বিসিএস ৩৭ তম (203 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নির্মাতা বা পরিচালক ঃচলচ্চিত্র
_________________________________________________________
- চাষী নজরুল ইসলাম :ওরা ১১ জন (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ),ধ্রুবতারা ,হাঙ্গর নদী গ্রেনেড ,সংগ্রাম ,মেঘের পড়ে মেঘ
খান আতাউর রহমান:আবার তোরা মানুষ হ ,এখনও অনেক রাত।

- সুভাষ দত্ত :অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
- হুমায়ুন আহমেদ :আগুনের পরশমণি ও শ্যামল ছায়া
- আলমগীর কবির:ধীরে বহে মেঘনা
- তানভীর মোকাম্মেল :নদীর নাম মধুমতি,রাবেয়া ,চিত্রা নদীর পাড়ে
- তারেক মাসুদ:মাটির ময়না (অস্কার মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র )

- নাসিরউদ্দিন ইউসুফ:গেরিলা  (সৈয়দ শামসুল হকের নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস অবলম্বনে )

- খিজির হায়াত খান:অস্তিত্বে আমার দেশ (বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জীবনী অবলম্বনে )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মিয়ানমারের নিম্নকক্ষ বা হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের আসন সংখ্যা ৪৪০টি।
- যার ২৫% অর্থাৎ ১১০টি আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অক্সিজেন গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়।
- বায়ুমণ্ডলে অনেক প্রকারের গ্রিনহাউজ গ্যাস আছে।
- কিন্তু নিম্নোক্তগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান, যেমন-নাইট্রাস অক্সাইড, কার্বন-ডাই -অক্সাইড, মিথেন, ওজোন, সিএফসি ও জলীয় বাষ্প।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শুষ্ক মৌসুমে ক্রমাগত ২০ দিন বা এর বেশি দিন ধরে কোনো বৃষ্টিপাত না হলে তাকে খরা বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল অর্থাৎ রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া ও কুষ্টিয়া জেলা অতি খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।
- খরার ফলে ফসলের ফলন শতকরা ১৫-৯০ ভাগ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের ফলে বরেন্দ্র অঞ্চল খুব বেশি পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- বরেন্দ্র অঞ্চল রাজশাহী বিভাগের প্রায় ৯,৩২০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এ অঞ্চলে গভীর নলকূপের মাধ্যমে অধিক পরিমাণ পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে।

- অন্যদিকে, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসমূহে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি ও অন্যদেশের ভূমিকম্পের প্রভাব প্রভৃতির দ্বারা মানুষের জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
- এ দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে এবং সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ,অর্থনৈতিক , সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা করার লক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর ,১৯৮৫ সালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- এর বর্তমান সদস্য ৮ টি ।যথা - বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।
- এর সদর দপ্তর কাঠমুণ্ডু ,নেপাল ।
 
-সার্ক (SAARC) এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র পূর্বে ভারতের দিল্লিতে ছিল কিন্ত বর্তমানে গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত ।

সার্কের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসমূহের অবস্থান -
সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র----------------কলম্বো ,শ্রীলংকা
সার্ক কৃষি কেন্দ্র ------------------ধাকা,বাংলাদেশ
সার্ক শক্তি কেন্দ্র ----------------ইসলামাবাদ ,পাকিস্তান
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ------গুজরাট,ভারত
সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র --------কাঠমুন্ডু ,নেপাল ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- Google, বিশ্বের পর্যটন গুরুত্ব আছে এমন শহরগুলোর রাস্তার ৩৬০° ডিগ্রী ছবি ক্যামেরায় ধারণ কার্যক্রম শুরু করে ২০০৭ সালে।

- তারা এর নাম দিয়েছে Street View। ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলোতে শুরু থেকেই এর কার্যক্রম চলে আসলেও সম্প্রতি ভারত তার নিরাপত্তা বাহিনীর রিপোর্টের ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় Street View-এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের দশম সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা পায় ২৬ জুন, ২০০০।
- প্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলে ভারতের সাথে।
- বাংলাদেশ ১৫ জুন, ১৯৯৭ ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার মর্যাদা লাভ করে।
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সপ্তম বিশ্বকাপে ১৯৯৯ সালের ১৭ মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে বাংলাদেশ দলের।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান।
- প্রথম ইউরোপের দেশ পূর্ব জার্মানি। 
- প্রথম মুসলিম দেশ সেনেগাল।
- প্রথম অনারব মুসলিম দেশ মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।
- প্রথম আরব দেশ ইরাক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩০, ১৩১ ও ১৪০ অনুচ্ছেদে যথাক্রমে অস্থায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক, প্রজাতন্ত্রের হিসাবরক্ষার আকার ও পদ্ধতি এবং সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে আলাকপাত করা হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি।
- এই ২৬টি ক্যাডারকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: ১৪টি সাধারণ ক্যাডার এবং ১২টি কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
- সাধারণ ক্যাডারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, কর, শুল্ক ও আবগারি, নিরীক্ষা ও হিসাব, তথ্য এবং আনসার।
- কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি এবং প্রকৌশল।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) গঠিত হয়েছিল স্বাধীনতার পর একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে, যা ব্রিটিশ আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস এবং পাকিস্তানের সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিসেসের উত্তরসূরি।
- সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ তারিখে বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডারকে বিলুপ্ত করে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়, যার ফলে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টিতে দাঁড়ায়।
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC) এই ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক—এই ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করে।
- ৪৪তম, ৪৬তম এবং ৪৮তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সম্প্রতি বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, যা এই ২৬টি ক্যাডারের অধীনেই পরিচালিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
- এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ-সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন।
- প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট। পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়।
- সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি জিনিসপত্র আমদানি করা হয়েছে চীন থেকে।
- ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের মোট মাসিক আমদানির প্রায় ৩১ শতাংশ এসেছে চীন থেকে, যা ১.৯৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে বাংলাদেশের মোট আমদানি ছিল ২২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
- চীন থেকে মূলত শিল্পকারখানার কাঁচামাল, ইলেকট্রনিক পণ্য, বস্ত্র খাতের উপকরণ এবং বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানি করা হয়।
- ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসেও চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে, যেখানে চীনের বাজার অংশীদারিত্ব ছিল ১৭.৮২ শতাংশ
- যুক্তরাষ্ট্র ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভারতের অবস্থানকে অতিক্রম করে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদারে পরিণত হয়েছে, যা মূলত যুক্তরাষ্ট্র থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (LPG) এবং অন্যান্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির কারণে ঘটেছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যে উদ্বৃত্ত ছিল ৫৯৮ কোটি ডলার, যেখানে আমদানি ছিল ২৭১ কোটি ডলার।
- ভারত বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম আমদানি উৎস, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৮৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানি ছিল ৯৬৮ কোটি ডলার
- ভারত থেকে প্রধানত তুলা, শস্যদানা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, গাড়ির যন্ত্রাংশ এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বর্তমানে বাংলাদেশে চালুকৃত সরকারী ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি ও বেসকারি-২টি ( রাঙ্গউনিয়া, চট্টগ্রাম,এবং কোরিয়ান EPZ)।
- অনুমোদিত সরকারী ইপিজেডের সংখ্যা ১০ টি ।
এগুলো হলো-
১।আদমজী ইপিজেড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ।
২।চট্টগ্রাম ইপিজেড, দক্ষিন হালিশহর, চট্টগ্রাম।
৩।কুমিল-ইপিজেড ।
৪।ঢাকা ইপিজেড, সাভার, ঢাকা।
৫।ঈশ্বরদ্বী ইপিজেড, ঈশ্বরদ্বী, পাবনা।
৬।কর্ণফুলি ইপিজেড, উত্তর পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম ।
৭।মংলা ইপিজেড, মংলা, বাগেরহাট।
৮।উত্তরা ইপিজেড, সোনারায়, নীলফামারী
৯। ৯ম ইপিজেট পটুয়াখালী।
১০। সর্বশেষ ১০ম ইপিজেট যশোর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ২০২৬ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংস্থা দ্বারা পূর্বাভাস করা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক তথ্যে এই হারে পরিবর্তন দেখা গেছে।
- বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ পূর্বাভাস (এপ্রিল ২০২৬) অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৯% হবে বলে অনুমান করা হয়েছে।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর সর্বশেষ পূর্বাভাস (এপ্রিল ২০২৬) অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.০% হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর জানুয়ারি ২০২৬-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি ৪.৭% বৃদ্ধি পাবে।
- জাতিসংঘের জানুয়ারি ২০২৬ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪.৬% বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ইকোনমিক আপডেট ও আউটলুক (জানুয়ারি ২০২৬) অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।
- বাংলাদেশ ব্যাংক (ডিসেম্বর ২০২৫) এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৩৮% হবে।
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের জুন ২০২৫ এর মধ্যমেয়াদী সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৫ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছিল।
- সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সংঘাত (যেমন মধ্যপ্রাচ্যে) এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশিদের গড় আয়ু ৭২.৩ বছর
- এই তথ্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) 'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' প্রতিবেদন থেকে নেওয়া হয়েছে, যা ২০২৪ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়েছিল।
- ২০২৩ সালে পুরুষদের গড় আয়ু ছিল ৭০.৮ বছর এবং নারীদের গড় আয়ু ছিল ৭৩.৮ বছর
- ২০২২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই গড় আয়ু অপরিবর্তিত রয়েছে।
- উল্লেখ্য, কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন Macrotrends ২০২৫ সালের জন্য ৭৪.০৭ বছর এবং Georank.org ২০২৬ সালের জন্য ৭৫.৫ বছর গড় আয়ু অনুমান করেছে, তবে অর্থনৈতিক সমীক্ষা সাধারণত বিবিএস-এর প্রকাশিত তথ্য ব্যবহার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ২০২৬ সালের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা হলো ৯৬.৬৬ জন। অর্থাৎ, নারী-পুরুষের অনুপাত হলো ১০০:৯৭ (প্রায়)।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩ (মার্চ ২০২৪ এ প্রকাশিত) অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৭ কোটি ১৫ লাখ ৯০ হাজার জন
- এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ৪২ লাখ এবং নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার জন
- অর্থাৎ, পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা প্রায় ৩২ লাখ বেশি
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন (মার্চ ২০২৬ সালে প্রকাশিত) অনুযায়ী, সমন্বয়কৃত মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন
- ২০২২ সালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরুষ জনসংখ্যা ছিল ৮,৪০,৭৭,২০৩ জন এবং নারী জনসংখ্যা ছিল ৮,৫৬,৫৩,১২০ জন
- ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি ছিল ১৬,৩৪,৩৮২ জন এবং নারী-পুরুষের অনুপাত ছিল ১০০ জন নারীর বিপরীতে ৯৮ জন পুরুষ (৯৮:১০০)
- ২০২৩ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.৩৩%, যা ২০২২ সালের ১.৪০৭% থেকে হ্রাস পেয়েছে।
- ২০২৩ সালে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ছিল ১,১৭১ জন
- ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ছিল ৭৪.৬৬%

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation) বাংলাদেশে উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও মানসম্পন্ন সার সরবরাহ করে।

-BARI- (Bangladesh Agricultural Research Institute)দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
-BINA (Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture) বাংলাদেশের একটি পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে বোরো ধান ছিল মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৫৫ শতাংশ
- এই বছর বোরো ধানের উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণ ৩.১৭ কোটি টন অনুমান করা হয়েছে।
- একই সময়ে আমন ধান মোট উৎপাদনের প্রায় ৩৫ শতাংশ এবং আউশ ধান প্রায় ১০ শতাংশ ছিল।
- ২০২৫ সালে মোট ধান উৎপাদন ৬.২ কোটি টন হবে বলে FAO পূর্বাভাস দিয়েছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মার্কিন কৃষি বিভাগ (USDA) এর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (মার্কেটিং ইয়ার) বোরো ধানের উৎপাদন ২.০৫ কোটি টন হতে পারে।
- একই অর্থবছরে আমন ধানের উৎপাদন ১.৪৮ কোটি টন এবং আউশ ধানের উৎপাদন ২৩.৫ লাখ টন পূর্বাভাস করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) এর ২০২৬ সালের মার্চ মাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২.২৭ কোটি টন, যেখানে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ১.৮১ কোটি টন এবং আউশ ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৩২ লাখ টন।
- ডিএই এর অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আউশ ধান উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২.৭১ মিলিয়ন মেট্রিক টন এবং আমন ধান উৎপাদন হয়েছে ১৮.০৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন।
- বর্তমানে বোরো ধানের ফসল কাটা চলছে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- তবে, ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাওর অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে বোরো ধানের প্রায় ২ লাখ টন ঘাটতি হতে পারে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে।
- সামগ্রিকভাবে, বোরো ধান দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৫৫-৫৭ শতাংশ সরবরাহ করে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বিট্রিশ শাসনামলে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্য প্রদেশ ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি।
- এর আয়তন বড় হওয়ায় ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়।
- এ পরিকল্পনায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ।
- এ প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন।
- বঙ্গভঙ্গ রদের সময় গভর্নর ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
‘দোষী–নির্দোষী’ এটি অশুদ্ধ। শুদ্ধরূপ হবে দোষী–নির্দোষ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কবিতার নির্দিষ্ট একটি সুর বা গতি দেয়ার জন্য ছন্দব্যাকরণ তৈরি হয়েছে।
- ছন্দ পর্ব ও মাত্রানির্ভর, তাই ছন্দের নামকরণ করা হয়েছে তিনভাগে- অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, ও স্বরবৃত্ত।

-অক্ষরবৃত্ত ধীরগতির - তাই এর মাত্রা হবে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা, বদ্ধাক্ষর এককভাবে দুই মাত্রা, শেষে দুই মাত্রা আর প্রথম ও মাঝে এক মাত্রা। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা ও বদ্ধাক্ষর দুই মাত্রা হয়।

-আর স্বরবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর সব সময় এক মাত্রা গণনা করা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ‘কদাকার’, ‘কদবেল’, ‘কদর্য’ শব্দগুলো নিন্দিত অর্থে বাংলা বা দেশি উপসর্গ ‘কদ’ যোগে গঠিত।

- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে বলা হয় খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ।

- বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনি অঘোষ ধ্বনি ,তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনি ,দ্বিতীয় এবং চতুর্থ ধ্বনি মহাপ্রাণ ধ্বনি ,এবং প্রথম তৃতীয় ধ্বনি অল্পপ্রাণ ধ্বনি ।যেমন -
বর্গীয় ধ্বনি -অঘোষ-ঘোষ -অল্পপ্রাণ-মহাপ্রাণ
ক বর্গীয় --ক ,খ --গ,ঘ--ক,গ --খ ,ঘ
চ-বর্গীয় --চ,ছ --জ,ঝ--চ,জ--ছ,ঝ
ট-বর্গীয় --ট,ঠ--ড,ঢ --ট ,ড --ঠ ,ঢ
ত-বর্গীয় --ত ,থ --দ ,ধ --ত ,দ ,--থ ,ধ
প-বর্গীয় --প,ফ --ব,ভ --প,ব--ফ,ভ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
✔ ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি -'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।'

✔ মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি 'শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।'

✔ মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি - 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'

✔ কবি আবদুল হাকিম রচিত ‘বঙ্গবাণী’ কবিতা- “যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।”

✔ মুনীর চৌধুরী- ‘ষোল নয়, আমার মাতৃভাষার ষোলশত রূপ’ 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’র দ্বিতীয় খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের ‘পান্থনিবাসে’-এর শেষ উক্তি।

-বঙ্কিমচন্দ্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে।

- 'Custom' শব্দের যথার্থ পারিভাষিক অর্থ – প্রথা, অভ্যাস, সামাজিক রীতিনীতি।

- অন্যদিকে, Act বা Law-এর পরিভাষা আইন; Duty-এর পরিভাষা শুল্ক; Revenue policy- এর পরিভাষা রাজস্বনীতি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-‘অলৌকিক ইস্টিমার’ কবি ও প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

-তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো- ‘জ্বলো চিতাবাঘ’, ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’, ‘যতোই গভীরে যাই মধু, যতোই উপরে যাই নীল’, ‘কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু’।

-‘ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল’, ‘সব কিছু ভেঙে পড়ে’, ‘কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ’, ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’ তার কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস।

-‘লাল নীল দীপাবলি’ বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী এবং ‘কতো নদী সরোবর’ বা বাংলা ভাষার জীবনী তার উল্লেখযোগ্য দুটি সুখপাঠ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- শাক্তসাধক বা সিদ্ধ পুরুষদের লেখা সাধন সংগীতকেই শাক্ত পদাবলি বলা হয়।
- রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্যে শাক্তপদের প্রবর্তক ।
- তার নামে প্রচারিত পদের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার পদগুলো– শাক্ত পদাবলি, শ্যামা সঙ্গীত ও রামপ্রসাদী নামে পরিচিত।

- তার গানে মুগ্ধ হয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে ‘কবিরঞ্জন’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

-তার উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্থ : বিদ্যাসুন্দর, কালীকীর্তন। অন্যদিকে রামনিধি গুপ্ত বাংলা সাহিত্যে টপ্পা গানের প্রবর্তক।

-পর্তুগিজ এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা ভাষার অন্যতম কবিয়াল এবং দাশরথি রায় ছিলেন পাঁচালী গানের শক্তিশালী কবি।

সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0