Constitution of Bangladesh (50 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সময় ভাষাগত ভুল সংশোধনের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির সদস্য ছিলেন:
- ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
- ডঃ মুহাম্মদ এনামুল হক
- ডঃ মুহাম্মদ আবদুল হাই

তবে, ডঃ মুহাম্মদ সাদিক এই কমিটির সদস্য ছিলেন না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতিঃ
৮ নং অনুচ্ছেদ - মূলনীতিসমূহ
৯ নং অনুচ্ছেদ - জাতীয়তাবাদ
১০ নং অনুচ্ছেদ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
১১ নং অনুচ্ছেদ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
১২ নং অনুচ্ছেদ - ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
১৩ নং অনুচ্ছেদ - মালিকানার নীতি
১৪ নং অনুচ্ছেদ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
১৫ নং অনুচ্ছেদ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৬ নং অনুচ্ছেদ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব
১৭ নং অনুচ্ছেদ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৮ নং অনুচ্ছেদ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
১৮ক নং অনুচ্ছেদ - পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
১৯ নং অনুচ্ছেদ - সুযোগের সমতা
২০ নং অনুচ্ছেদ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
২১ নং অনুচ্ছেদ - নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য
২২ নং অনুচ্ছেদ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
২৩ নং অনুচ্ছেদ - জাতীয় সংস্কৃতি
২৩ক নং অনুচ্ছেদ - উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
২৪ নং অনুচ্ছেদ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন প্রভৃতি
২৫ নং অনুচ্ছেদ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণপরিষদ হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আইন পরিষদ।
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে ১৬৯ জন ও প্রাদেশিক পরিষদে ৩০০ জন মোট ৪৬৯ জন নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে নিহত, দালালিসহ বিভিন্ন ৬৬ জন বাদ দিয়ে মোট ৪০৩ জন নিয়ে গণ পরিষদ গঠিত হয়।
- গণ পরিষদ গঠিত হয় সংবিধান তৈরীর জন্য।
- এই গণপরিষদ আদেশ জারি করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাইদ চৌধুরী ২৩ মার্চ ১৯৭২ সনে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত, যা ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং এর অনুচ্ছেদ ১৫৩।
- এ সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করা হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক এ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত, যা ১১টি ভাগে বিভক্ত এবং এর অনুচ্ছেদ ১৫৩।
- এ সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করা হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক এ সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়' এর চিত্রনাট্য নির্মিত হয়েছে টিটো রহমানের ছোটগল্প 'বউ কথা কও' অবলম্বনে।
- ফাগুন হাওয়ায়(২০১৯) তৌকীর আহমেদ পরিচালিত বাংলাদেশী ঐতিহাসিক নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৭০ সালে মার্চ মাসে বাংলার সাড়ে সাতকোটি বাঙালির বঞ্চনা -দুর্দশা আর স্বপ্ন -আকাঙ্ক্ষাকে ছন্দময় করে দেশাত্মবোধক 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির রচনা করেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, সুরকার আনোয়ার পারভেজ এবং এর শিল্পী ছিলেন শাহনাজ রহমতুল্লাহ ও আব্দুল জব্বার ।
- এ গানটিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাপিডিয়া অনুসারে, শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও দখল করেন। তিনি ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে সোনারগাঁও অধিকার করেন এবং এভাবে বাংলার তিনটি প্রদেশ—সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও—একত্রিত করে সমগ্র বাংলার অধিপতি হন। এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন এবং "শাহ-ই-বাঙ্গালাহ", "শাহ-ই-বাঙ্গালিয়ান" ও "সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ" উপাধিতে ভূষিত হন।

সোনারগাঁও বিজয়ের পর তিনি বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণকে 'বাঙালি' নামে অভিহিত করেন এবং নিজেকে বাঙালিদের জাতীয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই কারণে তাকে মধ্যযুগীয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক বলা হয়।

উল্লেখ্য যে, ইলিয়াস শাহের সাম্রাজ্য আসাম থেকে বারাণসী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল, যা তার পুত্র সিকান্দার শাহের রাজত্বের প্রথম বছরে কামরূপের টাকশালে উৎকীর্ণ একটি মুদ্রা থেকে প্রমাণিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংবিধানের ৪১ এ-
(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে;
- (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

[last updated: 13 April, 2016]

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম।

বর্ণনা :- লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র ।বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ"নিচে লেখা "সরকার" এবং বৃত্তের উভয় পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা। ডিজাইনার :-এম এন সাহা।

আরও জানুনঃ

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক।

বর্ণনা :-বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান শাপলা ফুল । তার মাথায় পাট গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটো করে তারকা।

ডিজাইনার :-কামরুল হাসান ।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অদিবেশনে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এ কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির দায়িত্ব ছিল সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করা।
- কমিটি ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পেশ করে, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। তাই ৪ নভেম্বর হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সংবিধান দিবস।
- এ সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

সর্বশেষ ১৬ তম সংশোধনীঃ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সংসদে পাস হয়। ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ তারিখে রাস্ট্রপতি স্বাক্ষর করেন। এ সংশোধনির মাধ্যমে সংবিধানের অণুচ্ছেদ ৯৬ এর পুনস্থাপন করা হয়। (Last Updated: 2 Feb, 2015)

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 

সংবিধানের ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গনজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন” বলা আছে

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0