সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বর্ণ

১৮৬ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অপরাহ্ণ' শব্দে 'হ'-এর নিচে যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে হ্ + ণ (মূর্ধন্য-ণ) দিয়ে । আর 'পূর্বাহ্ন' শব্দে 'হ'-এর পাশে যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে হ্ + ন (দন্ত্য-ন) দিয়ে ।
- 'হ'-এর নিচে ণ থাকলে হ্ + ণ।
- 'হ'-এর পাশে ন থাকলে হ্ + ন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'বিজ্ঞান' শব্দের 'জ্ঞ' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে জ্ + ঞ দিয়ে।
- 'অপাংক্তেয়' শব্দের 'ঙ্ক' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে ঙ্ + ক দিয়ে।
সুতরাং, সঠিক উপাদান বিশ্লেষণ হলো জ্ঞ = জ্ + ঞ এবং ঙ্ক = ঙ্ + ক।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি । মাত্রার ভিত্তিতে বর্ণ ৩ প্রকার:
- মাত্রাহীন বর্ণ: ১০টি (স্বর ৪টি, ব্যঞ্জন ৬টি) ।
- অর্ধমাত্রার বর্ণ: ৮টি (স্বর ১টি, ব্যঞ্জন ৭টি) ।
- পূর্ণমাত্রার বর্ণ: ৩২টি (স্বর ৬টি, ব্যঞ্জন ২৬টি) ।
তাই সঠিক উত্তর: ১০টি, ৮টি এবং ৩২টি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের মোট সংখ্যা ১০টি ।
এগুলো হলো:
- স্বরবর্ণ (৪টি): এ, ঐ, ও, ঔ
- ব্যঞ্জনবর্ণ (৬টি): ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ
বাংলা বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের মধ্যে পূর্ণমাত্রা ৩২টি এবং অর্ধমাত্রা ৮টি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রার ভিত্তিতে বর্ণ ৩ প্রকার :
- পূর্ণমাত্রার বর্ণ: ৩২টি (৬টি স্বরবর্ণ + ২৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ)
- অর্ধমাত্রার বর্ণ: ৮টি (১টি স্বরবর্ণ + ৭টি ব্যঞ্জনবর্ণ)
- মাত্রাহীন বর্ণ: ১০টি (৪টি স্বরবর্ণ + ৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'হ্ণ' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে হ্ + ণ্ (মূর্ধন্য-ণ্)-এর মিলনে ।
- হ্ + ণ্ = হ্ণ (যেমন: পূর্বাহ্ণ, অপরাহ্ণ)। এখানে মূর্ধন্য 'ণ্' বর্ণটি 'হ'-এর নিচে যুক্ত হয় ।
- হ্ + ন্ = হ্ন (যেমন: চিহ্ন, অহ্ন)। এখানে দন্ত্য 'ন্' বর্ণটি 'হ'-এর পিঠে বা পাশে যুক্ত হয় ।
- হ্ + ম্ = হ্ম (যেমন: ব্রহ্মা) ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ক্ষ্ম' একটি ত্রিব্যঞ্জন যুক্তবর্ণ । এটি তিনটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত:
- ক্ + ষ্ = ক্ষ
- ক্ষ + ম্ = ক্ষ্ম
অর্থাৎ, ক্ + ষ্ + ম্ = ক্ষ্ম (যেমন: লক্ষ্মী, লক্ষণ) ।
তাই সঠিক উত্তর: ক্ + ষ্ + ম্ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'লক্ষণ' শব্দের 'ক্ষ' একটি যুক্তবর্ণ । এটি ক্ এবং ষ—এই দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে গঠিত হয় ।
- গঠন রূপ: ক্ + ষ = ক্ষ
- উদাহরণ: লক্ষণ, লক্ষ্মী, পরীক্ষা ।
সুতরাং, 'ক্ষ' যুক্তবর্ণটি ক্ + ষ বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'উত্থান' শব্দটিতে 'ত্থ' একটি যুক্তবর্ণ।
এটি দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে গঠিত হয়েছে:
- প্রথম বর্ণ: 'ত্' (হসন্তযুক্ত 'ত')
- দ্বিতীয় বর্ণ: 'থ'
সুতরাং, ত্থ = ত্ + থ।
এখানে 'ত' ও 'থ' ধ্বনি পরপর যুক্ত হয়ে 'ত্থ' গঠিত হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'বাঞ্ছনীয়' শব্দের 'ঞ্ছ' যুক্তবর্ণটি ঞ + ছ বর্ণের মিলনে গঠিত ।
এখানে প্রথম বর্ণটি হলো ঞ (ঞ্) এবং দ্বিতীয় বর্ণটি হলো ছ (ছ্) ।
- ঞ + চ = ঞ্চ (যেমন: অঞ্চল)
- ঞ + ছ = ঞ্ছ (যেমন: বাঞ্ছনীয়, বাঞ্ছিত)
সুতরাং সঠিক উত্তর: অপশন ৩ (ঞ্ + ছ)। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ --- ? চাইলে এই অধ্যায়ের অন্যান্য যুক্তবর্ণের গঠন নিয়েও আমরা আলোচনা করতে পারি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অঞ্চল' শব্দটিতে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণটি হলো **'ঞ্চ'** । বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী **'ঞ্চ'** যুক্তবর্ণটির সঠিক বিশ্লেষণ হলো **ঞ্ + চ** (বা ঞ + চ) । এখানে চ-বর্গীয় নাসিক্য বর্ণ **'ঞ' (ঞ্)**-এর সাথে তালব্য স্পর্শ ধ্বনি **'চ'** যুক্ত হয়ে **'ঞ্চ'** যুক্তব্যঞ্জনটি গঠিত হয়েছে । বাংলা চ-বর্গের বর্ণগুলোর (চ, ছ, জ, ঝ) সাথে নাসিক্য বর্ণ হিসেবে 'ঞ' যুক্ত হয় (যেমন: অঞ্চল, বাঞ্ছিত, গঞ্জ, ঝঞ্ঝা) । অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো **অপশন ২: ঞ্ + চ** । ? বাংলা ব্যাকরণের অন্যান্য যুক্তবর্ণের বিশ্লেষণ বা রূপ গঠন নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে জানাতে পারেন!
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বিজ্ঞান' শব্দের 'জ্ঞ' বর্ণটি একটি যুক্তবর্ণ।
এটি জ্ এবং ঞ - এই দুই ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে গঠিত (জ্ + ঞ = জ্ঞ)।
সহজ বিশ্লেষণ:
- জ্ + ঞ = জ্ঞ (যেমন: জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রজ্ঞা)।
তাই সঠিক উত্তর অপশন ৩: জ্ + ঞ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বর্ণমালায় বর্ণের উপরে যে দাগ বা রেখা দেওয়া হয়, তাকে মাত্রা বলে। এই মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।

মাত্রাহীন বর্ণ: মোট ১০টি।
স্বরবর্ণ: ৪টি ( এ, ঐ, ও, ঔ )
ব্যঞ্জনবর্ণ: ৬টি (ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)
অর্ধমাত্রা বর্ণ: মোট ৮টি। (ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)
পূর্ণমাত্রা বর্ণ: মোট ৩২টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলা হয়।
- স্বরবর্ণের যেমন সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' (যেমন: আ-কার, ই-কার) বলা হয়, তেমনই ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে, বিশেষ করে নিচে যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করে, তখন তাকে ফলা বলে।
- বাংলা ভাষায় ফলা ৬টি: য-ফলা (্য), ব-ফলা (্ব), ম-ফলা (্ম), র-ফলা (্র), ল-ফলা (্ল) এবং ন/ণ-ফলা (্ন/্ণ)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'উষ্ম' শব্দের অর্থ হলো নিঃশ্বাস বা গরম বাতাস।
- যে বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ এদের উচ্চারণ প্রলম্বিত করা যায়, তাদের উষ্মবর্ণ বলে।
- 'শ', 'ষ', 'স' এবং 'হ'—এই চারটি বর্ণ উষ্মবর্ণের অন্তর্ভুক্ত।
- 'শ', 'ষ', 'স'—এই তিনটি বর্ণ উচ্চারণের সময় শিস দেওয়ার মতো শব্দ হয় বলে এদের শিসধ্বনিও বলা হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বা কোনো একটি বর্ণ অস্পষ্ট, সে সব যুক্ত বর্ণকে অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে।
- যেমন:
- ষ্ণ = (ষ্+ণ);
- গ + ধ = গ্ধ;
- জ + ঞ = জ্ঞ;
- ক্ষ = (ক্+ষ);
- হ্ম = (হ্+ম);
- গু = (গ্+উ) ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি।
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি।
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৮টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ছাব্বিশটি (২৬)।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়টি (৬)।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা সাতটি (৭)।
- স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ৬টি।
- স্বরবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ১টি।
- স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ৪টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যুক্তবর্ণ দুই প্রকার:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

- স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বর্ণের স্বরূপ স্পষ্ট দেখা যায়, তা-ই স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
- যেমন: ম্প, ঙ্খ, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, জ্ব, ঞ, ণ্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, ইত্যাদি।

- অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বা কোনো একটি বর্ণ অস্পষ্ট, সে সব যুক্ত বর্ণকে অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে।
- যেমন:
- ষ্ণ = (ষ্+ণ);
- গ + ধ = গ্ধ;
- জ + ঞ = জ্ঞ;
- ক্ষ = (ক্+ষ);
- হ্ম = (হ্+ম);
- গু = (গ্+উ) ইত্যাদি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ৩৯টি।
- বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১টি।
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৮টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ছাব্বিশটি (২৬)।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ছয়টি (৬)।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা সাতটি (৭)।
- স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা ৬টি।
- স্বরবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ১টি।
- স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ৪টি।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জনবর্ণগুলোর মধ্যে ‘ক’ থেকে ‘ম’ পর্যন্ত মোট ২৫টি বর্ণকে ‘স্পর্শবর্ণ’ বা ‘বর্গীয় বর্ণ’ বলা হয়।
⇒ এই ২৫টি বর্ণকে উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী ৫টি নির্দিষ্ট সারি বা গুচ্ছে ভাগ করা হয়েছে। ব্যাকরণের ভাষায় এই প্রতিটি গুচ্ছ বা সারিকে এক একটি ‘বর্গ’ বা ‘পর্ব’ বলা হয়।
⇒ এই ৫টি পর্ব বা বর্গ হলো:
১. ক-বর্গ (কণ্ঠ্য বর্ণ): ক, খ, গ, ঘ, ঙ
২. চ-বর্গ (তালব্য বর্ণ): চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
৩. ট-বর্গ (মূর্ধন্য বর্ণ): ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
৪. ত-বর্গ (দন্ত্য বর্ণ): ত, থ, দ, ধ, ন
৫. প-বর্গ (ওষ্ঠ্য বর্ণ): প, ফ, ব, ভ, ম
⇒ সুতরাং, দেখা যাচ্ছে বাংলা বর্ণমালায় বর্গীয় বর্ণগুলোকে মোট ৫টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে।
বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয়।
- একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বলে।
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বর দুইটি।
- যথা:
ঐ (অ+ই) এবং
ঔ (ও +উ)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অ' একটি পূর্ণমাত্রার বর্ণ, স্বরবর্ণ এবং নিলীন বর্ণ।

- নিলীন অর্থ বিলীন বা নিমগ্ন থাকা ।
- ‘অ’ যখন কোনো ব্যঞ্জন বর্ণের সাথে যুক্ত থাকে তখন তা ঐ ব্যঞ্জনের ভেতরে বিলীন/একাকার হয়ে থাকে, অর্থাৎ কোনো physical Existence থাকে না, তাই ‘অ’ কে নিলীণ বর্ণ বলা হয়।
- যেমনঃ ক=ক+অ; খ=খ+অ; কল=ক+অ+ল; কল্=ক+অ+ল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যুক্তবর্ণ দুই প্রকার:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

- স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বর্ণের স্বরূপ স্পষ্ট দেখা যায়, তা-ই স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
- যেমন: ম্প, ঙ্খ, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, জ্ব, ঞ, ণ্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, ইত্যাদি।

- অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বা কোনো একটি বর্ণ অস্পষ্ট, সে সব যুক্ত বর্ণকে অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে।
- যেমন:
- ষ্ণ = (ষ্+ণ);
- গ + ধ = গ্ধ;
- জ + ঞ = জ্ঞ;
- ক্ষ = (ক্+ষ);
- হ্ম = (হ্+ম);
- গু = (গ্+উ) ইত্যাদি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যুক্তবর্ণ দুই প্রকার:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

- স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বর্ণের স্বরূপ স্পষ্ট দেখা যায়, তা-ই স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
- যেমন: ম্প, ঙ্খ, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, জ্ব, ঞ, ণ্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, ইত্যাদি।

- অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বা কোনো একটি বর্ণ অস্পষ্ট, সে সব যুক্ত বর্ণকে অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে।
- যেমন:
- ষ্ণ = (ষ্+ণ);
- গ + ধ = গ্ধ;
- জ + ঞ = জ্ঞ;
- ক্ষ = (ক্+ষ);
- হ্ম = (হ্+ম);
- গু = (গ্+উ) ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• কারবর্ণ:
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলে।
- স্বরবর্ণের মােট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলাের নাম কারবর্ণ।
এগুলো হলো: [ া, ি, ী, ু, ূ, ৃ, ে, ৈ, ে-া, ৈ-া ]
- কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলাে ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।
- কোনাে ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হসৃচিহ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি অ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
- 'অ' স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।
- তাই 'অ' একটি নিলীন বর্ণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- নিলীণ অর্থ বিলীন বা নিমগ্ন থাকা ।
- ‘অ’ যখন কোনো ব্যঞ্জন বর্ণের সাথে জুক্ত থাকে তখন তা ঐ ব্যঞ্জনের ভেতরে বিলীন/একাকার হয়ে থাকে, অর্থাৎ কোনো physical Existence থাকে না, তাই ‘অ’ কে নিলীণ বর্ণ বলা হয়।
- যেমনঃ ক=ক+অ; খ=খ+অ; কল=ক+অ+ল; কল্=ক+অ+ল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
মাত্রাহীন - ১০ টি। স্বরবর্ণ ৪টি ( এ,ঐ,ও,ঔ)। ব্যঞ্জনবর্গ ৬টি (ঙ,ঞ,ৎ,ং,ঃ,  ঁ) 

অর্ধমাত্রা - ৮টি। স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) । ব্যঞ্জনবর্গ ৭টি ( খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ)। 

বাংলা বর্ণমালা মোট ৫০ টি। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯। 

পূর্ণ মাত্রা - ৩২ টি। স্বরবর্ণ - ৬টি ও ব্যঞ্জনবর্গ - ২৬টি। 

বাংলা ব্যঞ্জন বর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি - ৬টি। কোন বর্ণগুলোতে মাত্রা হবে না - এ এবং ঐ। বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ। বর্গের তৃতীয়,চতুর্থ, এবং পঞ্চম বর্ণ ঘোষ। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ। বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- "ত্থ" একটি সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ।
- এই সংযুক্ত বর্ণটি 'ত' এবং 'থ' এই দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- এখানে প্রথমে 'ত' (ত-ফলা) বসে এবং তার সাথে 'থ' যুক্ত হয়ে "ত্থ" তৈরি করে।
- উদাহরণস্বরূপ: উত্থান, উত্থাপন, অশ্বত্থ ইত্যাদি।

যুক্তবর্ণ দুই রকম:
১. স্বচ্ছ ও
২. অস্বচ্ছ।

- স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বর্ণের স্বরূপ স্পষ্ট দেখা যায়, তা-ই স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
- যেমন: ম্প, ঙ্খ, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, জ্ব, ঞ, ণ্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, ইত্যাদি।

- অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: যে যুক্তবর্ণের প্রতিটি বা কোনো একটি বর্ণ অস্পষ্ট, সে সব যুক্ত বর্ণকে অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে।
- যেমন:
- ষ্ণ = (ষ্+ণ);
- গ + ধ = গ্ধ;
- জ + ঞ = জ্ঞ;
- ক্ষ = (ক্+ষ);
- হ্ম = (হ্+ম);
- ত্থ = (ত+থ ); 
- গু = (গ্+উ) ইত্যাদি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে কোনো ভাষায় ব্যবহৃত লিখিত বর্ণসমষ্টিকে সে ভাষার বর্ণমালা বলে।
- বাংলা ভাষার বর্ণ সম্পর্কিত চিহ্ন বা প্রতীককে বাংলা বর্ণমালা বলে।
- বাংলা বর্ণ মোট ৫০টি।
- স্বরবর্ণ ১১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি ।
- স্বরবর্ণগুলো হলো: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ ।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'অ' একটি পূর্ণমাত্রার বর্ণ, স্বরবর্ণ এবং নিলীন বর্ণ।

- নিলীন অর্থ বিলীন বা নিমগ্ন থাকা ।
- ‘অ’ যখন কোনো ব্যঞ্জন বর্ণের সাথে যুক্ত থাকে তখন তা ঐ ব্যঞ্জনের ভেতরে বিলীন/একাকার হয়ে থাকে, অর্থাৎ কোনো physical Existence থাকে না, তাই ‘অ’ কে নিলীণ বর্ণ বলা হয়।
- যেমনঃ ক=ক+অ; খ=খ+অ; কল=ক+অ+ল; কল্=ক+অ+ল।

মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণের সংখ্যা-

-মাত্রাহীন [ ১০ টি ]   -স্বরবর্ণ : এ, ঐ,ও, ঔ : (৪ টি)  - ব্যঞ্জনবর্ণ : ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ (৬ টি) 

-অর্ধমাত্রা  [ ৮ টি ]   -স্বরবর্ণ : ঋ (১ টি)- ব্যঞ্জনবর্ণ : খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ (৭ টি) 

-পূর্ণমাত্রা  [ ৩২টি ]  -স্বরবর্ণ : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ (৬ টি)-ব্যঞ্জনবর্ণ : ২৬ টি

সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।