সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ণ-ত্ব ষ-ত্ব বিধান

১৫৪ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধানে ঋ, র, ষ বা ট-বর্গের পর 'ণ' বসে । তবে 'চাণক্য মাণিক্য গণ বাণিজ্য লবণ মণ' শব্দগুলো কোনো নিয়মে পড়ে না । এগুলো নিত্য বা স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়ে থাকে । তাই সঠিক উত্তর- স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, সমাসবদ্ধ পদে ণত্ব বিধান খাটে না । অর্থাৎ 'র' বা 'রেফ'-এর পর মূর্ধন্য-ণ হওয়ার কথা থাকলেও পদটি সমাসবদ্ধ হলে মূর্ধন্য-ণ না হয়ে দন্ত্য-ন হয় ।
- 'দুর্নাম' ও 'দুর্নিবার' সমাসবদ্ধ পদ হওয়ায় এদের বানানে মূর্ধন্য-ণ না হয়ে দন্ত্য-ন হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে ণত্ব বিধান এর নিয়ম অনুযায়ী কতগুলো তৎসম শব্দে কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই 'ণ' হয় । ‘চাণক্য মাণিক্য বাণিজ্য লবণ মণ...’ ছড়ায় উল্লেখিত শব্দগুলোতে কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম ছাড়াই স্বতঃসিদ্ধভাবে মূর্ধন্য-ণ বসে । তাই ‘লবণ’ ও ‘বাণিজ্য’ শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ণত্ব ও ষত্ব বিধান কেবল তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।
- দেশি, তদ্ভব বা বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য-ণ ও মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয় না ।
- 'কর্নিল', 'গভর্নর', 'স্টেশন' বিদেশি (ইংরেজি) শব্দ হওয়ায় এদের বানানে 'ণ' বা 'ষ' না হয়ে 'ন' ও 'স' হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনি ও বর্ণের উচ্চারণ এবং নিয়ম নিয়ে যেখানে আলোচনা করা হয়, তাকে ধ্বনিতত্ত্ব বলে ।
তৎসম শব্দে 'ণ' ও 'ষ'-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই হলো ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান ।
যেহেতু 'ণ' ও 'ষ' হলো ধ্বনি ও বর্ণ সম্পর্কিত নিয়ম, তাই এটি ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত আলোচনা ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণের ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ই-কারান্ত বা উ-কারান্ত উপসর্গ (যেমন: অভি, অনু, সু, নি, বি, প্রতি) এর পর কতগুলো ধাতুর 'স' পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ষ হয়।

• উদাহরণ:
- অভি + সেক = অভিষেক
- অনু + স্থান = অনুষ্ঠান
- প্রতি + সেধক = প্রতিষেধক
- সু + সুপ্ত = সুষুপ্ত

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অ বা আ-কার ভিন্ন অন্য স্বরবর্ণের পর প্রত্যয়যোগে 'ষ' হয়: এটি ষত্ব বিধানের আরেকটি নিয়ম (যেমন- পরিষ্কার), কিন্তু অভিষেক বা অনুষ্ঠান শব্দের কারণ এটি নয়।
- যুক্তবর্ণ গঠনে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে 'ষ' হয়: এটিও ষত্ব বিধানের নিয়ম (যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট), কিন্তু প্রদত্ত শব্দগুলোর জন্য প্রযোজ্য নয়।
- কতকগুলো তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ('ষ') ব্যবহৃত হয়: এই নিয়মটি আষাঢ়, পাষাণ, ষড়ঋতু ইত্যাদি শব্দের জন্য প্রযোজ্য, প্রদত্ত শব্দগুলোর জন্য নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ঋ, র, ষ-এর পর 'ণ' হয় ।
- তৃণ: ঋ-ফলার পর 'ণ' বসে ।
- কারণ, বরণ: 'র'-এর পর 'ণ' বসে ।
- চাণক্য: কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে ।
সুতরাং সঠিক উত্তর চাণক্য ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে নত্ব বিধানের নিয়ম না মেনে কিছু শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়। 'লাবণ্য' এমনই একটি শব্দ ।
অন্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে:
- তৃণ: 'ঋ'-কারের পর 'ণ' হয়েছে ।
- কারণ: 'র'-এর পর 'ণ' হয়েছে ।
- বর্ণ: রেফ (র্)-এর পর 'ণ' হয়েছে ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদে কখনো মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয় না। এসব ক্ষেত্রে সর্বদা দন্ত্য-স (স) ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- অগ্নিসাৎ
- ধূলিসাৎ
তাই সঠিক উত্তর দন্ত্য-স।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে ষ-ত্ব বিধান কেবল তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । খাঁটি বাংলা ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহৃত হয় না । তাই বিদেশি শব্দে 'ষ'-এর স্থানে দন্ত্য-স (স) ব্যবহৃত হয় ।
যেমন:
- স্টেশন (Station)
- পোস্ট (Post)
- বাস (Bus)

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, সম্ভাষণসূচক পুংলিঙ্গ শব্দে 'এ'-কারের পর সবসময় মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহৃত হয়।
যেমন:-
- কল্যাণীয়েষু
- শ্রদ্ধাস্পদেষু
- প্রীতিভাজনেষু
এখানে 'এ'-কারের পর 'ষ' বর্ণটি যুক্ত হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ণ-ত্ব বিধান কেবল তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের জন্য প্রযোজ্য ।
- খাঁটি বাংলা, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য-ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না, সর্বদাই দন্ত্য-ন (ন) হয় ।
যেমন- 'কর্নেল', 'গভর্নর' শব্দে 'ন' ব্যবহৃত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে প্র, পরা, পরি, নির— এই চারটি উপসর্গের পর শব্দের দন্ত্য-ন পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ণ হয় ।
যেমন:
- প্র + নাম = প্রণাম
- পরি + নাম = পরিণাম
- নির + নয় = নির্ণয়
তাই সঠিক উত্তর দন্ত্য-ন।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
তৎসম শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ) পূর্বে যুক্ত ব্যঞ্জনে দন্ত্য-ন না হয়ে মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয় । তৎসম শব্দে 'ণ'-এর সঠিক ব্যবহারের এই নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে ।
উদাহরণ:
- ঘণ্টা (ণ্+ট)
- কণ্ঠ (ণ্+ঠ)
- কাণ্ড (ণ্+ড)

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সমাসবদ্ধ শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য হয় না । ণ-ত্ব বিধান মূলত তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নিয়ম । কিন্তু সমাসবদ্ধ পদে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম খাটে না, ফলে মূর্ধন্য-ণ না হয়ে দন্ত্য-ন বসে ।
উদাহরণ:-
- দুর্নীতি
- ত্রিনয়ন
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের ষত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ই-কারান্ত উপসর্গ (যেমন: অভি, প্রতি, বি) এর পর ধাতুর 'স' পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ষ হয়।
যেমন-
- অভি + সেক = অভিষেক
- প্রতি + সেধক = প্রতিষেধক
এখানে 'অভি' ও 'প্রতি' হলো ই-কারান্ত উপসর্গ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ই-কারান্ত (যেমন: অতি, অভি, পরি, প্রতি, বি) এবং উ-কারান্ত (যেমন: অনু, সু) উপসর্গের পর কতকগুলো ধাতুর দন্ত্য-স (স) পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয় ।
যেমন: বি + সম = বিষম, সু + সমা = সুষমা, অনু + স্থান = অনুষ্ঠান ।
তাই সঠিক উত্তর হলো মূর্ধন্য-ষ (ষ) । সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে কিছু তৎসম শব্দে কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয় । এসব শব্দ ষ-ত্ব বিধানের সাধারণ নিয়মগুলোর (যেমন: সন্ধি, উপসর্গ বা ট-বর্গীয় ধ্বনি) মাধ্যমে গঠিত হয় না।
'আষাঢ়' তেমনই একটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ বা স্বভাবতই 'ষ' যুক্ত শব্দ ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সমাসবদ্ধ শব্দে ণত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য হয় না । সমাসবদ্ধ শব্দে 'র', 'ঋ' বা 'ষ'-এর প্রভাব থাকলেও দন্ত্য-ন (ন) মূর্ধন্য-ণ (ণ) হয় না ।
- যেমন: অগ্রনায়ক, দুর্নীতি, সুনীতি, ত্রিনয়ন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ই-কারান্ত উপসর্গের (যেমন: আবিঃ) পর 'ক' ধ্বনি থাকলে বিসর্গ বা 'স্' স্থানে মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয়। 'আবিষ্কার' শব্দটিতে 'আবিঃ' একটি ই-কারান্ত উপসর্গ এবং এর সাথে 'কার' যুক্ত হওয়ায় 'ষ' হয়েছে।
- উদাহরণ: আবিঃ + কার = আবিষ্কার, বহিঃ + কার = বহিষ্কার।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ষ-ত্ব বিধান: তৎসম শব্দে অ, আ ভিন্ন স্বরবর্ণের পর 'ষ' হয় ।
- প্রত্যূষ: ই-কারের পর ষ-ত্ব বিধানের নিয়মে 'ষ' হয়েছে ।
- আষাঢ়: স্বভাবতই 'ষ' বসেছে ।
- পোশাক: বিদেশি শব্দে 'ষ' হয় না ।
- সুপ্তোত্থিত: এতে 'ষ' নেই (নিয়মসিদ্ধ উত্তর প্রত্যূষ)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'লবণ' একটি তৎসম শব্দ। বাংলা ব্যাকরণের ণত্ব বিধান-এর সাধারণ নিয়ম ছাড়াই কিছু শব্দে স্বাভাবিকভাবেই 'ণ' ব্যবহৃত হয় । এগুলোকে নিত্য মূর্ধন্য-ণ বলা হয় ।
- উদাহরণ: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ ইত্যাদি ।
তাই 'লবণ' শব্দটিতে স্বভাবতই 'ণ' বসেছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ণ-ত্ব বিধান কেবল তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহারের নিয়ম । বিদেশি শব্দ, খাঁটি বাংলা বা তদ্ভব শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহার হয় না; এসব ক্ষেত্রে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহৃত হয় ।
- উদাহরণ: গভর্নর, কর্নেল ইত্যাদি ।
তাই বিদেশি শব্দে 'ণ'-এর ব্যবহার হয় না । সোর্স: অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী, 'অ' বা 'আ' ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং 'ক' ও 'র' বর্ণের পর প্রত্যয়ের 'স' থাকলে তা মূর্ধন্য-ষ-এ পরিণত হয় ।
যেমন:
- ভবিষ্যৎ
- চিকিৎসা
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ণত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ) সাথে যুক্ত হয়ে সর্বদাই মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- ঘণ্টা (ণ্ + ট)
- কণ্ঠ (ণ্ + ঠ)
- কাণ্ড (ণ্ + ড)
তাই সঠিক উত্তর হলো মূর্ধন্য-ণ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'আবিষ্কার' শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো আবিঃ + কার ।
এখানে বিসর্গের পূর্বে ই-কার এবং পরে 'ক' ধ্বনি রয়েছে ।
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার যুক্ত বিসর্গের পর 'ক' থাকলে বিসর্গের স্থানে মূর্ধন্য-'ষ' হয় ।
তাই 'আবিঃ' এর বিসর্গ (ঃ) 'ষ' তে পরিণত হয়ে 'আবিষ্কার' শব্দ গঠন করেছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের ষ-ত্ব বিধান অনুসারে, 'অ' ও 'আ' ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং 'ক' ও 'র' বর্ণের পর প্রত্যয়ের 'স' থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয় ।
- ভবিষ্যৎ
- মুমূর্ষু
তাই সঠিক উত্তর মূর্ধন্য-ষ ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।
- নিয়ম: 'সু' একটি উ-কারান্ত উপসর্গ। ই-কারান্ত ও উ-কারান্ত উপসর্গের পর ধাতুর দন্ত্য-স 'ষ' হয়।
- 'সুষমা' শব্দে 'সু' উপসর্গের পর 'স' পরিবর্তিত হয়ে 'ষ' হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
আষাঢ় শব্দটিতে কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে ।
অন্যান্য শব্দে ষ-ত্ব বিধানের নিয়মানুসারে 'ষ' হয়েছে:
- অভিষেক: 'অভি' উপসর্গের পর 'স' পরিবর্তিত হয়ে 'ষ' হয়েছে ।
- পরিষ্কার: 'পরি' উপসর্গের পর 'ষ' হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী, "ই" বা "উ" ধ্বনির পর দন্ত্য-স মূর্ধন্য-ষ হলেও "সাৎ" প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয় না । তাই "অগ্নিসাৎ" বা "ভূমিসাৎ" শব্দে "স" মূর্ধন্য-ষ না হয়ে দন্ত্য-স অবিকৃত থাকে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।