বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং ইউনিসেফ (UNICEF) এর সাম্প্রতিকতম যৌথ প্রতিবেদন "Multiple Indicator Cluster Survey (MICS) 2025" অনুসারে, বাংলাদেশে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার প্রতি ১,০০০ জীবিত জন্মে ৩৩ জন।
- ২০তম এশিয়ান গেমস ২০২৬ জাপানের আইচি প্রিফেকচার ও নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত হবে। - আয়োজক শহর: আইচি প্রিফেকচার ও নাগোয়া, জাপান - অনুষ্ঠানের সময়: ১৯ সেপ্টেম্বর – ৪ অক্টোবর, ২০২৬ (মূল অনুষ্ঠানসূচি) - উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান: পালোমা মিজুহো স্টেডিয়াম, নাগোয়া - পূর্বপ্রস্তুতি ম্যাচ: কিছু ইভেন্ট আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই (১০–১৪ সেপ্টেম্বর থেকে) শুরু হতে পারে। - এটি জাপানে আয়োজিত তৃতীয় এশিয়ান গেমস (পূর্বে ১৯৫৮-এ টোকিও ও ১৯৯৪-এ হিরোশিমায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল)।
=========== - এর আগে ১৯তম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয় চীনে ২০২৩ সালে। - এর প্রধান ভেন্যু- হ্যাংজু স্পোর্টস পার্ক স্টেডিয়াম, এটি Big Lotus নামেও পরিচিত।
- পার্ল হারবার হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিভুক্ত হওয়াই দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত একটি নৌ ও বিমান ঘাঁটি। - সামরিক কৌশলগত দিক দিয়ে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জাপান, জার্মানি ও ইতালিকে একত্রে অক্ষশক্তি বলা হয়। - জাপান ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি আক্রমণ করে। - যার কারণে ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। - যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে জাপান আত্মসমর্পণে বাধ্য হয় এবং পার্ল হারবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ফিরিয়ে দেয়।
- স্বাধীনতাকালীন অর্থাৎ ১৯৬০-১৯৬৪ সাল পর্যন্ত দেশটির নাম ছিল রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো। - পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে নামকরণ করা হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো। - আবার ১৯৭১ সালে নামকরণ করা হয় জায়ার। - পুনরায় ১৯৯৭ সালের ১৭ মে নামকরণ করা হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো বা গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।
শ্রুতি সীমা: মানুষ যে কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায় তার সীমা হলো শ্রুতি সীমা। কম্পাঙ্ক: শব্দের তরঙ্গের কতবার উপরে-নিচে ওঠানামা হয় তাকে কম্পাঙ্ক বলে। ডিবি (Decibel): শব্দের তীব্রতা (loudness) পরিমাপের একক।
- মানুষ সাধারণত ২০ থেকে ২০,০০০ হার্জ (Hz) কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়। - ২০ হার্জের কম কম্পাঙ্কের শব্দ আমরা অনুভব করি কিন্তু শুনতে পাই না। - ২০,০০০ হার্জের বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ আমরা শুনতে পাই না।
কিন্তু শব্দের তীব্রতা ১০৫ ডিবি সীমার উপরে হলে: - মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে: তীব্র শব্দের তরঙ্গ কানের ভেতরের কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং মস্তিষ্কে শব্দের সংকেত পাঠাতে বাধা দেয়। - বধির করে দিতে পারে: দীর্ঘক্ষণ তীব্র শব্দের সংস্পর্শে থাকলে স্থায়ী বধিরতা হতে পারে।
উদাহরণ: বিমানের ইঞ্জিনের শব্দ: ১২০ ডিবি পর্যন্ত তীব্র হতে পারে। রক কনসার্ট: ১০০ ডিবি পর্যন্ত তীব্র হতে পারে।
-নিরক্ষরেখার ২৩.৫০⁰ উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫০⁰ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। -বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে। -লন্ডনে গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তরমেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- পুরনো ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় তারা মসজিদ অবস্থিত। - মসজিদটি নির্মাণ করেন মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমেদ খান)। - তাই মসজিদটি মির্জা সাহেবের মসজিদ বলেও অভিহিত হয়ে থাকে। - পরবর্তী ১৯২৬ সালে আলীজান বেপারী নামক একজন ব্যবসায়ী মসজিদটির সংস্কার করেন। - আলীজান বেপারী বহু অর্থ ব্যয়ে মসজিদটিকে অলঙ্কৃত করেন, বিশেষ করে সমস্ত মসজিদটি তারকাখচিত করেন। - এ কারণে মসজিদটির বর্তমান নাম তারা মসজিদ। - এটির আরোও প্রচলিত নাম মির্জা গোলাম পীর বা সিতারা মসজিত বলে।
সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
সর্বশেষ আপডেট (২০২৬): - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার (বৃহত্তর ঢাকা মেগালোপলিস) আয়তন প্রায় ২,৫৬৯.৫৫ বর্গ কিলোমিটার (৯৯২.১১ বর্গ মাইল)। - এই এলাকায় মূল ঢাকা শহরের পাশাপাশি গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, কেরানীগঞ্জসহ আশেপাশের অন্যান্য পৌরসভাগুলো অন্তর্ভুক্ত। - উল্লেখ্য, বিভিন্ন সংস্থা ও সংজ্ঞার উপর ভিত্তি করে ঢাকার আয়তন সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। যেমন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (RAJUK)-এর আওতাধীন এলাকা প্রায় ১,৫২৮ বর্গ কিলোমিটার (২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী)। - কিছু সূত্র অনুযায়ী, শুধুমাত্র ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকার আয়তন প্রায় ২৭০ থেকে ৪০০ বর্গ কিলোমিটার।
⇒ সঠিক উত্তর: A) ১২৩০ মিটার। • বাংলাদেশের সরকারি নথিপত্র এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (NCTB) বই অনুযায়ী কিওক্রাডং-এর উচ্চতা ১২৩০ মিটার বা প্রায় ৪০৩৫ ফুট হিসেবে উল্লেখ করা আছে। • যেহেতু আমাদের দেশের বেশিরভাগ একাডেমিক (স্কুল-কলেজ) ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলো বোর্ড বইয়ের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হয়, তাই প্রশ্নের অপশনে ১২৩০ মিটার থাকলে এটাই সঠিক উত্তর হিসেবে দাগাতে হবে।
• তবে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির কল্যাণে, বিশেষ করে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (GPS) এবং স্যাটেলাইট ডেটা (SRTM) ব্যবহার করে পরিমাপ করার পর দেখা গেছে যে, • আধুনিক নিখুঁত পরিমাপ অনুযায়ী কিওক্রাডং-এর প্রকৃত উচ্চতা মূলত ৯৮৬ মিটার বা ৩,২৩৫ ফুটের কাছাকাছি। • এমনকি বর্তমানে বান্দরবানের কিওক্রাডং চূড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্থাপন করা যে সাইনবোর্ডটি রয়েছে, সেখানেও এর উচ্চতা ৩,১৭২ ফুট লেখা আছে। → একসময় কিওক্রাডংকে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বলে মনে করা হতো। পরবর্তীতে তাজিংডং (বিজয়)-কে সর্বোচ্চ হিসেবে পাঠ্যবইয়ে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। → কিন্তু দেশি-বিদেশি অভিযাত্রীদের আধুনিক পরিমাপে প্রমাণিত হয়েছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশের প্রকৃত সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হলো বান্দরবানের 'সাকা হাফং' (Saka Haphong), যার উচ্চতা প্রায় ১,০৬৩ মিটার বা ৩,৪৮৮ ফুট।
⇒ সঠিক উত্তর: C) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন • ‘বিদ্বান’ শব্দের শুদ্ধ বানান: ‘জ্ঞানী’ বা ‘পণ্ডিত’ অর্থে শুদ্ধ বানানটি হলো বিদ্বান (ব-ফলা যুক্ত)। ‘বিদ্যান’ বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। • ‘দারিদ্র্য’ শব্দের প্রত্যয়জনিত শুদ্ধতা: ‘দরিদ্র’ (বিশেষণ) শব্দের ভাববাচক বিশেষ্য পদ দুইভাবে গঠিত হতে পারে— ১. দরিদ্র + ষ্ণ্য (য-ফলা) = দারিদ্র্য। ২. দরিদ্র + তা = দরিদ্রতা। কিন্তু ‘দারিদ্র্য’ বিশেষ্য পদের সাথে পুনরায় ‘তা’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দারিদ্রতা’ গঠন করা একটি বড় ধরনের প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগ বা দ্বিত্বতা দোষ। ফলে B অপশনের ‘দারিদ্রতার’ শব্দটি অশুদ্ধ • শুদ্ধ রূপের গঠন: বাক্যটিকে শুদ্ধভাবে দুইভাবে লেখা যায়— ১. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন। ২. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন।
• অপশনগুলো: A) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন: ‘বিদ্যান’ বানানটি অশুদ্ধ। B) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন: ‘দারিদ্রতা’ শব্দটি প্রত্যয়জনিত অপপ্রয়োগের কারণে অশুদ্ধ। D) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার শিকার হন: ‘বিদ্যান’ বানান অশুদ্ধ হওয়ার কারণে বাক্যটি অশুদ্ধ।
- "By" শব্দটি সাধারণত কিছু একটা মানদণ্ড অনুযায়ী কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই ক্ষেত্রে, সেই মানদণ্ড হলো তোমার ঘড়ি। অর্থাৎ, আমরা তোমার ঘড়ির দেখানো সময় জানতে চাই। ঘড়ি সময় দেখায় না, বরং সময় বলে বা প্রকাশ করে। তাই "in" বা "with" শব্দগুলো এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়। - "At" শব্দটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট সময়ে বা জায়গায় কিছু ঘটার কথা বলতে ব্যবহৃত হয়। এই প্রশ্নটিতে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ নেই, তাই "at" শব্দটিও ব্যবহৃত হয় না। - What is the time by your watch?- তোমার ঘড়িতে কয়টা বাজে?
আঠারো শতকের শেষ ও উনিশ শতকের শুরুর দিকে বাংলা সাহিত্যে কবিগান রচয়িতাদের আবির্ভাব ঘটে। উল্লেখযোগ্য কবিগান রচয়িতাঃ - গোঁজলা গুই (প্রাচীন কবি) - রাম বসু, - হরু ঠাকুর - রামনিধি গুপ্ত - কেষ্টা মুচী - ভবানী - নৃসিংহ - ভোলা ময়রা - অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি - রামানন্দ নন্দী
- রাম বসু, ভোলা ময়রা ও এন্টনি ফিরিঙ্গি' - কবিগান রচয়িতা ও গায়ক ছিলেন। কিন্তু 'রামপ্রসাদ রায়' নামে কোনো কবিওয়ালার সন্ধান পাওয়া যায় নি। - উল্লেখযোগ্য কবিগানের ধরন - তর্জা, পাঁচালি, বসা কবিগান, ঢপ, টপ্পা, কীর্তন, খেউড়, আখড়াই ইত্যাদি।
উপগ্রহের সাহায্যে অতিশাব্দিক তরঙ্গ বা আল্ট্রা সাউন্ড ওয়েভের মাধ্যমে কোনো বস্তুকে স্ক্যান করে যে সংকেত পাওয়া যায় তা ব্যবহার করে ফটো তোলার মাধ্যমে ভূমণ্ডল অবলোকন করা হয়।
- রিমোট সেন্সিং বলতে স্পর্শ না করে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ করাকে বোঝায়। - এই প্রযুক্তিতে বিভিন্ন ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ (যেমন আলো, রেডিও তরঙ্গ) ব্যবহার করা হয়। - উপগ্রহে স্থাপিত সেন্সর এই তরঙ্গগুলোকে গ্রহণ করে এবং বিশ্লেষণ করে। - এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা ভূ-মন্ডলের বিভিন্ন তথ্য (যেমন ভূমি ব্যবহার, বনভূমি, জলবায়ু, খনিজ সম্পদ) জানতে পারি।
- বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবিদের অন্যতম অতুলপ্রসাদ সেন প্রায় ২০০টি গান রচনা করেন। বাংলা গানে তিনি সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন। তার গানের সংকলনের নাম ‘কয়েকটি গান ও গীতিকুঞ্জ’।
- নিধুবাবু তথা রামনিধি গুপ্ত বাংলা টপ্পা গানের জনক। তার একটি টপ্পা গানের বিখ্যাত চরণ- “নানান দেশের নানান ভাষা বিনা স্বদেশী ভাষা মিটে কি আশা”।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল, যা একসময় মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজাদের রাজধানী ছিল। তখন এর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এটি বর্তমানে বগুড়া জেলায় অবস্থিত। প্রাচীন বাংলার জনপদ সমূহ: - পুণ্ড্র - বঙ্গ - হরিকেল - রাঢ় - চন্দ্রদ্বীপ - বরেন্দ্র - গৌড় - সমতট - তাম্রলিপ্ত - গঙ্গারিডাই প্রভৃতি।
- তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ. স. ম আব্দুর রব ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সমাবেশে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন। - এ দিনটি জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালিত হয়। - ৩ মার্চ, ১৯৭১ জাতীয় সংগীত সহকারে পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের নেতা শাহজাহান সিরাজ পতাকা উত্তোলন করেন। - ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে উত্তোলন করা হয়। - ১৮ এপ্রিল দেশের বাহিরে প্রথম কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনে উত্তোলন করা হয়।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ''বীরাঙ্গনা'' একটি পত্রকাব্য ।এটি ১৮৬২ সালে রচিত হয়।
মহাকবি, নাট্যকার, বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর জন্ম ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে। - 'চতুর্দশপদী কবিতাবলি' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ১০২টি সনেটের সংকলন। মধুসূদনের আগে বাংলা সনেট বা সনেটগ্রন্থ রচিত হয়নি। সে বিচারে বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ এটি। গ্রন্থটি ১৮৬৬ সালের ১লা আগস্ট গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - তাঁর ছদ্মনাম টিমোথি পেনপোয়েম। - তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রামায়ণের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত মেঘনাদবধ কাব্য নামক মহাকাব্য।
তাঁর রচিত নাটক ও প্রহসন - শর্মিষ্ঠা নাটক (১৮৫৯) - কৃষ্ণকুমারী নাটক (১৮৬১) - মায়া-কানন (১৮৭৪) - একেই কি বলে সভ্যতা? (১৮৬০) - বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ (১৮৬০) - পদ্মাবতী নাটক (১৮৬০)
Delude: এই শব্দটির অর্থ কাউকে মিথ্যা তথ্য বা বিশ্বাস দিয়ে বিভ্রান্ত করা, কিংবা ভুল ধারণা দেওয়া। এটি এমনভাবে করা হয় যে ব্যক্তিটি সত্যিটা বুঝতে পারে না এবং মিথ্যাটাকেই সত্য বলে বিশ্বাস করে। Deceive: এই শব্দটির অর্থও কাউকে মিথ্যা তথ্য বা বিশ্বাস দিয়ে বিভ্রান্ত করা। তবে Delude-এর চেয়ে Deceive আরো সাধারণ শব্দ এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: - একজন জাদুকর দর্শকদের চোখের সামনে কৌশল দেখিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করে (Delude)। - একজন রাজনীতিবিদ ভোটারদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করার চেষ্টা করে (Deceive)।
অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা: Demand: এই শব্দটির অর্থ চাহিদা করা বা আদেশ দেওয়া। Delude-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। Permit: এই শব্দটির অর্থ অনুমতি দেওয়া। Delude-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। Aggravate: এই শব্দটির অর্থ উত্ত্যক্ত করা বা খারাপ করা। Delude-এর সাথে এর কিছুটা মিল থাকলেও, Delude মূলত বিভ্রান্ত করার কথায় বলা হয়।
১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কুয়েত দখল করলে সৌদি আরবের নিরাপত্তা- বিধানকল্পে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি ভূখণ্ডে সৈন্য মোতায়েন করে এবং পরবর্তীতে কুয়েত মুক্তকরণকে অন্যতম লক্ষ্য নির্ধারণ করে। শিল্পোন্নত দেশগুলোর প্রধান জ্বালানি উপাদান খনিজ তেলের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং তেলের মূল্য যাতে না বাড়ে সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ ছিল মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের প্রচ্ছন্ন উদ্দেশ্য।
- গ্রীন হাউজ ইফেক্ট - এর প্রতিক্রিয়ায় প্রধানত উত্তাপ অনেক বেড়ে যায়। অন্যান্য যে সব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় তা সাধারণত উত্তাপ বাড়ার কারণেই হয়।
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যে সব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয় এবং বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে।
কৃষ্ণকান্তের উইল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সামাজিক উপন্যাস। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত। রোহিনী, ভ্রমর ও গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে এই উপন্যাসে।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের চরিত্রসমূহ: - দুর্গেশনন্দিনী - চরিত্র- আয়েশা, তিলোত্তমা, - কপালকুণ্ডলা - চরিত্র- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার - বিষবৃক্ষ - চরিত্র- কুন্দনন্দিনী,নগেন্দ্রনাথ - কৃষ্ণকান্তের উইল - চরিত্র- রোহিনী, ভ্রমর, গোবিন্দলাল
তাঁর রচিত উপন্যাস- -দুর্গেশনন্দিনী -কপালকুণ্ডলা -মৃণালিনী -বিষবৃক্ষ -ইন্দিরা -যুগলাঙ্গুরীয় -চন্দ্রশেখর -রাধারানী -রজনী কৃষ্ণকান্তের উইল ইত্যাদি
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
-১৮০৫ সালে ফ্রান্স ও স্পেনের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের ট্রাফালগার যুদ্ধ জয় ও যুদ্ধের সেনাপতি অ্যাডমিরাল নেলসনের প্রতি সম্মান জানিয়ে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মাণ করা হয়। -ট্রাফাগাল যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ। -ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির সাথে লড়াই করে অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন এই যুদ্ধে জয় লাভ করে। -১৮২০-১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ সময়ের মধ্যে এটি নির্মিত হয়।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।