বিবিধ (826 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফুটবলার হামজা চৌধুরী বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচ বা অভিষেক ম্যাচ খেলেন ২৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সকল ফরম্যাট (টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি) মিলিয়ে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের মালিক মুশফিকুর রহিম
- তিনি প্রখ্যাত ওপেনার তামিম ইকবাল-কে ছাড়িয়ে এই রেকর্ডটি নিজের করে নেন।
- মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ ক্রিকেটে অন্যতম সেরা উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে পরিচিত এবং টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম দ্বি-শতক বা ডাবল সেঞ্চুরির মালিকও তিনি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) ভাইস প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হয়েছেন ফাতিমা ইয়াসমিন
- তিনি ৩ বছরের জন্য আন্তর্জাতিক এ সংস্থার 'সেক্টরস ও থিম'–বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- উল্লেখ্য, তিনি ২০২২ সালের ১৭ জুলাই দেশের ১ম নারী অর্থসচিব হিসেবে যোগ দেন এবং দেশের ১ম নারী ইআরডি সচিবও ছিলেন।
- সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি খাত ও রাজস্ব নীতি সংস্কার এবং সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাণিজ্য, দারিদ্র্য বিমোচনসহ তাঁর ৩২ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে সর্বমোট ১১টি কমিশন গঠন করেছে।
এই কমিশনগুলোর মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন, জনপ্রশাসন, সংবিধান, স্বাস্থ্য, গণমাধ্যম, শ্রমিক অধিকার ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ খাতের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (WEF) লিঙ্গসমতা বা জেন্ডার গ্যাপ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম
রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং অর্থনৈতিক অংশগ্রহণে অগ্রগতির কারণে বাংলাদেশ এই অঞ্চলে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'পর্ণপুট' শব্দের অর্থ: 'পাতার ঠোঙ্গা', পত্রনির্মিত পাত্র বা ঠোঙ্গা।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'খেলারাম খেলে যা', 'নিষিদ্ধ লোবান' এবং 'সীমানা ছাড়িয়ে'—এই তিনটি হলো সৈয়দ শামসুল হক রচিত উপন্যাস
অন্যদিকে, 'ঈর্ষা' হলো তাঁর রচিত একটি কাব্যনাট্য বা নাটক। সাহিত্যকর্মের ধরন ভিন্ন হওয়ায় 'ঈর্ষা' অপশনটি এখানে ব্যতিক্রম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ দেয়, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে সাহায্য করে, তাকে অনুসর্গ বলে।
অনুসর্গ ২ প্রকার:
- সাধারণ অনুসর্গ,
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।


অনুসর্গ হিসেবে 'প্রতি':
• 'প্রত্যেক' অর্থে- মণপ্রতি পাঁচ টাকা লাভ দেব।
• 'দিকে বা ওপর' অর্থে - 'নিদারুণ তিনি অতি অতি, নাহি দয়া তব প্রতি।

উপসর্গ হিসেবে 'প্রতি':
• সদৃশ অর্থে - প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি।
• বিরোধ অর্থে - প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী।
• পৌনঃপুন অর্থে - প্রতিদিন, প্রতিমাস।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ভাষায় নিম্নলিখিত যতিচিহ্নসমূহ ব্যবহৃত হয়:
- কমা বা পাদচ্ছেদ , ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
- সেমিকোলন ; ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
- দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ । এক সেকেন্ড।
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন ? এক সেকেন্ড।
- বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন ! এক সেকেন্ড।
- কোলন :এক সেকেন্ড
- ড্যাস — এক সেকেন্ড।
- কোলন ড্যাস :- এক সেকেন্ড।

- হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন ’ থামার প্রয়োজন নেই।

- একক উদ্ধৃতি চিহ্ন ' ' 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
- যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন “ ” ঐ

- ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) ( ) { } [ ] থামার প্রয়োজন নেই।
- ধাতু দ্যোতক চিহ্ন √ থামার প্রয়োজন নেই।
- পরবর্তী রূপবোধক চিহ্ন < থামার প্রয়োজন নেই।
- পূর্ববর্তী রূপবোধক চিহ্ন > থামার প্রয়োজন নেই।
- সমান চিহ্ন = থামার প্রয়োজন নেই।
- বর্জন চিহ্ন ... থামার প্রয়োজন নেই।
- সংক্ষেপণ চিহ্ন . থামার প্রয়োজন নেই।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী ভীষণ শব্দের অর্থ সাংঘাতিক, ভয়ংকর বা অত্যন্ত।
- ণত্ব বিধান অনুযায়ী, ঋ, র, ষ- এর পর সাধারণত 'ণ' হয়, তাই বানানটি 'ভীষণ' হবে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ভীশন, ভীষন, ভিশন : এগুলো ব্যাকরণগতভাবে ভুল বানান। সঠিক বানান 'ভীষণ' (ভ+দীর্ঘ-ঈ কার+ষ+ণ)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
মেনকা শব্দটি স্বর্গের সাথে সম্পৃক্ত। হিন্দু পুরাণ অনুসারে, মেনকা হলেন স্বর্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অপ্সরা বা নৃত্যশিল্পী
- দেবরাজ ইন্দ্রের আদেশে ঋষি বিশ্বামিত্রের ধ্যান ভাঙানোর জন্য মেনকা মর্ত্যে এসেছিলেন।
অন্যান্য শব্দগুলোর অর্থ:
- মেরু: পৃথিবীর প্রান্তভাগ (যেমন: উত্তর বা দক্ষিণ মেরু)।
- মেনি: স্ত্রী বিড়াল বা শান্ত স্বভাবের কাউকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- চিঠিপত্রে স্ত্রী জাতীয় কাউকে বা নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে সুজনীয়াসু, শ্রদ্ধাস্পদাসু বা কল্যাণীযাসু ব্যবহৃত হয়।
- পুরুষদের ক্ষেত্রে সাধারণত সুজনেষু, কল্যাণীয়েষু বা প্রীতিভাজনেষু ব্যবহৃত হয়।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সুজনেষু : এটি পুরুষদের সম্বোধনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সৃজনেসু, সুজনীয়েষু : এগুলো ব্যাকরণ ও সম্বোধনের নিয়ম অনুযায়ী ভুল শব্দরূপ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী লেফাফা শব্দের অর্থ চিঠি ইত্যাদি প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত কাগজের তৈরি মোড়ক, খাম বা Envelope।
- ডাকঘরের নিয়ম অনুযায়ী, চিঠি গন্তব্যে পৌঁছানোর মাশুল হিসেবে খাম বা লেফাফার ওপর ডাকটিকিট লাগানো বাধ্যতামূলক।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- কাগজ, সাইনবোর্ড, টাকা : চিঠি প্রেরণের ক্ষেত্রে খামের ওপর এসব লাগানোর নিয়ম নেই, ডাকটিকিটই সঠিক উত্তর।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রবাসী বন্ধুকে লেখা পত্রের ঠিকানা সাধারণত ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়।
- এর কারণ হল, প্রবাসীরা বিভিন্ন দেশে থাকেন এবং তাদের বেশিরভাগের দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি।
- তাই ইংরেজি ভাষায় ঠিকানা লিখলে পত্রটি সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন।
- তবে, যদি প্রবাসী বন্ধু আপনার দেশের রাষ্ট্রভাষা জানেন, তাহলে আপনি সেই ভাষায়ও ঠিকানা লিখতে পারেন। এতে পত্রটি আরও ব্যক্তিগত ও আন্তরিক হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- By Air Mail বা 'বিমান ডাকে' কথাটি খামের উপর লিখতে হয় যখন ডাকযোগে চিঠিটি বিদেশে বা দেশের বাইরে পাঠানো হয়।
- আন্তর্জাতিক ডাক ব্যবস্থায় চিঠি দ্রুত প্রেরণের জন্য এই নির্দেশিকা ব্যবহার করা হয়।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ডাকটিকিট না থাকলে : ডাকটিকিট ছাড়া ডাকবিভাগ চিঠি গ্রহণ করে না, এটি ভুল ধারণা।
- বহুদূরে বা বন্ধুকে চিঠি পাঠাতে : দেশের অভ্যন্তরে বহুদূরে বা বন্ধুকে পাঠালে সাধারণ ডাক বা রেজিস্ট্রি ডাক ব্যবহৃত হয়, By Air Mail মূলত আন্তর্জাতিক ডাকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বাণিজ্যিক পত্রে বা আনুষ্ঠানিক পত্রে মূল বক্তব্য বা বিষয়ের স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হয়, যাতে প্রাপক চিঠির শুরুতে এর উদ্দেশ্য সহজেই বুঝতে পারেন।
- দাপ্তরিক ও ব্যবসায়িক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এটি একটি অপরিহার্য নিয়ম।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ব্যক্তিগত পত্রে, সামাজিক পত্রে : এসব পত্রে সাধারণত কুশলাদি ও আবেগ-অনুভূতি আদান-প্রদান করা হয়, আলাদা করে 'বিষয়' লেখার নিয়ম নেই।
- মান পত্রে : মানপত্র বা অভিনন্দন পত্রে বিশেষ ব্যক্তিকে সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়, এতে বাণিজ্যিক পত্রের মতো 'বিষয়' শিরোনাম থাকে না।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংবাদপত্রে একটি আবেদন প্রকাশের জন্য 'সম্পাদকের' বরাবর পাঠাতে হবে।

• সংবাদপত্রে চিঠিপত্র কলামে পত্র লেখার নিয়মঃ
- এসব পত্রের একটি শিরোনাম থাকে।
- এতে সাধারণত কোনো সম্বোধন থাকেনা।
- তবে পত্রলেখকের নাম ও পরিচয় মুদ্রিত হয়।
- পত্রিকায় এই ধরনের পত্র পাঠাতে পত্রিকা- সম্পাদকেরবরাবর আলাদা একটি চিঠি লিখতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বা পরিষেবা সম্পর্কে সংবাদপত্র বা অন্য কোন মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রচার; ইশতেহার।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- আবেদনপত্র (Application Letter) হলো এমন একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি যা কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট পদের জন্য তার আগ্রহ এবং যোগ্যতা প্রকাশ করে কোনো প্রতিষ্ঠান বা নিয়োগকর্তার কাছে জমা দেন।
- চাকরির জন্য যে পত্র লিখতে হয় তার নাম হলো আবেদনপত্র।
- এটি চাকরির আবেদন প্রক্রিয়ার একটি অপরিহার্য অংশ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'প্রাপকের ঠিকানার' অভাবে চিঠি লেখার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়।
- কেননা, চিঠি লেখা হয় প্রেরকের মনের বক্তব্য প্রাপকের নিকট পৌঁছাবার জন্য, যদি প্রাপকের ঠিকানা সঠিক ভাবে লেখা না হয়ে থাকে তবে তা প্রাপকের নিকট চিঠি পৌঁছবে না। এতে করে চিঠি লেখার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- প্রাপকের পূর্ণ ও স্পষ্ট ঠিকানার অভাবে চিঠিপত্র গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না এবং প্রেরকের কাছেও ফেরত আসতে পারে না। এমন বিলি-বণ্টন অযোগ্য পত্রকে 'ডেড লেটার' (Dead letter) বা মৃত পত্র বলা হয়।
- ঠিকানায় প্রাপকের নাম, গ্রাম/রাস্তা, পোস্ট অফিস, উপজেলা ও জেলা স্পষ্টভাবে লেখা থাকা আবশ্যক।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- প্রয়োজনীয় সিলমোহর: সিলমোহর বা ডাকটিকিট না থাকলে প্রাপককে জরিমানা দিতে হতে পারে, তবে ঠিকানার অভাবে তা ডেড লেটার হয় না।
- উপযুক্ত সম্ভাষণ: এটি পত্রের সৌজন্য বা রীতির অংশ, এর অভাবে পত্র গন্তব্যে পৌঁছাতে কোনো বাধা থাকে না।
- সঠিক দিন তারিখ: এটি পত্রের তথ্যগত দিক, ডেলিভারির জন্য এটি অপরিহার্য নয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
 - শিরোনাম হল পত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি পত্রের প্রাপককে পত্রটি কার কাছ থেকে এসেছে এবং কী বিষয়ে তা জানাতে সাহায্য করে।
- শিরোনামের প্রধান অংশ হল প্রাপকের ঠিকানা।
- এই ঠিকানায় প্রাপকের নাম, ঠিকানা, পোস্টাল কোড এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য থাকে।
- ডাকটিকেট, পোস্টাল কোড এবং প্রেরকের ঠিকানা হল শিরোনামের অন্যান্য অংশ। তবে, এগুলি প্রাপকের ঠিকনার তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'পত্র' শব্দটির অর্থ স্মারক বা চিহ্ন।
- কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে মানবমনের কোনো ভাব, সংবাদ, তথ্য, আবেদন ইত্যাদি অপরের কাছে লিখিতভাবে জানানো হলে, তাকে সাধারণভাবে পত্র বা চিঠি বলে।
- একটি চিঠি মূলত দুটি অংশে বিভক্ত। যথা: শিরোনাম (এটি পত্রের বাইরের অংশ। এই অংশে খামের ওপর বামদিকে প্রেরকের ঠিকানা ও ডান দিকে প্রাপকের ঠিকানা লিখতে হয়।) ও পত্রগর্ভ (এটি হচ্ছে চিঠির ভেতরের অংশ। পত্রের মূল বিষয়কে পত্রের গর্ভাংশ বলা হয়।)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পত্রের মূল অংশকে 'পত্রগর্ভ বা অন্তর্ভাগ' বলে।
- এ অংশে পত্র লেখার মূল উদ্দেশ্য, বক্তব্য বা তথ্য বিশদভাবে নিহিত থাকে।
- একটি পত্রে প্রধানত দুটি অংশ থাকে। যথা: i. পত্রগর্ভ বা অন্তর্ভাগ ও ii. পত্রের বহির্ভাগ বা শিরোনাম (খামের ওপরের ঠিকানা)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- সম্বোধন অংশকে: এটি পত্রের প্রারম্ভিক অংশ, যেখানে প্রাপককে সম্মানসূচক বা স্নেহসূচক শব্দে ডাকা হয়।
- ঠিকানা অংশকে: এটি পত্রের শিরোনাম বা বহির্ভাগ।
- লেখকের স্বাক্ষর অংশকে: এটি পত্রের ইতিবাচক বা সমাপ্তি অংশ যা পত্রগর্ভের নিচে থাকে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- ব্যক্তিগত পত্রের কাঠামোতে ছয়টি অংশ থাকে।
- যথা: মঙ্গলসূচক শব্দ, স্থান ও তারিখ, সম্বোধন, মূল পত্রাংশ (মূল বক্তব্য), নাম-স্বাক্ষর (পত্রলেখকের স্বাক্ষর) ও শিরোনাম।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
একটি পত্রের প্রধান অংশ দুইটি। যথা: শিরোনাম ও পত্রগর্ভ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গভীর দেশপ্রেমমূলক 'জন্মভূমি' কবিতার ' অঙ্গ জুড়ায় তোমার ছায়ায় এসে' পঙক্তির 'ছায়া' বলতে নিজ জন্মভূমিতে আশ্রয় পাওয়ার কোথা বোঝাতে চেয়েছেন এবং এ বাংলার মাটিতে শেষ আশ্রয় খুঁজেছেন ।কারণ , মাতৃভূমির সূর্যালোকে কবির চোখ পরিপূর্ণভাবে জুড়িয়েছে এবং এই মাতৃভূমির স্নেহছায়ায় সুখ ও শান্তি লাভ করেছেন ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'সুধাকর' শব্দটির অর্থ হলো চাঁদ।
- 'সুধা' (অমৃত বা জ্যোৎস্না) 'আকর' (খনি) বা 'কর' (কিরণ) দেয় যে, তাকে সুধাকর বলা হয়।
- চাঁদের অন্যান্য সমার্থক শব্দ: শশাঙ্ক, শশধর, চন্দ্র, ইন্দু, নিশাকর, বিধু ইত্যাদি।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- হরিণ শিশু: এর সমার্থক শব্দ হলো শাখামৃগ-শাবক বা মৃগশিশু।
- লম্বা হরিন: এটি কোনো সুনির্দিষ্ট আভিধানিক অর্থ বহন করে না।
- হরিন শিকার: বন্যপ্রাণী শিকারকে সাধারণত মৃগয়া বলা হয়।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- 'স্রবণ' শব্দের সঠিক অর্থ হলো ক্ষরণ
- শব্দার্থ ও বিশ্লেষণ: স্রবণ একটি বিশেষ্য পদ। এর অর্থ হলো চুঁইয়া পড়া, ক্ষরণ, ঝরে পড়া বা নির্গত হওয়া।
- বানান বিভ্রাট ও সতর্কতা: 'শ্রবণ' (তালব্য শ-এ রফলা) দিয়ে লেখা হলে তার অর্থ হয় 'কানে শোনা'। কিন্তু 'স্রবণ' (দন্ত্য স-এ রফলা) দিয়ে লেখা হলে তার অর্থ হয় 'ক্ষরণ' বা 'ঝরে পড়া'।

• উদাহরণ: রক্তস্রবণ বা জলস্রবণ।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অনুধ্যান: এর অর্থ গভীর চিন্তা বা ধ্যান।
- ক্ষুরধার: এর অর্থ ক্ষুরের মতো ধারালো বা অত্যন্ত তীক্ষ্ণ।
- অভিনিবেশ: এর অর্থ গভীর মনোযোগ।
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0