কবে থেকে বাংলাদেশে 'পোস্টকোড' চালু হয়?
সমাধান
সঠিক উত্তর: Option B
⇒ সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৬
• ডাক ব্যবস্থাকে দ্রুত, আধুনিক ও সুশৃঙ্খল করার জন্য প্রতিটি ডাকঘরের একটি নির্দিষ্ট সাংখ্যিক পরিচিতি নম্বর ব্যবহার করা হয়, যাকে পোস্টকোড (Postcode) বা জিপকোড বলা হয়।
• স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমদিকে সনাতন পদ্ধতিতে ডাক আদান-প্রদান হলেও, সময়ের সাথে সাথে ডাকের পরিমাণ বাড়তে থাকায় তা আধুনিকীকরণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
• এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ উন্নত সেবার অংশ হিসেবে ২২ ডিসেম্বর ১৯৮৬ সালে দেশব্যাপী প্রথমবারের মতো 'পোস্টকোড' পদ্ধতি চালু করে।
• বাংলাদেশের পোস্টকোডগুলো সাধারণত ৪ ডিজিটের হয়ে থাকে। এর প্রথম দুটি ডিজিট জেলার প্রধান ডাকঘরকে এবং শেষের দুটি ডিজিট নির্দিষ্ট উপজেলা বা সাব-পোস্টঅফিসকে নির্দেশ করে।
• এই পদ্ধতির ফলে চিঠিপত্র বা পার্সেল নির্দিষ্ট গন্তব্যে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পৌঁছে দেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।
• ডাক ব্যবস্থাকে দ্রুত, আধুনিক ও সুশৃঙ্খল করার জন্য প্রতিটি ডাকঘরের একটি নির্দিষ্ট সাংখ্যিক পরিচিতি নম্বর ব্যবহার করা হয়, যাকে পোস্টকোড (Postcode) বা জিপকোড বলা হয়।
• স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমদিকে সনাতন পদ্ধতিতে ডাক আদান-প্রদান হলেও, সময়ের সাথে সাথে ডাকের পরিমাণ বাড়তে থাকায় তা আধুনিকীকরণের প্রয়োজন দেখা দেয়।
• এই লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ উন্নত সেবার অংশ হিসেবে ২২ ডিসেম্বর ১৯৮৬ সালে দেশব্যাপী প্রথমবারের মতো 'পোস্টকোড' পদ্ধতি চালু করে।
• বাংলাদেশের পোস্টকোডগুলো সাধারণত ৪ ডিজিটের হয়ে থাকে। এর প্রথম দুটি ডিজিট জেলার প্রধান ডাকঘরকে এবং শেষের দুটি ডিজিট নির্দিষ্ট উপজেলা বা সাব-পোস্টঅফিসকে নির্দেশ করে।
• এই পদ্ধতির ফলে চিঠিপত্র বা পার্সেল নির্দিষ্ট গন্তব্যে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পৌঁছে দেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।