সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বাগধারা

৫০১ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অগাধ জলের মাছ' বলতে এমন কৌশলী ও চতুর ব্যক্তিকে বোঝায়, যে নিজেকে গোপন রেখে কাজ হাসিল করে এবং সহজে ধরা দেয় না । গভীর পানির মাছকে যেমন সহজে ধরা যায় না, তেমনি চালাক ব্যক্তিকেও সহজে ফাঁদে ফেলা বা মোকাবিলা করা কঠিন । তাই এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো খুব চালাক ব্যক্তি ।
সোর্সঃ ATM এক টানা মুখস্থ-১
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'অকূল পাথার' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো ভীষণ বিপদ।
- 'অকূল' অর্থ কূলহীন বা সীমাহীন এবং 'পাথার' অর্থ সমুদ্র। অর্থাৎ সীমাহীন সমুদ্রে পড়লে মানুষ যেমন দিশেহারা ও ভীষণ বিপদে পড়ে, তেমনি চরম বিপদের অবস্থাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।

• উদাহরণ:
একমাত্র উপার্জনক্ষম বাবাকে হারিয়ে পরিবারটি অকূল পাথারে পড়েছে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অগাধ সমুদ্র: এটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয় না।
- কঠিন পথ: বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ ভীষণ বিপদ, কেবল কঠিন পথ নয়।
- অসীম সুযোগ: এটি সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রদান করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'আকাশ কুসুম' বাগধারাটির অর্থ অবাস্তব কল্পনা বা অসম্ভব কল্পনা।
- 'আকাশ' বলতে অনেক উঁচুতে শূন্যস্থান এবং 'কুসুম' বলতে ফুল বোঝায়। আকাশে মাটি নেই, তাই সেখানে ফুল ফোটা বাস্তবে একেবারেই অসম্ভব।
- তাই যে জিনিস বাস্তবে সম্ভব নয়, কেবল মনের কল্পনাতেই থাকে, তাকেই 'আকাশ কুসুম' বলা হয়।

• উদাহরণ:
বিনা পরিশ্রমে পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার চিন্তা করা আকাশ কুসুম ভাবনারই নামান্তর।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অসম্ভব লক্ষ্য: এটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি গেলেও ব্যাকরণগত অভিধানে সঠিক অর্থ 'অবাস্তব কল্পনা'।
- দূরের স্বপ্ন: স্বপ্ন অবাস্তব নাও হতে পারে, কিন্তু আকাশ কুসুম সম্পূর্ণ অবাস্তব।
- দুর্লভ বস্তু: দুর্লভ মানে যা সহজে পাওয়া যায় না (কিন্তু বাস্তবে আছে)। তাই এটি ভুল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বিড়াল তপস্বী বাগধারাটির অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা মনে কপটতা রেখে মুখে সাধুতার ভান করা ব্যক্তি ।
অপশনগুলোর অর্থ:
- বিড়াল তপস্বী: ভণ্ড সাধু বা কপট ব্যক্তি ।
- বকধার্মিক: ভণ্ড সাধু বা ভণ্ড ধার্মিক ।
- ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা: সংকল্পবদ্ধ বা কঠিন প্রতিজ্ঞা ।
- তীর্থের কাক: অধীর আগ্রহে অপেক্ষাকারী ।
তাই সঠিক উত্তর বিড়াল তপস্বী ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শকুনি মামা বাগধারাটির অর্থ কুচক্রী বা কুটিল লোক । মহাভারতে কৌরবদের মামা শকুনি অত্যন্ত ধূর্ত ও ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন । তাই কুচক্রী ব্যক্তি প্রকাশে এটি ব্যবহৃত হয় ।
অন্যান্য অপশন:
- ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা: অনড় সংকল্প ।
- ঘরের শত্রু বিভীষণ: গৃহে বিবাদকারী ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অগস্ত্য যাত্রা' বাগধারাটির অর্থ 'শেষ বিদায়' বা 'চিরদিনের জন্য প্রস্থান' ।
হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, ঋষি অগস্ত্য দক্ষিণ ভারতে গমন করে আর কখনোই ফিরে আসেননি । এই ফিরে না আসার ঘটনা থেকেই যে যাত্রায় গেলে আর ফেরা হয় না, তাকে রূপক অর্থে 'অগস্ত্য যাত্রা' বলা হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ভানুমতীর খেল' বাগধারাটির অর্থ হলো ভেলকিবাজি বা জাদুকৌশল, যা দিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব বা অসাধ্য সাধন বলে মনে করানো হয় ।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব জিনিস বা কাল্পনিক বস্তু ।
- ভস্মে ঘি ঢালা: নিষ্ফল কাজ বা নিরর্থক অপব্যয় ।
- হরিঘোষের গোয়াল: বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ । সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বিড়াল তপস্বী' একটি প্রচলিত বাগধারা। এর সঠিক অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা কপট ব্যক্তি ।
বিড়াল যেমন মাছ ধরার জন্য সাধুর মতো ধ্যান করার ভান করে সুযোগ পেলেই মাছ খায়, তেমনি যে বাইরে সাধু সেজে ভেতরে খারাপ উদ্দেশ্য রাখে তাকে বিড়াল তপস্বী বলে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বাগধারা' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো বাক্ + ধারা। এখানে 'বাক্' মানে কথা এবং 'ধারা' মানে রীতি বা ঢং। তাই 'বাগধারা' শব্দটির মূল বা আভিধানিক অর্থ হলো কথা বলার বিশেষ ঢং বা রীতি।
- এটি সাধারণ অর্থ ছাপিয়ে বাক্যে বিশেষ ও আকর্ষণীয় অর্থ প্রকাশ করে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাগধারা শব্দের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ বা রূপক অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ব্যাকরণে শব্দের বা বাক্যের অর্থ এবং অর্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় অর্থতত্ত্ব বা বাগর্থ অংশে। তাই বাগধারা বিষয়টি ব্যাকরণের অর্থতত্ত্বে আলোচিত হয়। সঠিক উত্তর হবে অপশন ৩: অর্থতত্ত্ব বা বাগর্থ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'আদায়-কাঁচকলায়' ও 'দা-কুমড়া' বাগধারা দুটি তীব্র শত্রুতা নির্দেশ করে ।
- আদায়-কাঁচকলায়: আদা ও কাঁচকলা বিপরীত প্রকৃতির হওয়ায় তীব্র বিরোধ বোঝায় ।
- দা-কুমড়া: দা দিয়ে কুমড়া কাটার মতো ধ্বংসাত্মক রূপক অর্থ প্রকাশ করে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ঢাক ঢাক গুড় গুড়' বাগধারাটির মূল অর্থ হলো লুকোচুরি বা গোপন রাখার প্রয়াস ।
ঢাক বাজিয়ে যেমন শব্দ তুলে আসল কথা আড়াল করা হয়, তেমনি কোনো তথ্য স্পষ্ট না করে চেপে রাখা বা আড়াল করাকে 'ঢাক ঢাক গুড় গুড়' বা লুকোচুরি বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর লুকোচুরি।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'কৈ মাছের প্রাণ' বাগধারাটির অর্থ যা সহজে মরে না বা দীর্ঘজীবী ।
কৈ মাছ পানি ছাড়াও ডাঙায় অনেকক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে । এর জীবনশক্তি এতটাই প্রবল যে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সহজে মরে না ।
- সঠিক উত্তর: অপশন ২: যা সহজে মরে না
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'লেফাফা দুরস্ত' বাগধারায় 'লেফাফা' একটি ফারসি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ খাম বা মোড়ক । আর 'দুরস্ত' শব্দের অর্থ পরিপাটি বা ঠিকঠাক ।
বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ 'খাম পরিপাটি রাখা' এবং রূপক অর্থ বাইরে ঠাট বজায় রাখা ।
সুতরাং, 'লেফাফা' শব্দের সঠিক অর্থ হলো খাম ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'গোঁফ-খেজুরে' বাগধারাটির অর্থ হলো নিতান্ত অলস বা চরম কুঁড়ে লোক ।
উৎপত্তি: এক অলস লোক খেজুর গাছের নিচে শুয়ে থাকে যেন খেজুর মুখে পড়ে । একটি খেজুর তার গোঁফে পড়লেও তা তুলে খাওয়ার অলসতায় সে অন্যের সাহায্যের অপেক্ষায় শুয়ে থাকে । এই চরম কর্মবিমুখতা থেকেই বাগধারাটির উৎপত্তি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি ।
- ৯৯ সংখ্যাটি ১০০-এর খুব কাছাকাছি ।
- ৯৯ টাকা থাকলে ১০০ পূরণ করতে সঞ্চয় করার তীব্র ইচ্ছা জাগে ।
- এই বাড়তি জমানোর লোভকেই রূপক অর্থে 'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বলে ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধারানগরীর রাজা ভোজের কন্যা ভানুমতী জাদুবিদ্যায় অসাধারণ পারদর্শী ছিলেন ।
তাঁর অসাধারণ জাদুর কৌশল ও খেলা থেকেই ভানুমতীর খেল বাগধারাটির উৎপত্তি ঘটে । বাংলা ব্যাকরণে এর অর্থ হলো জাদুবিদ্যা বা ভেলকিবাজি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাক্ষী গোপাল বাগধারাটির অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক । ওড়িশার একটি জনপ্রিয় পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, এক ভক্তের কথার সত্যতা প্রমাণ করতে স্বয়ং গোপাল (শ্রীকৃষ্ণ) বিগ্রহ রূপে হাজির হয়ে সাক্ষী দিয়েছিলেন। তিনি কেবল দাঁড়িয়ে থেকে নীরব সাক্ষী ছিলেন, কোনো সক্রিয় ভূমিকা নেননি। সেখান থেকেই নিষ্ক্রিয় বা নীরব দর্শক বোঝাতে 'সাক্ষী গোপাল' বাগধারাটির উদ্ভব হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
রামায়ণে রাজা জনক কন্যা সীতার স্বয়ম্বর সভায় শর্ত দেন, যে শিবের বিশাল ধনু ভাঙতে পারবে তার সাথেই সীতার বিয়ে হবে । শ্রীরামচন্দ্র অনায়াসে শিবধনু ভঙ্গ করে এই সুকঠিন শর্ত পূরণ করেন । এই পৌরাণিক ঘটনা থেকেই 'ধনুর্ভঙ্গ পণ' বাগধারাটির সৃষ্টি হয়েছে । এর অর্থ হলো সুকঠিন প্রতিজ্ঞা ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সুকুমার রায়ের শিশুতোষ কাল্পনিক গল্প 'হযবরল'-এর দুই চরিত্র হলো উদো ও বুধো। গল্পে একজনের অপরাধ বা দোষ অন্যজনের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অদ্ভুত ঘটনা ঘটে।
এখান থেকেই বাংলা ভাষায় 'উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে' বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে।
- অর্থ: একের অপরাধ বা দোষ অন্যের ওপর অন্যায়ভাবে চাপানো।
- তাৎপর্য: যখন প্রকৃত দোষীকে বাদ দিয়ে নির্দোষ কারো ঘাড়ে দোষ চাপানো হয়, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
অগস্ত্য যাত্রা মানে চিরদিনের জন্য প্রস্থান । ঋষি অগস্ত্য দক্ষিণ ভারতে গিয়ে আর ফেরেননি, সেখান থেকেই এ বাগধারার উৎপত্তি ।
অন্যান্য অপশন:
- অগাধ জলের মাছ: খুব চতুর ব্যক্তি
- অকালের বাদল: অপ্রত্যাশিত বাধা
- অক্ষয় বট: প্রাচীন ব্যক্তি
সোর্সঃ ATM এক টানা মুখস্থ-১
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অকাল' অর্থ অসময় এবং 'বোধন' অর্থ জাগরণ বা পূজা । দেবী দুর্গার পূজা মূলত বসন্তকালে হতো, কিন্তু শ্রী রামচন্দ্র রাবণ বধের জন্য অসময়ে শরৎকালে দুর্গা পূজা করেন । এই অকাল পূজার ঘটনা থেকেই অকাল বোধন বাগধারাটির উৎপত্তি । এর অর্থ অসময়ে আবির্ভাব ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কথা বা শব্দের সাধারণ অর্থ (বাচ্যার্থ) কিংবা পরোক্ষ অর্থ (লক্ষ্যার্থ) না বুঝিয়ে যখন অন্য কোনো নতুন ও গভীর অর্থ প্রকাশ পায়, তখন তাকে ব্যঙ্গ্যার্থ বা ব্যঙ্গ্যার্থক বাগধারা বলে ।
- যেমন: 'অকাল কুষ্মাণ্ড' শব্দের আভিধানিক অর্থ কাঁচা কুমড়া হলেও এর আসল ব্যঙ্গ্যার্থ হলো 'অপদার্থ' ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের সরাসরি আভিধানিক অর্থকে বাচ্যার্থ বলা হয় । কিন্তু বক্তার উদ্দেশ্য অনুযায়ী মূল বাচ্যার্থকে উপেক্ষা করে শব্দ যখন অন্য কোনো রূপক বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে লক্ষ্যার্থ বলে । তাই বাচ্যার্থের বদলে অন্য অর্থ প্রকাশ করা শব্দগুচ্ছ হলো লক্ষ্যার্থক বাগধারা ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
অর্থের গভীরতা ও প্রকাশের দিক থেকে বাগধারা প্রধানত তিন প্রকার । এগুলো হলো:
- বাচ্যার্থিক: শব্দ যখন তার সরাসরি অভিধানিক অর্থে ব্যবহৃত হয় । যেমন— কাঁচা আম (অপরিণত আম) ।
- লক্ষ্যাঙ্ক: শব্দ অভিধানিক অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ করে । যেমন— অর্ধচন্দ্র (গলাধাক্কা) ।
- ব্যঙ্গার্থ: বাচ্যার্থ বা লক্ষ্যাঙ্ক না বুঝিয়ে গভীর ব্যঞ্জনাপূর্ণ নতুন অর্থ প্রকাশ করে । যেমন— অকাল কুষ্মাণ্ড (অপপদার্থ) ।

সোর্স: ATM এক টানা মুখস্থ-১.pdf ? আপনি কি বিসিএস পরীক্ষায় আসা বাগধারা সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সমাধান দেখতে চান?
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাগধারা হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যা আক্ষরিক অর্থ (বাচ্যার্থ) না বুঝিয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে ।
- বাচ্যার্থ: শব্দের সোজা অভিধানিক অর্থ ।
- বিশেষ অর্থ: বাচ্যার্থ ছাপিয়ে তৈরি হওয়া রূপক অর্থ ।
যেমন: 'আকাশ কুসুম' বলতে 'অসম্ভব কল্পনা' বোঝায় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'হাটে হাঁড়ি ভাঙা' একটি প্রচলিত বাংলা বাগধারা যার অর্থ হলো কোনো গোপন বিষয় জনসমক্ষে ফাঁস করে দেওয়া।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ডুমুরের ফুল' বাগধারাটির অর্থ হলো বিরল বস্তু। ডুমুর গাছে ফুল হয়, কিন্তু তা ফলের ভেতরে থাকে বলে বাইরে থেকে দেখা যায় না। তাই যে বস্তু সহজে দেখা যায় না বা পাওয়া যায় না, তাকে ডুমুরের ফুল বলা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন:
• কাঁঠালের আমসত্ত্ব - অসম্ভব ব্যাপার
• ডুব মারা - অদৃশ্য হওয়া বা আত্মগোপন করা
• কূপমণ্ডূক - সীমিত জ্ঞানের মানুষ
• লেফাফাদুরস্ত - বাইরের ঠাট বজায় রেখে চলা
• ঝাঁকের কই - একই দলের লোক
• পটল তোলা - মারা যাওয়া
• গাঁয়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো - কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা
• বড়োর পিরিত বালির বাঁধ - ভঙ্গুর
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ঘোড়ার ডিম' বাগধারাটির অর্থ হলো অলীক বস্তু বা বাস্তবে অস্তিত্বহীন কোনো কিছু। ঘোড়া কখনো ডিম পাড়ে না, তাই অসম্ভব বা ভিত্তিহীন বিষয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যাকরণগত নিয়ম ও ব্যাখ্যা:
'ঘোড়ার ডিম' একটি অলুক ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি সমস্তপদে অক্ষুণ্ণ থাকে অর্থাৎ লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
• এর ব্যাসবাক্য হলো: ঘোড়ার ডিম।
• এখানে পূর্বপদ 'ঘোড়া'-এর সাথে 'র' (ষষ্ঠী) বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সমাসবদ্ধ বা সমস্তপদে লোপ পায়নি।
• যেহেতু পূর্বপদের ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পায়নি, তাই এটি একটি অলুক ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

এরকম আরও কিছু উদাহরণ: গরুর গাড়ি, চোখের বালি, মনের মানুষ ইত্যাদি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'পায়ের তলায় সর্ষে' বাগধারার অর্থ - অস্থির।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা:
- কূপমণ্ডূক - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- পায়াভারি - অহংকার।
- আমড়া কাঠের ঢেঁকি - অপদার্থ।
- গায়ে পড়া -  অযাচিত।
- গাঁয়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো - কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা।
- বিসমিল্লায় গলদ- শুরুতেই ভুল।
- আঁতে ঘা - দুর্বল জায়গায় খোঁচা।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।