Solution
Correct Answer: Option C
- ষ্ণ- একটি যুক্তব্যঞ্জন বা যুক্তবর্ণ।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন মূর্ধন্য ষ (ষ্)-এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, তখন সেটি ষ্ণ (ষ্ + ণ) রূপ ধারণ করে।
- ণত্ব বিধান অনুসারে, সাধারণত 'ঋ', 'র', 'ষ'-এর পরে 'ন' থাকলে তা বিবর্তিত হয়ে 'ণ' (মূর্ধন্য ণ) হয়। তাই 'ষ'-এর সাথে যুক্ত হলে সেটি মূর্ধন্য ণ-ই হবে।
• উদাহরণ:
- ষ্ণ (ষ্ + ণ): কৃষ্ণ, উষ্ণ, বিষ্ণু, তৃষ্ণা, বৈষ্ণব।
• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- ষ্ + ম = ষ্ম: এটি দিয়ে গঠিত শব্দ হলো- উষ্ম, গ্রীষ্ম, ভষ্ম। সুতরাং এটি সঠিক নয়।
- ষ্ + ন = ষ্ন: ব্যাকরণগতভাবে 'ষ'-এর পর দন্ত্য 'ন' যুক্ত হওয়ার নিয়ম নেই (ণত্ব বিধান অনুযায়ী)। তবে ইংরেজি শব্দ উচ্চারণে কখনো কখনো এটি দেখা যায় (যেমন- ইষ্টিকুটুম > ষ্টেশন)। কিন্তু 'ষ্ণ' আকৃতিটি 'ষ্+ণ'-এর নির্দেশক।
- ষ্ + হ: মূর্ধন্য ষ-এর সাথে হ-এর যুক্তবর্ণ হয় না।
নোট: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং NCTB পাঠ্যপুস্তক অনুসারে, কৃষ্ণ বা উষ্ণ শব্দে ব্যবহৃত যুক্তবর্ণটি 'ষ্' (মূর্ধন্য ষ) এবং 'ণ' (মূর্ধন্য ণ)-এর সমষ্টি। দেখতে অনেকটা 'ঞ' বা 'হ্ন'-এর মতো মনে হলেও এটি মূলত 'ণ'।