⇒ একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদকে ভাঙলে দুটি অংশ পাওয়া যায়: ১. ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং ২. ক্রিয়া বিভক্তি। ⇒ ক্রিয়াপদ থেকে ক্রিয়া বিভক্তি বাদ দিলে যে অবিভাজ্য মূল অংশটি অবশিষ্ট থাকে, তাকেই ‘ধাতু’ বলা হয়। ⇒ ধাতু হলো ক্রিয়ার প্রাণ, কারণ এতেই কাজের মূল অর্থটি নিহিত থাকে। ⇒ উদাহরণস্বরূপ: ‘পড়ছে’ একটি ক্রিয়াপদ। একে ভাঙলে পাওয়া যায় ‘পড়্’ (ধাতু) + ‘ছে’ (বিভক্তি)। এখানে ‘পড়্’ হলো মূল অংশ বা ধাতু।
অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।