Solution
Correct Answer: Option C
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে বোরো ধান ছিল মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৫৫ শতাংশ।
- এই বছর বোরো ধানের উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণ ৩.১৭ কোটি টন অনুমান করা হয়েছে।
- একই সময়ে আমন ধান মোট উৎপাদনের প্রায় ৩৫ শতাংশ এবং আউশ ধান প্রায় ১০ শতাংশ ছিল।
- ২০২৫ সালে মোট ধান উৎপাদন ৬.২ কোটি টন হবে বলে FAO পূর্বাভাস দিয়েছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মার্কিন কৃষি বিভাগ (USDA) এর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (মার্কেটিং ইয়ার) বোরো ধানের উৎপাদন ২.০৫ কোটি টন হতে পারে।
- একই অর্থবছরে আমন ধানের উৎপাদন ১.৪৮ কোটি টন এবং আউশ ধানের উৎপাদন ২৩.৫ লাখ টন পূর্বাভাস করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) এর ২০২৬ সালের মার্চ মাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২.২৭ কোটি টন, যেখানে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ১.৮১ কোটি টন এবং আউশ ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৩২ লাখ টন।
- ডিএই এর অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আউশ ধান উৎপাদন হয়েছে প্রায় ২.৭১ মিলিয়ন মেট্রিক টন এবং আমন ধান উৎপাদন হয়েছে ১৮.০৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন।
- বর্তমানে বোরো ধানের ফসল কাটা চলছে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- তবে, ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাওর অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে বোরো ধানের প্রায় ২ লাখ টন ঘাটতি হতে পারে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে।
- সামগ্রিকভাবে, বোরো ধান দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৫৫-৫৭ শতাংশ সরবরাহ করে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে।
সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮ মে, ২০২৬।