সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

Constitution of Bangladesh

৬০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন-এর ফলেই ১৯৫৬ সালে বাংলা ভাষা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি লাভ করে । ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার দাবিতে রফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। এই আন্দোলনের তীব্রতা ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ১৯৫৬ সালের পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে (অনুচ্ছেদ ২১৪) উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহীত হলে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানের ২১৪(১) অনুচ্ছেদে বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তনের বিধান রাখা হয়েছে।
⇒ সংবিধানের কোনো বিধান সংশোধন করতে হলে জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের প্রয়োজন হয়।
⇒ সংসদ সদস্যগণ হ্যাঁ-সূচক ভোট দিলে বিলটি রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পেশ করা হয়।
⇒ এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমেই বাংলাদেশের সংবিধানকে সময়ের প্রয়োজনে পরিবর্তন বা পরিমার্জন করার ক্ষমতা সংসদকে দেওয়া হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
⇒ সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
⇒ অর্থাৎ, যাকে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হবে, তাকে অবশ্যই এমন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার অধিকারী হতে হবে যা একজন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার জন্য প্রয়োজন।
⇒ তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তোষ অনুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission) গঠনের কথা বলা হয়েছে।
⇒ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনের দ্বারা বাংলাদেশে এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হবে।
⇒ এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত ও দক্ষ কর্মী নিয়োগ দেওয়া।
⇒ পিএসসির সদস্য এবং চেয়ারম্যানকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (CAG) একটি সাংবিধানিক পদ।
⇒ সংবিধানের ১২৭(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাকে নিয়োগ দান করেন।
⇒ তিনি প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষা এবং সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেন।
⇒ তার কাজের দায়বদ্ধতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংবিধানে তাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে এবং তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের মতো সুবিধাদি ভোগ করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সংবিধানের নবম-ক ভাগে 'জরুরী বিধানাবলী' অংশে ১৪১ক (Article 141 অনুচ্ছেদে জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান রয়েছে।
⇒ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, যুদ্ধ, বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা এর কোনো অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তবে তিনি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
⇒ জরুরি অবস্থা ঘোষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।
⇒ ১৪১খ এবং ১৪১গ অনুচ্ছেদে যথাক্রমে সংবিধানের কিছু বিধান স্থগিত এবং মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (Part III) নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
⇒ এই ভাগের ২৬ থেকে ৪৭(ক) অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদে বিভিন্ন ধরনের মৌলিক অধিকারের বর্ণনা রয়েছে।
⇒ এর মধ্যে ১৮টি মৌলিক অধিকার সরাসরি বলবৎযোগ্য। যেমন: চলাফেরার স্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতা, ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ইত্যাদি।
⇒ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে 'আইনের দৃষ্টিতে সমতা'র কথা বলা হয়েছে।
⇒ এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।"
⇒ এর মানে হলো, ধনী-দরিদ্র, ক্ষমতাধর বা সাধারণ মানুষ—আইনের চোখে সবাই সমান এবং কেউ অপরাধ করলে একই আইনের অধীনে বিচার হবে।
⇒ মনে রাখবে, অনুচ্ছেদ ২৮-এ বৈষম্য বিলোপের কথা বলা হয়েছে, আর অনুচ্ছেদ ২৯-এ সরকারি নিয়োগে সমতার কথা বলা হয়েছে।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো ৪টি।
⇒ এই চারটি মূলনীতি হলো: ১. জাতীয়তাবাদ, ২. সমাজতন্ত্র, ৩. গণতন্ত্র এবং ৪. ধর্মনিরপেক্ষতা।
⇒ সংবিধানের ৮(১) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, এই চারটি মূলনীতি এবং এগুলো থেকে উদ্ভূত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলে গণ্য হবে।
⇒ এগুলো হলো সংবিধানের মৌলিক স্তম্ভ, যার ওপর ভিত্তি করে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সময় ভাষাগত ভুল সংশোধনের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির সদস্য ছিলেন:
- ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
- ডঃ মুহাম্মদ এনামুল হক
- ডঃ মুহাম্মদ আবদুল হাই

তবে, ডঃ মুহাম্মদ সাদিক এই কমিটির সদস্য ছিলেন না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতিঃ
৮ নং অনুচ্ছেদ - মূলনীতিসমূহ
৯ নং অনুচ্ছেদ - জাতীয়তাবাদ
১০ নং অনুচ্ছেদ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১১ নং অনুচ্ছেদ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
১২ নং অনুচ্ছেদ - ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
১৩ নং অনুচ্ছেদ - মালিকানার নীতি
১৪ নং অনুচ্ছেদ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫ নং অনুচ্ছেদ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬ নং অনুচ্ছেদ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭ নং অনুচ্ছেদ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৮ নং অনুচ্ছেদ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৮ক নং অনুচ্ছেদ - পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
১৯ নং অনুচ্ছেদ - সুযোগের সমতা
২০ নং অনুচ্ছেদ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
২১ নং অনুচ্ছেদ - নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য
২২ নং অনুচ্ছেদ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
২৩ নং অনুচ্ছেদ - জাতীয় সংস্কৃতি
২৩ক নং অনুচ্ছেদ - উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
২৪ নং অনুচ্ছেদ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন প্রভৃতি
২৫ নং অনুচ্ছেদ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গণপরিষদ হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আইন পরিষদ।
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে ১৬৯ জন ও প্রাদেশিক পরিষদে ৩০০ জন মোট ৪৬৯ জন নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে নিহত, দালালিসহ বিভিন্ন ৬৬ জন বাদ দিয়ে মোট ৪০৩ জন নিয়ে গণ পরিষদ গঠিত হয়।
- গণ পরিষদ গঠিত হয় সংবিধান তৈরীর জন্য।
- এই গণপরিষদ আদেশ জারি করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাইদ চৌধুরী ২৩ মার্চ ১৯৭২ সনে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত, যা ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং এর অনুচ্ছেদ ১৫৩।
- এ সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করা হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক এ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত, যা ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং এর অনুচ্ছেদ ১৫৩।
- এ সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করা হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক এ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়' এর চিত্রনাট্য নির্মিত হয়েছে টিটো রহমানের ছোটগল্প 'বউ কথা কও' অবলম্বনে।
- ফাগুন হাওয়ায়(২০১৯) তৌকীর আহমেদ পরিচালিত বাংলাদেশী ঐতিহাসিক নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৭০ সালে মার্চ মাসে বাংলার সাড়ে সাতকোটি বাঙালির বঞ্চনা -দুর্দশা আর স্বপ্ন -আকাঙ্ক্ষাকে ছন্দময় করে দেশাত্মবোধক 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির রচনা করেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সুরকার আনোয়ার পারভেজ এবং এর শিল্পী ছিলেন শাহনাজ রহমতুল্লাহ ও আব্দুল জব্বার ।
- এ গানটিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাপিডিয়া অনুসারে, শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও দখল করেন। তিনি ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে সোনারগাঁও অধিকার করেন এবং এভাবে বাংলার তিনটি প্রদেশ—সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও—একত্রিত করে সমগ্র বাংলার অধিপতি হন। এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন এবং "শাহ-ই-বাঙ্গালাহ", "শাহ-ই-বাঙ্গালিয়ান" ও "সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ" উপাধিতে ভূষিত হন।

সোনারগাঁও বিজয়ের পর তিনি বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণকে 'বাঙালি' নামে অভিহিত করেন এবং নিজেকে বাঙালিদের জাতীয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই কারণে তাকে মধ্যযুগীয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক বলা হয়।

উল্লেখ্য যে, ইলিয়াস শাহের সাম্রাজ্য আসাম থেকে বারাণসী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, যা তার পুত্র সিকান্দার শাহের রাজত্বের প্রথম বছরে কামরূপের টাকশালে উৎকীর্ণ একটি মুদ্রা থেকে প্রমাণিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সংবিধানের ৪১ এ-
(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে;
- (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
 

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম।

বর্ণনা :- লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র ।বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ"নিচে লেখা "সরকার" এবং বৃত্তের উভয় পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা। ডিজাইনার :-এম এন সাহা।

আরও জানুনঃ

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক।

বর্ণনা :-বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান শাপলা ফুল । তার মাথায় পাট গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটো করে তারকা।

ডিজাইনার :-কামরুল হাসান ।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।