ধাপ ছিল মাত্র। তিন বছর পর ৩ সেপ্টেম্বর ১৭৮৩ সালে আমেরিকা পূর্ন স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান এবং জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করে ক্ষতিপূরণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি সাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি প্রণয়ন করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং ইতালি। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0