Correct Answer: Option B
বাংলাদেশ রেলওয়ে বর্তমানে একটি ৩০ বছর মেয়াদী মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ করছে, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা।
বর্তমানে দেশের ৪৯টি জেলা রেলওয়ে কানেক্টিভিটির আওতায় রয়েছে। ২০২৩ ও ২০২৪ সাল ছিল বাংলাদেশের রেল যোগাযোগের জন্য 'বিপ্লবী' সময়। নিচে সাম্প্রতিক অগ্রগতির মাইলফলকগুলো দেওয়া হলো:
| তারিখ | যুক্ত হওয়া জেলা(সমূহ) | সংশ্লিষ্ট প্রকল্প |
| ১০ অক্টোবর ২০২৩ | মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর | পদ্মা সেতু রেল সংযোগ (ঢাকা-ভাঙ্গা অংশ) |
| ১ নভেম্বর ২০২৩ | বাগেরহাট (৪৭তম) | খুলনা-মোংলা রেলপথ |
| ১২ নভেম্বর ২০২৩ | কক্সবাজার (৪৮তম) | দোহাজারী-কক্সবাজার রেল প্রকল্প |
| ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ | নড়াইল (৪৯তম) | নড়াইল সংযোগ প্রকল্প |
মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ২০৪৫ সালের মধ্যে বাকি ১৫টি জেলাকে রেলের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে এই জেলাগুলোতে কোনো রেলপথ নেই:
বিভাগভিত্তিক বাদ পড়া জেলা:
বরিশাল বিভাগ (পুরো বিভাগই প্রায় বাকি): বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি।
পার্বত্য অঞ্চল: খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি।
অন্যান্য: সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, মাগুরা, শেরপুর, মানিকগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর।
২০৪৫ সালের লক্ষ্য: মাস্টারপ্ল্যান সফল হলে দেশের ৬৪টি জেলাই রেলের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত হবে।
সেবার মান: শুধু সংযোগ নয়, রেলওয়েকে বিশ্বমানের করতে আধুনিক কোচ ও সিগন্যালিং সিস্টেম স্থাপনের কাজও সমানতালে চলছে।
সংক্ষেপে: ২০২৩ সালের শুরুতেও যেখানে মাত্র ৪৩টি জেলায় রেল ছিল, সেখানে ২০২৪ সালের শেষে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯-এ। বিশেষ করে পর্যটন শহর কক্সবাজার ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নড়াইল যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের রেল ইতিহাসের বড় একটি সাফল্য।
Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions