- বাংলা কথ্য ভাষার আদি নিদর্শন 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ' । - গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে রোমান হরফে প্রকাশিত হয় । - এটি ১৭৩৫ সালে গাজীপুরের ভাওয়ালে অবস্থানকালে লেখা হয়েছে বলে এর ভূমিকায় উল্লেখ করা হয় ।
- খাঁটি বাংলা ভাষায় রচিত বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের আদি নিদর্শন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন', যা কবি বড়ু চণ্ডীদাস ভাগবতের কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত কাহিনী অবলম্বনে, জয়দেবের গীতগোবিন্দ কাব্যের প্রভাব স্বীকার করে, লোকসমাজে প্রচলিত রাধা-কৃষ্ণের প্রেম সম্পর্কিত গ্রাম্য গল্প অবলম্বনে ৪১৮টি পদ, ১৬১টি শ্লোক ও ১৩টি খণ্ডের মাধ্যমে রচনা করেন। - ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এটি উদ্ধার করেন। - পরে তিনি ১৯১৬ সালে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে এটি প্রকাশ করেন।
- লুইপাকে চর্যার আদি কবি মনে করা হয়। - তিনি চর্যাপদের ১নং ও ২৯ নং পদের রচয়িতা। - অপরদিকে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে- চর্যাপদের আদি কবি শবরপা। - তিনি লুইপার গুরু ছিলেন । - চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা 'কাহ্নপা'
- বিশ্বের সবচায়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লী এর নাম Solar Energy Genarating Systems(SEGS) যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মোজার মরুভূমিতে অবস্থিত। - ২০১৪ সালে এই সৌরচুল্লি নির্মিত হয়। - এটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫৪ মেগাওয়াট।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ মুজিব নগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য ৪ টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করেন। - পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এর নির্দেশে কর্নেল এম.এ.জি ওসমানী ৪টি সেক্টরকে পুনর্গঠিত করে, পুরো দেশকে ১১টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করে। - ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর ৮ জন বাঙালি নৌ- কর্মকর্তা মিলে ১০ নং সেক্টর গঠন করেন। এ সেক্টরে নির্দিষ্ট কোন কমান্ডার ছিল না। এটি সরাসরি প্রধান সেনাপতির নির্দেশনায় পরিচালিত হত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা, দেশে দেশে বন্ধুত্বের বাতায়ন তৈরি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। - জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১। - আর বর্তমানে পূর্ণ সদস্য দেশ ১৯৩। - ২ টি দেশ (ফিলিস্তিন, ভ্যাটিকান সিটি) জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা ভোগ করে। - সর্বশেষ সদস্যদেশ দক্ষিণ সুদান। - সংস্থাটির সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- টাংস্টেন (Tungsten) একটি মৌলিক পদার্থ যার সংকেত W ও পারমাণবিক সংখ্যা ৭৬। - টাংস্টেন একটি দৃঢ়, দুষ্প্রাপ্য ধাতু। প্রকৃতিতে একে বিশুদ্ধ মৌল রূপে পাওয়া যায় না, তবে আকরিক যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়। - বৈদ্যুতিক বাতির ফিলামেন্ট টাংস্টেন ধাতু দিয়ে তৈরি করা হয়, কারণ টাংস্টেন ধাতুর গলনাঙ্ক এবং রোধাঙ্ক বেশি। - তাই তড়িৎপ্রবাহের ফলে ফিলামেন্ট শ্বেততপ্ত হয়ে আলো বিকিরণ করে। - তা ছাড়া টাংস্টেন ধাতু দিয়ে খুব সরু এবং লম্বা তার তৈরি করা যায়। - তাই বৈদ্যুতিক বাতির ফিলামেন্টে টাংস্টেন ব্যবহার করা হয়।
- সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) , পটাশিয়াম (K) ও ক্যালসিয়াম (Ca) -এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 19, ও 20 এবং এদের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 23.0, 24.3, 39.1 ও 40.1 । - উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্য তিনটি ধাতু অপেক্ষা হালকা এবং সোডিয়াম পানি অপেক্ষা ও হালকা।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- সোডিয়াম একটি মৌল বা মৌলিক পদার্থ। - ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে স্যার হ্যামফ্রে ডেভি এটি আবিষ্কার করেন। - কাপড় কাঁচার সোডা এবং খাওয়ার লবণে সোডিয়াম আছে। - সোডিয়াম একটি ক্ষারীয় ধাতু হিসাবে পরিগণিত। - সোডিয়ামের প্রতীক Na এবং পারমাণবিক সংখ্যা ১১।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ব্যবহৃত হয়। - সোডিয়াম একটি খুব ভাল তাপ পরিবাহক, যার মানে এটি তাপকে খুব দ্রুত পরিচালনা করতে পারে। - পারমাণবিক চুল্লিতে, সোডিয়াম ফিউশন প্রতিক্রিয়ায় উত্পন্ন তাপকে নিষ্কাশন করতে এবং চুল্লির অন্যান্য অংশগুলিকে শীতল রাখতে ব্যবহৃত হয়।
- চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। - চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। - এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।
- শীত প্রধান দেশে অত্যধিক ঠাণ্ডার কারণে গাছপালা জন্মাতে পারে না। - তাই শীতপ্রধান দেশে অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করার জন্য গ্রীন হাউজে গাছ লাগানো হয়। - গ্রীন হাউজ হচ্ছে কাচের তৈরি বিশেষ এক ধরনের ঘর। - সূর্য থেকে আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকীর্ণ তাপ কাচের মধ্য দিয়ে বাইরে যেতে পারে না। - ফলে কাচের তৈরি গ্রীন হাউজটি বেশ গরম থাকে এবং এর ভিতরে লাগানো গাছপালাকে সব সময়ই প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় রাখে।
- লর্ড কার্জন ১৮৯৯-১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন। - তিনি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করেন এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়। - ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ’ । - ঢাকায় এই প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয়। - পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ’ প্রদেশ; এর রাজধানী হয় কলকাতা।
- FAO এর পূর্ণরূপ Food and Agricultural Organization বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা। - জাতিসংঘের অন্যতম মূলসংস্থা ECOSOC এর তত্ত্বাবধানে ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘের বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।
- নবগঠিত জাতিসংঘের বিশেষ তত্ত্বাবধানে এই সংস্থা গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা নির্মুল করা এবং সবাইকে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।
- বর্তমানে সংস্থাটি ১৩০টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- সদস্য সংখ্যা - ১৯৫টি,(দেশ-১৯৪)
- এর সদরদপ্তর - রোম, ইতালি। - বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ১২ নভেম্বর FAO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- শাহ মুহম্মদ সগীর আনুমানিক ১৪-১৫ শতকের কবি। - মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রাচীনতম। - তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে (১৩৮৯-১৪১১ খ্রিস্টাব্দে) ইউসুফ-জোলেখা কাব্য রচনা করেন। - কবি ছিলেন গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজকর্মচারী। - কাব্যরস পরিবেশন অপেক্ষা ধর্মীয় প্রেরণা সৃষ্টির প্রতিই কবির অধিক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। - সে যুগে দেশি ভাষার রসাশ্রয়ী ধর্মকাহিনী রচনা করার মধ্যে কবির সৎসাহসের পরিচয় মেলে। - বাইবেল-কুরআন কিংবা ফিরদৌসী-জামীর অনুসরণে কাহিনী-কাব্যটি কল্পিত হলেও তাতে বাংলাদেশ ও বাঙালী-জীবনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।
- কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। - আমরা জানি সাদা আলো হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির সমষ্টি। - নীল রঙের বস্তুর ওপর সাদা আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি সাতটি ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি ছয়টি রঙের আলোক রশ্মিকে শোষণ করে নেয়। - বস্তুটি থেকে নীল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে আমরা একে নীল দেখি। - কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। - এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।
- লোহা একটি মৌলিক পদার্থ যার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ এবং রাসায়নিক সংকেত Fe। এটি এক প্রকারের ধাতু। - ধাতুগুলির মধ্যে প্রাচুর্যের দিক থেকে প্রকৃতিতে আলুমিনিয়ামের পর দ্বিতীয় স্থান লোহার। - তবে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুর অংশটি লোহার তৈরী বিধায় সেটাকে হিসাবে আনা হলে পৃথিবীতে লোহার পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। - তবে খাঁটি লোহা প্রকৃতিতে বিরল।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- ১৭৮৯ সালে বিজ্ঞানী মার্টিন হাইনরিখ ক্ল্যাপরথ (Martin Heinrich Klaproth) ইউরেনিয়াম আবিষ্কার করেন। - তিনি ইউরেনাস গ্রহের নামানুসারে এর নামকরণ করেন ইউরেনিয়াম কারণ তখন ইউরেনাস গ্রহের আবিষ্কারের ঘটনা ছিল সবচেয়ে সাম্প্রতিক। - কিন্তু প্রথম ইউরেনিয়াম সংশ্লেষ করা হয় ১৮৪১ সালে। - এই সালে বিজ্ঞানী ইউজিন পেলিকট (Eugene-Melchior Peliqot) ইউরেনিয়াম টেট্রাক্লোরাইড (UCl4) থেকে প্রথম U সংশ্লেষ করেন। - ১৮৬৯ সালে যখন দিমিত্রি মেন্ডেলিভ (Dimitri Ivanovich Mendeleyev) পর্যায় সারণী আবিষ্কার করেন তখন U সবচেয়ে ভারী মৌল হিসেবে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। - ১৯৪০ সালে প্রথম ট্রান্সইউরেনিয়াম মৌল তথা নেপচুনিয়াম আবিষ্কারের পূর্ব পর্যন্ত এটিই ছিল সবচেয়ে ভারী। - ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। - বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার হাজীপুর। - টেকনাফ থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেন্টমর্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। - অন্যদিকে সাতগ্রাম বগুড়া জেলার একটি ইউনিয়ন। - মুজিবনগর মেহেরপুর জেলার একটি উপজেলা, যেখানে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। - আর চৌদ্দগ্রাম কুমিল্লা জেলার একটি উপজেলা।
- আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের রহস্য - ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, রুবিডিয়াম প্রভৃতি ধাতুর উপর আলো পতিত হলে তাৎক্ষণিক ইলেক্ট্রন নির্গত হতে দেখা যায়। এই ঘটনাকে ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট বলা হয়। - ফটো-ইলেকট্রিক কোষ এই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি। এই কোষে আলো ফেলে বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি করা সম্ভব। এই প্রক্রিয়ায় আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। - ফটোইলেট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলোক পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। গতিশীল চার্জের কারণে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
- মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। - সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি। এগুলো হলো : শর্করা বা শ্বেতসার, আমিষ বা প্রোটিন, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ, খনিজ লবণ, ফ্যাট বা চর্বি ও পানি।
- বায়ু পরিবেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। - বায়ুর প্রধান উপাদান ৪টি। যেমন- অক্সিজেন,নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প। - এছাড়া বায়ুতে আছে হাইড্রোজেন, ওজোন, ধুলিকণা ইত্যাদি। - ফসফরাস একটি মৌলিক পদার্থ। এর সংকেত P.
- কোনো স্থানে একবার মুখ্য জোয়ার হওয়ার পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট সময় অতিক্রম করলে পুনরায় সেখানে মুখ্য জোয়ার সৃষ্টি হয়। - আবার কোনো স্থানে একবার মুখ্য জোয়ারের প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট পরে একবার গৌণ জোয়ার সংঘটিত হয়। - জোয়ারের প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাঁটা সংঘটিত হয়।
- সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬,০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (সেলসিয়াস) বা ১০,০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং সূর্যের কেন্দ্রভাগের তাপমাত্রা প্রায় ১৫,০০০০০ কেলভিন । - সূর্যের ভর প্রায় ১.৯৯ * ১০৩৩ কিলোগ্রাম । - আমাদের পৃথিবীসহ সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ ও উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস হলো সূর্য ।
- বৈদ্যুতিক হিটার ও বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে তাপ উৎপাদনের জন্য উচ্চ গলনাংক ও উচ্চ আপেক্ষিক রোধ বিশিষ্ট নাইক্রোমের তার ব্যবহৃত হয়। - তামা দিয়ে বিদ্যুৎবাহী তার, বৈদ্যুতিক কয়েল, বিভিন্ন সংকর ধাতু ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- যে বিক্রিয়ায় কোনো রাসায়নিক সত্তা ইলেকট্রন প্রদান করে তাকে জারণ বলে এবং যে বিক্রিয়ায় কোনো রাসায়নিক সত্তা ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে। - অর্থাৎ জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।