সামান্তরিকের বৈশিষ্ট্য: - সামান্তরিকের চারটি কোণের সমষ্টি চার সমকোণ বা ৩৬০০।
- সামান্তরিকের দুইটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০০। - সামান্তরিকের বিপরীত কোণদ্বয় পরস্পর সমান। - সামান্তরিকের ভূমিকে উচ্চতা দিয়ে গুণ করলে ক্ষেত্রফল পাওয়া যায়। - সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল এর যে কোন কর্ণদ্বারা গঠিত ত্রিভুজক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণের সমান। - সামান্তরিকের বিপরীত বাহুদ্বয় পরস্পর সমান। - সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় সবসময়ই সামান্তরিকের অভ্যন্তরে অবস্থান করে। - সামান্তরিকের বিপরীত বাহুদ্বয় পরস্পর সমান্তরাল। - সামান্তরিকের কর্ণদ্বারা সামান্তরিকটি দুইটি সর্বসম ত্রিভুজে বিভক্ত হয়। - সামান্তরিকের একটি কর্ণ এর অপর কর্ণ দ্বারা সমদ্বিখণ্ডিত হয়। - সামান্তরিকের কর্ণদ্বয়ের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের সমষ্টি এর বাহুগুলোর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রগুলোর সমষ্টি সমান।
ত্রিভুজের ক্ষেত্রে ২টি শর্ত হলো: 1. ত্রিভুজের যে কোণ দুই বাহুর সমষ্টি ৩য় বাহু অপেক্ষ বৃহত্তম 2. ত্রিভুজের যে কোণ দুই বাহুর অন্তর ৩য় বাহু অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর। এখানে প্রশ্নানুসারে শর্ত (2) হওয়ায় উত্তর হবে ক্ষুদ্রতম।
- ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সর্বদা ১৮০ ডিগ্রি হয়, যা ২ সমকোণ এর সমান। - এক সমকোণ ৯০ ডিগ্রি হয়, তাই ২ সমকোণ মানে ৯০ × ২ = ১৮০ ডিগ্রি। - অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল ১৮০° বা ২ সমকোণ।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই পূর্ববঙ্গের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নাথান কমিশন গঠিত হয়। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। - রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারত সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে বঙ্গভঙ্গ রদের রাজকীয় ক্ষতিপূরণ হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন স্যার পি জে হার্টজ। - ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্ণ হয়।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২৪ • মোট জনসংখ্যা : ১৭১.০০ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি (শুমারি- ২০২৩ অনুসারে) । • জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩) : ১.৩৩% । • জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতিবর্গ কিলোমিটার) : ১,১৭১ জন।
• গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ- ৭০.৮ ও নারী- ৭৩.৮) ।
• সাক্ষরতার হার (৭+বয়স) : ৭৭.৯% (পুরুষ- ৮০.১ % ও নারী- ৭৫.৮%) । • মোট জাতীয় আয় : ৩,০৬,১১৪৪ কোটি টাকা । • মাথাপিছু আয় : ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার । • অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর) • পণ্যভিত্তিক আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (জুলাই - ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত) • পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (জুলাই - ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত) • মোট রপ্তানি আয় ও ব্যয় : (৩৮.৪৫ ও ৪৪.১১) বিলিয়ন মার্কিন ডলার । • মোট প্রবাসী/রেমিট্যান্স আয় : ১৫.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪) • বৈদেশি মুদ্রা মজুদ : ৩,৫২,৮৫৮.৩ কোটি টাকা। • মোট কর্মক্ষম জনশক্তি/শ্রমশক্তি (১৫বছর+) : ৭.৩৫ কোটি (পুরুষ - 8.৮০ ও নারী - ২.৫৫ কোটি) [ শ্রমশক্তি ও কর্মসংস্থান সার্ভে, ২০২৩) • শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজারে) : ২৭ জন (১ বছরের কম) [৫ বছরের কম প্রতি হাজারে ৩৩ জন] • চালু কমিউনিটি ক্লিনিক : ১৪,২৭৫টি । • বিনিয়োগের হার : ৩০.৯৮% [সরকারি - ৭.৪৭%, বেসরকারি - ২৩.৫১%] • আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র : ২৯টি । [উৎপাদনরত - ২০টি , স্থগিত - ০৫টি ও উৎপাদনে যায়নি - ০৪টি] • মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা : ৪,৭৮,০০০ কোটি টাকা (GDP'এর ৯.৫১%) • মোট সরকারি ব্যয় : ৭,১৪,৪১৮ কোটি টাকা । • মাথাপিছু জিডিপি : ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার বা ২,৯৪,১৯১ টাকা । • দারিদ্র্যের হার : ১৮.৭% [খানা আয়-ব্যয় জরিপ,২০২২ অনুসারে] • চরম দারিদ্র্যের হার : ৫.৬% • জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির হার : ৫.৮২% (জিডিপির ১৪.২১%) । • জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান : ১১.০২% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.০০%] • জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান : ৩৭.৯৫% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ -১৭.০০% ] • জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান : ৫১.০৪% [নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ -৩৮.০০% ] • মোট ব্যাংক(তফসিলি) : ৬২টি। • ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান : ৩৫ টি • জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য : ৩,৯৯১ কি.মি.
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। - ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৫৭ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। - বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস। - বর্তমানে দেশে আবিষ্কৃত মোট গ্যাসক্ষেত্র ৩১টি। - এর মধ্যে চালু আছে ২৯টি।
- অন্যদিকে, ১৯৬২ সালে জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে প্রথম কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়। - ১৯৫৭ সালে নেত্রকোণা জেলায় চিনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়। - ১৯৫৮ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপে চুনাপাথর পাওয়া যায়।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র তিতাস। - ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি এটি আবিষ্কার করে। - তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে মোট অনুমিত মজুদ গ্যাস ২.১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- অন্যদিকে, সিলেটের হরিপুরে বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসফিল্ড আবিষ্কৃত হয়।
- বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। - এটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ভবানীপুরের বড়পুকুরিয়ায় অবস্থিত। - এর উৎপাদিত বিদ্যুৎ ২০০৬ সালে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। - বর্তমানে ২টি ইউনিটের মাধ্যমে ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
- ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান মূলত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি। - শাল এ উদ্যানের প্রধান বৃক্ষ। - অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে কাঠাল, আজুলি, কুস্তী, গজারি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। - অন্যদিকে চাপালিশ পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট বনাঞ্চলে এবং গর্জন সুন্দরবনে জন্মায়। - আর বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছ বৈলাম চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির গহীন অরণ্যে পাওয়া যায়।
- সুন্দরবন (বাদাবন) বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ। - বাংলাদেশ ও ভারতে বিস্তৃত সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০,০০০ বর্গ কি.মি.। - সুন্দরবনের মোট আয়তনের ৬২% বাংলাদেশের ৫টি (খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা) জেলায় অবস্থিত। - সুন্দরবনকে ২১ মে, ১৯৯২ সালে 'রামসার সাইট' এবং ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো 'বিশ্ব ঐতিহ্য' স্থান হিসেবে (৭৯৮তম) ঘোষণা করে।
উল্লেখ্য, বন অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, সুন্দরবন বাংলাদেশের ৩টি জেলা জুড়ে (খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা) বিস্তৃত।
- ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হলো সমুদ্র উপকূলবর্তী বন, যেখানে জোয়ারের সময় লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয় এবং ভাটার সময় পানি নেমে যায়। - বাংলাদেশের তথা পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হলো সুন্দরবন। - ম্যানগ্রোভ ফরেস্টের গাছ হলো সুন্দরী, গরান, গেওয়া, গোলপাতা প্রভৃতি।
ধানগাছ ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ । কারণ: 1. এটি Poaceae পরিবারের সদস্য, যা ঘাস পরিবার নামে পরিচিত। 2. একবীজপত্রী উদ্ভিদ। 3. সরু, লম্বা পাতা আছে। 4. কাণ্ড ফাঁপা। 5. ছোট ফুল শীষে সাজানো থাকে। 6. জটিল তন্তুমূল সিস্টেম রয়েছে। 7. অন্যান্য ঘাস জাতীয় উদ্ভিদের (যেমন গম, ভুট্টা) মতো খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এই বৈশিষ্ট্যগুলি ধান গাছকে স্পষ্টভাবে ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ হিসেবে চিহ্নিত করে।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।