Miscellaneous (211 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Enola Gay হলো সেই B-29 Superfortress বোমারু বিমানের নাম, যা থেকে হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল।
- এই পারমাণবিক বোমাটির নাম ছিল 'Little Boy'
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের Hiroshima-তে এটি নিক্ষেপ করা হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত প্রথম পারমাণবিক বোমা, যা শহরটিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Franklin D. Roosevelt-এর মৃত্যুর পর ১৯৪৫ সালে Harry S. Truman প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষ পর্যায়ে তিনি জাপানের ওপর পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
- Roosevelt ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মিত্রশক্তির অন্যতম প্রধান নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এবং Truman-এর নেতৃত্বেই যুদ্ধের শেষ পর্বটি সম্পন্ন হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Yalta Conference বা ইয়াল্টা সম্মেলন ১৯৪৫ সালের ৪ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, যা Crimea Conference নামেও পরিচিত।
- এই সম্মেলনে মিত্রশক্তির তিন প্রধান নেতা—রুজভেল্ট, স্ট্যালিন এবং চার্চিল—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে Germany-কে চারটি দখলদারিত্ব অঞ্চলে (occupation zones) ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেন।
- এছাড়াও এই সম্মেলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা করা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Dwight D. Eisenhower ইউরোপে Allied Expeditionary Force-এর সুপ্রিম কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং 'D-Day' অবতরণ বা নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং পরিচালনা করেন।
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল ইতিহাসের সর্ববৃহৎ উভচর সামরিক অভিযান।
- এই অভিযানের সাংকেতিক নাম ছিল "Operation Neptune"
- এর সফলতার মধ্য দিয়ে ফ্রান্স জার্মান দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হওয়ার পথে এগিয়ে যায় এবং নাৎসি জার্মানির পতন ত্বরান্বিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Battle of Midway ১৯৪২ সালের ৪-৭ জুন সংঘটিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌযুদ্ধ।
- একে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের Pacific Theater বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় রণাঙ্গনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ঘটনা (turning point) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জাপানি নৌবাহিনীর বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করে, যার ফলে প্রশান্ত মহাসাগরে জাপানের আগ্রাসন অনেকটাই থমকে যায়।
- উল্লেখ্য, ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর Attack on Pearl Harbor-এর ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল এবং এর ঠিক ছয় মাস পর Midway-এর এই জয় মিত্রশক্তির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Battle of Stalingrad (১৯৪২-১৯৪৩) ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম রক্তক্ষয়ী এবং মোড় ঘোরানো একটি যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে সোভিয়েত লাল ফৌজ (Red Army) নাৎসি জার্মানির 6th Army-কে সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ এবং ধ্বংস করে।
- ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মান বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
- এই পরাজয় ইস্টার্ন ফ্রন্টে (Eastern Front) জার্মানির অগ্রযাত্রাকে চিরতরে থামিয়ে দেয় এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়ের পথ প্রশস্ত করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Operation Sea Lion (অপারেশন সি লায়ন) হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪০ সালে যুক্তরাজ্য (United Kingdom) আক্রমণের জন্য নাৎসি জার্মানির একটি প্রস্তাবিত পরিকল্পনা।
- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে এই আগ্রাসন চালানোর কথা থাকলেও এটি কখনোই কার্যকর হয়নি
- 'Battle of Britain'-এ জার্মান বিমান বাহিনী (Luftwaffe) ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (RAF) কাছে পরাজিত হওয়ায় হিটলার এই আক্রমণ স্থগিত করতে বাধ্য হন।
- ফলস্বরূপ, ব্রিটেন জার্মান দখলদারিত্ব থেকে রক্ষা পায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Operation Dynamo (অপারেশন ডায়নামো) হলো ১৯৪০ সালের মে-জুন মাসে ফ্রান্সের ডানকার্ক (Dunkirk) উপকূল থেকে মিত্রবাহিনীর সৈন্যদের সরিয়ে নেওয়ার ঐতিহাসিক অভিযানের সাংকেতিক নাম।
- নাৎসি বাহিনীর দ্বারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়া প্রায় ৩,৩৮,০০০ ব্রিটিশ, ফ্রেঞ্চ এবং বেলজিয়ান সৈন্যকে ইংলিশ চ্যানেল পার করে নিরাপদে ব্রিটেনে নিয়ে আসা হয়।
- এটি Miracle of Dunkirk বা ডানকার্কের অলৌকিক ঘটনা নামেও পরিচিত।
- এই সফল উদ্ধার অভিযান মিত্রবাহিনীর মনোবল অটুট রাখতে বিশাল ভূমিকা পালন করেছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-তারিখ: ২৩ আগস্ট, ১৯৩৯
-চুক্তি: Molotov-Ribbentrop Pact (মোলোটভ-রিবেনট্রপ প্যাক্ট)
- এটি ছিল নাৎসি জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি গোপন Non-aggression pact (অনাক্রমণ চুক্তি)।
- এই চুক্তির গোপন শর্ত অনুযায়ী উভয় দেশ পূর্ব ইউরোপকে (বিশেষ করে পোল্যান্ডকে) নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল।
- এই চুক্তির ফলেই জার্মানি নিশ্চিন্তে পোল্যান্ড আক্রমণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করতে পেরেছিল।
- পরবর্তীতে ১৯৪১ সালে 'Operation Barbarossa'-এর মাধ্যমে জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করলে এই চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Appeasement Policy (তোষণ নীতি) হলো সংঘাত বা যুদ্ধ এড়ানোর জন্য আক্রমণাত্মক শক্তিকে রাজনৈতিক বা বস্তুগত ছাড় দেওয়ার একটি কূটনৈতিক নীতি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স নাৎসি জার্মানির প্রতি এই নীতি গ্রহণ করেছিল।
- ১৯৩৮ সালের Munich Agreement (মিউনিখ চুক্তি) ছিল এই নীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ, যেখানে চেকোস্লোভাকিয়ার সুদেতেনল্যান্ড (Sudetenland) অঞ্চলটি হিটলারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল।
- উদ্দেশ্য ছিল হিটলারকে সন্তুষ্ট করে যুদ্ধ এড়ানো, কিন্তু এই নীতি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় এবং অচিরেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Lebensraum হলো হিটলারের সম্প্রসারণবাদী তত্ত্ব, যার অর্থ 'living space' বা জার্মান জাতির জন্য বাসস্থানের জায়গা। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল জার্মানদের জন্য প্রধানত পূর্ব ইউরোপে নতুন ভূখণ্ড ও সম্পদ দখল করা।

অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
Blitzkrieg: দ্রুত, আক্রমণাত্মক এবং অপ্রত্যাশিত যুদ্ধ নীতি, যার মাধ্যমে হিটলার খুব কম সময়ের মধ্যে পোল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মতো দেশ দখল করতে পেরেছিলেন।
Anschluss: ১৯৩৮ সালে জার্মানির সাথে অস্ট্রিয়ার রাজনৈতিক একত্রীকরণ।
Weltpolitik: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে জার্মান সম্রাট দ্বিতীয় উইলহেমের সাম্রাজ্যবাদী বৈদেশিক নীতি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ভারতের তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ বা বাংলা দ্বিখণ্ডিত করার ঘোষণা কার্যকর করেন।
- প্রশাসনিক সুবিধার দোহাই দিয়ে তিনি বাংলাকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যদিও এর মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করা।
- এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয় এবং স্বদেশী আন্দোলন জোরদার হয়ে ওঠে।
- তীব্র গণআন্দোলনের চাপে ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ বা বাতিল করতে বাধ্য হন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম (A.O. Hume) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের (INC) প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সিভিল সার্ভেন্ট, যিনি ১৮৮৫ সালে বোম্বেতে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনের নেতৃত্ব দেন।
- এই সংগঠনের প্রথম সভাপতি ছিলেন উমেশ চন্দ্র ব্যানার্জি (W.C. Bonnerjee)
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস শুরুতে ব্রিটিশ সরকারের সাথে ভারতীয়দের আলোচনার একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছিল, যা পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১০ মে 1857-এ Meerut-এ সিপাহিরা বিদ্রোহ শুরু করে; তারা কিছু ব্রিটিশ অফিসারকে হত্যা করে, বন্দি সিপাহিদের মুক্ত করে এবং পরদিন Delhi-এর দিকে এগোয়।
- ১১ মে 1857-এ বিদ্রোহীরা Delhi দখল করে এবং সেখানে Bahadur Shah II-কে প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতীক হিসাবে সামনে নিয়ে আসে।
- Barrackpore-এ আগে থেকেই কিছু বিচ্ছিন্ন সিপাহী আক্রমণ ও অশান্তি দেখা যায়; এছাড়া অন্যান্য ক্যান্টনমেন্টেও ক্ষোভ ছিল, কিন্তু এগুলো ছিল আঞ্চলিক ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা, যা পুরো সারা উত্তাল করে তোলে না।
- তাই সাধারণ ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অনুযায়ী বড় মাত্রার, সমন্বিত এবং জনমুখী আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক সূচনা সনাক্ত করা হয় Meerut-কে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্বত্ববিলোপ নীতি বা 'Doctrine of Lapse' প্রবর্তন করেছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসি
- এই নীতির মূল কথা ছিল, কোনো ভারতীয় দেশীয় রাজ্যের রাজার যদি কোনো স্বাভাবিক উত্তরসূরি (নিজ ছেলে) না থাকে, তবে তিনি দত্তক পুত্র গ্রহণ করে রাজ্য পরিচালনা করতে পারবেন না।
- রাজার মৃত্যুর পর সেই রাজ্য বা রাজত্ব সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে চলে যাবে।
- লর্ড ডালহৌসি এই নীতি প্রয়োগ করে সাতারা (১৮৪৮), সম্বলপুর (১৮৪৯), উদয়পুর (১৮৫২), ঝাঁসি (১৮৫৩) এবং নাগপুর (১৮৫৪)-এর মতো রাজ্যগুলি দখল করেছিলেন।
- ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের মধ্যে লর্ড ডালহৌসিকেই আধুনিক ভারতের নির্মাতা বলা হয় কারণ তাঁর আমলে রেল, টেলিগ্রাফ এবং ডাক ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়েছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ছিলেন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল (১৮৩৩ সালের চার্টার অ্যাক্ট দ্বারা), যার কার্যকালে ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রদ হয়।

- রাজা রামমোহন রায় এবং অন্যান্য সমাজ সংস্কারকদের তীব্র আন্দোলনের ফলে ১৮২৯ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিতে রেগুলেশন XVII পাসের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ছিলেন একজন উদারণপন্থী প্রশাসক, যিনি ভারতীয় সমাজে অনেক সংস্কারমূলক পরিবর্তন এনেছিলেন, যার মধ্যে সতীদাহ প্রথা রদ অন্যতম।

- লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ এবং লর্ড ক্যানিং ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ও ১৮৫৬ সালের বিধবা বিবাহ আইনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু সতীদাহ প্রথা বাতিলের সাথে নয়।

- লর্ড রিপন স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি ইলবার্ট বিল বিতর্কের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিস্তার ঘটানোর জন্য ''অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি'' বা 'Subsidiary Alliance' ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের ওপর নির্ভরশীল করে তোলা এবং তাদের সার্বভৌমত্ব খর্ব করা।
- হায়দ্রাবাদের নিজাম ১৭৯৮ সালে সর্বপ্রথম এই নীতি গ্রহণ করেন।
- এই নীতি গ্রহণকারী রাজ্যগুলোকে নিজেদের রাজ্যে একদল ব্রিটিশ সৈন্য রাখতে হতো এবং তাদের ভরণপোষণের ব্যয়ভার বহন করতে হতো।
- পরবর্তীতে মহীশূর, তাঞ্জোর, অযোধ্যা এবং পেশোয়াদের মতো রাজ্যগুলোও এই নীতির অধীনে চলে আসে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হকিন্স এবং ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে স্যার টমাস রো মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন।
- স্যার টমাস রো-এর অনুরোধে ১৬১৩ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীর এক ফরমান জারির মাধ্যমে ইংরেজদের সুরাটে বাণিজ্যকুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন।
- এটিই ছিল ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির স্থাপিত প্রথম বাণিজ্যকুঠি বা কারখানা।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আসল নাম ছিল মির্জা নুরুদ্দিন বেগ মোহাম্মদ খান সেলিম, যিনি ১৬০৫ থেকে ১৬২৭ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।
- তিনি তাঁর ন্যায়পরায়ণতার জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত ছিলেন এবং আগ্রা দুর্গে 'জিঞ্জির-ই-আদল' বা 'ন্যায়বিচারের শিকল' স্থাপন করেছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ভাস্কো দা গামা হলেন প্রথম পর্তুগিজ নাবিক যিনি ১৪৯৮ সালে সমুদ্রপথে ভারতে পৌঁছান।
- তিনি আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত উত্তমাশা অন্তরীপ বা 'Cape of Good Hope' হয়ে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- এই আবিষ্কারের ফলে ইউরোপ এবং এশিয়ার মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক বাণিজ্যের পথ উন্মুক্ত হয়।
- অন্যদিকে, ১৪৮৭ সালে বার্থোলোমিউ দিয়াজ প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে উত্তমাশা অন্তরীপে পৌঁছান, কিন্তু তিনি ভারতে আসেননি।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস ১৪৯২ সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন এবং ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি পৃথিবী পরিক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি এই নতুন রাজধানীর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার বিদ্রোহী জমিদার 'বারো ভূঁইয়াদের' দমন করা এবং মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের প্রতিহত করা।
- ইসলাম খান চিশতি সফলভাবে বারো ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খাঁ-র পুত্র মুসা খাঁ-কে পরাজিত করেছিলেন।
- রাজধানী স্থানান্তরের ফলে ঢাকা একটি গুরত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্রে পরিণত হয় এবং মসলিন শিল্পের বিকাশ ঘটে।
- পরবর্তীতে ১৬৬০ সালে বাংলার আরেক সুবেদার মীর জুমলা পুনরায় ঢাকাকে বাংলার রাজধানীতে রূপান্তর করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
- তিনি ছিলেন জাতিতে তুর্কি, বংশে খলজি এবং আফগানিস্তানের গরমশির বা আধুনিক দশত-ই-মার্গ এর অধিবাসী।
- ১২০৪ সালে তিনি মাত্র ১৮ জন অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে সেন বংশের রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা (নদিয়া) জয় করেন।
- বখতিয়ার খলজির এই বিজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় মধ্যযুগের এবং মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটে।
- তিনি বাংলার প্রথম মুসলিম শাসক হিসেবে লখনৌতি বা গৌড়ে তার রাজধানী স্থাপন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আমির খসরু ছিলেন সুলতানি যুগের একজন প্রখ্যাত সুফি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ ও পণ্ডিত।
- তাঁর সুমধুর কণ্ঠ ও পাণ্ডিত্যের জন্য তাঁকে 'তুত-ই-হিন্দ' বা 'ভারতের তোতা পাখি' বলা হয়।
- তিনি কাওয়ালি সঙ্গীতের প্রবর্তক এবং উর্দু সাহিত্যের অন্যতম জনক হিসেবে বিবেচিত হন।
- ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে 'খেয়াল' প্রবর্তনে এবং সেতার ও তবলা বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবনে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'অন্ধকূপ হত্যা' (Black Hole Tragedy) একটি বহুল প্রচারিত সেনা হত্যাকাণ্ড, যা ব্রিটিশ আমলে কলকাতায় সংঘটিত হয়েছিল বলে উল্লেখ করা আছে। সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে ফোর্ট উইলিয়াম হামলায় হত্যার অভিযোগ উঠে ১২৩ জন ইংরেজকে হত্যার। ইংরেজ সেনা হলওয়েল এর এ মিথ্যা কাহিনী ইতিহাসে পরিচিত 'অন্ধকূপ হত্যা' নামে। এতে বলা হয়ে থাকে ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ১৪.১০ ফুট প্রয় ছোট একটি ঘরে ১৪৬ জন ইংরেজকে বন্দি করে রাখা হয় এবং তাদের মধ্যে ১২৩ জনের মৃত্যু হয়।

- সিরাজউদ্দৌলার প্রকৃত নাম মির্জা মুহাম্মদ (পুরো নাম- মির্জা মুহাম্মদ আলী)। তার পিতার নাম জয়েনউদ্দিন। নবাব অলীবর্দী খান ছিলেন সিরাজউদ্দৌলার নানা। তিনি বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে স্থানান্তর করেন কোলকাতা (আলী নগর)।
- সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন ১৭৫৬ সালে (২২/২৩ বছর বয়সে)
- সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দখল করেন ২০ জুন, ১৭৫৬। 
- নবাব সিরাজউদ্দৌলার ‘যৌবরাজ্যাভিষেক’ ঘটে ১৭ বছর বয়সে।
- নবাব ও ইংরেজদের মধ্যে সন্ধি হয় ১৭৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি (ইহা ইতিহাসে ‘আলীনগর সন্ধি’ নামে খ্যাত]
- পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ২৩ জুন, ১৭৫৭ সালে।
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৭৬৪ সালে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- নবাব মুর্শিদকুলী খান ছিলেন বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম স্বাধীন নবাব, তিনি বাল্যকালে ছিলেন ইস্পাহান, ইরান।
- ১৭০০ সালে আওরঙ্গজেব তাকে বাংলায় দেওয়ান নিযুক্ত করেন তার কাজ ছিল: সুবার রাজস্ব আদায় ও অর্থব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা,
- ১৭০৩ সালে মুর্শিদ কুলি উপাধি পান
- ১৭১৬ সালে বাংলার নাজিম হন
- ১৭১৭ সালে ঢাকা মুর্শিদাবাদে রাজধানী স্থানান্তর করেন
- ১৭২২ সালে রাজা টোডরমল ও শাহ্ সুজার ভূমিরাজস্ব বন্দোবস্ত পদ্ধতির সংস্কার করেন এবং ‘মাল জমিনী’ নামক রাজস্ব ব্যবস্থা চালু করেন। তিনি দিল্লিতে বার্ষিক ১ কোটি ৩ লক্ষ টাকা রাজস্ব পাঠাতেন
- ১৭২৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তার উপাধি করতলব খান, জাফর খান এবং ‘মুতামিন-উল-মুলক আলা-উদ-দৌলা জাফর খান নাসির জঙ্গ বাহাদুর'
- তাকে ‘করতলব খান’ উপাধি দেন আওরঙ্গজেব
- তিনি নির্মাণ করেন মুর্শিদাবাদে ‘চেহেল সেতুন’ দুর্গ এবং ঢাকার বেগমবাজারে ‘করতলব খান মসজিদ'।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২) খ্রিষ্টাব্দ । তারপর রাজধানী স্থানান্তর হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫) খ্রিস্টাব্দ
- মুঘল আমলের মধ্যেভাগে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন শুরু হয়।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর বাংলা জয় করে এর নাম দেন সুবা বাংলা। এই সময় বাংলায় বারো ভূঁইয়াদের আগমন ঘটে।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সেনাপতি সুবেদার ইসলাম খান চিশতি চূড়ান্ত ভাবে বারো ভূঁইয়াদের দমন করে ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর
- এর পরে ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় বাংলার রাজধানী করে ঢাকা।
- কলকাতা শহরের গোড়াপত্তন হয় ১৬৯০ সালে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আওরঙ্গজেব (১৬৫৮-১৭০৭) উত্তরাধিকার যুদ্ধে জয়লাভের পর ‘আলমগীর পাদশাহ গাজী’ উপাধি গ্রহণ করে দিল্লির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর রাজত্বকালে উত্তর-পূর্ব, উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণে মুগল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ঘটে।
- উত্তর-পূর্বে আসাম এবং চট্টগ্রামে মুগল সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটে।
- আওরঙ্গজেব ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতাকে জব চার্নকের কাছে বিক্রি করে দেন।
- আওঙ্গজেব বাংলা থেকে পর্তুগিজদের বিতাড়িত করেছিলেন।।
- তিনি মীর জুমলাকে ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুবেদার করে পাঠান ।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আযম শাহ ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- দিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লা নির্মাণ করেন মুঘল সম্রাট শাহজাহান।
- তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী আগ্রা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিলে এই দুর্গটি নির্মাণ করেন।
- দুর্গটির নির্মাণকাজ ১৬৩৮ সালে শুরু হয়ে ১৬৪৮ সালে শেষ হয়।
- এর প্রধান স্থপতি ছিলেন ওস্তাদ আহমদ লাহোরি, যিনি তাজমহলেরও প্রধান স্থপতি ছিলেন।
- দুর্গটি মূলত লাল বেলেপাথর দিয়ে তৈরি বলে এর নাম হয়েছে 'লালকেল্লা'।
- এর আসল নাম ছিল 'কিলা-ই-মুবারক', যার অর্থ 'আশীর্বাদপুষ্ট দুর্গ'।
- স্থাপত্যশিল্পে অবদানের জন্য সম্রাট শাহজাহানকে 'প্রিন্স অফ বিল্ডার্স' বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৬১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমসের দূত হিসেবে স্যার টমাস রো মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন।
- তিনি প্রায় তিন বছর মুঘল দরবারে অবস্থান করেন।
- তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য ভারতে বাণিজ্য করার এবং সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপনের বিশেষ অধিকার ও অনুমতি (ফরমান) আদায় করা, যাতে তিনি সফল হয়েছিলেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁর ন্যায়পরায়ণতার জন্য ইতিহাসে বিখ্যাত।
- তিনি আগ্রা দুর্গের শাহ-বুরুজ থেকে যমুনা নদীর তীর পর্যন্ত একটি সোনার শিকল ঝুলিয়েছিলেন, যা 'জিঞ্জির-ই-আদল' বা 'ন্যায়বিচারের শিকল' নামে পরিচিত।
- এতে ৬০টি ঘণ্টা যুক্ত ছিল।
- নিপীড়িত প্রজারা দিনের যে কোনো সময়ে এই শিকল টেনে সরাসরি সম্রাটের কাছে ন্যায়বিচার চাইতে পারত।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- রাজা টোডরমল ছিলেন মুঘল সম্রাট আকবরের অর্থমন্ত্রী (দেওয়ান) এবং নবরত্ন সভার অন্যতম সদস্য।
- তিনি তৎকালীন ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করেন।
- ১৫৮০ সালে তিনি 'দহশালা' বা 'জাবতি' প্রথা প্রবর্তন করেন।
- এই ব্যবস্থায় জমির উর্বরতা ও উৎপাদনের ওপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কর নির্ধারণ করা হতো, যা মুঘল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছিল।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0