যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিশ্বের সবচেয়ে ছোট সংবিধান।
এটি ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৭ সালে জেমস মেডিসন প্রণয়ন
করেন, যা কার্যকর হয় ৪ মার্চ, ১৭৮৯ সালে। এ সংবিধানে
১টি প্রস্তাবনা ও ৭টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত নিরপেক্ষ দেশকে বলা হয় বাফার স্টেট। ১ম ও ২য় বিশ্বযুদ্ধের বাফার স্টেট ছিল বেলজিয়াম।
কিছু বাফার স্টেটের নামঃ - ১৯ শতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং রাশিয়ার মধ্যে আফগানিস্তান। - ১৯ শতকের শেষের দিকে এবং ২০ শতকের প্রথম দিকে ফ্রান্স এবং জার্মানির মধ্যে বেলজিয়াম। - বিংশ শতাব্দীতে ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে লেবানন। - ১৯ এবং ২০ শতকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং চীনের মধ্যে ভুটান এবং সিকিম। - ১৯ শতকে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার মধ্যে প্যারাগুয়ে। - ২০ শতকে জার্মানি এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পোল্যান্ড। - ২১ শতকে রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ইউক্রেন।
চীন জনসংখ্যায় পৃথিবীর বৃহত্তম ও আয়তনে তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। দেশটির সাথে ১৪ টি দেশের স্থল সীমান্ত রয়েছে। চীনের সীমান্তবর্তী দেশগুলো হলো-লাওস, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্তান।
উল্লেখ্য, রাশিয়ার সাথেও ১৪ টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
প্রণালী হলো এক ধরনের সংকীর্ণ জলভাগ যা দুটি
বৃহৎ জলভাগকে যুক্ত করে এবং দুটি স্থলভাগকে বিচ্ছিন্ন
করে। অর্থাৎ প্রণালী একই সাথে দুটি ভূমিকে যেমন পৃথক
করে তেমনি আবার দুটি বৃহৎ জলধারাকে সংযুক্তও করে।
‘বাবেল মান্দেব প্রণালী’ এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে
পৃথক করেছে এবং সংযুক্ত করেছে এডেন সাগর/আরব
সাগরের সাথে লোহিত সাগরকে।
করোনা প্রতিরোধে অক্সফোর্ড
অ্যাস্ট্রাজেনেকার
তৈরি
তৈরি টিকার নাম AZD1222
(ChAd0×1)। বৃটিশ বিজ্ঞানী সারা গিলবার্ট এর নেতৃত্বে
অ্যাড্রিয়ান হিল, অ্যান্ড্রু পোলার্ড, টেরেসা ল্যাম্বে, স্যান্ডি
ডগলাস ও ক্যাথরিন গ্রিন এ টিকাটি তৈরি করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইনসভার নাম
কংগ্রেস। এটি দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ
প্রতিনিধি সভা (The House of Representative) এবং
উচ্চকক্ষ সিনেট (The Senate) নামে পরিচিত। প্রতিনিধি
পরিষদে আসন সংখ্যা ৪৩৫ জন আর সিনেটে আসন সংখ্যা
১০০।
১৬০৭ সালে ব্রিটেনের বণিক সম্প্রদায় যুক্তরাষ্ট্রের
ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে উপনিবেশ গড়ে তোলে। এটাই ছিল
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে ব্রিটেনের প্রথম উপনিবেশ।
পরবর্তীতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্যে উপনিবেশ গড়ে
তোলে। যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় জর্জ এর স্বেচ্ছাচারিতা,
১৭৬৪ সালের সুগার অ্যাক্ট, ৫ মার্চ, ১৭৭০ সালের বোস্টন
হত্যাকাণ্ড প্রভৃতি কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্যের
প্রতিনিধিরা ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা
ঘোষণা করে। জর্জ ওয়াশিংটনের নেতৃত্বে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে
আমেরিকানরা যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এক পর্যায়ে ২০ মার্চ,
১৭৮২ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব গৃহীত হয়
এবং ১৭৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের
জন্য ভার্সাইতে ৪টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ‘প্যারিসের শান্তি
চুক্তি' নামে পরিচিত। এ চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র বৃটেনের নিকট
থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
লোহিত সাগরের সঙ্গে ভূমধ্যসাগরের সংযোগ
স্থাপনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য নিয়ে ১৮৫৯ থেকে ১৮৬৯
সালের মধ্যে এক দশকে সুয়েজ খাল খনন করা হয়। খালটি
খননে মূল পরিকল্পনাকারী ফরাসি কুটনীতিক ফার্দিনান্দ দে
লেসেপস। ১৬৪ কি.মি. দীর্ঘ কৃত্রিম এ খালটিকে Highway
of india বলা হয়। সুয়েজ খাল লোহিত সাগর ও
ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে আর এশিয়া ও আফ্রিকাকে
পৃথক করেছে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বত সীমান্ত জুড়ে ম্যাকমোহন লাইন অবস্থিত। - ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সঙ্গে চীনের তিব্বত অঞ্চলের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে কমপক্ষে তিন বার। - প্রথমবার ১৮৬৫ সালে জনসন লাইন এর মাধ্যমে। - দ্বিতীয়বার ১৮৯৯ সালে ম্যাকার্টনি- ম্যাকডোনাল্ড লাইন অনুসারে। - তৃতীয়বার ১৯১৪ সালে ম্যাকমোহন লাইন এর মাধ্যমে করা হয় তিব্বতের সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতের আলোচনা সাপেক্ষে।ম্যাকমোহন লাইন এর মাধ্যমে সীমান্ত নির্ধারিত হলেও চীন এটিকে স্বীকার করতে চায় না। অজুহাত হিসেবে চীন দাবি করে এই চুক্তির সময় তিব্বত কোন সার্বভৌম রাষ্ট্র ছিলনা। - উল্লেখ্য, এই সীমান্ত বিরোধ নিয়ে ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
চন্দ্রশেখর ভেঙ্কটরমন (সিভি রমন) ১৯২৮ সালে
‘রমন ইফেক্ট’ আবিষ্কারের জন্য ১৯৩০ সালে ভারত
উপমহাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল
পুরস্কার লাভ করেন। অন্যদিকে, এইচ জি খোরানা (ভারত)
১৯৬৮ সালে চিকিৎসায়, আব্দুস সালাম (পাকিস্তান) ১৯৭৯
সালে পদার্থে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় (International Network) ইন্টারনেট। প্রথম নেটওয়ার্ক হলো Advance Research Projects Agency Network (ARPANET) যা ১৯৬৯ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর চালু করে। ১৯৯৪ সালে ARPANET এর পরিবর্তে Internet শব্দটি ব্যবহৃত হয়। আর ৪ জুন, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয়।
ভিটামিন-ই এর রাসায়নিক নাম টোকোফেরোল।
দৈহিক পেশীর স্বাভাবিক বিকাশ, জনন অঙ্গের পুষ্টতা এবং
গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে এরা অংশগ্রহণ করে।
এর উৎস লেটুস পাতা, সয়াবিন, ছোলা, সবুজ শাকসবজি,
দুধ, ডিমের কুসুম, যকৃত ও মাংস ইত্যাদি। ভিটামিন-ই র
অভাবে প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায় ও নারী -পুরুষের বন্ধ্যাত্ব
সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে ১৯৭৩ সালে
সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ শুরু
করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে অবস্থিত
এই ভাস্কর্যটি ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ উদ্বোধন করা হয়। এটি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।
পদ্মা নদীর উপর নির্মিত মাওয়া (মুন্সিগঞ্জ) - জাজিরা
(শরীয়তপুর) প্রান্তে অবস্থিত ‘পদ্মা সেতু’ এর ভিত্তিপ্রস্তর
স্থাপন করা হয় ৪ জুলাই, ২০০১ সালে এবং মূল কাজের
উদ্বোধন করা হয় ১২ ডিসেম্বর, ২০১৫ সালে। এর দৈর্ঘ্য
৬.১৫ কি.মি. এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। এতে মোট পিলার
আছে ৪২টি এবং স্প্যান আছে ৪১টি। এ সেতুর নির্মাণকারী
প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। বহুল
প্রতীক্ষিত স্বপ্নের পদ্মাসেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
২৫ জুন, ২০২২ সালে উদ্বোধন করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরালে অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু-১' স্পেসএক্স- এর ফ্যাল্কন-৯ রকেটে করে সফলভাবে কক্ষপথে যাত্রা করে। ♦ বাংলাদেশে নিজস্ব স্যাটেলাইটের – ৫৭ তম দেশ ♦ বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইটে ট্রান্সপন্ডার আছে – ৪০ টি ♦ বিটিভি ব্যবহার করে – এশিয়াস্যাট ৭ নামের স্যাটেলাইট ♦ বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট মহাকাশে অবস্থান করবে – ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে ♦ বাংলাদেশের এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে সার্কভুক্ত দেশগুলোসহ – ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কেমেনিস্তান ও কাজাখস্তান ♦ বাংলাদেশ প্রথম স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ শুরু করে –২০০৭ সালে ♦ বাংলাদেশে মহাকাশে ১০২ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে কক্ষপথ বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছিল জাতিসংঘের – আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ♦ ইউনিয়নে, ২০০৭ সালে বাংলাদেশের এই আবেদনের উপর আপত্তি করেছিল– ২০ টি দেশ ♦ বর্তমান কক্ষপথ “ ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশটি “বাংলাদেশ সরকার কিনে নেয় – ২১৯ কোটি টাকায়, ২০১৩ সালে, রাশিয়ার ইন্টারস্পুটনিক থেকে ♦ এটি তৈরি করে ফ্রান্সের – থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি
-ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ সালে নড়াইল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। -তিনি ১৯৫৯ সালে ইপিআর (বর্তমান বিজিবি)-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। -তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ৮ নং সেক্টরের অধীন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। -৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সালে যশোরের গোয়ালহাটি গ্রামে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহিদ হন। -বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৩ সালে তাঁকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের
পটভুমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র হলো ধীরে বহে মেঘনা। ১৯৭৩
সালে মুক্তি প্রাপ্ত এ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আলমগীর
কবির।
সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
‘নিষিদ্ধ লোবান’ (১৯৮১) অবলম্বনে ‘গেরিলা' নামে
চলচ্চিত্রায়িত করেন নাসিরউদ্দিন ইউসুফ। এটি ২০১১ সালে
মুক্তি পায়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রথম
শত্রুমুক্ত জেলা যশোর। ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে মুক্তি ও
মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এই
জেলা থেকে পালিয়ে যায়। আর ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
সিলেট, ঝিনাইদহ ও মৌলভীবাজার জেলা মুক্ত হয়।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান। আইনজীবী। - বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৪ (১) অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করেন। - এটর্নি জেনারেল সংবিধানের ৬৪ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসাবে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। - ৬৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তার বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে। - আর ৬৪ (৪) ধারা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।