সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

নরবাচক ও নারীবাচক শব্দ

২৫৬ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
চিঠিপত্রে কনিষ্ঠদের সম্বোধনে পুরুষ ও নারীদের ক্ষেত্রে আলাদা রূপ ব্যবহৃত হয়।
- পুরুষবাচক শব্দ কল্যাণীবরেষু-এর সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ হলো কল্যাণীবরীয়াসু ।
- আর পুরুষবাচক কল্যাণীয়েষু-এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো কল্যাণীয়াসু ।
তাই সঠিক উত্তর কল্যাণীবরীয়াসু ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদ পুরুষবাচক হলে বিশেষণ পুরুষবাচক এবং বিশেষ্য স্ত্রীবাচক হলে বিশেষণও স্ত্রীবাচক হয় । এই নিয়ম অনুসরণ করেই সংস্কৃতে ‘সুন্দর বালক’ ও ‘সুন্দরী বালিকা’ গঠিত হয়েছে । বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্যের লিঙ্গ অনুযায়ী বিশেষণ বদলানোর সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য নয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সংস্কৃত নিয়মে 'আচার্য' শব্দের একাধিক স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে ।
- আচার্যা: যিনি নিজে শিক্ষকতার কর্মে নিয়োজিত ।
- আচার্যানী: আচার্যের স্ত্রী ।
অতএব, 'আচার্যানী' পদটি আচার্যের স্ত্রী অর্থে ব্যবহৃত হয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব বাংলা শব্দ কেবল স্ত্রীবাচক সত্তাকে বোঝায় এবং যেগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে । 'সতীন' শব্দের বিপরীত কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই, তাই এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ ।
- নিত্য স্ত্রীবাচক বাংলা শব্দ: সতীন, সৎমা, ডাইনি, এয়ো ইত্যাদি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব পুরুষবাচক শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ থাকে না, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে । ‘কবিরাজ’ শব্দটির কোনো স্ত্রীবাচক রূপ নেই, তাই এটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দের শ্রেণীভুক্ত ।
- অন্যান্য উদাহরণ: কৃতদার, ঢাকী, পুরোহিত ইত্যাদি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পুরুষ, স্ত্রী, জড় পদার্থ ও উভয় সম্প্রদায়ভুক্ত জাতি বোঝাতে যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে লিঙ্গ বলে।
- বাংলা ভাষায় প্রধানত বিশেষ্য পদেরই লিঙ্গের পার্থক্য হয়।

- সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের।
- যথা: পত্নীবাচক ও অপত্নীবাচক।

• স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক বোঝালে পত্নীবাচক হয়।
যেমন:
- পিতা-মাতা,
- চাচা-চাচি,
- দাদা-দাদি।

• স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না বোঝালে অপত্নীবাচক হয়।
যেমন:
- খোকা-খুকি,
- ছাত্র- ছাত্রী,
- শিক্ষক-শিক্ষিকা,
- আয়া-খানসামা।

• আবার কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে।
যেমন:
- সতীন,
- সৎমা ইত্যাদি।
Job Solutions শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
• যেসকল শব্দের লিঙ্গান্তর হয় না সেগুলো নিত্য পুরুষবাচক অথবা নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।

• নিত্য পুরুষবাচক শব্দ- কবিরাজ, কেরানী, দরবেশ, সরকার, জামাতা, রাষ্ট্রপতি, পীর, সেনাপতি, সভাপতি ইত্যাদি।

• নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ- সতীন, দাই, সধবা, পরী, অপ্সরা, এয়ো, বিধবা ইত্যাদি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কতগুলো শব্দে কেবল পুরুষ বোঝায়ঃ কবিরাজ, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার, যোদ্ধা, পুরোহিত, কেরানী, রাষ্ট্রপতি, সরকার, প্রধানমন্ত্রী, পীর, দরবেশ, মওলানা, সেনাপতি, দলপতি, বিচারপতি, জ্বীন ইত্যাদি।
- উল্লেখ্য, সেবক-সেবিকা; মালী-মালিনী ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের শেষে '-আনি' / 'আনী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেমন:
সেবক- সেবিনী,
অরণ্য - অরণ্যানী,
ঠাকুর - ঠাকুরানি।

অন্যদিকে,
শব্দের শেষে 'ইনী' প্রত্যয় যোগ করে:
- গোয়ালা - গোয়ালিনী।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- তৎসম পুরুষবাচক শব্দের পরে আ, ঈ, আনী, নী, ইকা প্রভৃতি প্রত্যয়যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।
- ক্ষুদ্রার্থে 'ইকা-প্রত্যয়' যোগ হয়।
যেমন:
- মালা- মালিকা,
- নাটক- নাটিকা,
- গীত- গীতিকা।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
নিত্য নারীবাচক শব্দঃ সতীন, সৎমা, দাই, সধবা, ডাইনি, কুলটা, অরক্ষণীয়া, শাঁকচুন্নি, বাইজি প্রভৃতি ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
• যে শব্দ দিয়ে নারী বা পুরুষ কোনোটিকেই আলাদাভাবে বোঝায় না, বরং নারী-পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ শব্দ বলে।
• উভয়লিঙ্গ শব্দের উদাহরণ: মানুষ, শিশু, সন্তান, বাঙালি, গুরু, পাখি, কবি, ডাক্তার ইত্যাদি।

• অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- মানুষ: এটি দ্বারা নারী এবং পুরুষ উভয়কেই বোঝায় (যেমন: ছেলে মানুষ বা মেয়ে মানুষ)। তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
- সৈন্য: এটি মূলত একটি সমষ্টিবাচক বা জাতিবাচক শব্দ। তবে বাংলা ব্যাকরণে 'মানুষ'-কে সরাসরি উভয়লিঙ্গ হিসেবে ধরা হয়।
- প্রিয়: এটি একটি পুংলিঙ্গ শব্দ, যা দ্বারা পুরুষকে বোঝায়। এর স্ত্রীলিঙ্গ হলো 'প্রিয়া'।
- টেবিল: এটি একটি জড় পদার্থ বা প্রাণহীন বস্তু, তাই এটি ক্লীবলিঙ্গ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব শব্দের কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
- অন্তঃসত্ত্বা একটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না, তাই এটি নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ ।
- অন্যদিকে, 'চৌধুরানী'-এর পুরুষবাচক রূপ হলো 'চৌধুরী'। 'ননদিনী' খাঁটি বাংলা শব্দ এবং 'বন্ধুপত্নী' নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ নয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
১. নিত্য পুরুষবাচক শব্দ: কবিরাজ, যোদ্ধা, ঢাকী, কৃতদার, অকৃতদার, পুরোহিত, কেরানী, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সরকার, পীর, দরবেশ, মওলানা, সেনাপতি, দলপতি, বিচারপতি, জ্বীন, জামাতা ইত্যাদি।
২. নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: সতীন, সপত্নী, সধবা, সৎমা, ডাইনি, অর্ধাঙ্গিনী, বাইজী, কুলটা, এয়ো, দাই, বিধবা, অসূর্যস্পর্শা, অরক্ষণীয়া, কলঙ্কিনী, পেত্নী, শাকচুন্নি, অপ্সরা, পরী ইত্যাদি।
৩. উভয় লিঙ্গ (স্ত্রী ও পুরুষ) বাচক শব্দ: শিশু, সন্তান, পাখি, জন, শিক্ষিত ইত্যাদি।
৪. কিছু কিছু শব্দ আছে যেগুলোকে উভয়লিঙ্গ হিসেবে ধরা হয়। যেমন: কবি, সম্পাদক, সভাপতি, চেয়ারম্যান ইত্যাদি।
৫. বাংলা ভাষায় প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদাকে নারীবাচক করা হয় বাংলা যেমন: নার্গিস আখতার একজন সহকারী শিক্ষক। নমিতা রায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের সভাপতি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পুরুষবাচক শব্দের সঙ্গে কতকগুলো প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। এগুলো হলো:
১. ঈ-প্রত্যয়: বেঙ্গমা-বেঙ্গমী, ভাগনা/ভাগনে-ভাগনী।
২. নী-প্রত্যয়: কামার-কামারনী, কুমার-কুমারনী, মজুর-মজুরনী।
৩. আনী-প্রত্যয়: ঠাকুর-ঠাকুরানী, নাপিত-নাপিতানী, মেথর-মেথরানী, চাকর-চাকরানী।
৪. ইনি-প্রত্যয়: কাঙাল-কাঙালিনি, গোয়ালা-গোয়ালিনি, বাঘ-বাঘিনি।
৫. উন-প্রত্যয়: ঠাকুর-ঠাকরুন/ঠাকুরানী।
৬. আইন-প্রত্যয়: ঠাকুর-ঠাকুরাইন।
৭. পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে নী হয় এবং পূর্বের ঈ 'ই' হয়।
যেমন: ভিখারী-ভিখারিনী, গুণী-গুণিনী।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যেসব পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'তা' রয়েছে, স্ত্রীবাচক বোঝাতে সেসব শব্দে 'ত্রী' হয়।
যেমন—
- নেতা- নেত্রী,
- কর্তা-কর্ত্রী,
- শ্রোতা-শ্রোত্রী,
- ধাতা-ধাত্রী।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সব নামবাচক শব্দের সাহায্যে পুরুষজাতিকে বোঝায় তাদেরকে পুংলিঙ্গ বলে।
উদাহরণ- কাকা, চাচা, ছেলে, বালক, নানা, বাবা, গোয়ালা, কিশোর, প্রবীণ ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে নী হয় এবং পূর্বের ঈ ‘ই’ হয়। যেমন: মেধাবী-মেধাবিনী; অভিসারী-অভিসারিণী, রোগী-রোগিনী ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• অ কারান্ত পুংলিঙ্গের শেষে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক হয়।
যেমনঃ
মূর্খ - মূর্খা।
প্রিয় - প্রিয়া
দীন - দীনা
জটিল - জটিলা
কৃপণ - কৃপণা
জীবিত - জীবিতা
কুটিল - কুটিলা

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
লিঙ্গ পরিবর্তন বা লিঙ্গান্তরের নিয়মঃ

১) পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে প্রত্যয় যোগ করে।
২) স্ত্রীবাচক শব্দ আগে বা পরে বসিয়ে এবং
৩) ভিন্ন শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
মহিলাদের চিঠিতে সম্বোধন করতে 'কল্যাণীয়াসু' শব্দটি বসে ।
- ছেলেদের বেলায় মূল শব্দ 'কল্যাণীয়'-এর সাথে সংস্কৃত সপ্তমী বিভক্তির বহুবচন 'এষু' যুক্ত হয়ে 'কল্যাণীয়েষু' হয়।
- মেয়েদের বেলায় স্ত্রীবাচক শব্দ 'কল্যাণীয়া'-এর সাথে 'সু' যুক্ত হয়ে 'কল্যাণীয়াসু' হয়। তাই মেয়েদের ক্ষেত্রে 'আ-কার' ও দন্ত্য-স ব্যবহৃত হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
'পাচিকা' শব্দটি লিঙ্গ পরিবর্তনে গঠিত। যেসব পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে 'অক' থাকে, স্ত্রীলিঙ্গ করতে সেখানে 'ইকা' প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন: পাচক > পাচিকা ।
বাকি শব্দগুলোর গঠন:
- উপকূল: অব্যয়ীভাব সমাস
- অত্যাচার: সন্ধি (অতি+আচার)
- ধার্মিক: তদ্ধিত প্রত্যয় (ধর্ম+ইক)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
লিঙ্গান্তর বলতে পুরুষবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে পরিবর্তন করা বোঝায়।
- অবল-অবলা এবং ধাতা-ধাত্রী হলো ব্যাকরণসম্মত লিঙ্গান্তর।
- কিন্তু 'অভাব' একটি বিশেষ্য পদ এবং 'অভাবী' হলো বিশেষণ পদ।
এখানে কোনো পুরুষ-স্ত্রী সম্পর্ক নেই, এটি মূলত পদ পরিবর্তন। তাই লিঙ্গান্তর হিসেবে এটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
পুরুষবাচক - নারীবাচক
কোকিল - কোকিলা
অসীম - অসীমা
শারদীয় - শারদীয়া
ভাই - বোন
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কিছু শব্দের শেষে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে লিঙ্গান্তর করা হয় ।
- যেমন, 'গয়লা'-এর শেষে 'বউ' যুক্ত করে 'গয়লা বউ' হয় ।
- কিন্তু 'পুলিশ', 'কবি' ও 'কর্মী' শব্দের আগে 'মহিলা' বসিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয় (মহিলা পুলিশ, মহিলা কবি, মহিলা কর্মী) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
কতকগুলো পুরুষবাচক শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ প্রয়োগ করে। উচ্চারণ স্থান স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। যেমনঃ
- কবি-মহিলা কবি,
- ডাক্তার মহিলা ডাক্তার,
- সভ্য—মহিলা সভ্য,
- পুলিশ মহিলা পুলিশ,
- কর্মী-মহিলা কর্মী।
অন্যদিকে নেতা-নেত্রী, দাতা-দাত্রী ও বাদশা-বেগম।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অরণ্যানী: এটি ‘আনী’ প্রত্যয় যোগে গঠিত (অরণ্য + আনী = অরণ্যানী, বৃহদার্থে)।
- চাকরানী: এটি ‘আনী’ প্রত্যয় যোগে গঠিত (চাকর + আনী = চাকরানী)।
- ভাগনী: এটি ‘ঈ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত (ভাগনা/ভাগনে + ঈ = ভাগনী)।

মেধাবিনী:
- "পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে নী হয়..." (যেমন: গুণী - গুণিনী)।
- একই নিয়মে মেধাবী থেকে মেধাবিনী হয়েছে। 
- তাই এখানে ‘নী’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাই শব্দটির দুটি স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে, যা হলো বোন এবং ভাবি ।
- বোন হলো সহোদর সম্পর্ক বোঝাতে।
- ভাবি হলো ভাইয়ের স্ত্রী বোঝাতে।
অন্যদিকে বাবা-মা, ছাত্র-ছাত্রী, এবং চৌধুরী-চৌধুরানী - এদের কেবল একটি করেই স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে। তাই সঠিক উত্তর 'ভাই'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে শব্দ দিয়ে পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ বলে।
- মানুষ শব্দটি দিয়ে নারী ও পুরুষ দুজনকেই বোঝানো হয়, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
- কবিরাজ শব্দটি সর্বদা পুরুষবাচক বা নিত্য পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সধবা শব্দটি সর্বদা নারীবাচক বা নিত্য স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
তাই সঠিক উত্তর হবে 'মানুষ'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে শব্দ দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী নির্দিষ্ট করে না বুঝিয়ে উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ বলে ।
- এখানে পাখি শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয় ধরনের পাখিকে বোঝায়, তাই এটি উভয়লিঙ্গ।
- অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ভেড়া, বাঘ এবং মোরগ হলো পুংলিঙ্গ। এদের স্ত্রীলিঙ্গ যথাক্রমে ভেড়ী, বাঘিনী ও মুরগি।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।