বিসিএস ১৩ তম (100 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
দেওয়া আছে,  মোট বালকের সংখ্যা = b
                  মোট বালিকার সংখ্যা = g

প্রশ্নে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,
১ম বালক খেলছে ৫ জন বালিকার সাথে। [লক্ষ করি: ১ + ৪ = ৫]
২য় বালক খেলছে ৬ জন বালিকার সাথে। [লক্ষ করি: ২ + ৪ = ৬]
৩য় বালক খেলছে ৭ জন বালিকার সাথে। [লক্ষ করি: ৩ + ৪ = ৭]

উপরের বিন্যাসটি থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, যেকোনো বালক তার নিজের ক্রমিক সংখ্যার চেয়ে ৪ জন বেশি বালিকার সাথে খেলছে।
এই নিয়মে চলতে থাকলে, দলের একেবারে শেষের বালক (অর্থাৎ b-তম বালক) খেলবে (b + 4) জন বালিকার সাথে।

আবার প্রশ্নে বলা হয়েছে, শেষ বালকটি সবকটি বালিকার সাথে খেলছে। যেহেতু মোট বালিকা g জন, তাই শেষ বালকটি মূলত g জন বালিকার সাথেই খেলবে।
শর্তমতে,
b + 4 = g
বা, b = g - 4
অতএব, b এর নির্ণেয় মান g - 4।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ষড়ভুজ 6টি সমান সমবাহু ত্রিভুজে বিভক্ত।

শর্তানুসারে,
   πr² = 100π 
⇒ r = 10 

এখন,
  (√3/4)a² = ½ × a × 10 
⇒ a = 20/√3 

∴ ষড়ভুজের আয়তন = 6 × (√3/4) × (20/√3)²
                          = 200√3
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
[২- ৩(২ - ৩) - ১] - ১
= [২- ৩ × (-১)-১]- ১
= [২- ৩ × (-১)]- ১
= [২ + ৩]-১
= ৫- ১
= ১/৫
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

উত্তরের দিকে ২ মিনিটে যায় = ১ মাইল
∴ ৬০ মিনিটে যায় = ৬০/২ = ৩০ মাইল

আবার
দক্ষিণ দিকে পূর্বস্থানে ২ মাইল ফিরে আসে ১ মিনিটে
১ মাইল ফিরে আসে = ১/২ মিনিটে
∴ ৩০ মাইল ফিরে আসে = ৩০/২ = ১৫ মিনিটে।

সুতরাং মোট সময় = ৬০+১৫ = ৭৫ মিনিট
এবং মোট দূরত্ব = ৩০ + ৩০ = ৬০ মাইল

এখন,
সে ৭৫ মিনিটে যায় = ৬০ মাইল
∴ ৬০ মিনিটে যায় = ৬০×৬০/৭৫ মাইল
                            = ৪৮ মাইল।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ধরি,
প্রশ্নের সংখ্যা = n
সে প্রথম ২০টি থেকে উত্তর করে ১৫ টি
অবশিষ্ট অংশ থেকে উত্তর করে (n-২০) × (১/৩)

প্রশ্নমতে,
⇒১৫ + (n- ২০)× (১/৩) = n এর ৫০%
⇒১৫ + (n- ২০) × (১/৩) = n /২
⇒(৪৫ + n  - ২০)/৩ = n /২
⇒(২৫ + n)/৩  = n /২
⇒৩n = ৫০ + ২n 
⇒৩n - ২n = ৫০ 
∴ n = ৫০

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমআকৃতির বৃত্তের ক্ষেত্রে এখানে 6টি বৃত্ত বা মুদ্রা লাগবে। চিত্র লক্ষ্য করুন।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

= log232
= log225
= 5log22
= 5 .1 
= 5 

i
ব্যাখ্যা (Explanation):

y=3x+2……..(i)

y= -3x+2…….(ii) 

এবং y= -2……(iii) 

এখানে, (i) ও (ii) নং সমীকরণের সহগ যথাক্রমে 3 ও -3, যাদের মান সমান কিন্তু চিহ্ন বিপরীত। সুতরাং এই রেখা দুটি সমান। 

কিন্তু (iii) নং রেখাটি (i) ও (ii) নং হতে ভিন্ন।

 তাই সমীকরণগুলো দ্বারা গঠিত চিত্রটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
১০০০০ এর ৪০% = ৪০০০ টাকা 
১০০০০ এর ৩৬% = ৩৬০০ টাকা 
 
(১০০০০-৩৬০০) = ৬৪০০ এর ৪% = ২৫৬ টাকা 
 
∴ কমতির পার্থক্য = { ৪০০০ - (৩৬০০+২৫৬) }
 
                      = ১৪৪ টাকা 

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

x3+hx+10
or, 23+2h + 10 = 0 
or, 2h = -18 
∴  h = 9 

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয়।
কারণ:
- অবতল লেন্স আলোর কিরণকে বিক্ষিপ্ত করে।
- সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে, ছবির আকারকে ছোট করে প্রজেক্ট করা হয় এবং তারপর স্ক্রিনে ফোকাস করার জন্য অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- অবতল লেন্স ছবির আকারকে বড় করে এবং স্ক্রিনের পূর্ণ প্রস্থে প্রদর্শন করতে সাহায্য করে।

 অবতল লেন্সের ব্যবহার:
- চশমা: নিকটদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্র: অবতল লেন্স ব্যবহার করে দূরবর্তী বস্তুর উল্টো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়।

উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
- আতশী কাঁচ হিসেবে: উত্তল লেন্স সূর্যের আলোকে এক বিন্দুতে ফোকাস করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
- চশমা: দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- ক্যামেরা: ছবি তোলার জন্য উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- বিবর্ধক কাঁচ: ছোট বস্তুকে বড় করে দেখার জন্য উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- অণুবীক্ষণ যন্ত্র: অত্যন্ত ক্ষুদ্র বস্তুকে বড় করে দেখার জন্য উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
- দূরবীক্ষণ যন্ত্র: দূরবর্তী বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখার জন্য উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়।

উৎস:পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক বই ও ওয়েবসাইট
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারের জন্য অনেক বিজ্ঞানীর অবদান থাকলেও প্রধান আবিষ্কারক হিসেবে রবার্ট ওপেনহাইমারকে বিবেচনা করা হয়।
- তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ম্যানহাটান প্রকল্পের নেতৃত্বে ছিলেন।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে হয়।

ওপেনহাইমারের পাশাপাশি, পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারে অবদান রাখা অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানীদের মধ্যে রয়েছেন:
- নিলস বোর (ডেনমার্ক)
- লিও সিলার্ড (হাঙ্গেরি)
- উইলিয়ম জি. পেরি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
1945 সালের 6 আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে প্রথম পারমাণবিক বোমা ব্যবহার করা হয়। এরপর 9 আগস্ট নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় বোমাটি ফেলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ভয়েজার নাসা কর্তৃক প্রেরিত স্পেস ক্রেব যা ১৯৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয় সৌরজগতের তথ্য অনুসন্ধানের জন্য। সয়ুজ এবং এপোলো যথাক্রমে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রের চন্দ্রাভিযানে পেরিত নভোযান।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- কোনো মাধ্যমে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে যতটুকু দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে।
- যে মাধ্যমের ঘনত্ব যত বেশি এবং স্থিতিস্থাপক সে মাধ্যমের শব্দের বেগ তত বেশি।
- এজন্য কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতিবেগ সবচেয়ে বেশি।
- লোহা কঠিন মাধ্যম। তাই লোহার মধ্যে শব্দের বেগ বেশি।
- শূন্যমাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রথম অবস্থায় তারের দৈর্ঘ্য 1, কম্পাঙ্ক n1, টান T1
দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে ,পরিবর্তিত দৈর্ঘ্য 2 ,কম্পাংক n2,টান T2
তারের প্রতি এক দৈর্ঘ্যের ভর m হলে
n1=(1/2) √(T1/m) ------(1)
n2=(1/4) √(T2/m) ----- (2)
2 নং সমীকরণকে 1নং সমীকরণ দ্বারা ভাগ করলে পাই
 n2/n1=1/2
∴ n2=1/2 × n1
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পাঙ্ক অর্ধেক হবে ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

সরল দোলকের দোলনকালের সূত্র হল:

T = 2π√(l/g)

যেখানে,
T হল দোলনকাল
l হল দোলকের দৈর্ঘ্য
g হল মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ

যদি মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ 9 গুণ বাড়ে, তাহলে সূত্রটি হবে:

T' = 2π√(l/9g)

T' = T/3

সুতরাং, দোলনকাল 3 গুণ কমে যাবে।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে।
- কারণ উঁচু পর্বতের চূড়ায় বায়ুর চাপ কম থাকে।
- ভূ-পৃষ্ঠে বায়ুর চাপ সব থেকে বেশি থাকে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যত উপরে উঠা হয় তত বায়ুর চাপ কমে।
- ফলে উচ্চ পর্বত চূড়ায় কম থাকার কারণে শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চাপের মধ্যকার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় রক্তনালীতে প্রচণ্ড চাপ পড়ে।
- এ চাপে রক্ত নালি ছিঁড়ে নাক মুখ দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে সব পদার্থ চুম্বক পদার্থে পরিণত করা যায় বা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট বা বিকৃষ্ট হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে।
- কোবাল্ট, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা, নিকেল ইত্যাদি চৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।
- এসব পদার্থ চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট বা বিকৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রুপা,সোনা,কাচ,তামা,পিতল,পারদ,বিসমাথ,ইত্যাদি অচৌম্বক পদার্থ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ব্রোমিন হল একটি রাসায়নিক উপাদান যা প্রতীক Br এবং পারমাণবিক সংখ্যা 35।
- এটি একমাত্র অধাতু যা কক্ষ তাপমাত্রায় তরল হিসেবে থাকে।
- এটি তৃতীয়তম হালকা হ্যালোজেন এবং ঘরের তাপমাত্রায় একটি জ্বলন্ত লাল-বাদামী তরল যা একই রঙের গ্যাস গঠনের জন্য সহজেই বাষ্পীভবন হয়।

- পারদও কক্ষ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে, তবে এটি অধাতু নয়, এটি ধাতু।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- মানবদেহে অক্ষীয় ও উপাঙ্গীয় কঙ্কাল মিলে মোট ২০৬ টি অস্থি বা হাড় বিদ্যমান।
- সর্ববৃহৎ অস্থি ফিমার এবং ক্ষুদ্রতম অস্থি স্টেপিস।
- শিশুদের দেহে হাড়ের সংখ্যা বেশি: শিশুদের দেহে মোট ৩০০ টিরও বেশি হাড় থাকে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে কিছু হাড়ের টুকরো জোড়া লেগে ২০৬ টি হয়ে যায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-বাংলাদেশের জাতীয় বন সুন্দরবন। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
-সুন্দরবনের মোট আয়তন ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। এর মধ্যে বাংলাদেশের অন্তর্গত ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ২৪০০ বর্গ মাইল।
-ইউনেস্কো ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ৩১ জুলাই ২০১৫ মধ্যরাতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- তাই বর্তমানে বাংলাদেশে কোন ছিটমহল নেই।
- তবে ছিটমহল বিনিময়ের আগ পর্যন্ত দহগ্রাম ছিটমহলটি লালমনিরহাট জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ১৯৭৫ সালের নির্মিত ফারাক্কা বাঁধটি বাংলাদেশের পদ্মা ও ভারতীয় অংশে গঙ্গা নদীতে নির্মিত হয় । 
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
- এটি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুরশিবাদ জেলায় অবস্থিত ।
- বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উজানে ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মান করেছে।
- ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা লং মার্চ নেতৃতে পরিচালিত হয় মওলানা আবদুল হামি খান ভাসানী।
- এই বাঁধ বাংলাদেশেরসীমান্ত থেকে অবস্থিত ১৬.৫ কিলোমিটার।
- এখন পর্যন্ত ফারাক্কার ওপর ৫টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
- সর্বশেষ ফারাক্কা পানিবন্টন চুক্তিস্বাক্ষরিত হয় ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল। 
- ছোট বড় অনেক বিস্তৃত জলাশয় নিয়ে চলনবিল গঠিত, বর্ষাকালে যার আয়তন দাঁড়ায় প্রায় ৩৬৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পার্শ্ববর্তী চারটি জেলা- রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, এবং পাবনা জুড়ে এর বিস্তৃতি।
- সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলা এবং পাবনার চাটমহর উপজেলার অধিকাংশ আংশ চলনবিলের মধ্যে পড়েছে। এর একপাশে নাটোরের সিংড়া উপজেলা, আরেক পাশে গুমনি নদী।
- চলন বিলের দক্ষিন পূর্ব দিকে পাবনা জেলার অস্টমনিষা, যেখানে গুমনি এবং বড়াল নদী মিশেছে।
- পাবনার তারাশ উপজলার একটা বড় অংশও চলনবিলের মধ্যে পড়েছে।
- প্রস্থে চলনবিল প্রায় ১৩ কিঃ মিঃ, তারাশ থেকে নারায়নপুর পর্যন্ত আর দৈর্ঘ্যে সিংড়া থেকে কাছিকাটা পর্যন্ত প্রায় ২৪ কিঃ মিঃ।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ২০২৬ সালের সর্বশেষ সরকারি হিসাব ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ১,০০০ জন জনগণের বিপরীতে সরকারি চিকিৎসক আছেন মাত্র ০.১৮ জন
- ২০২৬ সাল পর্যন্ত নিবন্ধিত চিকিৎসকের সংখ্যা ১ লাখ ৩৬ হাজার ৮১৫ জন।

সূত্র: জাগোনিউজ২৪, প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২৬। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় চূড়ার নাম তাজিংডং।
- উচ্চতা: ৪,১৯৮ ফুট (১,২৮০ মিটার)
- অবস্থান: রাঙামাটি জেলার বান্দরবান উপজেলা

অন্য অপশনঃ
- গারো: পাহাড়, পর্বতমালার নাম, সর্বোচ্চ চূড়া নয়।
- কেওক্রাডাং: ৩,১৭২ ফুট (৯৬৭ মিটার) উচ্চতায়,
- জয়ন্তিকা: ২,৯৯৫ ফুট (৯১৩ মিটার) উচ্চতায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
-ব্রহ্মপুত্র নদ চীন, ভারত ও বাংলাদেশের ২৮৯৭ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে।
-ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রামের রৌমারি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬
• নির্বাচন: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
• মোট আসন: ৩০০টি
• ভোটগ্রহণ: ২৯৭ আসনে [শেরপুর-৩ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত এবং চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনে আদালতের নির্দেশে ফলাফল ঘোষণা স্থগিত]
• প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল: ৫০টি
• প্রদত্ত ভোটের হার: ৫৯.৪৪%
• মোট ভোটকেন্দ্র: ৪২,৭৫৭টি
• মোট ভোটার: ১২,৭৭,১১,৭৯৩ জন
• তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার: ১,২৩২ জন
• দেশি পর্যবেক্ষক: ৫৫,৪৫৪ জন
• বিদেশি পর্যবেক্ষক: ৫৪০ জন
• আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্য: ৯,১৯,০০০ জন
• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি): ২০৯টি আসন।
• বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ৬৮টি আসন।
• জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি): ০৬টি আসন।
• স্বতন্ত্র: ৭টি আসন।
• দেশের ইতিহাসে প্রথমবার পোস্টাল ব্যালেটে ভোট দেন প্রবাসীরা।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

-বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি ছিল সিপাহী।

-মোহাম্মদ হামিদুর রহমান (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩ - ২৮ অক্টোবর ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।

-বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাদের অন্যতম।

-মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহীদ হওয়া হামিদুর রহমান সাত জন বীর শ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।

-বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।

সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0