সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

প্রকৃতি ও প্রত্যয়

৪৬৫ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
পুরুষবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার থাকলে স্ত্রীবাচক শব্দে 'নী' প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং দীর্ঘ ঈ-কারটি হ্রস্ব ই-কার হয় ।
যেমন: রোগী + নী = রোগিণী ।
এখানে 'রোগী' শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারটি 'ই-কার' হয় এবং ণত্ব বিধানে 'নী' প্রত্যয়ের 'ন' পরিবর্তিত হয়ে 'ণ' হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- নাম প্রকৃতির (বিশেষ্য, বিশেষণ বা সর্বনাম) সাথে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত পদকে তদ্ধিতান্ত পদ বলে ।
- যেমন: 'হাত' (নাম প্রকৃতি) + 'ল' (প্রত্যয়) = 'হাতল' (তদ্ধিতান্ত পদ) ।
- অন্যদিকে, ক্রিয়া প্রকৃতির (ধাতু) সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হলে কৃদন্ত পদ গঠিত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'চলন্ত' শব্দটি একটি কৃদন্ত পদ । এটি গঠন করতে চল্ (ক্রিয়াপ্রকৃতি বা ধাতু) এর সাথে অন্ত (কৃৎ প্রত্যয়) যুক্ত হয়েছে ।
- ধাতুর শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি বোঝাতে হসন্ত (্) যুক্ত হয় ।
- তাই সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়: চল্ + অন্ত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দাপ্তরিক' একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ।
- মূল বা নাম প্রকৃতি: দপ্তর
- প্রত্যয়: ইক
নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বর 'অ' বদলে 'আ' হয়। তাই 'দপ্তর' থেকে 'দা' হয়ে শব্দ গঠিত হয় দাপ্তরিক।
সঠিক রূপ: দপ্তর + ইক।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'পাকড়াও' শব্দটি কৃৎ প্রত্যয়সাধিত একটি শব্দ । ক্রিয়ার মূল অংশকে ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতি বলে।
- এখানে মূল ধাতু হলো √পাকড়্ (ধাতু বোঝাতে '√' ও হসন্ত '্' বসে)।
- এর সাথে কৃৎ প্রত্যয় আও যুক্ত হয়েছে।
সুতরাং, 'পাকড়াও' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √পাকড়্ + আও ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
লাঘব = লঘু + অ।
- প্রকৃতি: মূল শব্দ 'লঘু' (হালকা)।
- প্রত্যয়: সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় 'অ' (বা ষ্ণ)।
- নিয়ম: 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল 'উ' পরিবর্তন হয়ে 'অব' হয় এবং আদি স্বর 'অ' বৃদ্ধি পেয়ে 'আ' হয় (লঘু > লাঘব)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'কর্তব্য' শব্দটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় দ্বারা গঠিত ।
এখানে মূল ধাতু হলো √কৃ এবং প্রত্যয় হলো তব্য ।
নিয়ম অনুযায়ী, 'তব্য' প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুর 'ঋ'-কার বদলে 'অর্' (রেফ) হয় ।
সুতরাং, √কৃ + তব্য = কর্তব্য ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণ পদকে বিশেষ্যে রূপান্তর করতে য-প্রত্যয় বা তা-প্রত্যয় যুক্ত করতে হয় । কিন্তু একই সাথে দুটি প্রত্যয় যোগ করলে ব্যাকরণগত অশুদ্ধি বা অপপ্রয়োগ ঘটে ।
- দীন + য = দৈন্য / দীন + তা = দীনতা
- উৎকৃষ্ট + য = উৎকর্ষ / উৎকৃষ্ট + তা = উৎকৃষ্টতা
এখানে একই সাথে য-প্রত্যয় ও তা-প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় 'দৈন্যতা' ও 'উৎকর্ষতা' শব্দ দুটি অশুদ্ধ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রকৃতির আদিস্বরের যে পরিবর্তন হয়, তাকে গুণ ও বৃদ্ধি বলে।
এর মধ্যে প্রকৃতির আদিস্বরের:
- 'ই' বা 'ঈ' স্থানে 'এ'
- 'উ' বা 'ঊ' স্থানে 'ও'
- 'ঋ' স্থানে 'অর্' হওয়াকে গুণ বলে।
যেমন: চিন্ + আ = চেনা, শুন্ + আ = শোনা।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'শ্রবণ' একটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়সাধিত শব্দ ।
- প্রকৃতি: √শ্রু
- প্রত্যয়: অন
এখানে √শ্রু ধাতুর সাথে অন যুক্ত হলে 'উ'-কার 'ও'-তে বদলে 'অব্' ধ্বনি হয়, ফলে 'শ্রবণ' গঠিত হয় ।
সঠিক উত্তর: √শ্রু + অন
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'মুক্ত' একটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ । নিয়ম অনুসারে, 'ক্ত' প্রত্যয় যুক্ত হলে ধাতুর শেষের 'চ' স্থানে 'ক্' হয় । এখানে মূল ধাতু √মুচ্ এবং প্রত্যয় ক্ত । ফলে √মুচ্ + ক্ত = মুক্ত গঠিত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দীপ্যমান' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √দীপ্ + শানচ্ ।
- প্রকৃতি: '√দীপ্' ধাতুর অর্থ আলো দেওয়া ।
- প্রত্যয়: চলমান কাজ বোঝাতে কৃৎ প্রকৃতির শেষে সংস্কৃত 'শানচ্' প্রত্যয় যুক্ত হয় ।
- নিয়ম: শানচ্ প্রত্যয়ের 'শ' ও 'চ' লোপ পেয়ে 'মান' যুক্ত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দর্শনীয়' শব্দটি একটি সংস্কৃত কৃদন্ত পদ ।
- মূল ধাতু বা ক্রিয়া প্রকৃতি: √দৃশ্ (অর্থ: দেখা) ।
- প্রত্যয়: অনীয় (সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়) ।
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী √দৃশ্ ধাতুর সাথে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দর্শনীয়' শব্দ গঠিত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে ইন-প্রত্যয়ান্ত শব্দের (যেমন: 'প্রতিযোগী' বা 'মন্ত্রী') শেষে -তা বা -ত্ব প্রত্যয় যোগ করলে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) পরিবর্তিত হয়ে হ্রস্ব ই-কার (ি) হয়।
যেমন:
- প্রতিযোগী + তা = প্রতিযোগিতা
- মন্ত্রী + ত্ব = মন্ত্রিত্ব

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)

- বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের পরে '-আ' বা '-আনো' প্রত্যয় যোগ করে যে ক্রিয়াপদ বা ক্রিয়ামূল গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বা নামধাতুর ক্রিয়া (Denominative Verb) বলে।
- এখানে 'নাম' বলতে বিশেষ্য বা বিশেষণকে বোঝানো হয়েছে।

উদাহরণ (বিশেষ্য থেকে):
- হাত (বিশেষ্য) + আনো = হাতানো (ক্রিয়া)
- ঘুম (বিশেষ্য) + আনো = ঘুমানো (ক্রিয়া)

উদাহরণ (বিশেষণ থেকে):
- বাঁকা (বিশেষণ) + আনো = বাঁকানো (ক্রিয়া)
- মোটা (বিশেষণ) + আনো = মোটানো (ক্রিয়া)

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যেয়ের ক্ষেত্রে বিশেষণ গঠনে বতুপ্ (বৎ) এবং মতুপ্ (মৎ) - প্রত্যয় [ প্রথমবার এক বচনে যথাক্রমে ' বান' এবং 'মান' হয় ]
- গুণ + বতুপ্ = গুনবান
- জ্ঞান + মতুপ্= জ্ঞানবান 
- বুদ্ধি + মতুপ্ = বুদ্ধিমান
- দয়া + বতুপ্ = দয়াবান
- শ্রী + মতুপ্ = শ্রীমান
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ- প্রত্যয় যুক্ত হয়, সে পদকে উপপদ বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মা: এটি হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূল। 'মা' ধাতুটির অর্থ হলো পরিমাপ করা, নির্মাণ করা, তৈরি করা ইত্যাদি।

তৃচ্‌: এটি একটি কৃৎ প্রত্যয়। 'তৃচ্‌' প্রত্যয় সাধারণত কর্তৃবাচ্যে ব্যবহৃত হয় এবং 'কারী' বা 'কর্তা' অর্থে ব্যবহৃত হয়। যখন 'তৃচ্‌' প্রত্যয় যোগ হয়, তখন প্রত্যয়ের 'চ্' এবং 'র্' লুপ্ত হয় এবং শুধুমাত্র 'তৃ' অংশটি থাকে।

যখন 'মা' ধাতুর সঙ্গে 'তৃচ্‌' প্রত্যয় যোগ করা হয়, তখন "মা + তৃ" হয়। এরপর সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এর স্ত্রীলিঙ্গ রূপ 'মাতা' হয়, যার অর্থ যিনি পরিমাপ করেন বা নির্মাণ করেন (অর্থাৎ যিনি জন্ম দেন)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'চিরুনি' এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় √চির্‌ + অনি।
- এটি একটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং প্রাতিপদিক বা নাম শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- প্রত্যয় দুই প্রকার: ১.তদ্ধিত প্রত্যয়, ২.কৃৎ প্রত্যয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• কৃৎ প্রত্যয়:
যে-প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে।
আর কৃৎ প্রত্যয়ান্ত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ। (অর্থাৎ যার অন্তে বা শেষে কৃৎ প্রত্যয় আছে) ।
যেমন:  ‘আভাসিত’ শব্দটির প্রত্যয় আ + √ ভাসি + ত। কৃৎ প্রত্যয়ে ধাতুর আগে ক্রিয়ামূল বা ধাতুমূল চিহ্ন √ বসে।

অন্যদিকে, তদ্ধিত প্রত্যয় হল এমন কিছু শব্দ বা শব্দাংশ যা কোনো শব্দ বা শব্দের প্রকৃতির শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, যা মূলত বিশেষ্য, বিশেষণ বা সর্বনামের মতো শব্দ তৈরি করে। যেমন, "পঠ + অক" = "পাঠক" বা "দিন + ইক" = "দৈনিক"
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ে গঠিত কিছু প্রকৃতি ও প্রত্যয়:
- তেজঃ + বিন = তেজস্বী,
- পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাঞ্চভৌতিক,
- কুসুম + ইত = কুসুমিত,
- সর্বজন + নীন = সর্বজনীন,
- নীল + ইমন = নীলিমা ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় তাকে বলে তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন, মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য , - এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।

• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
ষ্ণ, ষ্ণি, ষ্ণিক, ষ্ণ্য, ইত, ইমন, ইল, তা, ত্ব, বতুপ, নীন, বিন্, র, ল প্রভৃতি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে যে সমস্ত শব্দ গঠিত হয়, সেগুলো সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে ।
যেমন,
মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য।

• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ে গঠিত কিছু প্রকৃতি ও প্রত্যয়:
- তেজঃ + বিন = তেজস্বী,
- পঞ্চভূত + ষ্ণিক = পাঞ্চভৌতিক,
- কুসুম + ইত = কুসুমিত,
- সর্বজন + নীন = সর্বজনীন,
- নীল + ইমন = নীলিমা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
চোরা, চোখা, মিঠাই- বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।

- 'চোরা ' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়: 'চোর + আ'।
- 'চোখা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়: 'চোখ + আ'।
- ‘মিঠাই’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়: 'মিঠা + আই'।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হলো সেইসব শব্দ, যেগুলো মূল শব্দের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় (যেমন: -ন, -তা, -ক, -ই, ইত্যাদি) যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে।
এখানে "কাঁদন" শব্দটি "কাঁদ" ধাতুর সঙ্গে "ন" কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে, পড়া, খাওয়া, দেখা—এসব শব্দ মূলত ধাতু বা মৌলিক ক্রিয়া, এগুলো কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দ্রষ্টব্য' শব্দটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদ।
- এর প্রকৃতি বা ক্রিয়ামূল হলো 'দৃশ্' (দেখা)।
- এর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে ।
ব্যাকরণের নিয়মে 'দৃশ্' ধাতুর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যুক্ত হলে তা পরিবর্তিত হয়ে 'দ্রষ্টব্য' রূপ লাভ করে, যার অর্থ 'দেখার যোগ্য'। তাই সঠিক উত্তর দৃশ+তব্য।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়ামূল বা নাম প্রকৃতির পরে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- প্রত্যয় সাধারণত ধাতু বা শব্দের শেষে যুক্ত হয়।

যেমন:
• √ডুব + অন্ত = ডুবন্ত,
• মনু + ষ্ণ = মানব,
• এক+ইক = ঐকিক ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- তদ্ধিত প্রত্যয়: নাম বা শব্দের সাথে বা শেষে যেসব প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

যেমন: মধুর+ষ্ণ = মাধুর্য , - এখানে 'ষ্ণ' প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ে কর্ম ও ভাববাচ্যের ধাতুর পরে 'তব্য' ও 'অনীয়' প্রত্যয় হয়।
যেমন:
- √কৃ+তব্য = কর্তব্য; 
- √কৃ+অনীয় = করণীয়;
- দৃশ+অনীয় = দর্শনীয়

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়ঃ আন, আনি, আনা, পনা, সা, গর, কর, দার, বাজ, বন্দি, খানা, সই, খোর, গিরি, চা, চি, চী, তর, দান, দানি, নবিশ ।

- সুতরাং, 'গলাবাজি' শব্দটি বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়যুক্ত।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।