- বাংলা ব্যাকরণে বচন হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য, যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করে। - এটি শব্দের সঙ্গে যোগ করে বোঝায় যে উক্ত পদটি একবচন (একটি) নাকি বহুবচন (একাধিক)। উদাহরণস্বরূপ: - একবচন: বই, পাখি, ছেলে - বহুবচন: বইগুলো, পাখিগুলো, ছেলেরা - বচন শব্দাংশ যোগ করে পদের সংখ্যা বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। - এটি বিশেষ্য বা সর্বনামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাদের সংখ্যা নির্দেশ করে।
বাংলা তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি তারিখ হিন্দি নিয়মে সাধিত। এগুলো হলো- পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা। পরবর্তী ৫-৩১ পর্যন্ত তারিখবাচক শব্দ বাংলার নিজস্ব রীতিতে গঠিত।
প্রাচীন ভারতের সামরিক বাহিনীতে অক্ষৌহিনী হলো একটি বিশাল সৈন্যদলের পরিমাপ।
- মহাভারত ও অন্যান্য প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী, এক অক্ষৌহিনী সৈন্যদল মোট ২,১৮,৭০০ জন চতুরঙ্গ (চারটি অংশবিশিষ্ট) সেনার সমন্বয়ে গঠিত। - এই চতুরঙ্গ বাহিনীতে থাকে: ২১,৮৭০টি রথ, ২১,৮৭০টি হাতি, ৬৫,৬১০ জন অশ্বারোহী এবং ১,০৯,৩৫০ জন পদাতিক সৈন্য। - এই সবগুলো অংশ যোগ করলে মোট সৈন্যসংখ্যা দাঁড়ায় (২১,৮৭০ + ২১,৮৭০ + ৬৫,৬১০ + ১,০৯,৩৫০) = ২,১৮,৭০০। - সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ২১৮৭০০ চতুরঙ্গ সৈন্যের বাহিনী।
আশি কোনো পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয়, এটি একটি গণনাবাচক বা পূর্ণ সংখ্যাবাচক শব্দ।
- পূরণবাচক শব্দ: যে শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর ক্রম, অবস্থান বা পর্যায় বোঝায়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পূরণবাচক শব্দ কয়েক প্রকারের হতে পারে, যেমন: সাধারণ, তারিখ এবং ভগ্নাংশ পূরণবাচক। - এখানে 'উনিশে' হলো তারিখ পূরণবাচক শব্দ। 'আড়াই' এবং 'তেহাই' হলো ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ। - কিন্তু 'আশি' (৮০) সরাসরি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বা গণনা বোঝায়, তাই এটি গণনাবাচক বা পূর্ণ সংখ্যাবাচক শব্দ।
⇒ সঠিক উত্তর: সবগুলোই • পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ: বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, যে শব্দগুলো দ্বারা কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান, পর্যায় বা ভগ্নাংশ পরিমাণ প্রকাশ পায়, সেগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলা হয়। এগুলো মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত এবং অপশনের প্রতিটি শব্দই এই শ্রেণিবিভাগের অন্তর্গত: • ক) একাদশ (সাধারণ পূরণবাচক): এটি সংখ্যার পর্যায় বা ক্রমিক অবস্থান নির্দেশ করতে ব্যবহৃত সাধারণ পূরণবাচক শব্দ (যেমন: প্রথম, দ্বিতীয় ... একাদশ, দ্বাদশ)। • খ) সিকি (ভগ্নাংশ পূরণবাচক): এটি পূর্ণসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ বা এক-চতুর্থাংশ (১/৪) পরিমাণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ। • গ) পহেলা (তারিখ পূরণবাচক): এটি মাসের প্রথম দিন বা তারিখ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত তারিখ পূরণবাচক শব্দ (যেমন: পহেলা, দোসরা, তেসরা)। • যেহেতু একাদশ, সিকি এবং পহেলা—তিনটি শব্দই পূরণবাচক সংখ্যাশব্দের ভিন্ন ভিন্ন প্রকারভেদকে নির্দেশ করে, তাই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক উত্তর হবে- সবগুলোই।
'১/৪' বা এক-চতুর্থাংশ বোঝাতে বাংলা ভাষায় বেশ কয়েকটি ভগ্নাংশ সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। তবে পৌনে শব্দটি সরাসরি '১/৪' অর্থ প্রকাশ করে না।
- সিকি, পোয়া এবং চৌথাই—এই তিনটি শব্দই কোনো কিছুর চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ১/৪ অংশকে নির্দেশ করে। - অন্যদিকে, পৌনে শব্দটি দিয়ে কোনো পূর্ণ সংখ্যা থেকে এক-চতুর্থাংশ (১/৪) কম বোঝানো হয়। যেমন: 'পৌনে এক' বলতে বোঝায় ১ এর চেয়ে ১/৪ কম বা ৩/৪ (তিন-চতুর্থাংশ), এবং 'পৌনে দুই' বলতে বোঝায় ১.৭৫। - সুতরাং, 'পৌনে' শব্দটি সরাসরি ১/৪ এর সমার্থক বা সংখ্যাবাচক শব্দ নয়।
পূর্ণসংখ্যার ন্যূনতা বা আধিক্য বোঝাতে যে শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ বলে। - যেমন: সিকি (এক-চতুর্থাংশ বা ১/৪), আধা, তেহাই, চৌথা, পোয়া ইত্যাদি। - যেহেতু 'সিকি' একটি অপূর্ণ সংখ্যা বা ভগ্নাংশ প্রকাশ করে, তাই এটি ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
বাংলা ভাষায় মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখ পূরণবাচক শব্দ বলে। - ১ থেকে ৪ পর্যন্ত তারিখবাচক শব্দ হিন্দি নিয়মে সাধিত হয় (যেমন: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌথা)। - ৫ থেকে ১৮ পর্যন্ত তারিখ বোঝাতে সাধারণ সংখ্যার সাথে 'ই' প্রত্যয় যুক্ত হয় (যেমন: পাঁচই, ছয়ই, বারই)। - ১৯ থেকে ৩১ পর্যন্ত সংখ্যার সাথে 'এ' প্রত্যয় যুক্ত হয় (যেমন: উনিশে, বিশে, একুশে)। - তাই 'বারো' সংখ্যাটির সঠিক তারিখ পূরণবাচক রূপ হবে বারই।
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচক নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা) ইত্যাদি। এগুলোকে তারিখবাচক বা তারিখ পূরণবাচক শব্দ বলে।
তৎসম বা সংস্কৃত সংখ্যাবাচক শব্দে সপ্ততি শব্দের অর্থ হলো ৭০ (সত্তর)। - কোনো নির্দিষ্ট ক্রম বা অবস্থান বোঝাতে তৎসম সংখ্যার শেষে 'তম' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পূরণবাচক শব্দ গঠিত হয়। - সে অনুযায়ী, সপ্ততিতম বলতে ৭০-তম বা সত্তরের ক্রমিক অবস্থানকে বোঝায়। - অন্যান্য উদাহরণ: বিংশতি (২০), ত্রিংশ (৩০), চত্বারিংশ (৪০), পঞ্চাশৎ (৫০) ইত্যাদি।
যে শব্দ দ্বারা কোনো সারিতে বা শ্রেণিতে ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রম বা পর্যায় বোঝায়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বা ক্রমবাচক শব্দ বলে। - আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পূরণবাচক শব্দ কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে। এর মধ্যে সাধারণ পূরণবাচক শব্দগুলো কোনো কিছুর সাধারণ ক্রম নির্দেশ করে। - যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়... দশম ইত্যাদি। - 'দশম শ্রেণি' বলতে এখানে দশ নম্বর ক্রম বা পর্যায়কে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি একটি সাধারণ পূরণবাচক বিশেষণ।
একই সারি, দল বা শ্রেণিতে অবস্থিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর ক্রম বা পর্যায় বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়, তাকে সাধারণ পূরণবাচক শব্দ বলে। - যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, সপ্তম ইত্যাদি। - অন্যান্য অপশনগুলোর আলোচনা: - পাঁচই: এটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ (মাসের ৫ তারিখ বোঝায়)। - এগারো: এটি পরিমাণ বা গণনাবাচক শব্দ। - একুশে: এটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ (মাসের ২১ তারিখ বোঝায়)। - সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সপ্তম হলো সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যা।
‘প্রথম পরীক্ষা’ বাক্যাংশে ‘প্রথম’ শব্দটি একটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দ। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী পূরণবাচক শব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থানকে বোঝায়। এটি মূলত তিন প্রকার: সাধারণ, তারিখ ও ভগ্নাংশ। - সাধারণ পূরণবাচক: কোনো কিছুর ক্রমিক অবস্থান নির্দেশ করে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। - তারিখ পূরণবাচক: মাসের তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন- পহেলা, দোসরা ইত্যাদি। - ভগ্নাংশ পূরণবাচক: কোনো পূর্ণ সংখ্যার অংশকে বোঝায়। যেমন- অর্ধেক, তেহাই ইত্যাদি। যেহেতু ‘প্রথম’ শব্দটি দ্বারা পরীক্ষার একটি নির্দিষ্ট ক্রমিক অবস্থান বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সাধারণ পূরণবাচক বিশেষণ।
অতিরিক্ত তথ্য: ‘পরীক্ষা’ শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা। নিয়ম: ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) হয়। দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।
প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি হলো সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।
- যে শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর ক্রম বা পর্যায় বোঝানো হয়, ব্যাকরণের ভাষায় তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। - সাধারণ পূরণবাচক: এগুলো কোনো জিনিস বা ব্যক্তির অবস্থান বা স্থান চিহ্নিত করে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। - উদাহরণস্বরূপ, ‘প্রথম’ বলতে কোনো নির্দিষ্ট সারি বা তালিকার ১ নম্বর অবস্থানটি বোঝায়। - অন্যদিকে, এক, দুই, তিন ইত্যাদি হলো গণনাবাচক বা সংখ্যাবাচক শব্দ, যা শুধুমাত্র পরিমাণ বোঝায়, অবস্থান নয়। - যেহেতু প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি দিয়ে সাধারণ ক্রম বা স্থান নির্ধারণ করা হয়, তাই এগুলো সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।
যে শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর ক্রমিক অবস্থান নির্দেশ করা হয়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে। বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যাবাচক শব্দের মূল বিভাজন অনুযায়ী এটি প্রধানত ২ প্রকার ধরা হয়। যথা: ১. অঙ্কবাচক বা গণনাবাচক শব্দ: যা দিয়ে পরিমাণ বা সংখ্যা বোঝায় (যেমন: ১, ২, ৩)। ২. পূরণবাচক শব্দ: যা দিয়ে ক্রম বা পর্যায় বোঝায় (যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়)।
এছাড়াও গঠন ও ব্যবহার অনুযায়ী পূরণবাচক শব্দকে সাধারণত ভাগ করা যায়: - সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়। - বিশেষ পূরণবাচক (তারিখ বা ভগ্নাংশ): পহেলা, অর্ধেক ইত্যাদি।
যে সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো কিছুর ক্রম বা পর্যায় বোঝানো হয়, তাকে পূরণবাচক শব্দ বলে।
- একই সারি, দল বা শ্রেণিতে অবস্থিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান নির্দেশ করতে পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়। - যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ ইত্যাদি। - উদাহরণস্বরূপ: ‘সে পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে।’ এখানে ‘প্রথম’ শব্দটি দিয়ে শিক্ষার্থীর মেধার একটি ক্রমিক অবস্থান বোঝানো হয়েছে। - পূর্বে ব্যাকরণে একে ‘ক্রমবাচক সংখ্যা’ বলা হলেও, আধুনিক বাংলা ব্যাকরণে একে পূরণবাচক শব্দ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
⇒ সঠিক উত্তর: B) ষোড়শ • যে সংখ্যাশব্দগুলো কোনো সমষ্টির ক্রমিক অবস্থান বা পর্যায় নির্দেশ করে, সেগুলোকে ক্রমবাচক বা পূরণবাচক সংখ্যা বলা হয়। • ‘ষোল’ (১৬) সংখ্যাটির সংস্কৃত বা তৎসম ক্রমবাচক রূপ হলো ‘ষোড়শ’ এবং প্রমিত সাধারণ রূপ হলো ‘ষোলোতম’। • অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ‘১৬’ হলো অঙ্কবাচক এবং ‘ষোলোই’ হলো তারিখবাচক রূপ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
এক, দুই, তিন ইত্যাদি সংখ্যাবাচক বিশেষণকে ক্রমবাচক সংখ্যা বলা হয়। এই সংখ্যাগুলো কোনো কিছুর অবস্থান বা ক্রম নির্দেশ করে। অর্থাৎ, এগুলো কোন জিনিস বা ব্যক্তির অবস্থান বা স্থান চিন্হিত করে, যেমন প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।
- ক্রমবাচক সংখ্যা ব্যবহার করে আমরা কোন তালিকা, পর্যায়ক্রম বা স্থান নির্ধারণ করি। - উদাহরণস্বরূপ, “প্রথম” মানে যে জিনিসটি বা ব্যক্তি যে স্থানে বা পর্যায়ে আছে সেটা বুঝায়। - অন্যদিকে, “সাধারণ পূরণবাচক” সংখ্যা যেমন এক, দুই, তিন শুধুমাত্র পরিমাণ বোঝায়, অবস্থান নয়। - “তালিখ পূরণবাচক” এবং “ভগ্নাংশ পূরণবাচক” সংখ্যা বিশেষ পরিমাণ বা ভাগ বোঝাতে ব্যবহার হয়।
সুতরাং, এক, দুই, তিন ইত্যাদিকে আমরা ক্রমবাচক সংখ্যা বলতে পারি কারণ এগুলো কোনো কিছুর ক্রম বা স্থান নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
এক , দুই , তিন ইত্যাদি গণনাবাচক শব্দ । প্রথম, দ্বিতীয় , তৃতীয় ইত্যাদি পূরণবাচক বা ক্রমবাচক শব্দ | পহেলা , দোসরা , তেসরা ইত্যাদি হলাে তারিখবাচক শব্দ ।
বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত চার প্রকার: অঙ্কবাচক, পরিমাণ/গণনাবাচক, পূরণ/ক্রমবাচক এবং তারিখবাচক। - সতেরো হলো একটি পূর্ণ সংখ্যাবাচক বা পরিমাণবাচক শব্দ, যা সরাসরি গণনা বা পূর্ণ পরিমাণ নির্দেশ করে। - আটই এবং বাইশে হলো তারিখবাচক শব্দ (বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়)। - চতুর্থ হলো ক্রম বা পূরণবাচক শব্দ, যা পর্যায় বা অবস্থান বোঝায়।
যে শব্দ দ্বারা কোনো কিছুর পূর্ণ সংখ্যা, গণনা বা পরিমাণ বোঝায়, তাকে পূর্ণ সংখ্যাবাচক বা গণনাবাচক শব্দ বলে। - এখানে দশ একটি পূর্ণ সংখ্যাবাচক শব্দ। - দশম এবং বিংশ হলো পূরণবাচক বা ক্রমবাচক শব্দ, যা কোনো সারি বা শ্রেণিতে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থান নির্দেশ করে। - পহেলা হলো তারিখবাচক শব্দ, যা মাসের প্রথম দিনকে বোঝায়।
গণনার কাজে ব্যবহৃত মূল সংখ্যাগুলোকে পূর্ণ সংখ্যাবাচক বা গণনাবাচক শব্দ বলা হয়। - এখানে আট হলো পূর্ণ সংখ্যাবাচক শব্দ, যা সরাসরি পরিমাণ বোঝায়। - দশম এবং দ্বিতীয় হলো পূরণবাচক বা ক্রমবাচক শব্দ, যা পর্যায়ক্রমিক অবস্থান বা ক্রম নির্দেশ করে। - পহেলা হলো বাংলা মাসের প্রথম দিন নির্দেশক তারিখবাচক শব্দ।
একই সারি, দল বা শ্রেণিতে অবস্থিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সংখ্যার ক্রম বা পর্যায় বোঝাতে মূলত ক্রম বা পূরণবাচক সংখ্যা ব্যবহৃত হয় (যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়)। তবে সাধারণ গণনায় বা পরপর সাজানোর ক্ষেত্রে ১, ২ (অঙ্কবাচক) এবং এক, দুই (গণনাবাচক) উভয়কেই অনেক সময় ক্রমিক সংখ্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ এরা ক্রমানুসারে আসে। - ১লা, ২রা হলো তারিখবাচক শব্দ। - যেহেতু 'এক, দুই' এবং '১, ২' উভয়েই পরপর আসা সংখ্যার সাধারণ ক্রম নির্দেশ করে, তাই প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী ক ও খ উভয়ই সঠিক উত্তর।
একের পর এক ক্রমানুসারে যে সংখ্যাগুলো আসে, তাদের ক্রমবাচক বা ক্রমিক সংখ্যা বলা হয়। - যেমন: ১, ২, ৩, ৪ ইত্যাদি পরপর এলে তাদের ক্রমিক সংখ্যা বলে, যা দিয়ে ধারাবাহিকতা বোঝানো হয়। - অন্যদিকে, কোনো নির্দিষ্ট সারি বা শ্রেণিতে অবস্থান বা পর্যায় বোঝাতে পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয় (যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়)। - তাই পরপর আসা সংখ্যার সাধারণ ধারাকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ করতে ক্রমবাচক শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
যেসব শব্দ দিয়ে কোনো কিছুর পরিমাণ, গণনা বা সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বলে। - যেমন: এক, দুই, প্রথম, দ্বিতীয় ইত্যাদি। - বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত চার প্রকার: অঙ্কবাচক, পরিমাণ বা গণনাবাচক, পূরণবাচক বা ক্রমবাচক এবং তারিখবাচক। - উল্লেখ্য, বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সংখ্যা নির্দেশ করার যে ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্য, তাকে বচন বলা হয়। বচন (একবচন বা বহুবচন) শব্দাংশ যোগ করে পদের সংখ্যা বোঝানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।
▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন। ↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।
★ বর্তমান চলমান কোর্স
১) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক ২) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা নতুন ৩) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা নতুন ৪) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান ৫) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ৬) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস ৭) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের) ৮) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ) ৯) স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন ১০) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
➤ আপকামিং কোর্স ও রুটিন
✦ ১৯তম নিবন্ধন শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৬ষ্ঠ ব্যাচ)
◆ অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা — রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ English মাস্টার বই অনুসারে রুটিন — টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে। ◆ ১৯তম নিবন্ধন — ইতিহাস ও প্রাণীবিজ্ঞান (স্কুল ও কলেজ পর্যায় আলাদা রুটিনে পরীক্ষা হবে)।