মূল্যবোধ হলো মানুষের অন্তর্নিহিত বিশ্বাস ও নীতি যা তাকে ভালো-মন্দ, সঠিক-ভুল বিচার করতে শেখায়।
⇒ মূল্যবোধের উপাদান: - নীতি ও ঔচিত্যবোধ, সামাজিক ন্যায়বিচার, শৃঙ্খলাবোধ, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শ্রমের মর্যাদা, আইনের শাসন, নাগরিক সচেতনতা, কর্তব্যবোধ, সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা, সরকার ও রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা। - সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল বলেন, “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।
উল্লেখ্য, - মূল্যবোধের সারসত্তা হলো তার অভ্যন্তরীণ, অকৃত্রিম ও চিরন্তন দিক যা মানুষের আচরণকে নৈতিকভাবে পরিচালিত করে। - এটি বাহ্যিক চাপ বা বাধ্যবাধকতা নয় বরং অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস ও নীতি যা নৈতিক আচরণকে নির্দেশ করে। - এই বিশ্বাস ও নীতি থেকেই সততা, ন্যায়, দায়িত্ববোধ, সমতা ইত্যাদি মূল্যবোধ উদ্ভূত হয় এবং প্রতিফলিত হয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল: • কর্তৃপক্ষের নিয়ম বা আইনি বাধ্যবাধকতা হলো আইন, যা বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয়, অন্তরের বিশ্বাস নয়। • নৈতিক নির্দেশ ছাড়া প্রথা কেবল অভ্যাসমাত্র, তা মূল্যবোধ নয়। তাই, নৈতিক আচরণ নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতিই হলো মূল্যবোধের প্রকৃত সারসত্তা।
সুশাসনে স্বচ্ছতা (Transparency) মানে হলো সরকারের কাজকর্ম গোপন না রেখে জনগণের সামনে প্রকাশ করা। • যখন তথ্য উন্মুক্ত থাকে, তখন জনগণ সরকারের কাজ পর্যবেক্ষণ করতে পারে (নজরদারি)। • নাগরিকরা বুঝতে পারে সরকার সঠিক পথে আছে কি না (সচেতন মূল্যায়ন)। এই প্রক্রিয়াই নাগরিকদের মধ্যে সুশাসন সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ও ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে। অন্য অপশনগুলো সুশাসনের মূল লক্ষ্য নয়।
সুশাসন ও স্বচ্ছতা: একটি অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক - স্বচ্ছতা হলো সুশাসনের অন্যতম ভিত্তিপ্রস্তর। - প্রশাসনের কার্যক্রমে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সুশাসনের প্রাথমিক শর্ত। - রাষ্ট্রীয় নীতি ও বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রয়োগ করার প্রক্রিয়াকেই স্বচ্ছতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। - একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থার ফলে সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত বা উপকৃত পক্ষসমূহ সরাসরি এবং বাধাহীনভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার অধিকার রাখে। - প্রশাসন এমনভাবে তথ্য সরবরাহ করবে যা গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য এবং প্রচারযোগ্য হবে। - স্বচ্ছতার প্রধান স্তম্ভগুলো হলো: (১) নিরবচ্ছিন্ন তথ্য আদান-প্রদান, (২) তথ্যের অবাধ সহজলভ্যতা, (৩) ডিজিটাল তথ্যসেবার প্রসার এবং (৪) অনিয়ম রোধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা।
⇒ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, অর্থের সংস্থান ও ব্যয়ের চিত্র জনগণের সামনে পরিষ্কার থাকে। - এর ফলে সাধারণ মানুষ সরকারি প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যালোচনার সুযোগ পায় এবং যেকোনো বিচ্যুতি বা ভুল সম্পর্কে সোচ্চার হতে পারে। - এটি প্রশাসনের প্রতি জনমনে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করে, দুর্নীতির সুযোগ কমিয়ে আনে এবং সুশাসন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণাকে আরও স্বচ্ছ ও শক্তিশালী করে তোলে। - সহজ কথায়, স্বচ্ছতার প্রধান লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ড, নীতিনির্ধারণ ও আর্থিক হিসাবকে জনগণের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা।
মূল্যবোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করে যে দেশের মানুষ ন্যায়বিচার, শিক্ষা ও সমান সুযোগ পায়। • অবকাঠামো বা স্বল্পমেয়াদি প্রবৃদ্ধি সাময়িক হতে পারে, কিন্তু একটি সৎ, দক্ষ ও নীতিবান জনগোষ্ঠী (মানব সম্পদ) তৈরি হলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়ন ধরে রাখতে পারে। • সুশাসন শিক্ষার মান ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে, যা সরাসরি মানব সম্পদ উন্নয়নের সাথে জড়িত। তাই এটিই সবচেয়ে টেকসই দিক।
একটি মূল্যবোধ সম্পন্ন বা সুশাসিত ব্যবস্থায় জনগণই ক্ষমতার উৎস। • আইনের নির্বাচনী প্রয়োগ (সবার জন্য সমান নয়), কর্তৃত্ববাদ বা গোপনীয়তা হলো সুশাসনের বিপরীত বা কুশাসনের লক্ষণ। • অন্যদিকে, নাগরিকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে যে শাসকরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে। এটিই একটি আদর্শ শাসন ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
একটি উন্নয়ন প্রকল্প সফল হওয়ার জন্য শুধু টাকা বা প্রযুক্তিই যথেষ্ট নয়, ব্যবস্থাপনাটি সঠিক হওয়া জরুরি। • দুর্বল শাসন ব্যবস্থায় দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং তথ্যের গোপনীয়তা থাকে। • যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সততা থাকে না, তখন ভুল পরিকল্পনা হয় এবং অর্থের অপচয় ঘটে, যার ফলে প্রকল্প ব্যর্থ হয়। • সম্পদের অভাব থাকলেও সঠিক ব্যবস্থাপনায় ভালো ফল পাওয়া সম্ভব, কিন্তু সততার অভাবে প্রচুর সম্পদ থাকলেও তা বিফলে যায়।
সুশাসন বা Good Governance কেবল যান্ত্রিক বা প্রশাসনিক দক্ষতা নয়, এটি একটি মূল্যবোধ-ভিত্তিক বিশ্বাস। সুশাসনের মূল কথা হলো স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা, যা কেবল নৈতিক মানদণ্ড ও জনস্বার্থের মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব। অন্য অপশনগুলো ভুল কারণ: ১. সুশাসন কেবল ফলাফলের ওপর নয়, প্রক্রিয়ার ওপরও জোর দেয়। ২. এটি মূল্যবোধ-নিরপেক্ষ নয়, বরং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করে। ৩. এটি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়, বরং মানুষের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করে।
টেকসই উন্নয়ন (Sustainable Development) মানে হলো বর্তমানের চাহিদা এমনভাবে মেটানো যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা মেটানোর ক্ষমতা নষ্ট না হয়। সুশাসন এই প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য কারণ এটি সম্পদের সুষম বণ্টন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে। দ্রুত শিল্পায়ন বা রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নিরসন সুশাসনের অংশ হতে পারে, কিন্তু টেকসই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে পরিবেশ ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য বজায় রাখা, যা কেবল সুশাসনের মাধ্যমেই সম্ভব।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় দক্ষ, সচেতন এবং যুক্তিবাদী নাগরিক তৈরি করা অপরিহার্য। গুণগত শিক্ষা (Quality Education) নাগরিকদের তাদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে এবং সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনে সহায়তা করে। আইন, অর্থ বা অবকাঠামো জরুরি হলেও, শিক্ষার অভাব থাকলে নাগরিকরা গণতন্ত্রের সুফল ভোগ করতে পারে না এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়। তাই দীর্ঘমেয়াদে গণতন্ত্রকে সফল করতে গুণগত শিক্ষার অগ্রাধিকার সবচেয়ে বেশি।
বিশ্বব্যাংকের 'Worldwide Governance Indicators (WGI)' অনুযায়ী সুশাসনের সূচক -২.৫ (সবচেয়ে খারাপ) থেকে +২.৫ (সবচেয়ে ভালো) পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্কেলের মাঝখানের মান হলো ০.০০। তাই, যদি কোনো দেশের সূচক ০.০০ হয়, তবে তা নির্দেশ করে যে দেশটির সুশাসনের অবস্থা খুব ভালোও নয় আবার খুব খারাপও নয়, অর্থাৎ এটি মাঝারি মানের (Average) অবস্থানে রয়েছে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- সুশাসনের অভাব বা কুশাসনের ফলে সমাজে যে অদৃশ্য ক্ষতি হয়, তাকে 'Hidden Cost' বলা হয়। যখন কোনো দেশে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং জবাবদিহিতার অভাব থাকে, তখন মেধাবী মানুষরা তাদের যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন পায় না এবং হতাশাগ্রস্ত হয়ে বিদেশে চলে যায়। একেই মেধা পাচার (Brain Drain) বলা হয়। - বিশ্বব্যাংক, UNDP এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর গবেষণায় এটিকে সুশাসনের অভাবের অন্যতম প্রধান পরোক্ষ খরচ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
অন্য অপশনগুলো (কর বৃদ্ধি, অবকাঠামো, রপ্তানি) সাধারণত দৃশ্যমান বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত, কিন্তু মেধা পাচার দীর্ঘমেয়াদে সমাজের জন্য একটি বড় অদৃশ্য ক্ষতি।
সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ (Cultural Values) মূলত একটি সমাজের দীর্ঘদিনের অভ্যাসের ফসল। 'প্রথা' (Customs) হলো সমাজের দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা আচার-আচরণ বা রীতি-নীতি। মানুষ যখন দীর্ঘদিন ধরে কোনো নির্দিষ্ট আচরণ বা প্রথা মেনে চলে, তখন তা ধীরে ধীরে মানুষের বিশ্বাস ও মূল্যবোধে পরিণত হয়। আচরণ বা নীতি প্রথা থেকেই বিকশিত হয়, তাই প্রথাই হলো মূল্যবোধের মূল উৎস। অন্যদিকে, বৈষম্য একটি নেতিবাচক ধারণা যা মূল্যবোধ তৈরি করে না।
দর্শনের ভাষায় এবং নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে মানবজীবনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য বা শ্রেষ্ঠ মূল্যবোধ হিসেবে সত্য (Truth), সুন্দর (Beauty) এবং সদগুণ বা কল্যাণ (Goodness)-কে চিহ্নিত করা হয়। ইংরেজিতে একে 'The True, The Good, and The Beautiful' বলা হয়। সম্পদ বা ক্ষমতা বাহ্যিক বিষয়, কিন্তু সত্য, সুন্দর ও সদগুণ মানুষের আত্মিক ও নৈতিক উৎকর্ষ সাধন করে, যা জীবনের প্রকৃত সার্থকতা বহন করে।
শাসন ব্যবস্থায় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হলে কেবল আইন বা বেতন বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়। মানুষের মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা জরুরি। নৈতিক শিক্ষা (Moral Education) মানুষকে ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝায় এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা (Institutional Education) দক্ষতা বাড়ায়। যখন এই দুটির সমন্বয় ঘটে, তখন একজন ব্যক্তি দক্ষ হওয়ার পাশাপাশি সৎ ও নীতিবান হন। এটিই প্রশাসনে মূল্যবোধ দীর্ঘস্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
মূল্যবোধ ও শাসন (Governance) একে অপরের পরিপূরক। সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো নৈতিকতা। এখানে নৈতিক নীতি (Moral Principles) সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে, স্বচ্ছতা (Transparency) কাজের স্পষ্টতা নিশ্চিত করে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা (Social Responsibility) জনগণের প্রতি প্রশাসনের কর্তব্যবোধ জাগিয়ে তোলে। তাই এই তিনটি উপাদানের সমন্বয়ই মূল্যবোধ ও শাসনের প্রকৃত সম্পর্ক প্রকাশ করে।
সুশাসন (Good Governance) বলতে এমন এক শাসন ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে এবং আইনের শাসন বজায় থাকে। এর মূল প্রতিশ্রুতি বা স্তম্ভগুলো হলো- স্বচ্ছতা (Transparency), যার মাধ্যমে কাজে গোপনীয়তা থাকে না; জবাবদিহিতা (Accountability), যার মাধ্যমে শাসক জনগণের কাছে দায়ী থাকে; এবং নৈতিক নেতৃত্ব (Ethical Leadership), যা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে সাহায্য করে। কঠোর আইন বা রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ সুশাসনের মূল লক্ষ্য নয়।
ঘূর্ণিঝড় 'সিডর' বাংলাদেশে আঘাত হানে ১৫ নভেম্বর ২০০৭ সালে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ছিল যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় 'আইলা' বাংলাদেশে আঘাত হানে ২৫ মে ২০০৯ সালে। জলোচ্ছ্বাসের কারণে আইলার প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল।
পর্বতগুলোর শ্রেণীবিভাগ লক্ষ্য করলে দেখা যায়: ১. ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains): শিলাস্তরে ভাঁজ পড়ে এই পর্বত সৃষ্টি হয়। উত্তর আমেরিকার রকি (Rocky), এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস এর প্রধান উদাহরণ। ২. আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains): আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভা জমে এই পর্বত সৃষ্টি হয়। ইতালির ভিসুভিয়াস (Vesuvius), জাপানের ফুজিয়ামা এর উদাহরণ। ৩. স্তূপ পর্বত (Block Mountains): ভূত্বকের ফাটল বা চ্যুতির ফলে ভূমি উঁচুতে উঠে বা নিচে বসে এই পর্বত গঠিত হয়। জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট (Black Forest) ও ভারতের বিন্ধ্যা পর্বত এর উদাহরণ। সুতরাং, অপশন ১-এ যথাক্রমে ভঙ্গিল, আগ্নেয় ও স্তূপ পর্বতের সঠিক উদাহরণ দেওয়া হয়েছে।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং মহাশূন্যের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ভৌত দেয়াল নেই, তবে বিজ্ঞানীদের দ্বারা নির্ধারিত একটি কাল্পনিক সীমারেখা রয়েছে যাকে কারমান লাইন (Kármán line) বলা হয়। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল) উচ্চতায় অবস্থিত। থিওডর ভন কারমান-এর নামানুসারে এই রেখাটির নামকরণ করা হয়। এই রেখার ওপরেই সাধারণত মহাকাশ শুরু হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
প্রত্যয়ন বায়ু বা পশ্চিমা বায়ু (Westerlies) অক্ষাংশ ভেদে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে করিওলিস বলের (Coriolis Force) প্রভাবে বায়ু তার গতির ডানদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। এর ফলে উত্তর গোলার্ধে কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্তীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সময় এই বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। একারণে একে দক্ষিণ-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ুও বলা হয়।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার চক্রটি মূলত কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে প্রস্তুতি (Preparedness) হলো দুর্যোগ আঘাত হানার পূর্বে নেওয়া পদক্ষেপ বা প্রথম ধাপ। এই ধাপে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ, মহড়া, এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। অন্যান্য ধাপগুলো, যেমন- উদ্ধার (দুর্যোগ চলাকালীন বা ঠিক পরে), পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন (দুর্যোগ পরবর্তী) সময়ে কার্যকর হয়।
মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এবং বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এর ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে: ১. তিব্বতী নাম: তিব্বতিরা একে ডাকে 'চোমোলাংমা' (Chomolungma) নামে, যার অর্থ 'পর্বতশৃঙ্গের দেবী মা' বা 'পৃথিবীর দেবী মা'। ২. চীনা নাম: চীনা ভাষায় এর নাম 'কোমোলাংমা' (Qomolangma), যা তিব্বতী নামেরই চীনা উচ্চারণ। নেপালি ভাষায় একে বলা হয় 'সাগরমাথা'। অপশন ২-এ তিব্বতী ও চীনা নামের সঠিক জোড় দেওয়া হয়েছে।
৩৮° উত্তর অক্ষাংশ (38th Parallel) হলো সেই কাল্পনিক রেখা, যা ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে বিভক্ত করেছে। অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: - ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে বিভক্ত করে। - ২৩.৫০° উত্তর অক্ষাংশ হলো কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)।
গড়াই হলো পদ্মা নদীর প্রধান শাখা নদী। এটি কুষ্টিয়া জেলার তালবাড়িয়া নামক স্থানে পদ্মা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। অন্যদিকে, ধলেশ্বরী হলো যমুনা নদীর একটি শাখা নদী। এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে ধলেশ্বরী ও কালীগঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন কর্তৃক সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে প্রকাশিত "বাংলাদেশের নদ-নদী সংজ্ঞা ও সংখ্যা" শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে,
দেশের দীর্ঘতম নদী: - দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা। - নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার। - নদীটি তিন বিভাগের ১২টি জেলার(চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, নাটোর, পাবনা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর) মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। - প্রবেশ পথ - শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। - নদীটির পতনমুখ - মেঘনা (ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর)।
দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী: - দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ইছামতি। - নদীর দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলোমিটার। - নদীটি খুলনা বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। - প্রবেশ পথ - (ভারত) ভৈরব-কপোতাক্ষ (দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা)। - নদীটির পতনমুখ - রায়মঙ্গল (শ্যামনগর, সাতক্ষীরা)।
তৃতীয় দীর্ঘতম নদী: - তৃতীয় দীর্ঘতম নদী সাঙ্গু/ শঙ্খ। - নদীর দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার। - নদীটি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। - প্রবেশ পথ - মিয়ানমার সীমান্ত (থানচি, বান্দরবান)। - নদীটির পতনমুখ - বঙ্গোপসাগর (বাঁশখালী, চট্টগ্রাম)।
বস্তুর ওজন নির্ভর করে অভিকর্ষজ ত্বরণ (g)-এর মানের ওপর (W = mg)। পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোলাকার নয় বরং এটি কমলালেবুর মতো মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। তাই, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব সবচেয়ে কম এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি।
সুত্র অনুযায়ী, কেন্দ্র থেকে দূরত্ব (R) যত কম হয়, অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) তত বেশি হয় (g ∝ 1/R²)। যেহেতু মেরু অঞ্চলে দূরত্ব কম, তাই সেখানে g-এর মান সর্বোচ্চ হয় এবং ফলেই বস্তুর ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়।
কার্টার ডকট্রিন (Carter Doctrine) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পররাষ্ট্রনীতি, যা ১৯৮০ সালে প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ঘোষণা করেছিলেন। এই নীতি অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় অন্য কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ বা নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং তা প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারবে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ নিশ্চিত করা।
বাসেল কনভেনশন (Basel Convention) হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিপজ্জনক বর্জ্যের (Hazardous Wastes) আন্তঃসীমান্ত পরিবহন বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ এবং তাদের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি হয়েছে। অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: - স্টকহোম কনভেনশন জৈব দূষক (POPs) নিয়ে কাজ করে। - রোটারডাম কনভেনশন বিপজ্জনক রাসায়নিক ও কীটনাশকের বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত। - মিনামাটা কনভেনশন পারদ (Mercury) দূষণ নিয়ন্ত্রণের সাথে যুক্ত।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তায় বর্তমানে র্যানসমওয়ার অ্যাটাক (Ransomware Attack) সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি। এটি এমন এক ধরণের ম্যালওয়্যার যা কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ডেটা এনক্রিপ্ট করে দেয় এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য হ্যাকাররা মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, হাসপাতাল এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এই হামলা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারে, যা ফিশিং বা স্প্যামের তুলনায় অনেক বেশি বিধ্বংসী।
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI): বিশ্ব বাণিজ্যের নতুন রূপরেখা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে যখন 'নিউ সিল্ক রোড' বা 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড'-এর ধারণা দেন, তখন থেকেই এটি বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এটি মূলত প্রাচীন সিল্ক রোডের একটি আধুনিক ও বিশাল সংস্করণ।
১. মূল লক্ষ্য ও বিস্তার এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হলো স্থলপথ (সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট) এবং সমুদ্রপথ (২১শ শতাব্দীর মেরিটাইম সিল্ক রোড)-এর একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক তৈরি করা। এর মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা থেকে শুরু করে লাতিন আমেরিকা ও ওশেনিয়া পর্যন্ত দেশগুলোকে সরাসরি বাণিজ্যের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
২. ২০২৬ সালের সর্বশেষ পরিস্থিতি সাম্প্রতিক সময়ে (জানুয়ারি ২০২৬) এই প্রকল্পের আওতায় চীন আরও ২১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের বিশাল এক নতুন বিনিয়োগ চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এর ফলে:
মোট বিনিয়োগ: বর্তমানে এই প্রকল্পের মোট বিনিয়োগ ও চুক্তির পরিমাণ ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। অংশীদার দেশ: বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশ এখন এই মেগা প্রকল্পের সাথে যুক্ত। অগ্রাধিকার প্রাপ্ত অঞ্চল: বর্তমানে আফ্রিকা এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে চীনের বিনিয়োগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের হার সবচেয়ে বেশি।
৩. আগামীর প্রভাব BRI-এর এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি বিশ্ব বাণিজ্যের প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে আবির্ভূত হবে। এটি কেবল পণ্য পরিবহন সহজ করবে না, বরং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অবকাঠামো ও অর্থনীতিতেও ব্যাপক পরিবর্তন আনবে।
সংক্ষেপে: ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলারের এই মহাপরিকল্পনা বিশ্বকে একক বাণিজ্যিক সুতোয় বাঁধার চীনের একটি ঐতিহাসিক প্রচেষ্টা, যা ২০২৬ সালে এসে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
Common but Differentiated Responsibilities (CBDR) নীতিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত আর্থ সামিট (Earth Summit)-এ গৃহীত রিও-ঘোষণা (Rio Declaration)-এর ৭ নম্বর নীতিতে প্রথম স্বীকৃত হয়। এই নীতির মূল কথা হলো, পরিবেশ রক্ষায় সকল রাষ্ট্রের সাধারণ দায়িত্ব থাকলেও, ঐতিহাসিক দায় এবং সক্ষমতা অনুযায়ী উন্নত দেশগুলোর দায়িত্ব উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনায় বেশি এবং ভিন্ন হওয়া উচিত।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।