সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

সমাস

৭৬২ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
পূর্বপদে অব্যয় বসে অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে । এখানে 'উপ' উপসর্গটি 'সদৃশ' অর্থে যুক্ত হয়েছে ।
- ব্যাসবাক্য: বনের সদৃশ = উপবন ।
পূর্বপদ 'উপ' এর অর্থ প্রধান হওয়ায় 'উপবন' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যার সাথে তুলনা করা হয় (উপমান) তার সাথে সাধারণ গুণের সমাস হলে উপমান কর্মধারয় সমাস হয় ।
- 'তুষার' (বরফ) হলো উপমান এবং 'শুভ্র' (সাদা) হলো সাধারণ গুণ, যা প্রত্যক্ষ ও সত্য ।
- তাই 'তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র' একটি উপমান কর্মধারয় সমাস।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রাধান্য পায়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে । এখানে পূর্বপদটি কোনো উপসর্গ বা অব্যয় শব্দ হয়।
উদাহরণ:
- উপকূল = কূলের সমীপে (এখানে 'উপ' অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেয়েছে) ।
- হাবাত = ভাতের অভাব ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যাসবাক্য: বীণা পাণিতে যার = বীণাপাণি।
যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ই বিশেষ্য পদ হয়, তাকে ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে ।
এখানে 'বীণা' (যন্ত্র) এবং 'পাণি' (হাত) দুটি পদই বিশেষ্য, তাই এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে সমাসে পরবর্তী পদের (পরপদের) অর্থ প্রধান থাকে, তাকে পরপদ প্রধান সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাস: পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয় ।
- কর্মধারয় সমাস: বিশেষণ ও বিশেষ্য মিলে গঠিত সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে ।
সুতরাং সঠিক উত্তর তৎপুরুষ ও কর্মধারয় সমাস ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দম্পতি' শব্দটি একটি দ্বন্দ্ব সমাস । যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই প্রাধান্য পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে । 'দম্পতি' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো জায়া ও পতি । এখানে সংস্কৃত নিয়মে 'জায়া' শব্দের স্থানে 'দম' আদেশ হয়। তাই জায়া ও পতি মিলে গঠিত হয় 'দম্পতি'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে সমাস গঠিত হয় এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হিসেবে প্রকাশিত হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে ।
এখানে 'অব্যয়ীভাব' মানে অব্যয়ের ভাবের প্রাধান্য থাকা।
যেমন:
- উপকূল = কূলের সমীপে (উপ অব্যয়)
- আজীবন = জীবন পর্যন্ত (আ অব্যয়)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সমাসে একাধিক পদ মিলে তৈরি হয় সমস্ত পদ । এর দুটি অংশ:
- পূর্বপদ: প্রথম অংশ ।
- পরপদ বা উত্তরপদ: শেষ অংশ ।
যেমন: 'সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন'-এ 'আসন' অংশটি পরপদ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায় এবং অন্য পদকে বোঝায়, তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে ।
- ব্যাসবাক্য: 'হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে' = হাতেখড়ি ।
- এখানে 'দেওয়া হয় যে' পদগুলো লোপ পেয়ে হাত বা খড়ি না বুঝিয়ে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানকে বোঝাচ্ছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের সমাসকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে ।
- 'পুরুষ' উপমেয় এবং 'সিংহ' উপমান পদ ।
- পুরুষ কখনো সিংহ হতে পারে না, তাই এ তুলনা কাল্পনিক ।
ব্যাসবাক্য: পুরুষ সিংহের ন্যায় = পুরুষসিংহ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'তুষারশুভ্র' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো 'তুষারের ন্যায় শুভ্র' । এখানে যার সাথে তুলনা করা হয় (তুষার - বিশেষ্য) তা হলো উপমান এবং 'শুভ্র' হলো সাধারণ ধর্ম (বিশেষণ) । সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমানবাচক পদের সমাস হলে তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে । এতে উপমান ও সাধারণ ধর্মের সম্পর্ক সত্য হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ বা মাঝের পদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে ।
'স্মৃতিসৌধ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ' । ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ 'রক্ষার্থে' লোপ পেয়ে 'স্মৃতিসৌধ' সমস্তপদটি গঠিত হওয়ায় এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় (পুরুষ) ও উপমান (সিংহ) পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে ।
- এখানে উপমেয় পদ 'পুরুষ' পূর্বে এবং উপমান পদ 'সিংহ' পরে বসেছে ।
- ব্যাসবাক্যে 'ন্যায়' শব্দটি শেষে থাকে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
পূর্বপদে অব্যয় বসে অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে ।
- 'উপকণ্ঠ' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো 'কণ্ঠের সমীপে' ।
- এখানে 'উপ' উপসর্গটি 'সমীপ্য' বা 'নিকট' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ।
পূর্বপদের অর্থ প্রধান হওয়ায় এটি অব্যয়ীভাব সমাস ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তা মধ্যপদলোপী সমাস। হাতঘড়ি (হাতে পরা হয় যে ঘড়ি) শব্দে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ 'পরা হয় যে' লোপ পেয়েছে। এখানে পরপদ 'ঘড়ি'-র অর্থ প্রধান থাকায় এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হলেও, ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পাওয়ার নিয়মে এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস হিসেবে গণ্য হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
'দম্পতি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো- দম (জায়া) ও পতি = দম্পতি।
এখানে:-
- পূর্বপদ 'দম' (জায়া বা স্ত্রী) এবং পরপদ 'পতি' (স্বামী) উভয়ের অর্থই প্রাধান্য পেয়েছে।
- 'ও' সংযোজক অব্যয় দ্বারা পদ দুটি যুক্ত হয়েছে।
তাই 'দম্পতি' শব্দটি সম্বন্ধবাচক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর প্রতিটির অর্থের প্রাধান্য বজায় থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েরই অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়।

• উদাহরণ:
- লজ্জা ও শরম = লজ্জাশরম
- সাজ ও সজ্জা = সাজসজ্জা
- ছাই ও ভস্ম = ছাইভস্ম
- গোলা ও গুলি = গোলাগুলি

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কর্মধারয় সমাস: যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।
- তৎপুরুষ সমাস: পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে।
- বহুব্রীহি সমাস: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কৃদন্ত পদের পূর্বে অবস্থিত পদকে উপপদ বলে । কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে ।
এখানে 'পকেট মারে যে = পকেটমার' বাক্যাংশে 'মারে' হলো কৃদন্ত পদ এবং 'পকেট' হলো উপপদ । তাই এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'অসহযোগ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'ন সহযোগিতা'।
- এখানে 'অ' একটি না-বাচক বা নঞ অব্যয়, যা 'নয়' বা 'না' অর্থ প্রকাশ করে।
- তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
- 'অসহযোগ' শব্দটিতে 'সহযোগিতা'র অভাব বোঝানো হচ্ছে, অর্থাৎ পরপদ 'সহযোগ'-এর অর্থই প্রধান থাকছে, কিন্তু 'নঞ' অব্যয়টি তার না-বাচক অর্থ প্রকাশ করছে।
- যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে নঞ বা না-বাচক অব্যয় (যেমন - অ, ন, না, নিঃ, বি, বে, গর) বসে এবং পরপদের অর্থকে নেতিবাচক করে তোলে, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তাই 'অসহযোগ' একটি নঞ তৎপুরুষ সমাস।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বা একে অপরের সাথে একই কাজ করা বোঝালে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
- এই সমাসে পূর্বপদে 'আ' এবং পরপদে 'ই' যুক্ত হয়।
- 'হাতাহাতি' বলতে একে অপরের সাথে হাতে হাতে যুদ্ধ করা বোঝাচ্ছে, যা একটি পারস্পরিক ক্রিয়া।
- এরকম আরও উদাহরণ হলো- কানে কানে যে কথা = কানাকানি, লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই = লাঠালাঠি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়।
- 'মহান আত্মা যার' - এই ব্যাসবাক্যে 'মহান' শব্দটি বিশেষণ এবং 'আত্মা' শব্দটি বিশেষ্য।
- এখানে 'মহান' এবং 'আত্মা' পদ দুটি একত্রে তৃতীয় একজন ব্যক্তিকে বোঝাচ্ছে, তাই এটি বহুব্রীহি সমাস।
- যেহেতু পূর্বপদটি বিশেষণ, তাই এটি সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলো কোনোটিই প্রধান না হয়ে, তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়।
- এই তৃতীয় পদকে বোঝানোর জন্য ব্যাসবাক্যে সাধারণত সম্বন্ধ পদ 'যার' বা 'যাহার' এবং কারকবাচক শব্দ 'যাতে', 'যাহাতে' ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: দশ আনন যার = দশানন; নেই জ্ঞান যার = অজ্ঞান।

অন্যদিকে,
- 'এবং', 'ও' দ্বন্দ্ব সমাসে 
- 'যে', 'যিনি', 'ন্যায়' ইত্যাদি কর্মধারয় সমাসে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দিশু সমাসে পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। যেমন:
- চৌ (চার) রাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা;
- তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাই অলুক তৎপুরুষ সমাস। যেমন:
গরুর গাড়ি = গরুর গাড়ি;
কলুর বলদ = কলুর বলদ।
গাছে পাকা = গাছপাকা (৭মী তৎপুরুষ সমাস);
গ্রাম থেকে ছাড়া = গ্রামছাড়া (৫মী তৎপুরুষ সমাস);
ধানের ক্ষেত = ধানক্ষেত (৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
• দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধার‍য় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পূর্বপদের পঞ্চমী বিভক্তি (হইতে, থেকে, চেয়ে) লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস বলে।
- এখানে 'জেল থেকে মুক্ত' বাক্যে 'থেকে' অনুসর্গটি লোপ পেয়ে 'জেলমুক্ত' সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে।
- 'হইতে', 'থেকে', 'চেয়ে' ইত্যাদি অনুসর্গ পঞ্চমী বিভক্তির চিহ্ন হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- যেহেতু এখানে পঞ্চমী বিভক্তির চিহ্ন লোপ পেয়েছে, তাই এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস।
- এই ধরনের সমাসে সাধারণত চ্যুত, আগত, ভীত, গৃহীত, বিরত, মুক্ত, উত্তীর্ণ, পালানো ইত্যাদি পরপদের সঙ্গে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাই তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
- যেমন: মেঘ দ্বারা শূন্য=মেঘশূন্য, মন দ্বারা গড়া = মনগড়া ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন'। এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি (কে, রে, এরে) ইত্যাদি লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বা কর্ম তৎপুরুষ বলে।
যথা:
- দুঃখকে প্রাপ্ত= দুঃখপ্রাপ্ত,
- বিপদকে আপন্ন= বিপদাপন্ন,
- পরলোকে গত= পরলোকগত,
- পুঁথিতে গত= পুঁথিগত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকেই উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
- এতে দুটো পদই বিশেষ্য হয় এবং উপমেয় পদটি পূর্বে বসে।
- যেমন: চাঁদের মতো মুখ = চাঁদমুখ । প্রদত্ত উদাহরণে 'চাঁদ' ও 'মুখ'- দুটোই বিশেষ্য।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানের এক বা একাধিক পদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
- এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদটি সমস্তপদের অর্থকে স্পষ্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, 'সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন'।
- এখানে 'চিহ্নিত' মধ্যপদটি লোপ পেয়ে 'সিংহাসন' সমস্তপদটি গঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।