সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

শব্দের শ্রেনীবিভাগ

৫৮১ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
আপনার সোর্স ফাইলগুলোতে **'রকেট'** শব্দটির ভাষার উৎস সম্পর্কিত নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সোর্সগুলোতে অন্যান্য কিছু বিদেশি শব্দের উৎপত্তি নিয়ে আলোচনা রয়েছে, যেমন—ইতালীয় শব্দ **'গ্রাফিতি'** (Graffiti) এবং ফারসি শব্দ **'পঁয়জার'** । *(উল্লেখ্য: নিচের ব্যাখ্যাটি সোর্স ফাইলের বাইরে থেকে প্রদান করা হলো, প্রয়োজনে এটি স্বাধীনভাবে যাচাই করে নিতে পারেন:)* **'রকেট' শব্দটির উৎপত্তি ও ব্যাখ্যা:** 'রকেট' (Rocket) শব্দটি বাংলায় ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে প্রবেশ করলেও এর মূল রূপটি ইতালীয় ভাষার। ইতালীয় শব্দ **'Rocchetta'** (রোক্কেত্তা) থেকে এর উৎপত্তি, যার মূল অর্থ ছিল 'ছোট সুতা কাটার মাকু বা চরকা' (small spool/spindle)। রূপগত সাদৃশ্যের কারণে এই নাম দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ইতালীয় 'Rocchetta' থেকে ফরাসি ভাষায় 'Roquette' এবং ফরাসি থেকে ইংরেজিতে 'Rocket' শব্দটি প্রচলিত হয়। তাই ভাষাতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক ব্যুৎপত্তি অনুযায়ী 'রকেট' শব্দটির প্রাথমিক উৎস **ইতালীয়** ভাষা। ? আপনি কি চান আমি ওয়েবে অনুসন্ধান (Web Research) করে 'রকেট' শব্দটির ব্যুৎপত্তি ও ইতিহাস সম্পর্কে আরও তথ্য খুঁজে এনে দিই?
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় নতুন শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো শব্দগঠন।
শব্দগঠনের প্রধান উপাদান ৪টি:
- উপসর্গ: মূল শব্দের পূর্বে বসে।
- প্রত্যয়: ধাতু বা শব্দের শেষে বসে।
- সমাস: একাধিক পদকে এক পদে পরিণত করে।
- বিভক্তি: বাক্যে পদগুলোর সমন্বয় ঘটায়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব শব্দকে ভেঙে আলাদা অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে । উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাসের যোগে এগুলো গঠিত হয় ।
- প্রহার = প্র (উপসর্গ) + হার ।
- গরমিল = গর (উপসর্গ) + মিল ।
তাই শব্দ দুটি উপসর্গ যোগে গঠিত সাধিত শব্দ ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত হয়ে মূল অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
'প্রবীণ' শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ 'বীণা বাজাতে পারেন যিনি', কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি'। শব্দটির মূল অর্থ হারিয়ে বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি রূঢ়ি শব্দ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'হাসনুহানা', 'সুনামি' ও 'রিকশা' শব্দগুলো বাংলা ব্যাকরণে বিদেশি শব্দ হিসেবে পরিচিত । এগুলো মূলত জাপানি শব্দ ।
জাপানি ভাষা থেকে আগত আরও কিছু শব্দ হলো:
- ক্যারাটে
- প্যাগোডা
- হারিকিরি
অতএব, সঠিক উত্তর জাপানি শব্দ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় পর্তুগিজদের আগমনের মাধ্যমে তাদের সংস্কৃতির অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় প্রবেশ করে । 'আনারস', 'আলপিন' এবং 'পাউরুটি' শব্দগুলো মূলত পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা বিদেশি শব্দ । পর্তুগিজ ভাষার আরও কিছু বহুল ব্যবহৃত শব্দ হলো- আলমারি, চাবি, সাবান ও বালতি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কারণে মুসলিম শাসনের প্রভাবে বাংলা ভাষায় বিপুল পরিমাণ ফারসি শব্দ যুক্ত হয়েছে । বিশেষ করে প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ফারসি শব্দের আগমন ও প্রভাব সর্বাধিক । যেমন- কারখানা, দপ্তর, দরবার, চশমা ইত্যাদি ফারসি শব্দ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দারোগা' শব্দটি সাধারণ ব্যাকরণে তুর্কি বলা হলেও বাংলাপিডিয়া ও ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে এটি মূলত মঙ্গোলীয় উৎসজাত।
- মঙ্গোল শব্দ 'দারুগা' (Darugha) থেকে এর উৎপত্তি, যার অর্থ ছিল শাসনকর্তা বা প্রতিনিধি।
- পরবর্তীতে তুর্কি ও ফারসি ভাষার মাধ্যমে এটি পুলিশ কর্মকর্তা অর্থে প্রচলিত হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
‘গায়ক’ = গৈ + অক; যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘যে গান করে’ এবং ব্যবহারিক অর্থও ‘যে গান করে’ বা সঙ্গীতশিল্পী।
উভয় অর্থ একই হওয়ায় ‘গায়ক’ একটি যৌগিক শব্দ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে' চরণে 'বড়' বলতে মহৎ মানুষকে এবং 'ছোট' বলতে নম্র বা বিনয়ী মানুষকে বোঝানো হয়েছে।
এখানে 'ছোট হওয়া' মানে অহংকার ত্যাগ করে আচরণে নম্রতা প্রকাশ করা। সমাজে প্রকৃত মহান হতে হলে বিনয়ী হতে হয়। তাই বাক্যে 'ছোট' শব্দটি দ্বারা নম্র অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'গবেষণা' একটি রূঢ়ি শব্দ।
- রূঢ়ি শব্দ সেই সব শব্দকে বলা হয়, যাদের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থ ভিন্ন হয়।

- 'গবেষণা' শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো 'গো + এষণা', যার মানে 'গরু খোঁজা'।
- কিন্তু বর্তমানে শব্দটি এই অর্থে ব্যবহৃত হয় না। এর প্রচলিত অর্থ হলো কোনো বিষয়ে গভীর অধ্যয়ন, অনুসন্ধান বা চর্চা।
- যেহেতু শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থের সাথে প্রচলিত অর্থের কোনো মিল নেই, তাই এটি একটি রূঢ়ি শব্দ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যেসব শব্দের মূল সংস্কৃত ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন ধারায় প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেসব শব্দকে বলে তদ্ভব শব্দ।
- তদ্ভব শব্দগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দও বলা হয়। যেমন: চন্দ্ৰ (তৎসম) → চন্দ (প্রাকৃত) → চাঁদ (তদ্ভব)।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- এক বা একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত পূর্ণ অর্থবোধক ভাষিক একককে বাক্য বলে।
- বাক্য দিয়ে বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়।
- যেমন: সজল ও লতা বই পড়ে।
- প্রদত্ত উদাহরণে পাঁচটি শব্দ দিয়ে গঠিত এ বাক্যে বক্তার মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন- হস্তী, গবেষণা, বাঁশি, তৈল, সন্দেশ ইত্যাদি
ব্যাখ্যা (Explanation)
ফারসি ভাষা থেকে আগত গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দঃ
- আন্দাজ, আওয়াজ, আফসোস, আবহাওয়া, অজুহাত,
-আবাদ, আমদানি, আমেজ, আয়না, আরাম, আসমান,
-আস্তানা, আশকারা, ইয়ার, ওস্তাদ, কামাই, কারখানা,
-কারবার, কারিগর, কিনারা, কিশমিশ, কুস্তি, কোমর,
-খরচ, খঞ্জর, খরগোশ, খুব, কম, বেশি, জোড়, তোপ,
-চশমা, মোকদ্দমা, মালিক, সিপাহী, খোদা, দরিয়া, খাতা,
-গোলাপ, রোজ, গোয়েন্দা, চাকরি, চাঁদা, চাকর, চালাক,
-চেহারা, জবাব, দরজা, তীর (বাণ), তৈয়ার, দারোয়ান,
-বস্তা, বাজি, মজুর, ময়দা, মোরগ, মাহিনা, মিহি, মেথর,
-রপ্তানি, রাস্তা, রুমাল, রেশম, লাশ, শহর, শায়েস্তা, শিরনামা,
-সওদা, সবজি, সবুজ, সরকার, সর্দি, সাজা, সাদা, সানাই,
-সে (তিন), হপ্তা, হাজার, হিন্দু, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
✦ বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দসমূহ

১. ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ
উদাহরণ: খোদা, নামাজ, দোজখ, রোজা, চশমা, তোশক, কারখানা, আমদানি, জানোয়ার ইত্যাদি।

বিশেষ শব্দ: গোমস্তা
অর্থ: খাজনা আদায়কারী, তহসিলদার জমিদার বা মহাজনের পাওনা আদায়কারী

২. পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ
আনারস
আলপিন
আলমারি
গির্জা
গুদাম
চাবি
পাউরুটি
বালতি

৩. তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ
চাকু
চাকর
তোপ
বেগম
সওগাত

৪. আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ
আল্লাহ
হারাম
হালাল
হজ
কলম
আদালত
তারিখ
হালুয়া
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দসমূহ হল - গির্জা ,আনারস , আলপিন ,আলকাতরা , আলমারি ,আচার ,আয়া ,ইংরেজ , ইস্পাত , ইস্তিরি , কেদারা , কামরা ,কাজু , কপি ,গুদাম , গরাদ ,গামলা ,চাবি , জানালা ,তোয়ালে ,নিলাম ,পেয়ারা , পেঁপে , পাদ্রি ,পেরেক ,পিরিচি ,ফিতা ,বালতি ,বোতাম ,বোতল ,বেহালা ,সাবান ,সাগু ইত্যাদি ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা শব্দভাণ্ডারে বিদেশি শব্দের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষা থেকেও অনেক শব্দ এসে যুক্ত হয়েছে।
- তামিল শব্দ: প্যান্ডেল, চুরুট, চেট্টি, পিলে ইত্যাদি। প্যান্ডেল (Pandal) শব্দটির অর্থ হলো সামিয়ানা বা অস্থায়ী আচ্ছাদন।
- গুজরাটি শব্দ: খদ্দর, খাদি, চরকা, হরতাল ইত্যাদি।
- মারাঠি শব্দ: চামড়া, ঠগ, বর্গি ইত্যাদি।
- পাঞ্জাবি শব্দ: শিখ, চাহিদা ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দসমূহ হল - গির্জা ,আনারস , আলপিন ,আলকাতরা , আলমারি ,আচার ,আয়া ,ইংরেজ , ইস্পাত , ইস্তিরি , কেদারা , কামরা ,কাজু , কপি ,গুদাম , গরাদ ,গামলা ,চাবি , জানালা ,তোয়ালে ,নিলাম ,পেয়ারা , পেঁপে , পাদ্রি ,পেরেক ,পিরিচি ,ফিতা ,বালতি ,বোতাম ,বোতল ,বেহালা ,সাবান ,সাগু ইত্যাদি ।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
ফারসি শব্দঃ
- বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলোকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা যায়।
- ইসলাম ধর্মসংক্রান্ত: খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা ইত্যাদি।
- প্রশাসনিকঃ আইন, জবানবন্দি, তারিখ, দফতর, দরবার, দস্তখত, নালিশ, সালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর ইত্যাদি

- বাংলা ভাষায় গৃহীত আরবি শব্দসমূহ: ইনসান, ইবাদত, মর্জি, কলম, আল্লাহ, ইসলাম, ঈমান, ওযু, কোরবানী, কুরআন, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, হজ, যাকাত, হালাল, হারাম, আদালত, আলেম, ইদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সেফ, মোক্তার, রায়, আদমি ইত্যাদি।
।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সমাসনিস্পন্ন যে সকল শব্দ সমস্যমান পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন অর্থ প্রদান করে তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে । কয়েকটি যোগরূঢ় শব্দ- পঙ্গজ , রাজপুত, মহাযাত্রা, জলধি, সরোজ প্রভৃতি।
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে,তাকে রুঢ়ি শব্দ বলে। যেমন-হস্তী, গবেষণা, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেহ ইত্যাদি ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো:

তৎসম শব্দ:
- যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলো তৎসম শব্দ।
- উদাহরণ: চন্দ্র, সূর্য, ধর্ম, বৃক্ষ।

অর্ধতৎসম শব্দ:
- যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলো অর্ধতৎসম শব্দ।
- উদাহরণ: গৃহিণী → গিন্নী, জ্যোৎস্না → জোছনা।

তদ্ভব শব্দ:
- যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলো তদ্ভব শব্দ।
- উদাহরণ: হস্ত → হাত, চন্দ্র → চাঁদ।

দেশি শব্দ:
- যেসব শব্দ এ দেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা থেকে এসেছে, সেগুলো দেশি শব্দ।
- উদাহরণ: ঢেঁকি, কুলা, পেট।

বিদেশি শব্দ:
- যেসব শব্দ বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলো বিদেশি শব্দ।
- উদাহরণ: চা (চীনা), চেয়ার (ইংরেজি), নামাজ (আরবি)।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
- যেমন: চাঁদ, গোলাপ, নাক, লাল, তিন, গাছ, পাখি, ফুল, হাত ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'চর্চরী' হলো এক প্রকার প্রাচীন আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্রবিশেষ।

- আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্র: চামড়া বা চর্ম দিয়ে আচ্ছাদিত ফাঁপা বাদ্যযন্ত্রকে আনদ্ধ বাদ্যযন্ত্র বলা হয়। যেমন: ঢোল, ঢাক, তবলা, মৃদঙ্গ ইত্যাদি।
- প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে বা বিভিন্ন সংস্কৃত ও বাংলা লোকঐতিহ্যে উৎসব-অনুষ্ঠানে এই বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার ও উল্লেখ পাওয়া যায়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
ফারসি শব্দঃ
- বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দগুলোকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা যায়।
- ইসলাম ধর্মসংক্রান্ত: খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা ইত্যাদি।
- প্রশাসনিকঃ আইন, জবানবন্দি, তারিখ, দফতর, দরবার, দস্তখত, নালিশ, বাদশাহ, বান্দা, বেগম, মেথর ইত্যাদি।


ফরাসি ভাষার কয়েকটি শব্দ—কুপন, ডিপো, রেস্তোরাঁ।

'নালিশ' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে তাই অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় সঠিক উত্তর হবে- কোনোটিই নয়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় আগত ফারসি শব্দসমূহ- সবুজ,আসমান ,খোদা ,গুনাহ ,দোযখ ,নামায ,পয়গম্বর ,ফেরেশতা ,বেহেশত ,রোযা ,হাদিস,কারখানা ,চশমা ,জবানবন্দি ,তোশক ,দফতর ,দরবার ,দোকান ,দস্তখত ,দৌলত ,নালিশ ,বাদশাহ ,বান্দা ,মেথর ,রসদ ,হাঙ্গামা ,আমদানি ,জানোয়ার ,জিন্দা ,নমুনা ,বদমাশ ,রফতানি ,বারান্দা ,ফিরিঙ্গি ইত্যাদি ।
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
-আসমান (বিশেষ্য): আকাশ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা আগত শব্দ।
-আসমান শব্দের বিশেষণ - আসমানি।

-ফারসি ভাষা থেকে আগত গুরুত্বপূর্ণ কিছু শব্দঃ
- 
আন্দাজ, আওয়াজ, আফসোস, আবহাওয়া, অজুহাত,
-আবাদ, আমদানি, আমেজ, আয়না, আরাম, আসমান,
-আস্তানা, আশকারা, ইয়ার, ওস্তাদ, কামাই, কারখানা,
-কারবার, কারিগর, কিনারা, কিশমিশ, কুস্তি, কোমর,
-খরচ, খঞ্জর, খরগোশ, খুব, কম, বেশি, জোড়, তোপ,
-চশমা, মোকদ্দমা, মালিক, সিপাহী, খোদা, দরিয়া, খাতা,
-গোলাপ, রোজ, গোয়েন্দা, চাকরি, চাঁদা, চাকর, চালাক,
-চেহারা, জবাব, দরজা, তীর (বাণ), তৈয়ার, দারোয়ান,
-বস্তা, বাজি, মজুর, ময়দা, মোরগ, মাহিনা, মিহি, মেথর,
-রপ্তানি, রাস্তা, রুমাল, রেশম, লাশ, শহর, শায়েস্তা, শিরনামা,
-সওদা, সবজি, সবুজ, সরকার, সর্দি, সাজা, সাদা, সানাই,
-সে (তিন), হপ্তা, হাজার, হিন্দু, হাঙ্গামা ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোজাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: আধ, সাড়ে, পয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফরাসি শব্দ: রেস্তোরা, আঁতেল, আঁতাত, ওলন্দাজ, কার্তুজ, কুপন, ক্যাফে, গ্যারেজ, ডিপো, ফরাসি, রেনেসাঁ, বুর্জোয়া ইত্যাদি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
কোরক এর সমার্থক শব্দ: কুঁড়ি, মুকুল, কলি, কলিকা।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।