সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ভাষা

৩৬০ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের গঠন ও পদের পরিবর্তন নিয়ে ব্যাকরণের যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব বলে ।
এর প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো:
- সমাস ও উপসর্গ
- প্রত্যয় ও পদাশ্রিত নির্দেশক
- পুরুষ, লিঙ্গ ও বচন
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ব্যাকরণ' শব্দটি একটি সংস্কৃত শব্দ ।
- ব্যুৎপত্তি: বি + আ + √কৃ + অন (এখানে 'বি' ও 'আ' উপসর্গ, '√কৃ' ধাতু এবং 'অন' প্রত্যয়) ।
- অর্থ: বিশেষভাবে বিশ্লেষণ ।
ব্যাকরণ ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও গঠনপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যাহা হলো সর্বনাম পদ, যার প্রমিত চলিত রূপ যা ।
- হইতে হলো অনুসর্গ পদ, যার প্রমিত চলিত রূপ হতে ।
তাই 'যাহা' ও 'হইতে' এর প্রমিত চলিত রূপ যথাক্রমে যা এবং হতে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষার ক্ষুদ্রতম ও মৌলিক একক হলো ধ্বনি, কারণ উচ্চারিত ধ্বনির সাহায্যেই ভাষা তৈরি হয় । তাই ভাষার মৌলিক উপাদান হলো ধ্বনি ।
অন্যদিকে, মানুষের মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো বাক্য, যা ভাষার প্রাণ । তাই ভাষার মূল উপকরণ হলো বাক্য ।
সুতরাং, ভাষার মৌলিক উপাদান ও মূল উপকরণ যথাক্রমে ধ্বনি এবং বাক্য ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয় । বাংলা গদ্যে একই বাক্যে সাধু এবং চলিত ভাষার পদ একসঙ্গে ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ । যেমন- সাধু ভাষার 'তাঁহারা' এবং চলিত ভাষার 'করবে' মিলিয়ে 'তাঁহারা করবে' বললে বাক্যটি গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয় । বাক্য সর্বদা যেকোনো একটি নির্দিষ্ট রীতিতে লেখা উচিত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষার সাধু রীতি মূলত তৎসম (সংস্কৃত) শব্দবহুল । 'তৎসম' শব্দের অর্থ সংস্কৃতের সমান, অর্থাৎ যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে । সাধু রীতিতে এসব শব্দ অপরিবর্তিত রূপেই ব্যবহৃত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দ গঠন ও পদের রূপ পরিবর্তন নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব বলে ।
শব্দ গঠনের মূল উপায়:
- উপসর্গ (পূর্বে বসে)
- প্রত্যয় (শেষে বসে)
- সমাস (পদ এক করে)
এগুলো নতুন শব্দ তৈরি করে বলে রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধু রীতিতে সর্বনাম পদ দীর্ঘ হয়, আর চলিত রীতিতে তা সংক্ষিপ্ত রূপ লাভ করে ।
- সাধু রূপ 'তাহাদিগকে' সর্বনাম পদের বহুবচন রূপ ।
- চলিত রীতিতে 'হ' ধ্বনি লোপ পেয়ে সংক্ষেপে 'তাদেরকে' হয় ।
সুতরাং, 'তাহাদিগকে' শব্দটির সঠিক চলিত রূপ হলো 'তাদেরকে' ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
অপভ্রংশ শব্দের অর্থ হলো ভ্রষ্ট বা বিকৃত রূপ।
প্রাচীন ব্যাকরণবিদ পতঞ্জলি তাঁর 'মহাভাষ্য' গ্রন্থে মান সংস্কৃত ভাষা থেকে বিচ্যুত বা বিকৃত হয়ে যাওয়া শব্দ ও ভাষাকে ‘অপভ্রংশ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অর্থাৎ, মূল বা বিশেষ কোনো ভাষার রূপ বদলে বিকৃত হওয়াই হলো অপভ্রংশ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- Vocabulario Em Idioma Bengalla, E Portuguez হলো পর্তুগিজ ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান গ্রন্থ ।
- এটি রচনা করেন পর্তুগিজ ধর্মপ্রচারক মনোএল দা আসসুম্পসাঁও ।
- ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে বইটি রোমান লিপিতে প্রকাশিত হয় ।
- তাঁর রচিত অপর একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ হলো 'কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ' ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যাকরণে অর্থতত্ত্ব (Semantics) শাখায় শব্দ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এর প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো:
- শব্দের অর্থবিচার ও বাক্যের অর্থবিচার
- বাগধারা ও শব্দজোড়
- বিপরীত শব্দ ও প্রতিশব্দ
তাই শব্দের অর্থবিচার, বাগধারা ও বিপরীত শব্দ ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব শাখার অন্তর্ভুক্ত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রমে বাক্যের গঠন ও উপাদান আলোচনা করা হয় ।
- কারক: বাক্যে ক্রিয়া ও নামপদের সম্পর্ক ।
- বাচ্য: বাক্যের প্রকাশভঙ্গি ।
- উক্তি: বক্তার কথা প্রকাশের রূপ ।
এগুলো বাক্যের বিষয় হওয়ায় সঠিক উত্তর বাক্যতত্ত্ব ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ত্ব শাখায় ধ্বনির উচ্চারণ, মিলন ও পরিবর্তন আলোচিত হয় ।
- সন্ধি: দুটি ধ্বনির মিলন ।
- নত্ব ও ষত্ব বিধান: 'ণ' ও 'ষ'-এর ব্যবহারের ধ্বনিগত নিয়ম ।
এগুলো ধ্বনির সাথে যুক্ত বলে ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের গঠন ও রূপান্তর করাই শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের কাজ। সমাস ও প্রত্যয় শব্দ তৈরি করে, তাই এগুলো রূপতত্ত্বের বিষয় ।
- সন্ধি, ণ-ত্ব বিধান: ধ্বনিতত্ত্ব ।
- কারক, বাচ্য, উক্তি, যতিচিহ্ন: বাক্যতত্ত্ব ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা গদ্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২-১৮৩৩) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন । পাঠ্যপুস্তকের বাইরে তিনিই সর্বপ্রথম বাংলা গদ্যে সাধু ভাষারীতি ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করেন । ১৮১৫ সালে 'বেদান্ত গ্রন্থ' প্রকাশের মাধ্যমে তিনি বিচার-বিশ্লেষণমূলক গদ্যের সূচনা করেন ।
পরবর্তীতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে শৈল্পিক ও গতিশীল রূপ দিলেও সাধু গদ্যরীতির প্রথম ব্যাপক ব্যবহারের কৃতিত্ব রামমোহন রায়েরই ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
নাটকের সংলাপ, অভিনয় ও বক্তৃতার জন্য চলিত রীতি সর্বাধিক উপযোগী।
কারণগুলো হলো:
- এটি মানুষের মুখের স্বাভাবিক ও জীবন্ত ভাষা।
- এটি সহজ, পরিবর্তনশীল ও শ্রুতিমধুর।
- এতে মনের ভাব ও আবেগ সাবলীলভাবে প্রকাশ করা যায়।
পক্ষান্তরে, সাধু রীতি গুরুগম্ভীর হওয়ায় সংলাপে কৃত্রিমতা চলে আসে।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষার সাধু রীতি ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও অপরিবর্তনীয় ।
এ রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য:-
- এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ-এর পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় ।
- এটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দবহুল ও গুরুগম্ভীর ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত 'A Grammar of the Bengal Language' গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে ইংরেজিতে প্রকাশিত হয় । এটি ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ । চার্লস উইলকিনসের হুগলির ছাপাখানা থেকে সর্বপ্রথম বাংলা টাইপ সহযোগে এটি মুদ্রিত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মনোএল দা আস্সুম্পসাঁও ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে এটি প্রকাশ করেন ।
- এটি পর্তুগিজ ভাষায় রোমান হরফে রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রতিষ্ঠায় সবুজপত্র পত্রিকা ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে ।
- সম্পাদনা: প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে এটি প্রকাশিত হয় ।
- আন্দোলন: সাধু ভাষার বদলে মুখের চলিত ভাষাকে সাহিত্যের মর্যাদা দিতে এটি কাজ করে ।
- বীরবলী রীতি: প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে এতে চলিত রীতির প্রচলন করেন ।
- রবীন্দ্রনাথের অবদান: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষারীতি গ্রহণ করেন ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের প্রধান দুটি শাখা হলো কেন্তুম ও শতম।
- শতম শাখা থেকে ভারতীয় আর্য ভাষার সৃষ্টি হয়।
- এই আর্য ভাষা প্রাচীন রূপ, প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষার জন্ম দেয়।
তাই সঠিক উত্তর শতম।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে: মাগধী অপভ্রংশ থেকে দশম শতাব্দীতে (৯৫০ খ্রিস্টাব্দে) বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটে।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে: বাংলা ভাষার উদ্ভবকাল সপ্তম শতাব্দী (৬৫০ খ্রিস্টাব্দ)।
সুতরাং, সঠিক উত্তর দশম শতাব্দী।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে গৌড়ী প্রাকৃত (গৌড়ীয় অপভ্রংশ) থেকে। তিনি মনে করেন, ৭ম শতকে (৬০০ খ্রিষ্টাব্দে) গৌড়ী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়। অন্যদিকে, ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষা মাগধী প্রাকৃত থেকে এসেছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষা প্রাচীন গৌড়ী প্রাকৃত থেকে গৌড়ী অপভ্রংশ-এর মাধ্যমে উদ্ভূত হয়েছে। তাঁর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি আনুমানিক ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে।
তবে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে এটি মাগধী প্রাকৃত থেকে এসেছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষার প্রমিত লিখনরূপ বা আদর্শ চলিত রূপটি মূলত রাঢ়ি উপভাষা-র পরিমার্জিত রূপ । পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী অববাহিকা (যেমন: কলকাতা, নদীয়া) এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা ও সাহিত্যিকদের সাধনার মাধ্যমে এই উপভাষাটি পরিমার্জিত হয়ে সর্বজনগ্রাহ্য প্রমিত রূপ লাভ করেছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা গদ্যে প্রথম পরিকল্পিতভাবে সাধু ভাষারীতি প্রয়োগ করেন রাজা রামমোহন রায়। ১৮১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর 'বেদান্ত গ্রন্থ'-এর মাধ্যমে তিনি এই রীতির সূচনা করেন।
- রাজা রামমোহন রায়: পাঠ্যপুস্তকের বাইরে প্রথম বাংলা গদ্য ও সাধু ভাষারীতি ব্যবহার করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: সাধু ভাষাকে সুশৃঙ্খল করে 'বাংলা গদ্যের জনক' হিসেবে পরিচিত হন।
- প্যারীচাঁদ মিত্র: প্রথম চলিত বা আলালী ভাষারীতি প্রয়োগ করেন।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্যার জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন ছিলেন একজন ব্রিটিশ ভাষাবিদ ও আমলা । তিনি তাঁর 'Linguistic Survey of India' গ্রন্থে বাংলা অঞ্চলের উপভাষার বৈশিষ্ট্য ও অঞ্চল চিহ্নিত করে বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস করেন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভাষার প্রধান উপাদান ৪টি: ধ্বনি (Sound), শব্দ (Word), বাক্য (Sentence) ও বাগর্থ (Meaning)।
- ধ্বনি দিয়ে শব্দ তৈরি হয়, শব্দ দিয়ে বাক্য তৈরি হয় এবং বাক্যের মাধ্যমে অর্থ বা মনের ভাব প্রকাশ পায়।
- ভাষার গঠনগত ক্রম অনুযায়ী বাক্যের স্থান তৃতীয়।

• উদাহরণ: ধ্বনি (অ, ব), শব্দ (বই), বাক্য (আমি বই পড়ি)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অপশন ১ (প্রথম): ভাষার প্রথম ও ক্ষুদ্রতম উপাদান হলো ধ্বনি।
- অপশন ২ (দ্বিতীয়): ভাষার দ্বিতীয় উপাদান হলো শব্দ।
- অপশন ৪ (চতুর্থ): ভাষার চতুর্থ উপাদান হলো বাগর্থ বা অর্থ।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
পর্তুগিজ পাদ্রি মানোয়েল দা আস্সুম্পসাঁউ গাজীপুরে অবস্থানকালে বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান রচনা করেন । ১৭৪৩ সালে বইটি পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে প্রকাশিত হয় ।
- বইটির নাম: Vocabulario Em Idioma Bengalla, E Portuguez ।
- এটি বাংলা ভাষার প্রথম মুদ্রিত ব্যাকরণ গ্রন্থ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।