সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

কারক ও বিভক্তি

৪১৫ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যে যে ক্রিয়া সম্পাদন করে, সে-ই কর্তা বা কর্তৃকারক ।
'বুলবুলিতে ধান খেয়েছে' বাক্যে ধান খাওয়ার ক্রিয়াটি 'বুলবুলি' পাখি নিজে সম্পন্ন করেছে ।
মূল শব্দ 'বুলবুলি'-এর সাথে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তি ।
তাই 'বুলবুলিতে' পদটি কর্তায় সপ্তমী ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে স্থানে বা আধারে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে । 'তিলে তেল আছে' বাক্যে 'তিল' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি (সপ্তমী বিভক্তি) যুক্ত হয়ে তিলের সমস্ত অংশ জুড়ে তেলের উপস্থিতি বোঝাচ্ছে । স্থান বা ব্যাপ্তি বোঝানোয় এটি অধিকরণে সপ্তমী ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। এখানে 'ডালে চালে' দ্বারা রান্নার বিষয় বোঝানো হয়েছে।
- 'ডাল' ও 'চাল' শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি (ডাল+এ = ডালে, চাল+এ = চালে) যুক্ত হয়েছে। 'এ' বিভক্তি হলো ৭মী বিভক্তি।
- তাই 'ডালে চালে' হলো অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন বা গৃহীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে ।
- 'দুধ থেকে দই হয়' বাক্যে দুধ থেকে দই তৈরি বা জাত হচ্ছে, তাই 'দুধ' অপাদান কারক ।
- 'হতে, থেকে, চেয়ে' অনুসর্গগুলো ৫মী বিভক্তি নির্দেশ করে ।
তাই 'দুধ থেকে' অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ক্রিয়া সম্পাদনের উপায় বা মাধ্যমকে করণ কারক বলে । 'চোখে দেখা যায় না' বাক্যে 'দেখা' ক্রিয়ার মাধ্যম হলো 'চোখ' (চোখ দিয়ে)। তাই এটি করণ কারক।
মূল শব্দ 'চোখ'-এর সাথে 'এ' যুক্ত হয়েছে। 'এ' হলো ৭মী বিভক্তি । সুতরাং, 'চোখে' পদটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেকোনো ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, সময় বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
'বাবা বাড়ি নেই' বাক্যে 'বাড়ি' শব্দটির মাধ্যমে স্থান বা আধার বোঝানো হয়েছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
এখানে 'বাড়ি' শব্দের শেষে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি (যেমন- এ, তে) যুক্ত হয়নি, তাই এটি শূন্য বিভক্তি।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'পাগলে কিনা বলে' বাক্যে 'বলার' কাজটি 'পাগল' নিজে করছে। যে ক্রিয়া সম্পাদন করে, সে-ই কর্তৃকারক ।
এখানে 'পাগল' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়ে 'পাগলে' হয়েছে। ব্যাকরণে 'এ' হলো ৭মী বিভক্তি ।
তাই 'পাগলে' শব্দটি কর্তৃকারকে ৭মী ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যে কাজ সম্পাদনকারী পদই কর্তৃকারক।
এখানে ধান খাওয়ার কাজ বুলবুলি করেছে, তাই এটি কর্তা।
'বুলবুলি' শব্দের সাথে 'তে' যুক্ত হওয়ায় এটি ৭মী বিভক্তি।
অতএব, 'বুলবুলিতে' পদটি কর্তায় ৭মী বিভক্তি।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যা থেকে কোনো কিছু বিরত, চ্যুত, রক্ষিত বা ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে ।
এখানে 'পাপ' থেকে বিরত হওয়ার কথা বলায় 'পাপ' শব্দটি অপাদান কারক ।
শব্দে 'হতে', 'থেকে', 'চেয়ে' যুক্ত থাকলে পঞ্চমী বিভক্তি হয় । তাই 'পাপ থেকে' হলো অপাদানে পঞ্চমী ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয়, তাকে (প্রচলিত ব্যাকরণের নিয়মে) সম্প্রদান কারক বলে। বস্তু নয়, ব্যক্তিই সম্প্রদান কারক।
- ক্রিয়ার সাথে 'কাকে (দান)' দিয়ে প্রশ্নের উত্তরে যাকে পাওয়া যায়, তাই সম্প্রদান কারক।
- প্রদত্ত বাক্যে 'অন্ধজন'-কে আলো বা জ্ঞান দান করার কথা বলা হয়েছে, যা সম্প্রদান কারকের শর্তের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- প্রদত্ত বাক্যে 'অন্ধজন' এর সাথে ৭মী বিভক্তি (অন্ধজন + এ) যোগ হওয়ায় এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।

• উদাহরণ: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও, সৎপাত্রে কন্যা দান করো।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অপশন 1: স্বত্ব ত্যাগ না করে দিলে কর্ম কারক হয়, কিন্তু এখানে আলো (জ্ঞান বা দৃষ্টি) পুরোপুরি নিঃস্বার্থভাবে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান হবে।
- অপশন 3: করণ কারক উপায় বা যন্ত্র বোঝায়, এখানে অন্ধজন সাহায্য করার কোনো উপায় বা যন্ত্র নয়।
- অপশন 4: অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকেই কর্ম কারক বলে। ক্রিয়ার বিষয়কে কর্ম বলে।
- ক্রিয়ার সাথে 'কী' বা 'কাকে' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্ম কারক।
- 'কবির কাজ হচ্ছে কাব্য সৃষ্টি করা' - এখানে যদি প্রশ্ন করা হয়, 'কী সৃষ্টি করা?' তাহলে উত্তর পাওয়া যায় 'কাব্য'।
- সুতরাং 'কাব্য' কর্ম কারক এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত না থাকায় এটি কর্মে শূন্য বা প্রথমা বিভক্তি (কাব্য + ০)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অপশন 1: করণ কারক বলতে যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
- অপশন 3: কর্তৃকারক হলো যে বাক্যের ক্রিয়া সম্পন্ন করে। এখানে 'কাব্য' নিজে কোনো ক্রিয়া করছে না, এটি সৃষ্টির বিষয়।
- অপশন 4: অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা পাত্র বোঝায়, 'কাব্য' কোনো স্থান বা কাল নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যা থেকে কিছু উৎপন্ন, ভয় বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে । 'বিপদে মোরে রক্ষা করো' বাক্যে 'বিপদে' দ্বারা বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে । এখানে মূল শব্দ 'বিপদ'-এর সাথে 'এ' বিভক্তি (বিপদ + এ) যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি । সুতরাং, 'বিপদে' শব্দটি অপাদানে সপ্তমী।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন একটি ক্রিয়ার দুটি কর্মপদ থাকে, তখন তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।

এই দুটি কর্মের মধ্যে:
- প্রাণীবাচক কর্মটিকে গৌণ কর্ম বলে।
- বস্তুবাচক কর্মটিকে মুখ্য কর্ম বলে।

প্রদত্ত বাক্যে, "দেখাচ্ছেন" ক্রিয়ার দুটি কর্ম হলো ‘শিশুকে’ (প্রাণীবাচক) এবং ‘চাঁদ’ (বস্তুবাচক)।

সুতরাং, ‘শিশুকে’ হলো গৌণ কর্ম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
কারক নির্ণয়:
- বাক্যটির অর্থ হলো ‘টাকার দ্বারা কী না হয়?’। ক্রিয়া ‘হয়’-কে যদি প্রশ্ন করা হয় ‘কীসের দ্বারা হয়?’, উত্তর আসে—‘টাকার দ্বারা’।
- যেহেতু ‘টাকা’ এখানে উপায় বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি করণ কারক।

বিভক্তি নির্ণয়:
- ‘টাকা’ মূল শব্দের সাথে ‘য়’ যুক্ত হয়ে ‘টাকায়’ হয়েছে।
- ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’—এইগুলো সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন।

সুতরাং, ‘টাকায়’ পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণে, ‘দ্বারা’, ‘দিয়া’, ‘কর্তৃক’—এই অনুসর্গগুলো তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এগুলো সাধারণত করণ কারকে (উপায় বা মাধ্যম বোঝাতে) এবং কর্মবাচ্যের কর্তার সাথে যুক্ত হয়।
- যেমন: "লাঠি দ্বারা সাপটি মারা হলো।" এখানে ‘দ্বারা’ তৃতীয়া বিভক্তি নির্দেশ করছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'রাজার রাজ্য' বলতে রাজার অধিকারভুক্ত রাজ্যকে বোঝানো হচ্ছে।
- এখানে রাজা এবং রাজ্যের মধ্যে অধিকার বা মালিকানার সম্পর্ক বিদ্যমান।
- কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর উপর অন্য কারো মালিকানা বা কর্তৃত্ব বোঝালে তাকে অধিকার সম্বন্ধ পদ বলে।
- যেমন: 'আমার বই', এখানে বইটির উপর আমার অধিকার প্রকাশ পাচ্ছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যদি কোনো ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনোরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিকরণ বলে। ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ‘ভাবে সপ্তমী’ বলা হয়। যেমন-
- সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
- জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ।
- কান্নায় শোক কমে'
- হাসিতে মুক্তা ঝরে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- একটি বাক্যে যখন দুটি কর্ম থাকে, তখন তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলা হয়।
- এই দুটি কর্মের মধ্যে ব্যক্তিবাচক কর্মটিকে গৌণকর্ম বলা হয়।
- বস্তুবাচক কর্মটিকে বলা হয় মুখ্য কর্ম।
- গৌণকর্মের সাথে সাধারণত '-কে' বা '-রে' বিভক্তি যুক্ত হয়, যেমন: "বাবা আমাকে একটি কলম কিনে দিয়েছেন।"
- এখানে 'আমাকে' হলো গৌণকর্ম এবং 'কলম' হলো মুখ্য কর্ম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যেসব শব্দের শেষে 'অ' ধ্বনি থাকে (অ-কারান্ত) বা ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে (ব্যঞ্জনান্ত), সেগুলোর সাথে ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে 'এর' যুক্ত হয়।
- এটি সম্বন্ধ পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: 'কলম' (ব্যঞ্জনান্ত) শব্দটি 'কলম + এর = কলমের' হয়।
- একইভাবে, 'বই' (অ-কারান্ত) শব্দটি 'বই + এর = বইয়ের' হয়।
- কিন্তু স্বরান্ত শব্দের শেষে শুধু 'র' যুক্ত হয়, যেমন: 'মা + র = মার'।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।

যেমন:
- ঘোড়া গাড়ি টানে।
- শাহেদ বই পড়ে।
→  বাক্য দুটিতে 'ঘোড়া' এবং 'শাহেদ' যথাক্রমে 'গাড়ি' এবং 'বই'-কে আশ্রয় করে 'টানা' এবং 'পড়া' ক্রিয়া সম্পন্ন করে। সুতরাং 'গাড়ি' এবং 'বই' কর্মকারক

কর্মকারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
প্রথমা বিভক্তি: পুলিশ ডাক।
দ্বিতীয়া বিভক্তি: আমি তাকে চিনি।
ষষ্ঠী বিভক্তি: ছেলেটি বলের সঙ্গে যুদ্ধ করে।
সপ্তমী বিভক্তি: জিজ্ঞাসিব জনে জনে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• কর্তৃকারক:
বাক্যের যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সাহায্যে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হয়, তাকে বলা হয় কর্তৃকারক।
যেমন- রাজু কলেজে যাচ্ছে।
[এ বাক্যের কর্তা হলো বিশেষ্য পদ রাজু । অতএব রাজু হলো কর্তৃকারক।]

কর্তৃকারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
• প্রথমা শূন্য বা অ বিভক্তি: খোকন বই পড়ে।
• দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি: মাসুমকে যেতে হবে।
• তৃতীয় বা দ্বারা বিভক্তি: ফেরদৌসি কর্তৃক শাহনামা রচিত হয়েছে।

• ষষ্ঠী বা র বিভক্তি: আমার যাওয়া হয়নি।

• সপ্তমী বা এ, য়, তে বিভক্তি:
- গাঁয়ে মানে না, আপনি মোড়ল।
- বাপে না জিজ্ঞাসে, মায়ে না সম্ভাষে।
- পাগলে কী না বলে, ছাগলে কী না খায়।
- বাঘে-মহিষে খানা একঘাটে খাবেন।

• য়-বিভক্তি: ঘোড়ায় গাড়ি টানে।

•তে-বিভক্তি:
- গরুতে দুধ দেয়।
- বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দিবে কীসে?
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়া সম্পাদনের স্থানকে আধারাধিকরণ কারক বলে।
- যখন কোনো বিশাল স্থানের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা খণ্ডাংশে ক্রিয়াটি সংঘটিত হয়, তখন তাকে ঐকদেশিক আধারাধিকরণ বলে।
- 'ঐকদেশিক' শব্দটি 'একদেশ' বা 'অংশ' সম্পর্কিত অর্থ প্রকাশ করে।
- উদাহরণ: "বনে বাঘ থাকে।" (বনের কোনো একটি অংশে বাঘ থাকে, পুরো বন জুড়ে নয়)।
- আরেকটি উদাহরণ: "পুকুরে মাছ আছে।" (পুকুরের কোনো এক অংশে মাছ আছে)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ব্যাকরণের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, 'সম্প্রদান কারক' কে আলাদা কারক হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।
- স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দান করা বোঝালে, যাকে দান করা হয়, সেই পদটিকে আগে সম্প্রদান কারক বলা হতো।
- বর্তমানে এটিকে গৌণকর্ম হিসেবে কর্ম কারকের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- উদাহরণ: "দরিদ্রকে ধন দাও।" এখানে 'দরিদ্রকে' পদটি কর্ম কারক (গৌণকর্ম)।
- সুতরাং, 'সম্প্রদান কারক' এর ধারণাটি 'কর্ম কারক' দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়া পদের সাথে সম্পর্ক না রেখে যে নামপদ অন্য নামপদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে।
- সম্বন্ধ পদে সাধারণত ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়।
- বাংলায় ষষ্ঠী বিভক্তির চিহ্ন হলো '-র' এবং '-এর'।
- উদাহরণ: "হাসানের ভাই" (হাসান + এর), "দেশের মানুষ" (দেশ + এর), "আমার বই" (আমা + র)।
- এই বিভক্তিগুলো মালিকানা, অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন বাক্যে দুজন মিলে একই কাজ করে, তখন তাদের ব্যতিহার কর্তা বলে ।
- যেমন: 'বাঘে-মোষে এক ঘাটে জল খায়'। এখানে দুজন একই কাজ করায় এরা ব্যতিহার কর্তা ।
বাকিগুলো:
- মুখ্য কর্তা: যে নিজে কাজ করে ।
- প্রযোজক কর্তা: যে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় ।
- প্রযোজ্য কর্তা: যাকে দিয়ে কাজ করানো হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ভাষায় শব্দ-বিভক্তি প্রধানত সাত প্রকার।
- এই বিভক্তিগুলো কারকভেদে শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করে।
- বিভক্তিগুলো হলো: প্রথমা, দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী এবং সপ্তমী।
- প্রথমা বিভক্তি সাধারণত কর্তা কারকে বসে এবং এর চিহ্ন হলো শূন্য বিভক্তি (০) বা -এ, -তে।
- দ্বিতীয়া ও চতুর্থী বিভক্তির চিহ্ন -কে, -রে; যা কর্ম ও সম্প্রদান কারকে ব্যবহৃত হয়।
- তৃতীয়া বিভক্তির চিহ্ন -দ্বারা, -দিয়া; যা করণ কারকে বসে।
- পঞ্চমী বিভক্তির চিহ্ন -হতে, -থেকে; যা অপাদান কারকে বসে।
- ষষ্ঠী বিভক্তির চিহ্ন -র, -এর; যা সম্বন্ধ পদে ব্যবহৃত হয়।
- সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন -এ, -য়, -তে; যা অধিকরণ কারকে বসে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অনেক ব্যাকরণবিদ মনে করেন যে, এটি আসলে কর্ম কারকেরই একটি বিশেষ রূপ, যেখানে গৌণ কর্ম হিসেবে যাকে দান করা হয় সে থাকে।
তাই ব্যাকরণবিদদের মধ্যে সম্প্রদান কারক নিয়ে সবসময়ই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং রাজা রামমোহন রায় - সকলেই কোনো না কোনোভাবে এই কারকের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অথবা এর বিকল্প ব্যাখ্যার কথা বলেছিলেন।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সাধন/উপকরণ দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে। করণ কারকে সাধারণত ৭মী বিভক্তি ("এ", "য়", "দ্বারা", "করতে" ইত্যাদি) যুক্ত হয়।

"এ সুতায় কাপড় হয় না।"
- এখানে "সুতায়" শব্দটি সুতা (উপকরণ) নির্দেশ করছে, যা কাপড় তৈরি করার সাধন।
- যেহেতু ক্রিয়া (হয়) সম্পাদনের জন্য সুতা ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই এটি করণ কারক।
- "সুতায়" শব্দটি ৭মী বিভক্তি ("এ"/"য়") দ্বারা গঠিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্তৃকারক বলে। যেমন: মেয়েরা ফুল তোলে, গাঁয়ে মানে না, আপনি মোড়ল, হামিদ বই পড়ে, পাতাটির নিচে বসে আছে ভোরের দোয়েল পাখি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমনঃ ছেলেরা মাঠে খেলে। ছাত্রীরা পাঠাগারে পড়ে। বাক্যে যে পদে ক্রিয়ার আধারকে বোঝায় তাকে বলে অধিকরণ কারক। ক্রিয়া পদকে ধরে কোথায়, কোন স্থানে, কখন, কোন সময়, কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে এসব দিয়ে প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
» ছাত্ররা ক্লাসে পড়ে। কোথায় পড়ে? উঃ- ক্লাসে। - “ক্লাসে” অধিকরণ কারক।
» তারা সকালে পড়ে। কখন পড়ে? উঃ - সকালে। “সকালে” অধিকরণ কারক।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।