বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায়-

A মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পান্ডুলিপি

B বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য

C দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য

D অবিমিশ্রিত দেশজ বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য

Solution

Correct Answer: Option C

দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যকে বটতলার পুঁথি বলা হত, কারণ এগুলো কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে বের হতো।পুথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল। এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়। পুথি (বা পুঁথি) শব্দের উৎপত্তি ‘পুস্তিকা’ শব্দ থেকে। এ অর্থে পুথি শব্দদ্বারা যেকোনো গ্রন্থকে বোঝালেও পুথি সাহিত্যের ক্ষেত্রে তা বিশেষ অর্থ বহন করে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ সময়ে রচিত বিশেষ ধরণের সাহিত্যই পুথি সাহিত্য নামে পরিচিত। সৈয়দ হামজা আমীর হামজা গ্রন্থের শুরুতে ‘শায়েরি পুঁথি’ বলে স্বীয় কাব্যের পরিচয় দিয়েছেন। এদিক থেকে নামকরণের জটিলতা এড়ানোর জন্য ‘শায়েরি পুঁথি’ অভিধাটি গ্রহণ করা যায়। সাধারণ বাংলা গ্রন্থের মতো পুথি সাহিত্য বাম দিক থেকে পড়া হলেও তা ছাপা হতো আরবি-ফারসির মতো ডান দিক থেকে। পয়ার-ত্রিপদী ছন্দে রচিত অলঙ্কারবর্জিত গদ্যধর্মী সরল ভাষা এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

পুথি সাহিত্যের শব্দসম্ভার ও ভাষারীতি লক্ষ করে বিভিন্ন জন এর বিভিন্ন নামকরণ করেছেন।
- কলকাতার বটতলার ছাপাখানার বদৌলতে প্রচার লাভ করে বলে এগুলি ‘বটতলার পুথি’ নামেও পরিচিত হয়।
- গবেষকগণ ভাষা-বৈশিষ্ট্য ও বাক্যরীতির দিক থেকে বিচার করে প্রথমে এগুলিকে দোভাষী পুথি এবং পরবর্তীকালে ‘মিশ্র ভাষারীতির কাব্য’ বলে অভিহিত করেন।
- রেভারেন্ড জেমস লং এ ভাষাকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা’, 

অ্যাপ/ওয়েবসাইটে রুটিনভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা হচ্ছে।
ব্যাচ-১/পরীক্ষা- ৭২
কোর্স নামঃ সাধারণ জ্ঞান ৭০ মার্ক বেসিক ভিউ বই থেকে
টপিকসঃ
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা: মন্ত্রণালয়, প্রশাসনিক কাঠামো, সিভিল সার্ভিস (পেইজ: ৯০৯-৯১৩)
৯০০ পেইজের সম্পূর্ণ বই শেষ করা হবে।
রুটিন দেখুন
পরীক্ষা-৫৬
কোর্স নামঃ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস।
টপিকসঃ
সাধারণ বিজ্ঞান
উদ্ভিদের বৈচিত্র্যঃ উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ, উদ্ভিদজগৎ, শৈবাল, ছত্রাক, মস, ফার্ন, সপুষ্পক উদ্ভিদ, নগ্নবীজী উদ্ভিদ, আবৃতবীজী উদ্ভিদ, মূল, কান্ড ও পাতা।
উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিঃ উদ্ভিদের প্রজনন, ফটোপিরিওডিজ্ পরাগায়ণ, ফল, বীজের বিস্তরণ অঙ্কুরোদগম, উদ্ভিদের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলিঃ ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, সালোক সংশ্লেষণ, শ্বসন, উদ্ভিদের সমন্বয়, উদ্ভিদের পুষ্টি, নাইট্রোজেন চক্র, সবুজ বিপ্লব, সার (Fertilizer), উদ্ভিদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রুটিন দেখুন

Practice More Questions on Our App!

Download our app for free and access thousands of MCQ questions with detailed solutions