‘মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়’- কিসের উদাহরণ

A স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ

B কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ

C পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ

D ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ

Solution

Correct Answer: Option A

যে শব্দ বা পদ বাক্যের ক্রিয়াকে বা অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ (Adverb) বলে। ক্রিয়া বিশেষণ প্রধানত ক্রিয়ার ভাব, সময় বা স্থান নির্দেশ করে।
- স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: যে ক্রিয়াবিশেষণ দিয়ে ক্রিয়াটি ‘কোথায়’ সংঘটিত হচ্ছে বা কোন দিকে নির্দেশ করছে তা বোঝায়, তাকে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বা স্থানবাচক ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
যেমন: মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়। এখানে ‘সামনে’ শব্দটি ক্রিয়া (এ এগিয়ে যাওয়া)-র স্থান বা দিক নির্দেশ করছে, তাই এটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
উদাহরণ:
- সে কোথাও নেই। (স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ)
- গাড়িটি দ্রুত চলছে। (ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ)
- গতকাল বৃষ্টি হয়েছিল। (কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ)

ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ: যে বিশেষণ ক্রিয়া সংঘটনের ‘সময় বা কাল’ (কখন) নির্দেশ করে, তাকে কালবাচক ক্রিয়া বিশেষণ বলে। যেমন: এখন বৃষ্টি হচ্ছে। যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত ‘সামনে’ শব্দটি সময় বোঝায় না, তাই এটি ভুল।
- পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: যেসব শব্দ বাক্যের মধ্যে বা শেষে বসে বাক্যকে জোরদার করে বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি কোনো পদকে বিশেষিত করে না, তাদের পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন: সে তো আসবেই। এটি প্রশ্নের উদাহরণের সাথে মেলে না। (আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এটিকে ‘আবেগ শব্দ’ বা ‘পদাশ্রয়ী নির্দেশক’-এর আলোচনাতেও ভিন্নভাবে দেখা হয়, তবে ক্রিয়াবিশেষণের ধরণ হিসেবে এটি মূলত জোর বা সম্মতি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়)।
- ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়াটি ‘কীভাবে’ বা ‘কেমন করে’ সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে তাকে ধরণবাচক ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন: আস্তে, ধীরে, জোরে। এখানে ‘সামনে’ শব্দটি ‘কীভাবে’ নয় বরং ‘কোথায়/কোনদিকে’ বোঝাচ্ছে।

নোট: বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে, স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণকে নির্দেশ করতে ‘কোথায়’ বা ‘কোন দিকে’ প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়।

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions