সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

Liberation War of Bangladesh

১১৮ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তানের অন্যায্য শরীফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয় ।
- ১৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে ছাত্রকর্মী বাবুল, গোলাম মোস্তফা ও ওয়াজিউল্লাহ শহীদ হন ।
- এই মহান আত্মত্যাগের স্মরণে প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস হিসেবে পালিত হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্র আন্দোলনের মূল কারণ ছিল শরীফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাস্তবায়ন । ১৯৫৮ সালে গঠিত এই কমিশন ১৯৬২ সালে তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করে ।
রিপোর্টে অবৈতনিক শিক্ষাকে অবাস্তব বলে শিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি ও উর্দুকে সর্বজনীন করার প্রস্তাব করা হয় । এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ আন্দোলন গড়ে তোলে এবং ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী হরতাল পালিত হয় ।
- মূল কারণ: শরীফ কমিশনের গণবিরোধী শিক্ষানীতি ।
- ফলাফল: ১৭ সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস পালন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ তারিখে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় । এটি ছিল বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলনের প্রধান ভিত্তি, যাকে বাঙালির 'ম্যাগনা কার্টা' বা মুক্তির সনদ বলা হয়।
- ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬: লাহোর সম্মেলনে উত্থাপন
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬: আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির ৩ নম্বর দফায় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য পৃথক মুদ্রা ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছিল ।
এই দফায় দুটি বিকল্প ছিল:
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুইটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করা ।
- অথবা, একই মুদ্রা থাকলে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচার রোধে সুনির্দিষ্ট বিধান ও দুই অঞ্চলে দুইটি পৃথক রিজার্ভ ব্যাংক স্থাপন করা ।
তাই সঠিক উত্তর Point Number 3 ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের জন্য ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন । এই দাবিগুলো ছিল পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তি। বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও অধিকার আদায়ের মূল হাতিয়ার হওয়ায় এই ৬ দফাকে বাঙালির 'মুক্তিসনদ' বা 'Charter of Freedom' বলা হয় । এছাড়া এর অপরিসীম ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এটিকে ইংল্যান্ডের বিখ্যাত 'ম্যাগনা কার্টা'-র সাথে তুলনা করা হয় ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
আইয়ুব খানের সামরিক শাসনামলে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অধ্যাপক এস এম শরীফের নেতৃত্বে শরীফ শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় ।
কমিশনের মূল তথ্যসমূহ:
- গঠন: ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৫৮
- সভাপতি: অধ্যাপক এস এম শরীফ
- রিপোর্ট প্রকাশ: ১৯৬২ সাল
- এতে শিক্ষাকে ব্যয়বহুল করার প্রস্তাব করা হয় ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 1958 (অপশন 2) ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৫৮ সালে গঠিত শরীফ শিক্ষা কমিশন ১৯৬২ সালে তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করে । রিপোর্টটির বেশ কিছু প্রস্তাব বিতর্ক তৈরি করে:
- অবৈতনিক শিক্ষার ধারণাকে অবাস্তব ঘোষণা ও ছাত্র বেতন বৃদ্ধি ।
- ৩য় শ্রেণি থেকে ইংরেজি বাধ্যতামূলক করা ।
এই গণবিরোধী নীতির প্রতিবাদেই পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন গড়ে ওঠে । আন্দোলনকালে ১৭ সেপ্টেম্বর বাবুল ও গোলাম মোস্তফাসহ অনেকে শহীদ হন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয় । ৭ অক্টোবর, ১৯৫৮ তারিখে প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা দেশজুড়ে সামরিক আইন জারি করে সংবিধান বাতিল করেন । পরবর্তীতে ২৭ অক্টোবর, ১৯৫৮ তারিখে সেনাপ্রধান আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা দখল করেন ।
- ১৯৫৮: প্রথম সামরিক শাসন ।
- ইস্কান্দার মির্জা: সামরিক আইন জারি করেন ।
- আইয়ুব খান: ক্ষমতা গ্রহণ করেন ।
সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন ।
- ২৭ অক্টোবর সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা দখল করেন ।
- ২৮ অক্টোবর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পাকিস্তানে দীর্ঘ সামরিক শাসনের সূচনা করেন ।

সোর্সঃ Basic View (New Edition)
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ,চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা ও নোয়াখালী জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের পুরো এলাকা ১ নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত। হরিনাতে ছিলো এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার। । মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এই সেক্টর থেকে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করেছিল, বিশেষ করে চট্টগ্রামের কৌশলগত অবস্থান এবং বন্দর এলাকার কারণে এই সেক্টরের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য এলাকার প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা যুদ্ধে সাহায্য করেছিল এবং এই সেক্টর থেকেই ২৭ মার্চ ১৯৭১ তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করা হয়েছিল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী বিজয়ের পর এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। যুক্তফ্রন্ট, যা আওয়ামী লীগ এবং কৃষক শ্রমিক পার্টিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের জোট ছিল, ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন জিতে শাসক মুসলিম লীগকে পরাজিত করেছিল। "শের-ই-বাংলা" (বাংলার বাঘ) নামে পরিচিত ফজলুল হক এই জোট সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তবে তাঁর কার্যকাল খুব স্বল্প সময়ের জন্য ছিল, কারণ আদমজী পাটকলে গণবিক্ষোভের পর নিরাপত্তা উদ্বেগের অজুহাতে কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকার মাত্র ৫৬ দিন পরেই তাঁর মন্ত্রিসভা বরখাস্ত করে দেয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ঢাকা জেলা ছিল ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে।
- এই সেক্টরটি নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার (আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত) এবং ফরিদপুর ও ঢাকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
- ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) এবং মেজর এটিএম হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)।
- ঢাকার গেরিলা অপারেশনগুলো মূলত এই সেক্টরের অধীনেই পরিচালিত হতো, যার মধ্যে বিখ্যাত ক্র্যাক প্লাটুন অন্যতম।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
  ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ।
♦জন্মঃ ১৯৪৩ সালে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি থানার সালামতপুর গ্রাম।
♦কর্মস্থলঃ ই পি আর।
♦পদবীঃ ল্যান্স নায়েক।
♦তিঁনিই একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ যিনি মরণোত্তর পদোন্নতিপ্রাপ্ত হন।বাংলাদেশ রাইফেলস ১৯৭৩ সালে তাঁকে সিপাহী থেকে অনারারি ল্যান্সনায়েক পদে পদোন্নতি প্রদান করে।
♦যুদ্ধ করেনঃ ১ নং সেক্টরে।
♦শহীদ হনঃ ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল, বীরশ্রেষ্ঠ দের মাঝে প্রথম শহীদ হন।
♦সমাধিঃ রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর।
♦নামকরনঃ তাঁর নামে তাঁর নিজের গ্রাম সালামতপুর কে রউফনগর করা হয়েছে।

 

ব্যাখ্যা (Explanation)
 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা রহমান৷ অন্যজন তারামন বিবি৷ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে এই দুই বীর নারীর নাম৷

ব্যাখ্যা (Explanation)
 

১০নং সেক্টরের কোনো আঞ্চলিক সীমানা ছিলনা। নৌবাহিনীর কমান্ডো দ্বারা এটি গঠিত হয়েছিল। শত্রুপক্ষের নৌযান ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন সেক্টরে এদের পাঠানো হত।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয়।
- এই একই তারিখে অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) জারি করে।
- এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণাটি অনুমোদন ও কার্যকর করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের সংবিধানের একটি মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত এবং এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান।
ব্যাখ্যা (Explanation)
 

প্রথম শত্রুমুক্ত হয় যশোর জেলা ১৯৭১ সালের ৭ ই ডিসেম্বর। যশোরের শার্শা উপজেলাকে স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রবেশদ্বার বলা হয়। 

ব্যাখ্যা (Explanation)
East Germany recognized Bangladesh on January 11, 1972. This was indeed very early in Bangladesh's independence, occurring shortly after the country gained independence in December 1971.

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে। এরপর ১৭ এপ্রিল ,১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের পর গঠিত মন্ত্রীসভার সদস্য ৬ জন ।
যথা ঃ
  - প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
   - রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
   - উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
   - অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
   - স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং
   - পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

১৭ এপ্রিলে উল্লেখ্যযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাঃ

- মুজিবনগর সরকার গঠন। 
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার ঘোষণা।
- স্বাধীনতার সংবিধানিক ঘোষণা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা।
- প্রজাতন্ত্রের আত্মপ্রকাশ।
- বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা। 
- প্রথম মন্ত্রিসভা গঠন। 

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।