Miscellaneous (200 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ বা বাংলা দ্বিখণ্ডিত করার ঘোষণা কার্যকর করেন।
- প্রশাসনিক সুবিধার দোহাই দিয়ে তিনি বাংলাকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যদিও এর মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করা।
- এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয় এবং স্বদেশী আন্দোলন জোরদার হয়ে ওঠে।
- তীব্র গণআন্দোলনের চাপে ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ বা বাতিল করতে বাধ্য হন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম (A.O. Hume) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (INC) প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সিভিল সার্ভেন্ট, যিনি ১৮৮৫ সালে বোম্বেতে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনের নেতৃত্ব দেন।
- এই সংগঠনের প্রথম সভাপতি ছিলেন উমেশ চন্দ্র ব্যানার্জি (W.C. Bonnerjee)
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস শুরুতে ব্রিটিশ সরকারের সাথে ভারতীয়দের আলোচনার একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছিল, যা পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১০ মে 1857-এ Meerut-এ সিপাহিরা বিদ্রোহ শুরু করে; তারা কিছু ব্রিটিশ অফিসারকে হত্যা করে, বন্দি সিপাহিদের মুক্ত করে এবং পরদিন Delhi-এর দিকে এগোয়।
- ১১ মে 1857-এ বিদ্রোহীরা Delhi দখল করে এবং সেখানে Bahadur Shah II-কে প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতীক হিসাবে সামনে নিয়ে আসে।
- Barrackpore-এ আগে থেকেই কিছু বিচ্ছিন্ন সিপাহী আক্রমণ ও অশান্তি দেখা যায়; এছাড়া অন্যান্য ক্যান্টনমেন্টেও ক্ষোভ ছিল, কিন্তু এগুলো ছিল আঞ্চলিক ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা, যা পুরো সারা উত্তাল করে তোলে না।
- তাই সাধারণ ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অনুযায়ী বড় মাত্রার, সমন্বিত এবং জনমুখী আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা সনাক্ত করা হয় Meerut-কে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্বত্ববিলোপ নীতি বা 'Doctrine of Lapse' প্রবর্তন করেছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসি
- এই নীতির মূল কথা ছিল, কোনো ভারতীয় দেশীয় রাজ্যের রাজার যদি কোনো স্বাভাবিক উত্তরসূরি (নিজ ছেলে) না থাকে, তবে তিনি দত্তক পুত্র গ্রহণ করে রাজ্য পরিচালনা করতে পারবেন না।
- রাজার মৃত্যুর পর সেই রাজ্য বা রাজত্ব সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে চলে যাবে।
- লর্ড ডালহৌসি এই নীতি প্রয়োগ করে সাতারা (১৮৪৮), সম্বলপুর (১৮৪৯), উদয়পুর (১৮৫২), ঝাঁসি (১৮৫৩) এবং নাগপুর (১৮৫৪)-এর মতো রাজ্যগুলি দখল করেছিলেন।
- ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের মধ্যে লর্ড ডালহৌসিকেই আধুনিক ভারতের নির্মাতা বলা হয় কারণ তাঁর আমলে রেল, টেলিগ্রাফ এবং ডাক ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ছিলেন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল (১৮৩৩ সালের চার্টার অ্যাক্ট দ্বারা), যার কার্যকালে ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রদ হয়।

- রাজা রামমোহন রায় এবং অন্যান্য সমাজ সংস্কারকদের তীব্র আন্দোলনের ফলে ১৮২৯ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিতে রেগুলেশন XVII পাসের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ছিলেন একজন উদারণপন্থী প্রশাসক, যিনি ভারতীয় সমাজে অনেক সংস্কারমূলক পরিবর্তন এনেছিলেন, যার মধ্যে সতীদাহ প্রথা রদ অন্যতম।

- লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ এবং লর্ড ক্যানিং ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ও ১৮৫৬ সালের বিধবা বিবাহ আইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু সতীদাহ প্রথা বাতিলের সাথে নয়।

- লর্ড রিপন স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ইলবার্ট বিল বিতর্কের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিস্তার ঘটানোর জন্য ''অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি'' বা 'Subsidiary Alliance' ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা এবং তাদের সার্বভৌমত্ব খর্ব করা।
- হায়দ্রাবাদের নিজাম ১৭৯৮ সালে সর্বপ্রথম এই নীতি গ্রহণ করেন।
- এই নীতি গ্রহণকারী রাজ্যগুলোকে নিজেদের রাজ্যে একদল ব্রিটিশ সৈন্য রাখতে হতো এবং তাদের ভরণপোষণের ব্যয়ভার বহন করতে হতো।
- পরবর্তীতে মহীশূর, তাঞ্জোর, অযোধ্যা এবং পেশোয়াদের মতো রাজ্যগুলোও এই নীতির অধীনে চলে আসে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হকিন্স এবং ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে স্যার টমাস রো মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন।
- স্যার টমাস রো-এর অনুরোধে ১৬১৩ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীর এক ফরমান জারির মাধ্যমে ইংরেজদের সুরাটে বাণিজ্যকুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন।
- এটিই ছিল ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির স্থাপিত প্রথম বাণিজ্যকুঠি বা কারখানা।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আসল নাম ছিল মির্জা নুরুদ্দিন বেগ মোহাম্মদ খান সেলিম, যিনি ১৬০৫ থেকে ১৬২৭ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।
- তিনি তাঁর ন্যায়পরায়ণতার জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত ছিলেন এবং আগ্রা দুর্গে 'জিঞ্জির-ই-আদল' বা 'ন্যায়বিচারের শিকল' স্থাপন করেছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভাস্কো দা গামা হলেন প্রথম পর্তুগিজ নাবিক যিনি ১৪৯৮ সালে সমুদ্রপথে ভারতে পৌঁছান।
- তিনি আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত উত্তমাশা অন্তরীপ বা 'Cape of Good Hope' হয়ে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- এই আবিষ্কারের ফলে ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক বাণিজ্যের পথ উন্মুক্ত হয়।
- অন্যদিকে, ১৪৮৭ সালে বার্থোলোমিউ দিয়াজ প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে উত্তমাশা অন্তরীপে পৌঁছান, কিন্তু তিনি ভারতে আসেননি।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন এবং ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি পৃথিবী পরিক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি এই নতুন রাজধানীর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার বিদ্রোহী জমিদার 'বারো ভূঁইয়াদের' দমন করা এবং মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের প্রতিহত করা।
- ইসলাম খান চিশতি সফলভাবে বারো ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খাঁ-র পুত্র মুসা খাঁ-কে পরাজিত করেছিলেন।
- রাজধানী স্থানান্তরের ফলে ঢাকা একটি গুরত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্রে পরিণত হয় এবং মসলিন শিল্পের বিকাশ ঘটে।
- পরবর্তীতে ১৬৬০ সালে বাংলার আরেক সুবেদার মীর জুমলা পুনরায় ঢাকাকে বাংলার রাজধানীতে রূপান্তর করেন।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
- তিনি ছিলেন জাতিতে তুর্কি, বংশে খলজি এবং আফগানিস্তানের গরমশির বা আধুনিক দশত-ই-মার্গ এর অধিবাসী।
- ১২০৪ সালে তিনি মাত্র ১৮ জন অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে সেন বংশের রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা (নদিয়া) জয় করেন।
- বখতিয়ার খলজির এই বিজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় মধ্যযুগের এবং মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
- তিনি বাংলার প্রথম মুসলিম শাসক হিসেবে লখনৌতি বা গৌড়ে তার রাজধানী স্থাপন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমির খসরু ছিলেন সুলতানি যুগের একজন প্রখ্যাত সুফি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ ও পণ্ডিত।
- তাঁর সুমধুর কণ্ঠ ও পাণ্ডিত্যের জন্য তাঁকে 'তুত-ই-হিন্দ' বা 'ভারতের তোতা পাখি' বলা হয়।
- তিনি কাওয়ালি সঙ্গীতের প্রবর্তক এবং উর্দু সাহিত্যের অন্যতম জনক হিসেবে বিবেচিত হন।
- ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে 'খেয়াল' প্রবর্তনে এবং সেতার ও তবলা বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবনে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'অন্ধকূপ হত্যা' (Black Hole Tragedy) একটি বহুল প্রচারিত সেনা হত্যাকাণ্ড, যা ব্রিটিশ আমলে কলকাতায় সংঘটিত হয়েছিল বলে উল্লেখ করা আছে। সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ফোর্ট উইলিয়াম হামলায় হত্যার অভিযোগ উঠে ১২৩ জন ইংরেজকে হত্যার। ইংরেজ সেনা হলওয়েল এর এ মিথ্যা কাহিনী ইতিহাসে পরিচিত 'অন্ধকূপ হত্যা' নামে। এতে বলা হয়ে থাকে ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ১৪.১০ ফুট প্রয় ছোট একটি ঘরে ১৪৬ জন ইংরেজকে বন্দি করে রাখা হয় এবং তাদের মধ্যে ১২৩ জনের মৃত্যু হয়।

- সিরাজউদ্দৌলার প্রকৃত নাম মির্জা মুহাম্মদ (পুরো নাম- মির্জা মুহাম্মদ আলী)। তার পিতার নাম জয়েনউদ্দিন। নবাব অলীবর্দী খান ছিলেন সিরাজউদ্দৌলার নানা। তিনি বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে স্থানান্তর করেন কোলকাতা (আলী নগর)।
- সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন ১৭৫৬ সালে (২২/২৩ বছর বয়সে)
- সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দখল করেন ২০ জুন, ১৭৫৬। 
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার ‘যৌবরাজ্যাভিষেক’ ঘটে ১৭ বছর বয়সে।
- নবাব ও ইংরেজদের মধ্যে সন্ধি হয় ১৭৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি (ইহা ইতিহাসে ‘আলীনগর সন্ধি’ নামে খ্যাত]
- পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ২৩ জুন, ১৭৫৭ সালে।
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৭৬৪ সালে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নবাব মুর্শিদকুলী খান ছিলেন বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম স্বাধীন নবাব, তিনি বাল্যকালে ছিলেন ইস্পাহান, ইরান।
- ১৭০০ সালে আওরঙ্গজেব তাকে বাংলায় দেওয়ান নিযুক্ত করেন তার কাজ ছিল: সুবার রাজস্ব আদায় ও অর্থব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা,
- ১৭০৩ সালে মুর্শিদ কুলি উপাধি পান
- ১৭১৬ সালে বাংলার নাজিম হন
- ১৭১৭ সালে ঢাকা মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করেন
- ১৭২২ সালে রাজা টোডরমল ও শাহ্ সুজার ভূমিরাজস্ব বন্দোবস্ত পদ্ধতির সংস্কার করেন এবং ‘মাল জমিনী’ নামক রাজস্ব ব্যবস্থা চালু করেন। তিনি দিল্লিতে বার্ষিক ১ কোটি ৩ লক্ষ টাকা রাজস্ব পাঠাতেন
- ১৭২৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তার উপাধি করতলব খান, জাফর খান এবং ‘মুতামিন-উল-মুলক আলা-উদ-দৌলা জাফর খান নাসির জঙ্গ বাহাদুর'
- তাকে ‘করতলব খান’ উপাধি দেন আওরঙ্গজেব
- তিনি নির্মাণ করেন মুর্শিদাবাদে ‘চেহেল সেতুন’ দুর্গ এবং ঢাকার বেগমবাজারে ‘করতলব খান মসজিদ'।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২) খ্রিষ্টাব্দ । তারপর রাজধানী স্থানান্তর হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫) খ্রিস্টাব্দ
- মুঘল আমলের মধ্যেভাগে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন শুরু হয়।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর বাংলা জয় করে এর নাম দেন সুবা বাংলা। এই সময় বাংলায় বারো ভূঁইয়াদের আগমন ঘটে।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সেনাপতি সুবেদার ইসলাম খান চিশতি চূড়ান্ত ভাবে বারো ভূঁইয়াদের দমন করে ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর
- এর পরে ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় বাংলার রাজধানী করে ঢাকা।
- কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন হয় ১৬৯০ সালে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আওরঙ্গজেব (১৬৫৮-১৭০৭) উত্তরাধিকার যুদ্ধে জয়লাভের পর ‘আলমগীর পাদশাহ গাজী’ উপাধি গ্রহণ করে দিল্লির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর রাজত্বকালে উত্তর-পূর্ব, উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণে মুগল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটে।
- উত্তর-পূর্বে আসাম এবং চট্টগ্রামে মুগল সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটে।
- আওরঙ্গজেব ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতাকে জব চার্নকের কাছে বিক্রি করে দেন।
- আওঙ্গজেব বাংলা থেকে পর্তুগিজদের বিতাড়িত করেছিলেন।।
- তিনি মীর জুমলাকে ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুবেদার করে পাঠান ।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আযম শাহ ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লা নির্মাণ করেন মুঘল সম্রাট শাহজাহান।
- তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী আগ্রা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে এই দুর্গটি নির্মাণ করেন।
- দুর্গটির নির্মাণকাজ ১৬৩৮ সালে শুরু হয়ে ১৬৪৮ সালে শেষ হয়।
- এর প্রধান স্থপতি ছিলেন ওস্তাদ আহমদ লাহোরি, যিনি তাজমহলেরও প্রধান স্থপতি ছিলেন।
- দুর্গটি মূলত লাল বেলেপাথর দিয়ে তৈরি বলে এর নাম হয়েছে 'লালকেল্লা'।
- এর আসল নাম ছিল 'কিলা-ই-মুবারক', যার অর্থ 'আশীর্বাদপুষ্ট দুর্গ'।
- স্থাপত্যশিল্পে অবদানের জন্য সম্রাট শাহজাহানকে 'প্রিন্স অফ বিল্ডার্স' বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৬১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমসের দূত হিসেবে স্যার টমাস রো মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন।
- তিনি প্রায় তিন বছর মুঘল দরবারে অবস্থান করেন।
- তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য ভারতে বাণিজ্য করার এবং সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের বিশেষ অধিকার ও অনুমতি (ফরমান) আদায় করা, যাতে তিনি সফল হয়েছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁর ন্যায়পরায়ণতার জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত।
- তিনি আগ্রা দুর্গের শাহ-বুরুজ থেকে যমুনা নদীর তীর পর্যন্ত একটি সোনার শিকল ঝুলিয়েছিলেন, যা 'জিঞ্জির-ই-আদল' বা 'ন্যায়বিচারের শিকল' নামে পরিচিত।
- এতে ৬০টি ঘণ্টা যুক্ত ছিল।
- নিপীড়িত প্রজারা দিনের যে কোনো সময়ে এই শিকল টেনে সরাসরি সম্রাটের কাছে ন্যায়বিচার চাইতে পারত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাজা টোডরমল ছিলেন মুঘল সম্রাট আকবরের অর্থমন্ত্রী (দেওয়ান) এবং নবরত্ন সভার অন্যতম সদস্য।
- তিনি তৎকালীন ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করেন।
- ১৫৮০ সালে তিনি 'দহশালা' বা 'জাবতি' প্রথা প্রবর্তন করেন।
- এই ব্যবস্থায় জমির উর্বরতা ও উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কর নির্ধারণ করা হতো, যা মুঘল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছিল।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সম্রাট জালালউদ্দিন আকবরে সময়কাল ছিল ১৫৫৬-১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ। তিনি ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট।
- তাকে মুঘল সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা। পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি ১৫৭৬ সালে বাংলা বিজয় করেন। তাঁর সময়ে সমগ্র বঙ্গ দেশ ‘সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ’ নামে পরিচিত ছিল।
- তিনি বাংলা সনের প্রবর্তক ছিলেন। বাংলা নববর্ষ ‘পহেলা বৈশাখ’ চালু করেন।
- তিনি ‘অমৃতসর স্বর্ণমন্দির’, ‘বুলন্দ দরওয়াজ’ নির্মাণ করেন।
- ‘জিজিয়া কর’ ও ‘তীর্থ কর’ স্থগিত করেন সম্রাট আকবর।
- তিনি মনসবদারী প্রথার প্রচলন করেন, ‘মনসবদারি প্রথা’ হলে সেনাবাহিনী সংস্কার পরিকল্পনা
- তিনি দীন-ই-ইলাহী নামে একেশ্বরবাদ ধর্মমত প্রচলন করেন যার অনুসারী ছিলেন ১৭ (মতান্তরে ১৯ জন) জন।
- বাংলায় বার ভূঁইয়াদের অভ্যুত্থান ঘটে আকবরের আমলে।
- সম্রাট আকবরের রাজস্বমন্ত্রী ছিলেন— টোডরমল
- সরকারি কাজে ফারসি ভাষা চালু করেন
- আকবরের সমাধি হল সেকেন্দ্রায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শেরশাহ, যিনি ফরিদ খান নামেও পরিচিত, ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ শাসক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৫৪০ থেকে ১৫৪৫ সাল পর্যন্ত শাসন করেন এবং সুর বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- শেরশাহের প্রধান কৃতিত্ব ছিল তার ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার।
- তিনি কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি কার্যকরী ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- তার রাজস্ব নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের উপর অত্যাচার কমানো এবং তাদের উৎপাদনের উপর ভিত্তি করে রাজস্ব নির্ধারণ করা।
- তিনি জমির উৎপাদনশীলতা অনুযায়ী রাজস্বের হার নির্ধারণ করতেন, যা সাধারণত উৎপন্ন ফসলের এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশ ছিল।
- শেরশাহ ভূমি জরিপের মাধ্যমে জমির সীমানা নির্ধারণ করে এবং কৃষকদের জন্য "কবুলিয়ত" ও "পাট্টা" নামে দলিল প্রবর্তন করেন, যা তাদের জমির মালিকানা নিশ্চিত করত।
- এই ব্যবস্থা কৃষকদের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা এনে দেয় এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ প্রতিষ্ঠিত হোসেন শাহী আমলকে (১৪৯৩-১৫৩৮ খ্রি.) মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়।
- এই সময়ে রাজ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ছিল।
- এই রাজবংশের উদার ও অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বজায় ছিল এবং বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- শ্রীচৈতন্যদেবের বৈষ্ণব আন্দোলন এবং মহাভারত-রামায়ণের বাংলা অনুবাদ এই সময়েই হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মহদজে হুসেন শাহি আমল ছিল সবচেয়ে গৌরবময় ।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ্‌ ছিলেন হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান ।
- তাঁর ২৬ বছরের শাসনকালে বাংলায় জ্ঞান -বিজ্ঞান ও শিল্পকলার অভাবিত উন্নতি সাধিত হয়েছিল।
- এজন্য তাঁর শাসনকালকে বাংলায় মুসলমান শাসনের ইতিহাসের স্বর্ণযুগ বলা হয় ।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্‌ ১৩৪২ থেকে ১৪১২ পর্যন্ত সমগ্র বাংলায় প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন ।
- গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ্‌ ১৩৯৩ থেকে ১৪১১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা শাসন করেন ।
- নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ্‌ ১৪৩৫ থেকে ১৪৫৯ পর্যন্ত বাংলায় ইলিয়াস শাহী বংশের সুলতান ছিলেন ।
- তিনি বাংলার তিনটি প্রধান জনপদ (লখনৌতি, সাতগাঁও ও সোনারগাঁও) একত্রিত করে সমগ্র বাংলার অধিপতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- এই ঐক্যের প্রতীক হিসেবে তিনি 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' বা 'বাঙালির শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি স্থাপন করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল ইব্রাহিম লোদী ও বাবরের মধ্যে সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে বাবর জয়লাভ করেন এবং ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের সূচনা হয়।

- পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ ১৫৫৬ সালে আকবরের সেনাপতি বৈরাম খান ও আফগান নেতা হিমুর মধ্যে সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে হিমু পরাজিত ও নিহত হন, যা মুঘল সাম্রাজ্যের শক্তি সুদৃঢ় করে।

- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ ১৪ই জানুয়ারি ১৭৬১ সালে মারাঠাদের এবং আহমেদ শাহ আবদালির নেতৃত্বাধীন আফগান বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে মারাঠারা পরাজিত হয়, যা উত্তর ভারতে মারাঠা প্রভাব হ্রাস করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা(১৩০৪ থেকে ১৩৭৮), ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সফর করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- তাঁর বাংলা সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে সুপরিচিত সুফি সাধক শেখ জালালউদ্দিনের (যিনি হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী নামেও পরিচিত) সাথে সাক্ষাৎ করা। এই উদ্দেশ্যটির কথা তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে উল্লেখ করেছেন।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে যখন একুশ বছর বয়সে ছিলেন, তখন তিনি বিশ্ব ভ্রমণে বের হন। আট বছরের মধ্যে তিনি উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল এবং কনস্টান্টিনোপলসহ বিভিন্ন অঞ্চল ভ্রমণ করেন। পরবর্তীতে তিনি ভারতে আসেন এবং ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে পৌঁছান।
- দিল্লির সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক তাঁকে দিল্লির কাজী পদে নিয়োগ দেন এবং তিনি প্রায় আট বছর এই পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর সুলতান তাঁকে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রেরণ করেন (১৩৪২ খ্রিস্টাব্দে)। কিন্তু যাত্রা পথে জাহাজডুবির কারণে তাঁর চীন যাওয়া সম্ভব হয়নি। এর পরিবর্তে তিনি মালয় দ্বীপপুঞ্জে যান এবং সেখানে এক বছর বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মুহাম্মদ বিন তুঘলক ছিলেন দিল্লি সালতানতের একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী শাসক। তার রাজত্বকালে তিনি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বেশ কিছু উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল প্রতীক মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করা।
- তুঘলকের সময় দেশে রূপার অভাব দেখা দিয়েছিল এবং প্রচুর স্বর্ণমুদ্রা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছিল। এই সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি তামার পাত দিয়ে তৈরি মুদ্রা চালু করেন, যা স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার প্রতীক হিসেবে কাজ করবে।
- তামার মুদ্রার মূল্য তামার ধাতব মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- এটি আধুনিক মুদ্রার মতো কাজ করত।
- মুদ্রার নকশা ছিল জটিল, যাতে জালিয়াতি রোধ করা যায় ।
- সাম্রাজ্যের কেন্দ্র থেকে শাসনকার্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে তিনি রাজধানী দিল্লি থেকে দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন এবং নাম রাখেন 'দৌলতাবাদ'।
- এছাড়াও তিনি সোনা-রুপার ঘাটতি পূরণে তামার তৈরি প্রতীকী মুদ্রা চালু করেন, কিন্তু জাল মুদ্রার প্রকোপে তাঁর এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- খলজি বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান আলাউদ্দিন খলজি।
- তিনি মুদ্রায় নিজেকে দ্বিতীয় আলেকজান্ডার হিসেবে উল্লেখ করতেন।

তাঁর সংস্কারকাজের মধ্যে অন্যতমঃ
- মূল্য ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রবর্তন,
- ভূমি জরিপ,
- রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার,
- জায়গির বা ভূমিদান প্রথার অব্লুপ্তি ইত্যাদি।

শের শাহের আমলের কিছু উল্লেখযোগ্য কীর্তিঃ
- পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ।
- শের শাহ বাংলায় ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- তিনি 'দাম' নামক মুদ্রার প্রচলন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের নেতৃত্বে ভারতে স্বাধীন সুলতানদের শাসনের সূচনা হয়।
- কুতুবউদ্দিন আইবেক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ ইসলামের ইতিহাসে তথাকথিত 'দাস বংশ' নামে পরিচিত।
- কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারতে দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- ভারতীয় উপমহাদেশে স্থায়ী মুসলিম শাসনের সূচনা ঘটে খ্রিস্টাব্দ ত্রয়োদশ শতকে।
- কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লির প্রথম স্বাধীন সুলতান এবং দিল্লির কুতুব মিনার নির্মাণ করেন।
- দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সিন্ধু বিজয়:
- সিন্ধু বিজয় দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।
- এই বিজয়ের মধ্য দিয়েই উপমহাদেশে মুসলমানদের আনুষ্ঠানিক আগমন শুরু হয়।
- আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম এবং সিন্ধুর শাসক রাজা দাহির ছিলেন এই ঘটনার মূল ব্যক্তিত্ব।
- প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

আরও কিছু তথ্য
- খলিফা প্রথম ওয়ালিদ এর আমলে ইরাকের গভর্নর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এর উদ্যোগে এবং খলিফার নির্দেশে সিন্ধু অভিযানের ব্যবস্থা করা হয়।
- সাম্রাজ্যের বিস্তার ও অর্থ-সম্পদ অর্জনই ছিল এই অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য।

- মুহাম্মদ বিন কাসিম সুবিশাল বাহিনী নিয়ে সিন্ধু আক্রমণ শুরু করেন।
- তিনি পর্যায়ক্রমে দাইবুল, নীরুন, সিওয়ান ও সিসাম দখল করে অগ্রসর হন উত্তরের দিকে।
- সিন্ধুরাজ দাহির রাওয়ার দুর্গে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হন।

- রাওয়ার পতনের পর মুহাম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর রাজধানী আলোর জয় করেন।
- পরবর্তী সময়ে গুরুত্বপূর্ণ নগরী মুলতানও মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফ্রিতে ২ লাখ প্রশ্নের টপিক, সাব-টপিক ভিত্তিক ও ১০০০+ জব শুলুশন্স বিস্তারিতে ব্যাখ্যাসহ পড়তে ও আপনার পড়ার ট্র্যাকিং রাখতে সাইটে লগইন করুন।

লগইন করুন
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। পালযুগে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করেছিল তিববত, জাভা, সুমাত্রা ও মালয়েশিয়াতে।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0