বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ,চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা ও নোয়াখালী জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের পুরো এলাকা ১ নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত। হরিনাতে ছিলো এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার। । মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এই সেক্টর থেকে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করেছিল, বিশেষ করে চট্টগ্রামের কৌশলগত অবস্থান এবং বন্দর এলাকার কারণে এই সেক্টরের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য এলাকার প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা যুদ্ধে সাহায্য করেছিল এবং এই সেক্টর থেকেই ২৭ মার্চ ১৯৭১ তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয়েছিল।
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী বিজয়ের পর এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। যুক্তফ্রন্ট, যা আওয়ামী লীগ এবং কৃষক শ্রমিক পার্টিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের জোট ছিল, ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন জিতে শাসক মুসলিম লীগকে পরাজিত করেছিল। "শের-ই-বাংলা" (বাংলার বাঘ) নামে পরিচিত ফজলুল হক এই জোট সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে তাঁর কার্যকাল খুব স্বল্প সময়ের জন্য ছিল, কারণ আদমজী পাটকলে গণবিক্ষোভের পর নিরাপত্তা উদ্বেগের অজুহাতে কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকার মাত্র ৫৬ দিন পরেই তাঁর মন্ত্রিসভা বরখাস্ত করে দেয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ঢাকা জেলা ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে। - এই সেক্টরটি নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার (আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত) এবং ফরিদপুর ও ঢাকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। - ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) এবং মেজর এটিএম হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)। - ঢাকার গেরিলা অপারেশনগুলো মূলত এই সেক্টরের অধীনেই পরিচালিত হতো, যার মধ্যে বিখ্যাত ক্র্যাক প্লাটুন অন্যতম।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা রহমান৷ অন্যজন তারামন বিবি৷ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে এই দুই বীর নারীর নাম৷
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয়। - এই একই তারিখে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) জারি করে। - এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণাটি অনুমোদন ও কার্যকর করা হয়। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার শপথ গ্রহণ করে। - এই ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের সংবিধানের একটি মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত এবং এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান।
East Germany recognized Bangladesh on January 11, 1972. This was indeed very early in Bangladesh's independence, occurring shortly after the country gained independence in December 1971.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে। এরপর ১৭ এপ্রিল ,১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের পর গঠিত মন্ত্রীসভার সদস্য ৬ জন ।
যথা ঃ
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ। - রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। - অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী। - স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং - পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
১৭ এপ্রিলে উল্লেখ্যযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাঃ
- মুজিবনগর সরকার গঠন। - বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার ঘোষণা। - স্বাধীনতার সংবিধানিক ঘোষণা। - আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা। - প্রজাতন্ত্রের আত্মপ্রকাশ। - বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা। - প্রথম মন্ত্রিসভা গঠন।
২ মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা তোলা হয়েছিল। পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ডাকসুর সহসভাপতি আ স ম আবদুর রব।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।