- পুরুষ, স্ত্রী, জড় পদার্থ ও উভয় সম্প্রদায়ভুক্ত জাতি বোঝাতে যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে লিঙ্গ বলে। - বাংলা ভাষায় প্রধানত বিশেষ্য পদেরই লিঙ্গের পার্থক্য হয়।
- সাধারণ নারীবাচক শব্দ দুই ধরনের। - যথা: পত্নীবাচক ও অপত্নীবাচক।
• যে শব্দ দিয়ে নারী বা পুরুষ কোনোটিকেই আলাদাভাবে বোঝায় না, বরং নারী-পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ শব্দ বলে। • উভয়লিঙ্গ শব্দের উদাহরণ: মানুষ, শিশু, সন্তান, বাঙালি, গুরু, পাখি, কবি, ডাক্তার ইত্যাদি।
• অপশনগুলোর ব্যাখ্যা: - মানুষ: এটি দ্বারা নারী এবং পুরুষ উভয়কেই বোঝায় (যেমন: ছেলে মানুষ বা মেয়ে মানুষ)। তাই এটি উভয়লিঙ্গ। - সৈন্য: এটি মূলত একটি সমষ্টিবাচক বা জাতিবাচক শব্দ। তবে বাংলা ব্যাকরণে 'মানুষ'-কে সরাসরি উভয়লিঙ্গ হিসেবে ধরা হয়। - প্রিয়: এটি একটি পুংলিঙ্গ শব্দ, যা দ্বারা পুরুষকে বোঝায়। এর স্ত্রীলিঙ্গ হলো 'প্রিয়া'। - টেবিল: এটি একটি জড় পদার্থ বা প্রাণহীন বস্তু, তাই এটি ক্লীবলিঙ্গ।
যেসব শব্দের কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। - অন্তঃসত্ত্বা একটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না, তাই এটি নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ । - অন্যদিকে, 'চৌধুরানী'-এর পুরুষবাচক রূপ হলো 'চৌধুরী'। 'ননদিনী' খাঁটি বাংলা শব্দ এবং 'বন্ধুপত্নী' নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম শব্দ নয়। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
মহিলাদের চিঠিতে সম্বোধন করতে 'কল্যাণীয়াসু' শব্দটি বসে । - ছেলেদের বেলায় মূল শব্দ 'কল্যাণীয়'-এর সাথে সংস্কৃত সপ্তমী বিভক্তির বহুবচন 'এষু' যুক্ত হয়ে 'কল্যাণীয়েষু' হয়। - মেয়েদের বেলায় স্ত্রীবাচক শব্দ 'কল্যাণীয়া'-এর সাথে 'সু' যুক্ত হয়ে 'কল্যাণীয়াসু' হয়। তাই মেয়েদের ক্ষেত্রে 'আ-কার' ও দন্ত্য-স ব্যবহৃত হয়। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
'পাচিকা' শব্দটি লিঙ্গ পরিবর্তনে গঠিত। যেসব পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে 'অক' থাকে, স্ত্রীলিঙ্গ করতে সেখানে 'ইকা' প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন: পাচক > পাচিকা । বাকি শব্দগুলোর গঠন: - উপকূল: অব্যয়ীভাব সমাস - অত্যাচার: সন্ধি (অতি+আচার) - ধার্মিক: তদ্ধিত প্রত্যয় (ধর্ম+ইক) সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
লিঙ্গান্তর বলতে পুরুষবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে পরিবর্তন করা বোঝায়। - অবল-অবলা এবং ধাতা-ধাত্রী হলো ব্যাকরণসম্মত লিঙ্গান্তর। - কিন্তু 'অভাব' একটি বিশেষ্য পদ এবং 'অভাবী' হলো বিশেষণ পদ। এখানে কোনো পুরুষ-স্ত্রী সম্পর্ক নেই, এটি মূলত পদ পরিবর্তন। তাই লিঙ্গান্তর হিসেবে এটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
- কিছু শব্দের শেষে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করে লিঙ্গান্তর করা হয় । - যেমন, 'গয়লা'-এর শেষে 'বউ' যুক্ত করে 'গয়লা বউ' হয় । - কিন্তু 'পুলিশ', 'কবি' ও 'কর্মী' শব্দের আগে 'মহিলা' বসিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয় (মহিলা পুলিশ, মহিলা কবি, মহিলা কর্মী) । সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
কতকগুলো পুরুষবাচক শব্দের আগে স্ত্রীবাচক শব্দ প্রয়োগ করে। উচ্চারণ স্থান স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। যেমনঃ - কবি-মহিলা কবি, - ডাক্তার মহিলা ডাক্তার, - সভ্য—মহিলা সভ্য, - পুলিশ মহিলা পুলিশ, - কর্মী-মহিলা কর্মী। অন্যদিকে নেতা-নেত্রী, দাতা-দাত্রী ও বাদশা-বেগম।
- অরণ্যানী: এটি ‘আনী’ প্রত্যয় যোগে গঠিত (অরণ্য + আনী = অরণ্যানী, বৃহদার্থে)। - চাকরানী: এটি ‘আনী’ প্রত্যয় যোগে গঠিত (চাকর + আনী = চাকরানী)। - ভাগনী: এটি ‘ঈ’ প্রত্যয় যোগে গঠিত (ভাগনা/ভাগনে + ঈ = ভাগনী)।
মেধাবিনী: - "পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে নী হয়..." (যেমন: গুণী - গুণিনী)। - একই নিয়মে মেধাবী থেকে মেধাবিনী হয়েছে। - তাই এখানে ‘নী’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
ভাই শব্দটির দুটি স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে, যা হলো বোন এবং ভাবি । - বোন হলো সহোদর সম্পর্ক বোঝাতে। - ভাবি হলো ভাইয়ের স্ত্রী বোঝাতে। অন্যদিকে বাবা-মা, ছাত্র-ছাত্রী, এবং চৌধুরী-চৌধুরানী - এদের কেবল একটি করেই স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে। তাই সঠিক উত্তর 'ভাই'। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
যে শব্দ দিয়ে পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ বলে। - মানুষ শব্দটি দিয়ে নারী ও পুরুষ দুজনকেই বোঝানো হয়, তাই এটি উভয়লিঙ্গ। - কবিরাজ শব্দটি সর্বদা পুরুষবাচক বা নিত্য পুংলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - সধবা শব্দটি সর্বদা নারীবাচক বা নিত্য স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হবে 'মানুষ'। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
যে শব্দ দ্বারা পুরুষ ও স্ত্রী নির্দিষ্ট করে না বুঝিয়ে উভয়কেই বোঝায়, তাকে উভয়লিঙ্গ বলে । - এখানে পাখি শব্দটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয় ধরনের পাখিকে বোঝায়, তাই এটি উভয়লিঙ্গ। - অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ভেড়া, বাঘ এবং মোরগ হলো পুংলিঙ্গ। এদের স্ত্রীলিঙ্গ যথাক্রমে ভেড়ী, বাঘিনী ও মুরগি। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
যেসব শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ হয় না, তাদেরকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে। - বিচারপতি, কবিরাজ ও রাষ্ট্রপতি শব্দগুলোর কোনো আলাদা স্ত্রীলিঙ্গ নেই, তাই এরা নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। - কিন্তু জমিদার শব্দের একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ আছে, আর তা হলো জমিদারনি। এ কারণেই 'জমিদার' নিত্য পুরুষবাচক শব্দ নয়। সোর্সঃ
যেসব শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক রূপ থাকে না, তাদের নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলে। - 'সম্রাট' নিত্য পুরুষবাচক শব্দ নয়, কারণ এর একটি নির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ 'সম্রাজ্ঞী' ব্যাকরণে রয়েছে । - অন্যদিকে 'প্রধানমন্ত্রী' বা 'কাপুরুষ' পদগুলোর আলাদা কোনো স্ত্রীবাচক রূপ হয় না, তাই এরা নিত্য পুরুষবাচক শব্দ । সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
বাংলা ব্যাকরণে এমন কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোর আলাদা কোনো নারীবাচক রূপ হয় না। এদের নিত্য পুংলিঙ্গ শব্দ বলে। সাধারণত সম্মানজনক পদ বা উপাধির ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই একই শব্দ ব্যবহৃত হয়। যেমন: সভাপতি, রাষ্ট্রপতি, বিচারপতি ইত্যাদি। অন্যান্য বিকল্পগুলোর নারীবাচক রূপ রয়েছে: - বাঘ ➔ বাঘিনী - শিক্ষক ➔ শিক্ষিকা - গুরু ➔ গুর্বী সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব শুলুশন্স। ২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ বর্তমান কোর্সঃ
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (সমাজবিজ্ঞান) ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কলেজ পর্যায় (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান)
৪) ৫১ তম বিসিএস প্রস্তুতি ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস ৫) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৬) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৭) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতির লং কোর্স (২৭৬ দিন) ৮) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন
✅ আপকামিং রুটিনঃ - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। - ১৯তম নিবন্ধন বাংলা, ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)