সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ধ্বনি

২৭৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে ধ্বনিগুলোকে আর ভেঙে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক ধ্বনি বলে ।
- মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি: অ, আ, ই, উ, এ, ও, অ্যা ।
- মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি: যেমন- ক, খ, গ ইত্যাদি ।
তাই মৌলিক স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি যথাক্রমে ৭টি এবং ৩০টি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব স্বরধ্বনি পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি মিলে একসাথে উচ্চারিত হয়, তাদের যৌগিক স্বরধ্বনি বলে । বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' ও 'ঔ' দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ ।
- ঐ = ও + ই
- ঔ = ও + উ
যেহেতু এরা দুটি করে স্বরধ্বনির মিলনে তৈরি, তাই এরা যৌগিক স্বরধ্বনি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ড়' এবং 'ঢ়' উচ্চারণের সময় জিবের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায় । তাই এগুলোকে তাড়নজাত ধ্বনি বলা হয় ।
- জিবের এই তাড়না বা টোকা দেওয়ার বৈশিষ্ট্যের কারণেই এদের নাম তাড়নজাত ধ্বনি ।
যেমন: 'বাড়ি', 'মুড়ো' শব্দের 'ড়' এবং 'ঢ়' ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
নাসিক্য ধ্বনি: ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখের পাশাপাশি নাক দিয়ে বের হয়ে উচ্চারিত ধ্বনিই নাসিক্য ধ্বনি । যেমন: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম ।
- স্পর্শ: মুখে বাতাস বাধা পায় ।
- উষ্ম: শিস ধ্বনি উৎপন্ন হয় ।
- অন্তঃস্থ: স্পর্শ ও উষ্মের মাঝামাঝি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় দুই ঠোঁট (ওষ্ঠ) কাছাকাছি এসে স্পর্শ করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে ।
- প, ফ, ব, ভ, ম বর্ণগুলো উচ্চারণে দুই ঠোঁটের ব্যবহার হয় ।
- তাই উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এগুলো ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনি ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিবের ডগা উল্টে মূর্ধায় দ্রুত টোকা দেওয়ার মতো করে স্পর্শ করে, সেগুলোকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে ।
বাংলা ভাষায় 'ড়' এবং 'ঢ়'—এই দুটি হলো তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনি । উচ্চারণকালে জিবের তাড়না বা টোকার ফলেই এদের তাড়িত ব্যঞ্জন বলা হয়ে থাকে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলায় 'র' উচ্চারণে জিব অতি দ্রুত দন্তমূলকে আঘাত করে কেঁপে ওঠে । তাই 'র'-কে কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয় ।
- তাড়িত: ড়, ঢ়
- পার্শ্বিক: ল
- উষ্ম: শ, ষ, স, হ
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট ৭টি।
- এই তালিকায় নতুন 'অ্যা' ধ্বনিটি প্রতিষ্ঠা করেন ড. মুহম্মদ আবদুল হাই।
- তিনি বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে 'অ্যা' ধ্বনির স্বতন্ত্র উচ্চারণ বিশ্লেষণ করে একে মূল স্বরধ্বনিতে অন্তর্ভুক্ত করেন।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব স্বরধ্বনি পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না এবং টেনে দীর্ঘ করা যায় না, সেগুলোকে অর্ধ-স্বরধ্বনি বলে । 'মই' ও 'ঢেউ' শব্দদ্বয়ে 'ই্' এবং 'উ্' ধ্বনি দুটি পুরোপুরি উচ্চারিত না হয়ে অন্য স্বরধ্বনির সাথে মিলে আংশিক উচ্চারিত হয়েছে । তাই উচ্চারণের গুণগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এগুলো অর্ধ-স্বরধ্বনি।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- অক্ষর (Syllable) হলো শব্দের ক্ষুদ্রতম উচ্চারণগত একক।
- উচ্চারণের প্রকৃতি অনুযায়ী অক্ষর দুই প্রকার—মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর।

মুক্তাক্ষর (Open Syllable):
- যে অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি থাকে এবং যাকে টেনে উচ্চারণ করা যায়, তাকে মুক্তাক্ষর বলে।
- যেমন: 'আ', 'মা', 'খে', 'লা' ইত্যাদি। এখানে প্রতিটি অক্ষরের শেষে একটি স্বরধ্বনি (আ, এ, ও ইত্যাদি) থাকায় উচ্চারণকে প্রলম্বিত করা সম্ভব।

বদ্ধাক্ষর (Closed Syllable):
- যে অক্ষরের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে এবং যাকে টেনে উচ্চারণ করা যায় না, তাকে বদ্ধাক্ষর বলে।
- যেমন: 'জল্', 'আম্', 'বন্', 'ধন্' ইত্যাদি।
- এখানে অক্ষরের শেষে একটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকায় উচ্চারণটি সেখানেই থেমে যায়।

সুতরাং, স্বরান্ত অক্ষর, যাকে টেনে উচ্চারণ করা যায়, তা হলো মুক্তাক্ষর।
ব্যাখ্যা (Explanation)
‘ত’ ধ্বনির ক্ষেত্রেঃ
- ঘোষনা (Voicing):
‘ত’ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় স্বরকেন্দ্রের স্পন্দন ঘটে না, অর্থাৎ স্বর নাড়ি (vocal cord) কম্পিত হয় না।
তাই এটি অঘোষ (voiceless)।

- প্রাণ (Aspiration):
‘ত’ উচ্চারণের সময় ধ্বনির সঙ্গে অতিরিক্ত হাওয়া বের হয় না।
তাই এটি অল্পপ্রাণ (unaspirated)।

- উচ্চারণ স্থান (Place of articulation):
‘ত’ ধ্বনিটি দাঁতের সাথে জিভের সংস্পর্শে উচ্চারিত হয়।
তাই এটি দন্ত্য (dental)।

- উচ্চারণ পদ্ধতি (Manner of articulation):
‘ত’ হলো একটি স্টপ (stop) বা বন্ধ ধ্বনি, যা সাধারণত অল্পপ্রাণ ও অঘোষযুক্ত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- স্বরধ্বনি (Vowel sound) হলো এমন ধ্বনি যা উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে তাড়িত বায়ু মুখবিবরের কোনো অংশে বাধা ছাড়াই বের হয়।
- অর্থাৎ, এই ধ্বনিগুলোর গঠন বা উচ্চারণে জিহ্বা, ঠোঁট, তালু বা দাঁতের সঙ্গে কোনো স্পষ্ট সংস্পর্শ বা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় না।
- বাংলায় যেমন: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ ইত্যাদি স্বরধ্বনি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান এবং উচ্চতার উপর ভিত্তি করে সেগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

স্বরধ্বনিগুলোকে দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ভাগ করে:
- জিহ্বার অবস্থান (সম্মুখ, মধ্য, পশ্চাৎ)
- জিহ্বার উচ্চতা (উচ্চ, উচ্চ-মধ্য, নিম্ন-মধ্য, নিম্ন)

জিহ্বার অবস্থান অনুযায়ী: 'এ' ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার সামনের অংশ ব্যবহৃত হয়, তাই এটি একটি সম্মুখ স্বরধ্বনি।

জিহ্বার উচ্চতা অনুযায়ী: 'এ' ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা পুরোপুরি উপরে না উঠে মাঝামাঝি (তবে উপরের দিকে) অবস্থানে থাকে, তাই এটি একটি উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি।

সুতরাং, এই দুটি বৈশিষ্ট্য একত্রিত করে 'এ' স্বরধ্বনিটির সম্পূর্ণ পরিচয় হলো উচ্চ-মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি। ছকে এটি পরিষ্কারভাবে "উচ্চ-মধ্য" সারি এবং "সম্মুখ" কলামের সংযোগস্থলে দেখানো হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ুর চাপের (air pressure) উপর ভিত্তি করে ব্যঞ্জনধ্বনি দুই ভাগে ভাগ করা হয়
- সঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (Voiced consonant):
- এই ধ্বনিগুলোর উচ্চারণে স্বরতন্ত্রী বা vocal cord কাঁপে।
- যেমন: গ, ঘ, জ, ঝ, দ, ধ, ব, ভ ইত্যাদি।

- অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (Voiceless consonant):
- এই ধ্বনিগুলোর উচ্চারণে স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, শুধু শ্বাসবায়ুর চাপ থাকে।
- যেমন: ক, খ, চ, ছ, ট, ঠ, প, ফ ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সকল ধ্বনি উচ্চারিত হওয়ার জন্য স্বরধ্বনির সাহায্যের প্রয়োজন হয় এবং স্বাধীনভাবে স্পষ্টরূপে উচ্চারিত হতে পারে না, তাদের ব্যঞ্জনধ্বনি বলা হয়।
- ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় মুখগহ্বরের কোথাও না কোথাও বাতাস বাধাপ্রাপ্ত হয়।
- যেমন: 'ক্' ধ্বনিটি উচ্চারণ করতে গেলে একটি স্বরধ্বনি 'অ'-এর সাহায্য নিয়ে 'ক' (ক্ + অ) হিসেবে উচ্চারিত হয়। এর বিপরীতে, স্বরধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'স্মরণ' শব্দটি সংস্কৃত।
সঠিক উচ্চারণ: শঁরোন্‌।

• 'স্মরণ' শব্দের অর্থ:
- স্মৃতি, ধ্যান, চিন্তন, কল্পনা।
- কোনো ব্যক্তির আগমন কামনা।
--------------------
• কিছু শব্দের প্রমিত উচ্চারণ:
- পদ্ম [পদ্‌দোঁ],
- যুগ্ম [জুগ্‌মো],
- জন্ম [জন্‌মো],
- গুল্ম [গুমো],
- শ্মশান [শঁশান্],
- স্মরণ [শঁরোন্]।
- আত্মীয় [আতিঁয়ো],
- পদ্ম [পদ্‌দোঁ]।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ সংস্করণ)।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।

- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি।
 এই হিসেবে অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনিগুলো হচ্ছেঃ
খ, ছ, ঠ, থ, ফ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
ক-ম পর্যন্ত ২৫ টি বর্ণকে স্পর্শ বা বর্গীয় বর্ণ বলে।
যেমন-
ক বর্গীয় বর্ণঃ ক, খ, গ, ঘ, ঙ।
চ বর্গীয় বর্ণঃ চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
ট বর্গীয় বর্ণঃ ট, ঠ, ড, ঢ, ণ।
ত বর্গীয় বর্ণঃ ত, থ, দ, ধ, ন।
প বর্গীয় বর্ণঃ প, ফ, ব, ভ, ম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জন ধ্বনির শ্রেণীবিভাগ :
- কন্ঠ ব্যঞ্জনধ্বনি,
- তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি,
- মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনি,
- দন্ত ব্যঞ্জনধ্বনি,
- ওষ্ঠ ব্যঞ্জনধ্বনি ইত‍্যাদি।

- ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
- চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব অঙ্গের সাহায্যে আমরা কথা বলি বা ধ্বনি উচ্চারণ করি, তাদের একত্রে বাগ্‌যন্ত্র বলে ।
- বাগ্‌যন্ত্রের প্রধান অংশগুলো হলো: ফুসফুস, গলনালি, কণ্ঠ, তালু, জিভ, দাঁত, ঠোঁট ও আলজিভ ।
- আলজিভ হলো মুখগহ্বরের কোমল তালুর পিছনে ঝুলন্ত মাংসপিণ্ড, যা ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে ।
- কর্ণ (কান) বা চক্ষু (চোখ) কথা বলার কাজে ব্যবহৃত হয় না।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যখন ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হস্চিহ্ন যুক্ত না থাকে, তখন সেই ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ "অ" ধ্বনি যুক্ত আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি মৌলিক নিয়ম।
- বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জনবর্ণ একা উচ্চারিত হতে পারে না। ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারণের জন্য স্বরবর্ণের সাহায্য প্রয়োজন।
- যদি কোনো ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ (যেমন া, ি, ী, ু, ূ, ে, ৈ, ো, ৌ) বা হস্চিহ্ন (্) না থাকে, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই ব্যঞ্জনের সঙ্গে স্বরবর্ণ "অ" যুক্ত থাকে।
উদাহরণস্বরূপ:
ক = ক্ + অ
গ = গ্ + অ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি একাক্ষর হিসেবে উচ্চারিত হলে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে। এর অপর নাম দ্বিস্বর বা সন্ধিস্বর।
- বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫টি।
- যেমন: আ+ই = আই, আ+এ = আয়।
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ ২টি ।
- যথা: ঐ (অ+ই), ঔ (অ+উ/ও+উ)।

ঐ : ধ্বনিটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি। অ + ই কিংবা ও + ই = অই, ওই। অ এবং ই- এ দুটো স্বরের মিলিত ধ্বনিতে ঐ-ধ্বনির সৃষ্টি হয়। যেমন – ক্ + অ + ই = কই, কৈ; ব্ + ই + ঐ = বৈধ ইত্যাদি। এরূপ – বৈদেশিক, ঐক্য, চৈতন্য।
- সূত্র  ৯ম-১০ শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- দ্বিস্বরধ্বনি: পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়।
যেমন: 'লাউ' শব্দের 'আ' পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং 'উ্‌' অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি 'আউ্‌' তৈরি হয়েছে।

- বাংলা বর্ণমালায় দুটি দ্বিস্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ নির্ধারিত আছে। যথা: ঐ এবং ঔ।
- ঐ-এর মধ্যে দুটি ধ্বনি আছে। একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি 'ও' এবং অন্যটি অর্ধস্বরধ্বনি 'ই্‌'।
- একইভাবে ঔ-এর মধ্যে রয়েছে একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি 'ও' এবং অন্যটি অর্ধস্বরধ্বনি 'উ্‌'।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা ৩৭টি।
- মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি ও
- মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি।
- মৌলিক স্বরধ্বনি:
 অ, আ, ই, উ, অ্যা, এ, ও।

- মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি:
ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, ঘ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, র, ল, শ, স, হ, ড়, ঢ়।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মানবদেহের যেসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধ্বনি তৈরিতে সহায়তা করে তাদের বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়।
- বাক প্রত্যঙ্গগুলোকে একসঙ্গে বলা হয় বাগযন্ত্র।
- বাগযন্ত্রের মধ্যে আছে ফুসফুস, স্বরতন্ত্রী, গলনালি, জিভ, দাঁত, ঠোঁট, নাক, তালু, মাড়ি ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শ,ষ,স,হ- এ চারটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি। এগুলোকে বলা হয় উষ্মধ্বনি বা শিশধ্বনি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• নিলীন বর্ণ - অ
• স্পর্শবর্ণ বা বর্গীয় বর্ণ - ২৫ টি
• কণ্ঠ্য বর্ণ - ক, খ, গ, ঘ, ঙ
• তালব্য বর্ণ - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
• মূর্ধন্য বর্ণ - ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
• দন্ত বর্ণ - ত, থ, দ, ধ, ন
• ওষ্ঠ্য বর্ণ - প, ফ, ব, ভ,ম
• নাসিক্য বর্ণ বা অনুনাসিক বর্ণ - ঙ, ঞ, ণ, ন, ম
• অন্তঃস্থ বর্ণ - য, র, ল
• শিশধ্বনি - শ, ষ, স
• কম্পনজাত ধ্বনি - র
• পাশ্বিক বর্ণ - ল
• তাড়নজাত ধ্বনি - ড়, ঢ়
• খন্ডব্যঞ্জন - ৎ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় কোনো ধ্বনির উচ্চারণের সময় বাতাস যদি একই সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে বের হয়, তবে তাকে সানুনাসিক বা অনুনাসিক ধ্বনি বলে।

• চন্দ্রবিন্দু (ঁ) হলো একটি পরাশ্রয়ী বর্ণ, যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না।
• চন্দ্রবিন্দু সর্বদা স্বরধ্বনির ওপর যুক্ত হয়ে সেই স্বরধ্বনির উচ্চারণকে সানুনাসিক করে তোলে।
• উদাহরণ: 'আ' একটি সাধারণ স্বরধ্বনি, কিন্তু এর ওপর চন্দ্রবিন্দু বসলে হয় 'আঁ' (যেমন: চাঁদ, বাঁশ), যার উচ্চারণ সানুনাসিক। ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলেও মূলত ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে থাকা স্বরধ্বনিটিই সানুনাসিক হয় (যেমন: ক্ + আ + ঁ = কাঁ)। তাই সঠিক উত্তর স্বরধ্বনি।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।