সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বানান

৫৯৬ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
মুমূর্ষু এবং পিপীলিকা শব্দ দুটি তৎসম শব্দ।
- মুমূর্ষু: এর কারচিহ্নের ক্রম হ্রস্ব-উ (ু) + দীর্ঘ-ঊ (ূ) + হ্রস্ব-উ (ু)।
- পিপীলিকা: এর কারচিহ্নের ক্রম হ্রস্ব-ই (ি) + দীর্ঘ-ঈ (ী) + হ্রস্ব-ই (ি)।
তাই সঠিক উত্তর অপশন ২।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, সকল অতৎসম (দেশি, বিদেশি ও মিশ্র) শব্দের বানানে কেবল হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহৃত হয় ।
- দেশ, ভাষা ও জাতির নাম অতৎসম শব্দ।
- যেমন: বাঙালি, ইংরেজি, জার্মানি ।
তাই সঠিক উত্তর হ্রস্ব ই-কার (ি)। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (NCTB) ব্যাকরণ অনুযায়ী সকল অতৎসম (দেশি, বিদেশি, তদ্ভব ও মিশ্র) শব্দের বানানে কেবল হ্রস্ব স্বর ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ, এই শব্দগুলোতে কেবল ই-কার (ি) এবং উ-কার (ু) ব্যবহৃত হবে। দীর্ঘস্বর (যেমন- ঈ-কার ও ঊ-কার)-এর ব্যবহার বর্জনীয়।

• উদাহরণ:
- বিদেশি শব্দ: সরকারি, জাপানি, ইংরেজি।
- তদ্ভব ও দেশি শব্দ: পাখি, হাতি, মুলা, চুন।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ঈ-কার (ী): অতৎসম শব্দে ঈ-কার ব্যবহার করা প্রমিত নিয়মানুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
- ঊ-কার (ূ): অতৎসম শব্দে ঊ-কার ব্যবহৃত হয় না, কেবল উ-কার লিখতে হয়।
- ঐ-কার (ৈ): এটি একটি যৌগিক স্বর, যা নির্দিষ্ট শব্দের বানানে ব্যবহৃত হয়, অতৎসম শব্দের সাধারণ নিয়ম হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে 'পরিষদ', 'সভা' বা 'তত্ত্ব' যুক্ত থাকলে তার পূর্ববর্তী পদে হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহৃত হয় ।
যেমন:-
- মন্ত্রী + সভা = মন্ত্রিসভা
- দায়ী + ত্ব = দায়িত্ব
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, সব অতৎসম শব্দে (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি) দীর্ঘস্বরের প্রয়োজন নেই । তাই এসব শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) বা দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) না হয়ে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার (ি) ও হ্রস্ব উ-কার (ু) ব্যবহৃত হয় । যেমন: ইংরেজি, সরকারি, কেরানি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হলে তার পূর্ববর্তী ঈ-কার (ী) পরিবর্তিত হয়ে ই-কার (ি) হয় ।
যেমন:
- প্রতিযোগী + তা = প্রতিযোগিতা
- সহযোগী + তা = সহযোগিতা
সুতরাং সঠিক উত্তর ই-কার (ি)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভবিষ্যৎ: সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের শেষে 'ত' ধ্বনিটি প্রমিত নিয়মে খণ্ড-ত (ৎ) হিসেবে লেখা হয় ।
- ভৌগোলিক: 'ভূগোল' শব্দের সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল স্বরের বৃদ্ধি ঘটে এবং 'গ' বর্ণে ও-কার যুক্ত হয়ে 'ভৌগোলিক' গঠিত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, অতৎসম শব্দে এবং শব্দের শেষে 'অঞ্জলি' যুক্ত হলে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার (ি) ব্যবহৃত হয় ।
- উদাহরণ: শ্রদ্ধাঞ্জলি, গীতাঞ্জলি ।
তাই এসব ক্ষেত্রে দীর্ঘ ঈ-কার (ী) এর পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার (ি) যুক্ত হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বানান রীতি অনুসারে পদের শেষে '-জীবী' প্রত্যয় যুক্ত হলে সর্বদা দীর্ঘ ঈ-কার (ী) ব্যবহৃত হয় । সংস্কৃত 'জীব্' ধাতু থেকে গঠিত 'জীবী' শব্দের অর্থ জীবিকা নির্বাহকারী বা জীবনধারণকারী। তাই পদের শেষে 'জীবী' যুক্ত সকল শব্দেই ঈ-কার বসে ।
উদাহরণ:
- কৃষিজীবী
- শ্রমজীবী
- বুদ্ধিজীবী
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা প্রমিত বানান রীতি অনুযায়ী, 'ভূত' শব্দযুক্ত সব বানানে সাধারণত 'ঊ-কার' (ূ) হয় । যেমন: অভিভূত, পরাভূত, কিম্ভূত।
তবে ব্যতিক্রম হিসেবে দুটি শব্দে 'উ-কার' (ু) বসে:
- অদ্ভুত
- ভূতুড়ে
তাই সঠিক উত্তর 'অদ্ভুত ও ভূতুড়ে' ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ইদানীং' শব্দটির অর্থ হলো 'বর্তমান সময়ে' বা 'এই কালে'।
তাই 'ইদানীং' শব্দের পর 'কাল' যোগ করে 'ইদানীংকালে' লিখলে বাহুল্য দোষ ঘটে।
- অশুদ্ধ: ইদানীংকালে
- শুদ্ধ: ইদানীং
সুতরাং, বাক্যে 'ইদানীংকালে' শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ হলো 'ইদানীং'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী, পদের শেষে '-জীবী' যুক্ত হলে 'জ' ও 'ব' উভয় বর্ণেই সর্বদা দীর্ঘ ঈ-কার (ী) ব্যবহৃত হয় ।
যেমন:
- কৃষিজীবী
- শ্রমজীবী
- বুদ্ধিজীবী

এখানে 'জীবী' বলতে জীবিকা নির্বাহ করা বা জীবন ধারণ করা বোঝায় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী:
- অবস্থানগত দূরত্ব বোঝাতে 'দূর' (দীর্ঘ উ-কার) ব্যবহৃত হয়। যেমন: দূরত্ব, দূরবীক্ষণ ।
- কিন্তু দূরত্ব না বোঝালে 'দুর' (হ্রস্ব উ-কার) ব্যবহৃত হয়। যেমন: দুর্ঘটনা, দুর্নীতি ।
তাই দূরত্ব না বোঝালে সঠিক শব্দ 'দুর'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্বায়ত্তশাসন শব্দটির গঠন: স্ব + আয়ত্ত = স্বায়ত্ত, তার সাথে শাসন যুক্ত হয়েছে।
- স্ব (নিজ) + আয়ত্ত (অধীন) = নিজ নিয়ন্ত্রণে থাকা।
এখানে 'ত'-এর নিচে 'ব'-ফলা হবে না। তাই প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক বানান স্বায়ত্তশাসন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার করা যায় না । তাই ইংরেজি 's+t' যুক্ত ধ্বনিতে 's'-এর জন্য দন্ত্য-স এবং 't'-এর জন্য 'ট' মিলে দন্ত্য-স এর সাথে 'ট' (স্ট) যুক্তবর্ণ গঠিত হয় । তৎসম শব্দেই কেবল ষ-ত্ব বিধান খাটে, বিদেশি শব্দে নয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে 'আলি' প্রত্যয় যুক্ত হলে সর্বদা ই-কার (ি) হয় ।
- সোনা+আলি = সোনালি
- রূপা+আলি = রূপালি
- মিতা+আলি = মিতালি
তাই 'আলি' প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় শব্দগুলোতে ই-কার হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী পদের বা শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকবে না । পূর্বে প্রচলিত অনেক শব্দে বিসর্গ লেখা হলেও আধুনিক প্রমিত বানানে তা বর্জন করা হয়েছে ।
যেমন:
- ইতস্তত
- ক্রমশ
- মূলত
- প্রথমত ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান রীতি অনুযায়ী, সকল অতৎসম (দেশি, বিদেশি, তদ্ভব, মিশ্র) শব্দের বানানে কেবল রস্বস্বর ই (ি) ও উ (ু) কার ব্যবহৃত হবে । এসব বানানে দীর্ঘস্বর ঈ (ী) বা ঊ (ূ) ব্যবহার করা যাবে না ।
- যেমন: ইংরেজি, সরকারি, টুপি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা একাডেমি ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথম 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে । পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে এর পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং ২০০০ সালে সংশোধিত রূপ প্রকাশ করা হয় । তাই সঠিক উত্তর হলো ১৯৯২ সালে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
• শুদ্ধ বানান- ‘সান্ত্বনা’ ।
• উচ্চারণ- 'শান্‌তনা'।
• √সান্ত্ব + অন্ + আ = সান্ত্বনা।
Job Solutions শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যদি ( ু) এবং ( ূ)) কার এর পরের বর্ণের উপর রেফ ( র্র) থাকে তাহলে রেফ এর আগের বর্ণের সবসময় (ূ) কার হয়।
- যেমন : মূর্খ, মুমূর্ষু, মুহূর্ত, ইত্যাদি।

আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানানঃ

- প্রতিযোগিতা
- মনীষী
- প্রবণ
- নিক্বন
- সূচ্যগ্ৰ
- স্বায়ত্তশাসন
- ত্রিভুজ
- প্রোজ্জ্বল।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শুদ্ধ বানানগুচ্ছ- গ) কৌতূহল, কৃষ্ণসাধন, কুচিৎ।

অন্য অপশনে থাকা অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধ রূপ:
ক) আদ্র - আর্দ্র
খ) আয়ত্বধীন - আয়ত্তাধীন
গ) কুচিং - কোচিং। 
ব্যাখ্যা (Explanation)
আর কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানানঃ
- সূচ্যগ্ৰ
- স্বায়ত্তশাসন
- ত্রিভুজ
- প্রোজ্জ্বল
- মনীষী,
- শুশ্রূষা,
- সমীচীন,
- মুমূর্ষু,
- মূর্ধন্য,
- অতিথি,
- নিরীক্ষণ,
- বাল্মীকি,
- কৃষিজীবী,
- গোধূলি।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
কিছু শুদ্ধ বানান:
- কৌতূহল,
- কৃচ্ছ্রসাধন,
- ক্রীতদাস,
- ক্ষীণজীবী (অর্থ অতিদুর্বল),
- নিমীলিত (অর্থ মুদিত, সংকুচিত),
- ঘূর্ণায়মান,
- সংশ্রব,
- সত্তা,
- মনীষী,
- সমীচীন,
- সুকেশিনী,
- দধীচি, 
- শ্লেষ্মা,
- প্রাতঃকৃত্য,
- নির্নিমেষ ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)

দেদীপ্যমান (বিশেষণ) : অতিশয় দীপ্তিশীল; অত্যন্ত উজ্জ্বল বা দীপ্তিময় দেখাচ্ছে এমন; জাজ্বল্যমান ।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- শুদ্ধ বানান হলো ধূলিধূসর। শব্দটি 'ধূলি' এবং 'ধূসর' শব্দ দুটির সমন্বয়ে গঠিত (ধূলি দ্বারা ধূসর)।
- 'ধূলি' (অর্থ: ধুলা) বানানে দীর্ঘ-ঊ কার (ূ) ও হ্রস্ব-ই কার (ি) ব্যবহৃত হয়।
- 'ধূসর' (অর্থ: ছাই রঙ) বানানেও দীর্ঘ-ঊ কার (ূ) ব্যবহৃত হয়।
- তাই একত্রে 'ধূলিধূসর' বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক বানান - কূটনীতি, খেলাধুলা, কুৎসিত, কুজ্ঝটিকা

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক বানান - নিমীলিত
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।