বিসিএস ২৪ তম বাতিল (93 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
৪৮ (১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। ৭২(১) ধারা অনুযায়ী সরকারী বিজ্ঞপ্তি- দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
Give in to - দাবি পূরণ করতে রাজি হওয়া;
give in - বশ্যতা স্বীকার করা;
give to- কাউকে কিছু দেওয়া;
give over to- কোনো কিছুতে বিলিয়ে দেয়া।
সুতরাং অর্থগত দিক থেকে (ক)- ই সঠিক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সুলতানী আমলে উলুঘ খান জাহান আলী বাগেরহাট জেলায় ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন। ষাট গম্বুজ মসজিদের মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১টি, চার কোণায় ৪টি এবং মাঝে ৭৭টি। কুসুম্বা মসজিদ নওগাঁ জেলায়, সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহম্মদপুরে এবং বড় সোনা মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের রামকেলিতে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে গণপরিষদ সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১) উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খান কর্তৃক বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং নামকরণ করা হয় জাহাঙ্গীরনগর। স্বাধীনতার পূর্বে ঢাকা চারবার (১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫ ও ১৯৪৭ সালে) বাংলার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

 মধ্যসমানুপাতীর সূত্র,

(২য় মান)২= ১ম মান * ৩য় মান

             = ১২ * ৪৮

             = ২৪ * ২৪

 বোনের বয়স = ২৪ বছর              

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
SAPTA হলো দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা SAARC দেশগুলোর মধ্যকার সম্পাদিত একটি বাণিজ্য চুক্তি।
- এর পূর্ণরূপ SAARC Preferential Trading Arrangement.
- ১৯৯৩ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত সার্কের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় এবং ৮ ডিসেম্বর ১৯৯৫ থেকে SAPTA কার্যকর হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যভাগ ও দক্ষিণাংশের দ্বীপসমূহকে একত্রে ওশেনিয়া বলা হয়। 
- তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে এই অঞ্চলকে - মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়া। 
- মতান্তরে অস্ট্রেলিয়াকেও ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
- এ অঞ্চলের দেশসমূহ- অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, কিরিবাস, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, নিউজিল্যান্দ, পালাউ, পাপুয়া নিউগিনি, সামুয়া, সলমাণ দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা, টুভালু, ভানুয়াটু, মাইক্রোনেশিয়া যুক্তরাজ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইয়োকোহামা ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার (Yokohama Landmark Tower)- এর অবস্থান জাপানের ইয়োকোহামা শহরে (টোকিওর কাছাকাছি)। এটি জাপানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গগনচুম্বী ভবন (২৯৬.৩ মিটার) এবং একটি বিখ্যাত বাণিজ্যিক ও পর্যটন কেন্দ্র।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- স্থায়ী সালিসি আদালত (Permanent Court of Arbitration - PCA)-এর সদর দপ্তর হেগে (নেদারল্যান্ডস) অবস্থিত। এটি একটি আন্তর্জাতিক সালিসি প্রতিষ্ঠান যা রাষ্ট্র ও বেসরকারি পক্ষগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে।

প্রতিষ্ঠা: ১৮৯৯ সালে (প্রথম হেগ শান্তি সম্মেলনে)।

ভূমিকা: আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সালিসি (arbitration) ও মধ্যস্থতা (conciliation) সেবা প্রদান।

অবস্থান: হেগের পিস প্যালেস (Peace Palace)-এ, যা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ)-এর সাথেও ভাগ করে নেয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জ্বালানি কোম্পানি এনরন ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৪ সালের নভেম্বরে এটি দেউলিয়া ঘোষিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্ল্যাক ক্যাট (Black Cat) নামে পরিচিত কমান্ডো বাহিনীটি ভারতের একটি বিশেষ সেনাবাহিনী ইউনিট। এর সরকারি নাম ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG - National Security Guard)।

প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৪ সালে (অপারেশন ব্লু স্টার ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী হত্যাকাণ্ডের পর)।

ভূমিকা: আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা, hostage rescue, এবং বিশেষ অভিযান (যেমন: ২০০৮ মুম্বাই হামলা মোকাবেলা)।

সদর দপ্তর: নয়াদিল্লি, ভারত।

পোশাক: কালো ইউনিফর্ম ও টুপি (যেখান থেকে "ব্ল্যাক ক্যাট" নামটি এসেছে)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
আফগানি হলো আফগানিস্তানের মুদ্রার নাম। প্রধান ও সরকারি ভাষা পশতু।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মাউরিরা নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী। অন্যদিকে কুর্দিরা কুর্দিস্তানের অধিবাসী, যারা বর্তমানে তুর্কি, ইরান ও ইরাকে বসবাসরত, তাতারুরা এশিয়ার এক মিশ্রজাতি যারা বর্তমানে সাইবেরিয়া, তুর্কমেনিস্তান ও রাশিয়ায় বাস করে এবং রেড ইন্ডিয়ানরা উত্তর আমেরিকার আদিবাসী যাদের নামকরণ করেছিলেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ইবনে খলদুন একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী অন্যদিকে ওমর খৈয়াম, আল-খারিজমী ও উলুগ বেগ এ তিনজনেরই গণিতশাস্ত্রে অবদান রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ (১৩৮৯-১৪১০/৭৯২-৮১৩ হিজরি)  বাংলার প্রথম ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান। 
- সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বিদ্বান লোকদের খুব সমাদর করতেন। মাঝে মাঝে তিনি আরবি ও ফারসি ভাষায় কবিতা লিখতেন।
- পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপ ছিল
- একবার তিনি হাফিজের নিকট কবিতার একটি চরণ লিখে পাঠান এবং কবিতাটিকে পূর্ণ করার জন্য কবিকে অনুরোধ জানান।
- তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানান। হাফিজ দ্বিতীয় চরণটি রচনা করে কবিতাটি পূর্ণ করে পাঠান।
- তিনি সুলতানের নিকট একটি গজলও লিখে পাঠান।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ বাংলা সাহিত্যের উন্নতির ক্ষেত্রেও যথেষ্ট অবদান রাখেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জোলেখা’ রচনা করেন।
- সম্ভবত সুলতান কৃত্তিবাসকেও বাংলায় রামায়ণ লেখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
- বিদেশি রাষ্ট্রের সাথে তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য গিয়াসউদ্দীন বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো যে, তাঁর সময় হিন্দুরা তাঁর দরবারে বেশ প্রাধান্য লাভ করে ছিল। এর ফলে ভাতুরিয়ার (দিনাজপুর জেলায়) জমিদার রাজা গণেশের উত্থান ঘটে।
- ১৪১০ খ্রিস্টাব্দে (৮১৩ হিজরি) গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ এর মৃত্যু হয়। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত। পরী বিবির মাজার লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে দরবারগৃহ থেকে ২৭৫ ফুট পশ্চিমে অবস্থিত।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গ্রামীণ জীবনের সুখ, দুঃখ, আশা, বিশ্বাস নিয়ে রচিত শামসুদ্দীন আবুল কালামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘কাশবনের কন্যা’। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো- আলমনগরের উপকথা, জায়জঙ্গল, সমুদ্র বাসর, কাঞ্চনমালা, কাঞ্চনগ্রাম। অনেক দিনের আশা, পুঁই ডালিমের কাব্য, শাহের বানু, পথ জানা নেই, ঢেউ, দুই হৃদয়ের ঢেউ তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে মোহাম্মদ আশরাফুল এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে প্রথম সেঞ্চুরী করেন। এ সময় তার বয়স ছিল ১৬ বছর ২৬৪ দিন।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ফজলুর রহমান খান স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি আমেরিকার শিকাগো শহরে অবস্থিত বিখ্যাত সিয়ার্স টাওয়ারের স্থপতি। তিনি তার স্বতন্ত্র নির্মাণ কৌশলের স্বীকৃতিস্বরূপ লাভ করেছিলেন নানা আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা। যেমন- ‘কন্সট্রাকশন্স ম্যান অব দ্য ইয়ার’ (১৯৭২), ‘আগা খান পদক’ (১৯৮৩) ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাইরে থেকে প্রযুক্ত বল অপসারিত হলে বিকৃত বস্তু যে ধর্মের ফলে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে, তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে এবং উক্ত বস্তুটিকে স্থিতিস্থাপক বস্তু বলে। যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত বেশি অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের মান বেশি সেসব বস্তু বেশি স্থিতিস্থাপক। ইস্পাতের ক্ষেত্রে অধিক পীড়ন দেয়া সত্ত্বেও বিকৃতির মান যৎসামান্য হয়। কিন্তু রাবারের ক্ষেত্রে অল্প পীড়ন দিলেই বিকৃতির মান অনেক বেশি হয়। সুতরাং রাবারের ক্ষেত্রে পীড়ন ও বিকৃতির অনুপাত অনেক কম। অতএব ইস্পাত, রাবার অপেক্ষা বেশি স্থিতিস্থাপক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র মহাস্থানগড় । । আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এটি ছিল অত্র অঞ্চলের বিখ্যাত শহর ও বাণিজ্য কেন্দ্র । ১৮৭৯ সালে । প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিং হাম এ নগর সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেন । বর্তমান বগুড়া শহর থেকে ১০ কিমি উত্তরে করতােয়া নদীর পশ্চিম তীরে এর অবস্থান । মহাস্থানগড় এর পূর্বনাম পুণ্ড্রনগর ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের নাম সোমপুর বিহার। এর নির্মাতা ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯২১ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৩৭ সালে নির্বাচনের পর তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হন। ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন। ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এবং ১৯৫৬ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
হিন্দুদের তীব্র আন্দোলনের ফলে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বাণিজ্যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হলে ১২ ডিসেম্বর, ১৯১১ রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লি দরবারে বঙ্গবিভাগ রদের ঘোষণা দেন এবং ১৯১২ সালের ২০ জানুয়ারি তা কার্যকর হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলায় মুসলিম শাসন থাকে ১২০৪ -১৭৬৫ সাল পর্যন্ত।
-ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন। তিনি বাংলায় প্রথম মুসলিম শাসক। জাতিতে তিনি তুর্কি আর অধিবাসী ছিলেন আফগানিস্তান। 

- বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক ছিলেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ। তিনি গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি ১২১২ সালে পরাজিত করেন। তার শাসন কাল ছিল ১২২৭-১২২৯। তিনি দিল্লি তুর্কি সুলতান ইলতুৎমিশের পুত্র ছিলেন। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শায়েস্তা খান মগ জলদস্যুদের তাড়িয়ে চট্টগ্রাম দখল করেন এবং এর নাম রাখেন ‘ইসলামাবাদ’। পরে তিনি ছোট কাটরা এবং মোহাম্মদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদ (১৬৮০ সালে) নির্মাণ করেন। উল্লেখ্য, মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ক্ষমতা দখল করে ইসলাম খানকে বাংলার সুবেদার (১৬০৮-১৬১৩ খ্রি.) নিয়োগ করেন।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলার মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য নওয়াব আবদুল লতিফ ১৮৬৩ সালে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এই সালে তিনি কলকাতায় মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। এ সোসাইটির লক্ষ্য ছিল আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের স্বপক্ষে জনমত গড়ে তোলা এবং শিক্ষিত মুসলমান হিন্দু ও ইংরেজদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে পারস্পরিক কল্যাণ নিশ্চিত কথা। তাঁর প্রচেষ্ঠায় কলকাতা মাদ্রাসায় ইস্ট-ফার্সি বিভাগ খোলা হয় এবং সেখানে উর্দু ও বাংলা ভাষা শিক্ষাদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাঁরই চেষ্টার ফলে মহসীন ফান্ডের টাকা মুসলমানদের শিক্ষার কাজে সংরক্ষিত করা হয়। রাজশাহী সরকারী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার অগ্রণী ভূমিকা ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
গৌড়: উত্তর বঙ্গে নিয়ে গঠিত জনপদ।
চন্দ্রদ্বীপ: বর্তমান বরিশাল জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এই জনপদ ছিল। 
তাম্রলিপ্ত: হরিকেলের উত্তরে অবস্থিত জনপদ।
বঙ্গ: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গদেশ বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল। 
বরেন্দ্র ও পুণ্ড্রবর্ধন: উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। ঐতিহাসিকেদের মতে− বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা।
সমতট: বঙ্গদেশের আর্দ্র-নিম্নভূমিকে সমতট হিসেবে উল্লেখ পাওয়া যায়।  
রাঢ়: ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত অঞ্চলকে রাঢ় বলা হয়। 
হরিকেল: পূর্বভারতের একটি জনপদ। এই জনপদটি বঙ্গদেশের অংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ত্রিপুরার এবং তৎসংলগ্ন এলাকা হরিকলের অংশ ছিল বলে অনুমান করা হয়।

১. প্রাচীন কালে ঢাকা বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল।
২. বগুড়ার মহাস্থানগড় একসময় পুন্ড্রুনগর হিসেবে পরিচিত ছিল। 

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
এ বাক্যের principal clause টি past indifinite হওয়ায় subordinate clause অবশ্যই past tense হবে। আর উভয় clause-এর মাঝে while রয়েছে বলে এটি past continious হওয়াকেই সমর্থন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হবে (ঘ)।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0