লেখার সময়ে কোনো কথা অব্যক্ত রাখতে চাইলে কোন বিরামচিহ্ন ব্যবহার করা হয়?

A ত্রিবিন্দু

B বিন্দু

C কোলন

D একটিও নয়

Solution

Correct Answer: Option A

- বিরামচিহ্ন: লেখার মাধ্যমে মনের ভাব সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করার জন্য, বাক্যের অর্থ সহজ ও বোধগম্য করার জন্য এবং বাক্যের মধ্যে বা শেষে শ্বাসবিরতির জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাদের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন বলে।
- ত্রিবিন্দু বা লোপচিহ্ন (Ellipsis): লেখার সময়ে কোনো কথা অব্যক্ত রাখতে চাইলে কিংবা কোনো উদ্ধৃতির অংশবিশেষ বর্জন করতে চাইলে ত্রিবিন্দু (...) ব্যবহার করা হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও এনসিটিবি (NCTB) পাঠ্যবই অনুসারে, এই চিহ্নটি তিনটি বিন্দুর সমষ্টি। একে লোপচিহ্নও বলা হয়।

উদাহরণ:
- তিনি রেগে বললেন, “তোমাকে আমি দেখে নেব...” (এখানে পরের কথা আর বলা হলো না বা অব্যক্ত রাখা হলো)।
- “স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়... দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায়।” (এখানে কবিতার মাঝখানের অংশ বর্জন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে)।]

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- বিন্দু (Full Stop): বিন্দু বলতে সাধারণত পূর্ণচ্ছেদ বা দাড়িকে (।) বোঝানো হয় না, বরং এটি ফোটা বা ডট (.)। বাংলায় বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে দাড়ি (।) ব্যবহৃত হয়। আর সংক্ষেপণের কাজে বা গণিতে বিন্দু ব্যবহৃত হয়, অব্যক্ত কথা বোঝাতে নয়।
- কোলন (Colon): কোনো বিশেষ উক্তির আগে, উদাহরণ উপস্থাপনের আগে বা নাটকের সংলাপের আগে কোলন (:) ব্যবহৃত হয়। এটি কথা শেষ করা বা অসম্পূর্ণ রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় না।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions