সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

Miscellaneous

২১৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষা আন্দোলনে তমদ্দুন মজলিসের মুখপাত্র হিসেবে সাপ্তাহিক 'সৈনিক' পত্রিকা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে সমর্থন এবং এর সপক্ষে জনমত গঠনে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল ব্যাপক।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম প্রস্তাব বা উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- এই বৈষম্যমূলক প্রস্তাবের প্রতিবাদেই মূলত ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন চরম রূপ লাভ করে।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই ১৯৫৬ সালের সংবিধানে এবং পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানের ২১৪(১) অনুচ্ছেদে সর্বপ্রথম বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ব্রিটিশ শাসনামলে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ (Fort William College) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮০০ সালে।
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতে আগত ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতি শেখানোর উদ্দেশ্যে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮০১ সালের ২৪ নভেম্বর এই কলেজে বাংলা বিভাগ চালু হয় এবং এর অধ্যক্ষ হন পাদ্রি উইলিয়াম কেরি।
- ইংরেজদের বাংলা শিক্ষা দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য হলেও বাংলা সাহিত্যে গদ্যের বিকাশে এই কলেজের ভূমিকা অপরিসীম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ বা বাংলা দ্বিখণ্ডিত করার ঘোষণা কার্যকর করেন।
- এর ফলে 'পূর্ব বাংলা ও আসাম' (Eastern Bengal and Assam) নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠিত হয়।
- এই নতুন প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর (Lieutenant Governor) হিসেবে নিযুক্ত হন বাম্পফিল্ড ফুলার (Bampfylde Fuller)।
- পরবর্তীতে তীব্র গণআন্দোলনের চাপে ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ বা বাতিল করতে বাধ্য হন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আসে।
- ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন।
- এই জলপথ আবিষ্কারের সূত্র ধরে কয়েক দশক পর থেকেই বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটতে শুরু করে।
- উল্লেখ্য, বাংলায় সবার শেষে আগমন করেছিল ফরাসিরা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ (ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. সুকুমার সেনসহ অন্যান্য ভাষাবিদদের অনুমোদিত):
- প্রাচীন যুগ: ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত (ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০-১২০০ খ্রি.)।
- মধ্যযুগ: ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।
- অন্ধকার যুগ: ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে মধ্যযুগের অন্তর্গত 'অন্ধকার যুগ' বা 'বন্ধ্যাকাল' বলা হয়।
- আধুনিক যুগ: ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মাৎস্যন্যায় (Matsyanyayam) শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো পুকুরে বড় মাছ কর্তৃক ছোট মাছকে খেয়ে ফেলার ন্যায় পরিস্থিতি । ৭ম শতকে রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলায় কোনো শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসক না থাকায় আনুমানিক ৬৫০ থেকে ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর চরম রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা বিরাজ করছিল । ইতিহাসে এই ১০০ বছরের অরাজক সময়কালকেই 'মাৎস্যন্যায়' বলা হয় । পরবর্তীতে ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দে গোপাল কর্তৃক পাল বংশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই মাৎস্যন্যায়ের চূড়ান্ত অবসান ঘটে ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Enola Gay হলো সেই B-29 Superfortress বোমারু বিমানের নাম, যা থেকে হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল।
- এই পারমাণবিক বোমাটির নাম ছিল 'Little Boy'।
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের Hiroshima-তে এটি নিক্ষেপ করা হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত প্রথম পারমাণবিক বোমা, যা শহরটিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Franklin D. Roosevelt-এর মৃত্যুর পর ১৯৪৫ সালে Harry S. Truman প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষ পর্যায়ে তিনি জাপানের ওপর পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
- Roosevelt ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মিত্রশক্তির অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এবং Truman-এর নেতৃত্বেই যুদ্ধের শেষ পর্বটি সম্পন্ন হয়।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- Yalta Conference বা ইয়াল্টা সম্মেলন ১৯৪৫ সালের ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, যা Crimea Conference নামেও পরিচিত।
- এই সম্মেলনে মিত্রশক্তির তিন প্রধান নেতা—রুজভেল্ট, স্ট্যালিন এবং চার্চিল—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে Germany-কে চারটি দখলদারিত্ব অঞ্চলে (occupation zones) ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেন।
- এছাড়াও এই সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করা।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Dwight D. Eisenhower ইউরোপে Allied Expeditionary Force-এর সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং 'D-Day' অবতরণ বা নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং পরিচালনা করেন।
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল ইতিহাসের সর্ববৃহৎ উভচর সামরিক অভিযান।
- এই অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিল "Operation Neptune"।
- এর সফলতার মধ্য দিয়ে ফ্রান্স জার্মান দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হওয়ার পথে এগিয়ে যায় এবং নাৎসি জার্মানির পতন ত্বরান্বিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Battle of Midway ১৯৪২ সালের ৪-৭ জুন সংঘটিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌযুদ্ধ।
- একে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের Pacific Theater বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ঘটনা (turning point) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জাপানি নৌবাহিনীর বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করে, যার ফলে প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানের আগ্রাসন অনেকটাই থমকে যায়।
- উল্লেখ্য, ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর Attack on Pearl Harbor-এর ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল এবং এর ঠিক ছয় মাস পর Midway-এর এই জয় মিত্রশক্তির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Battle of Stalingrad (১৯৪২-১৯৪৩) ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম রক্তক্ষয়ী এবং মোড় ঘোরানো একটি যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে সোভিয়েত লাল ফৌজ (Red Army) নাৎসি জার্মানির 6th Army-কে সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ এবং ধ্বংস করে।
- ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মান বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
- এই পরাজয় ইস্টার্ন ফ্রন্টে (Eastern Front) জার্মানির অগ্রযাত্রাকে চিরতরে থামিয়ে দেয় এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Operation Sea Lion (অপারেশন সি লায়ন) হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪০ সালে যুক্তরাজ্য (United Kingdom) আক্রমণের জন্য নাৎসি জার্মানির একটি প্রস্তাবিত পরিকল্পনা।
- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে এই আগ্রাসন চালানোর কথা থাকলেও এটি কখনোই কার্যকর হয়নি।
- 'Battle of Britain'-এ জার্মান বিমান বাহিনী (Luftwaffe) ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (RAF) কাছে পরাজিত হওয়ায় হিটলার এই আক্রমণ স্থগিত করতে বাধ্য হন।
- ফলস্বরূপ, ব্রিটেন জার্মান দখলদারিত্ব থেকে রক্ষা পায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Operation Dynamo (অপারেশন ডায়নামো) হলো ১৯৪০ সালের মে-জুন মাসে ফ্রান্সের ডানকার্ক (Dunkirk) উপকূল থেকে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ার ঐতিহাসিক অভিযানের সাংকেতিক নাম।
- নাৎসি বাহিনীর দ্বারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়া প্রায় ৩,৩৮,০০০ ব্রিটিশ, ফ্রেঞ্চ এবং বেলজিয়ান সৈন্যকে ইংলিশ চ্যানেল পার করে নিরাপদে ব্রিটেনে নিয়ে আসা হয়।
- এটি Miracle of Dunkirk বা ডানকার্কের অলৌকিক ঘটনা নামেও পরিচিত।
- এই সফল উদ্ধার অভিযান মিত্রবাহিনীর মনোবল অটুট রাখতে বিশাল ভূমিকা পালন করেছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-তারিখ: ২৩ আগস্ট, ১৯৩৯
-চুক্তি: Molotov-Ribbentrop Pact (মোলোটভ-রিবেনট্রপ প্যাক্ট)
- এটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি গোপন Non-aggression pact (অনাক্রমণ চুক্তি)।
- এই চুক্তির গোপন শর্ত অনুযায়ী উভয় দেশ পূর্ব ইউরোপকে (বিশেষ করে পোল্যান্ডকে) নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।
- এই চুক্তির ফলেই জার্মানি নিশ্চিন্তে পোল্যান্ড আক্রমণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করতে পেরেছিল।
- পরবর্তীতে ১৯৪১ সালে 'Operation Barbarossa'-এর মাধ্যমে জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করলে এই চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- Appeasement Policy (তোষণ নীতি) হলো সংঘাত বা যুদ্ধ এড়ানোর জন্য আক্রমণাত্মক শক্তিকে রাজনৈতিক বা বস্তুগত ছাড় দেওয়ার একটি কূটনৈতিক নীতি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স নাৎসি জার্মানির প্রতি এই নীতি গ্রহণ করেছিল।
- ১৯৩৮ সালের Munich Agreement (মিউনিখ চুক্তি) ছিল এই নীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ, যেখানে চেকোস্লোভাকিয়ার সুদেতেনল্যান্ড (Sudetenland) অঞ্চলটি হিটলারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
- উদ্দেশ্য ছিল হিটলারকে সন্তুষ্ট করে যুদ্ধ এড়ানো, কিন্তু এই নীতি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় এবং অচিরেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
Lebensraum হলো হিটলারের সম্প্রসারণবাদী তত্ত্ব, যার অর্থ 'living space' বা জার্মান জাতির জন্য বাসস্থানের জায়গা। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল জার্মানদের জন্য প্রধানত পূর্ব ইউরোপে নতুন ভূখণ্ড ও সম্পদ দখল করা।

অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
• Blitzkrieg: দ্রুত, আক্রমণাত্মক এবং অপ্রত্যাশিত যুদ্ধ নীতি, যার মাধ্যমে হিটলার খুব কম সময়ের মধ্যে পোল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মতো দেশ দখল করতে পেরেছিলেন।
• Anschluss: ১৯৩৮ সালে জার্মানির সাথে অস্ট্রিয়ার রাজনৈতিক একত্রীকরণ।
• Weltpolitik: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে জার্মান সম্রাট দ্বিতীয় উইলহেমের সাম্রাজ্যবাদী বৈদেশিক নীতি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ বা বাংলা দ্বিখণ্ডিত করার ঘোষণা কার্যকর করেন।
- প্রশাসনিক সুবিধার দোহাই দিয়ে তিনি বাংলাকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যদিও এর মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করা।
- এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয় এবং স্বদেশী আন্দোলন জোরদার হয়ে ওঠে।
- তীব্র গণআন্দোলনের চাপে ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ বা বাতিল করতে বাধ্য হন।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম (A.O. Hume) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (INC) প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সিভিল সার্ভেন্ট, যিনি ১৮৮৫ সালে বোম্বেতে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনের নেতৃত্ব দেন।
- এই সংগঠনের প্রথম সভাপতি ছিলেন উমেশ চন্দ্র ব্যানার্জি (W.C. Bonnerjee)।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস শুরুতে ব্রিটিশ সরকারের সাথে ভারতীয়দের আলোচনার একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছিল, যা পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১০ মে 1857-এ Meerut-এ সিপাহিরা বিদ্রোহ শুরু করে; তারা কিছু ব্রিটিশ অফিসারকে হত্যা করে, বন্দি সিপাহিদের মুক্ত করে এবং পরদিন Delhi-এর দিকে এগোয়।
- ১১ মে 1857-এ বিদ্রোহীরা Delhi দখল করে এবং সেখানে Bahadur Shah II-কে প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতীক হিসাবে সামনে নিয়ে আসে।
- Barrackpore-এ আগে থেকেই কিছু বিচ্ছিন্ন সিপাহী আক্রমণ ও অশান্তি দেখা যায়; এছাড়া অন্যান্য ক্যান্টনমেন্টেও ক্ষোভ ছিল, কিন্তু এগুলো ছিল আঞ্চলিক ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা, যা পুরো সারা উত্তাল করে তোলে না।
- তাই সাধারণ ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অনুযায়ী বড় মাত্রার, সমন্বিত এবং জনমুখী আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা সনাক্ত করা হয় Meerut-কে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্বত্ববিলোপ নীতি বা 'Doctrine of Lapse' প্রবর্তন করেছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসি।
- এই নীতির মূল কথা ছিল, কোনো ভারতীয় দেশীয় রাজ্যের রাজার যদি কোনো স্বাভাবিক উত্তরসূরি (নিজ ছেলে) না থাকে, তবে তিনি দত্তক পুত্র গ্রহণ করে রাজ্য পরিচালনা করতে পারবেন না।
- রাজার মৃত্যুর পর সেই রাজ্য বা রাজত্ব সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে চলে যাবে।
- লর্ড ডালহৌসি এই নীতি প্রয়োগ করে সাতারা (১৮৪৮), সম্বলপুর (১৮৪৯), উদয়পুর (১৮৫২), ঝাঁসি (১৮৫৩) এবং নাগপুর (১৮৫৪)-এর মতো রাজ্যগুলি দখল করেছিলেন।
- ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের মধ্যে লর্ড ডালহৌসিকেই আধুনিক ভারতের নির্মাতা বলা হয় কারণ তাঁর আমলে রেল, টেলিগ্রাফ এবং ডাক ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়েছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ছিলেন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল (১৮৩৩ সালের চার্টার অ্যাক্ট দ্বারা), যার কার্যকালে ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রদ হয়।

- রাজা রামমোহন রায় এবং অন্যান্য সমাজ সংস্কারকদের তীব্র আন্দোলনের ফলে ১৮২৯ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিতে রেগুলেশন XVII পাসের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ছিলেন একজন উদারণপন্থী প্রশাসক, যিনি ভারতীয় সমাজে অনেক সংস্কারমূলক পরিবর্তন এনেছিলেন, যার মধ্যে সতীদাহ প্রথা রদ অন্যতম।

- লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ এবং লর্ড ক্যানিং ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ও ১৮৫৬ সালের বিধবা বিবাহ আইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু সতীদাহ প্রথা বাতিলের সাথে নয়।

- লর্ড রিপন স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ইলবার্ট বিল বিতর্কের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিস্তার ঘটানোর জন্য ''অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি'' বা 'Subsidiary Alliance' ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা এবং তাদের সার্বভৌমত্ব খর্ব করা।
- হায়দ্রাবাদের নিজাম ১৭৯৮ সালে সর্বপ্রথম এই নীতি গ্রহণ করেন।
- এই নীতি গ্রহণকারী রাজ্যগুলোকে নিজেদের রাজ্যে একদল ব্রিটিশ সৈন্য রাখতে হতো এবং তাদের ভরণপোষণের ব্যয়ভার বহন করতে হতো।
- পরবর্তীতে মহীশূর, তাঞ্জোর, অযোধ্যা এবং পেশোয়াদের মতো রাজ্যগুলোও এই নীতির অধীনে চলে আসে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হকিন্স এবং ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে স্যার টমাস রো মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন।
- স্যার টমাস রো-এর অনুরোধে ১৬১৩ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীর এক ফরমান জারির মাধ্যমে ইংরেজদের সুরাটে বাণিজ্যকুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন।
- এটিই ছিল ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির স্থাপিত প্রথম বাণিজ্যকুঠি বা কারখানা।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আসল নাম ছিল মির্জা নুরুদ্দিন বেগ মোহাম্মদ খান সেলিম, যিনি ১৬০৫ থেকে ১৬২৭ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।
- তিনি তাঁর ন্যায়পরায়ণতার জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত ছিলেন এবং আগ্রা দুর্গে 'জিঞ্জির-ই-আদল' বা 'ন্যায়বিচারের শিকল' স্থাপন করেছিলেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভাস্কো দা গামা হলেন প্রথম পর্তুগিজ নাবিক যিনি ১৪৯৮ সালে সমুদ্রপথে ভারতে পৌঁছান।
- তিনি আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত উত্তমাশা অন্তরীপ বা 'Cape of Good Hope' হয়ে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- এই আবিষ্কারের ফলে ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক বাণিজ্যের পথ উন্মুক্ত হয়।
- অন্যদিকে, ১৪৮৭ সালে বার্থোলোমিউ দিয়াজ প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে উত্তমাশা অন্তরীপে পৌঁছান, কিন্তু তিনি ভারতে আসেননি।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন এবং ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি পৃথিবী পরিক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি এই নতুন রাজধানীর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার বিদ্রোহী জমিদার 'বারো ভূঁইয়াদের' দমন করা এবং মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের প্রতিহত করা।
- ইসলাম খান চিশতি সফলভাবে বারো ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খাঁ-র পুত্র মুসা খাঁ-কে পরাজিত করেছিলেন।
- রাজধানী স্থানান্তরের ফলে ঢাকা একটি গুরত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্রে পরিণত হয় এবং মসলিন শিল্পের বিকাশ ঘটে।
- পরবর্তীতে ১৬৬০ সালে বাংলার আরেক সুবেদার মীর জুমলা পুনরায় ঢাকাকে বাংলার রাজধানীতে রূপান্তর করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি।
- তিনি ছিলেন জাতিতে তুর্কি, বংশে খলজি এবং আফগানিস্তানের গরমশির বা আধুনিক দশত-ই-মার্গ এর অধিবাসী।
- ১২০৪ সালে তিনি মাত্র ১৮ জন অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে সেন বংশের রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা (নদিয়া) জয় করেন।
- বখতিয়ার খলজির এই বিজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় মধ্যযুগের এবং মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
- তিনি বাংলার প্রথম মুসলিম শাসক হিসেবে লখনৌতি বা গৌড়ে তার রাজধানী স্থাপন করেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আমির খসরু ছিলেন সুলতানি যুগের একজন প্রখ্যাত সুফি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ ও পণ্ডিত।
- তাঁর সুমধুর কণ্ঠ ও পাণ্ডিত্যের জন্য তাঁকে 'তুত-ই-হিন্দ' বা 'ভারতের তোতা পাখি' বলা হয়।
- তিনি কাওয়ালি সঙ্গীতের প্রবর্তক এবং উর্দু সাহিত্যের অন্যতম জনক হিসেবে বিবেচিত হন।
- ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে 'খেয়াল' প্রবর্তনে এবং সেতার ও তবলা বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবনে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'অন্ধকূপ হত্যা' (Black Hole Tragedy) একটি বহুল প্রচারিত সেনা হত্যাকাণ্ড, যা ব্রিটিশ আমলে কলকাতায় সংঘটিত হয়েছিল বলে উল্লেখ করা আছে। সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ফোর্ট উইলিয়াম হামলায় হত্যার অভিযোগ উঠে ১২৩ জন ইংরেজকে হত্যার। ইংরেজ সেনা হলওয়েল এর এ মিথ্যা কাহিনী ইতিহাসে পরিচিত 'অন্ধকূপ হত্যা' নামে। এতে বলা হয়ে থাকে ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ১৪.১০ ফুট প্রয় ছোট একটি ঘরে ১৪৬ জন ইংরেজকে বন্দি করে রাখা হয় এবং তাদের মধ্যে ১২৩ জনের মৃত্যু হয়।

- সিরাজউদ্দৌলার প্রকৃত নাম মির্জা মুহাম্মদ (পুরো নাম- মির্জা মুহাম্মদ আলী)। তার পিতার নাম জয়েনউদ্দিন। নবাব অলীবর্দী খান ছিলেন সিরাজউদ্দৌলার নানা। তিনি বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে স্থানান্তর করেন কোলকাতা (আলী নগর)।
- সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন ১৭৫৬ সালে (২২/২৩ বছর বয়সে)
- সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দখল করেন ২০ জুন, ১৭৫৬। 
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার ‘যৌবরাজ্যাভিষেক’ ঘটে ১৭ বছর বয়সে।
- নবাব ও ইংরেজদের মধ্যে সন্ধি হয় ১৭৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি (ইহা ইতিহাসে ‘আলীনগর সন্ধি’ নামে খ্যাত]
- পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ২৩ জুন, ১৭৫৭ সালে।
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৭৬৪ সালে।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।