সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ধ্বনির উচ্চারন বিধি

১১১ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'উ' উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
- উচ্চতা: জিব সবচেয়ে উপরে ওঠে, তাই এটি উচ্চ স্বরধ্বনি।
- স্থান: জিব পিছনের দিকে থাকে, তাই এটি পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।
অতএব, 'উ' ধ্বনিটি হলো উচ্চ-পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে উচ্চারণস্থান অনুযায়ী ৫টি বর্গে ভাগ করা হয়েছে :
- ক-বর্গ (কণ্ঠ্য): ক, খ, গ, ঘ, ঙ
- চ-বর্গ (তালব্য): চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
- ট-বর্গ (মূর্ধন্য): ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
- ত-বর্গ (দন্ত্য): ত, থ, দ, ধ, ন
- প-বর্গ (ওষ্ঠ্য): প, ফ, ব, ভ, ম
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের শুরুতে য-ফলা (্য) যুক্ত বর্ণের সাথে 'অ' বা 'আ' ধ্বনি থাকলে য-ফলার উচ্চারণ 'এ্যা'-এর মতো হয় ।
যেমন:
- ব্যস্ত (ব্যাস্তো)
- ব্যয় (ব্যায়)
তাই 'ব্যা'-এর উচ্চারণ 'এ্যা' হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী:
- শব্দে 'হ'-এর সাথে 'ব'-ফলা যুক্ত হলে (হ্ব) তার উচ্চারণ 'ওভ' বা 'হোভ'-এর মতো হয় ।
- তাই 'আহ্বান' শব্দটির প্রমিত বাংলা উচ্চারণ হবে 'আওহোভান' ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের শুরুতে য-ফলা যুক্ত হলে এবং কোনো স্বরচিহ্ন না থাকলে তার উচ্চারণ সংবৃত না হয়ে বিবৃত বা 'অ্যা' ধ্বনির মতো হয় । মুখ বেশি খোলা রেখে এই উচ্চারণ হয় দেখে একে বিবৃত বলে।
উদাহরণ:
- ব্যথা (ব্যাথা)
- ব্যাকরণ (ব্যাঁকরণ)
তাই সঠিক উত্তর বিবৃত বা 'অ্যা' ধ্বনির মতো।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'এক' শব্দে 'এ' বর্ণটি তার স্বাভাবিক রূপ [এ]-এর মতো উচ্চারিত না হয়ে 'অ্যা'-এর মতো [অ্যাক] উচ্চারিত হয় । বাংলা ব্যাকরণে 'এ' ধ্বনি যখন সংবৃত বা অবিকৃত না হয়ে 'অ্যা'-এর মতো প্রসারিত হয়ে উচ্চারিত হয়, তখন তাকে 'এ' ধ্বনির বিবৃত উচ্চারণ বলা হয় ।
- 'এ'-এর সংবৃত (স্বাভাবিক) উচ্চারণ: [এ] (যেমন: মেঘ, স্নেহ)
- 'এ'-এর বিবৃত (বিকৃত) উচ্চারণ: [অ্যা] (যেমন: এক, খেলা) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় 'অ' ধ্বনির উচ্চারণ প্রধানত দুই ধরনের: বিবৃত (স্বাভাবিক) ও সংবৃত । 'অ' ধ্বনির উচ্চারণ সংবৃত বা সংকুচিত হলে তা 'ও' ধ্বনির মতো উচ্চারিত হয় ।
উদাহরণ:-
- অতি (উচ্চারণ: ওতি)
- নদী (উচ্চারণ: নোদি)

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের মধ্যে বা শেষে 'ম-ফলা' যুক্ত হলে ব্যঞ্জনবর্ণটির উচ্চারণ দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য নাসিক্য ভাব যুক্ত হয় ।
উদাহরণ:
- আত্মীয় = [আত্তাঁও]
- পদ্ম = [পদ্দাঁ]
এখানে 'ত' ও 'দ' বর্ণ দ্বিত্ব উচ্চারিত হয়েছে এবং কিছুটা অনুনাসিক হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
শব্দের আদিতে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব-ফলা যুক্ত হলে ব-ফলার কোনো উচ্চারণ হয় না ।
উদাহরণ:
- ত্বক (উচ্চারণ: তক্)
- স্বাধীন (উচ্চারণ: শাধ্যিন্)
- শ্বশুর (উচ্চারণ: শোশুর্)
তাই শব্দের শুরুতে যুক্ত ব-ফলা অনুচ্চারিত থাকে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
• ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের স্থান ও প্রকৃতি অনুযায়ী তাদের বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। 'ন' ধ্বনিটি উচ্চারণের সময়:
- জিহ্বার ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়া বা দন্তমূলকে স্পর্শ করে। একারণে এটি একটি দন্ত্য বর্ণ।
- একই সাথে ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখ দিয়ে বের না হয়ে নাক দিয়ে বের হয়। একারণে এটি একটি নাসিক্য বর্ণ।
- এই দুটি বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে 'ন'-কে দন্ত্য-নাসিক্য বর্ণ বলা হয়।
- ত-বর্গের (ত, থ, দ, ধ, ন) পঞ্চম বর্ণ হওয়ায় এটি দন্ত্য এবং নাসিক্য উভয় বৈশিষ্ট্যই ধারণ করে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ভাষায় ‘অ’ ধ্বনি দুই রকমভাবে উচ্চারিত হয়—
- সংক্ষিপ্ত বা সংক্ষিপ্ত-অ (অ) – যেমন: অজ, অনেক, অতুল
- বিবৃত বা প্রসারিত-অ (আসন্ন আ ধ্বনির মতো) – যেমন: অন্যায়, অধ্যয়ন, অন্ন, সংখ্যা
- ‘অন্যায়’ শব্দে
প্রথম ‘অ’ (অन्) উচ্চারণের সময় মুখ কিছুটা বেশি খোলা হয়, এবং স্বরযন্ত্রে ধ্বনি প্রসারিতভাবে (বিবৃতভাবে) উচ্চারিত হয়।
অর্থাৎ, এটি বিবৃত ‘অ’ ধ্বনি — যা সংক্ষিপ্ত নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার গোড়ার অংশ বা জিহ্বামূল নরম তালু বা কণ্ঠের কাছাকাছি অংশ স্পর্শ করে, তাদের কণ্ঠ্যধ্বনি বলা হয়।
- 'ক' বর্গীয় ধ্বনিগুলো (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয়, তাই এদের কণ্ঠ্যধ্বনি বলা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধ্বনিগুলোর উচ্চারণস্থান:

• ক খ গ ঘ ঙ - কণ্ঠ্য,
• চ ছ জ ঝ ঞ - তালব্য,
• ট ঠ ড ঢ ণ - মূর্ধন্য,
• ত থ দ ধ ন - দন্ত্য,
• প ফ ব ভ ম - ওষ্ঠ্য।

সে অনুসারে,
‘ছাদবাগান’ শব্দটিতে ধ্বনিসমূহের উচ্চারনের স্থানসমূহ যথাক্রমে- তালু, দন্ত্য, ওষ্ঠ্য, কণ্ঠ্য, দন্ত্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে স্বরধ্বনি উচ্চারণকালে মুখবিবর সংকুচিত হয় তাকে সংবৃত স্বরধ্বনি বলে।
- সংবৃত স্বরধ্বনি ৪টি ।
- যথা: ই, উ, এ, ও।

- যে স্বরধ্বনি উচ্চারণকালে মুখবিবর বিবৃত বা প্রসারিত হয় তাকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলে।
- বিবৃত স্বরধ্বনি ৩টি।
- যথা: অ, আ, অ্যা।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বর্ণ ঃ উচ্চারণ স্থানগত অবস্থান- 
- ক  খ  গ  ঘ  ঙ ঃ কণ্ঠ বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ
- চ  ছ  জ  ঝ  ঞ  শ  য  য় ঃ তালব্য বর্ণ
- ট  ঠ  ড  ঢ  ণ  ষ  র  ড়  ঢ় ঃ মূর্ধণ্য বা পশ্চাত দন্তমূলীয় বর্ণ
- ত  থ  দ  ধ  ন  ল  স ঃ দন্ত বর্ণ
- প  ফ  ব  ভ  ম ঃ ওষ্ঠ্য বর্ণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ট, ঠ, ড, ঢ, ণ' এই পাঁচটি বর্ণকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলা হয় ।
- এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ বা জিভের ডগা উল্টে গিয়ে ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে বা মূর্ধাকে স্পর্শ করে ।
- তাই উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এই বর্ণগুলোই সঠিক উত্তর।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি এক প্রয়াসে ও দ্রুত উচ্চারিত হয়ে যদি একটি যুগ্মধ্বনিতে রূপ নেয় তবে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা সন্ধিস্বর বা দ্বিস্বর বলা হয়।
- বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশ।
- তবে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ মাত্র ২টি- ঐ এবং ঔ।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
শ, ষ, স এর উচ্চারণ:
- শ কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- স কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, আবার কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- ষ বর্ণের উচ্চারণ সব সময়ে [শ]।

উদাহরণ:
- শ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: শত [শতো], শসা [শশা]।
- শ বর্ণের [স] উচ্চারণ: শ্রমিক [স্রোমিক্‌], শৃগাল [সৃগাল্‌]।
- ষ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: ভাষা [ভাশা], ষােলাে [শােলাে]।
- স বর্ণের [শ) উচ্চারণ: সাধারণ [শাধারােন], সামান্য [শামান্‌নো] ।
- স বর্ণের [স] উচ্চারণ: আস্তে [আসতে], সালাম [সালাম্‌]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'অদ্য' শব্দটিতে 'অ' বর্ণের উচ্চারণ [ও] এর মতো হবে। 

- 'অ' বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম। যথা: [অ] এবং [ও] । সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।

-  ‘অ' বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক [অনেক], কথা [কথা], অনাথ [অনাথ] ।

- ‘অ’ বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোখো], অদ্য [ওদো]।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বর্ণমালায় অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ বর্ণ রয়েছে । অল্পপ্রাণ বর্ণ উচ্চারণে অ - যোগ করতে হয় আর মহাপ্রাণ বর্ণে অ+ হ উচ্চারণ করতে হয় ।যেমন - খ-অ+হ । ঝ- অ +হ্ন
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক  খ  গ  ঘ  ঙ ঃ কণ্ঠ বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ
- চ  ছ  জ  ঝ  ঞ  শ  য  য় ঃ তালব্য বর্ণ
- ট  ঠ  ড  ঢ  ণ  ষ  র  ড়  ঢ় ঃ মূর্ধণ্য বা পশ্চাত দন্তমূলীয় বর্ণ
- ত  থ  দ  ধ  ন  ল  স ঃ দন্ত বর্ণ
- প  ফ  ব  ভ  ম ঃ ওষ্ঠ্য বর্ণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
উচ্চারণকার্য বা কথা বলার জন্য আমাদের শরীরের যে অঙ্গগুলো একসাথে কাজ করে, তাদেরকে একত্রে বাগযন্ত্র বলে। ধ্বনি উচ্চারণের সাথে প্রধান ১২টি অঙ্গ বা ইন্দ্রিয় জড়িত থাকে। অঙ্গগুলো হলো:
- ফুসফুস, শ্বাসনালি, স্বরযন্ত্র ও স্বরতন্ত্রী
- জিভ, আলজিভ, কোমল তালু ও শক্ত তালু
- দাঁত, দাঁতমূল বা মাড়ি, ঠোঁট ও নাসিকা (নাক)
এই অঙ্গগুলোর সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমেই আমরা কথা বলি।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'সামান্য' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ - শামান্‌নো।

শ, ষ, স এর উচ্চারণ:
- শ কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- স কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, আবার কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়।
- ষ বর্ণের উচ্চারণ সব সময়ে [শ]।

উদাহরণ:
- শ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: শত [শতো], শসা [শশা]।
- শ বর্ণের [স] উচ্চারণ: শ্রমিক [স্রোমিক্‌], শৃগাল [সৃগাল্‌]।
- ষ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: ভাষা [ভাশা], ষােলাে [শােলাে]।
- স বর্ণের [শ) উচ্চারণ: সাধারণ [শাধারােন], সামান্য [শামান্‌নো] ।
- স বর্ণের [স] উচ্চারণ: আস্তে [আসতে], সালাম [সালাম্‌]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ওষ্ঠ মানে হলো আমাদের ঠোঁট ।
- যে ব্যঞ্জনবর্ণগুলো উচ্চারণের সময় ওপরের ও নিচের ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, তাদের ওষ্ঠ্য বর্ণ বলে ।
- নিজে 'প, ফ, ব, ভ, ম' উচ্চারণ করে দেখো, তোমার দুই ঠোঁট একসাথে মিলে যাচ্ছে! তাই এগুলো ওষ্ঠ্য বর্ণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'ল' একটি দন্ত্য ব্যঞ্জনবর্ণ।
- এই বর্ণটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উপরের পাটির দাঁতের গোড়ায় বা দন্তমূলে স্পর্শ করে।
- যেহেতু জিহ্বা দাঁতকে স্পর্শ করে এই ধ্বনিটি তৈরি করে, তাই একে দন্ত্য বর্ণ বলা হয়।
- উচ্চারণরীতি অনুযায়ী 'ল'-কে পার্শ্বিক ধ্বনিও বলা হয়।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
'ন' এবং 'স' উচ্চারণের সময় জিভের ডগা ওপরের পাটির দাঁতের গোড়া বা দন্তমূলে লেগে বাতাস বেরিয়ে যেতে বাধা দেয় । তাই সঠিক নিয়মে এরা দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনবর্ণ ।
- উচ্চারণে দাঁতের সাহায্য লাগে বলে প্রচলিতভাবে এদের দন্ত্য ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়।
- 'ন, র, ল, স' মূলত দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী দন্ত্য বর্ণ ৭ টি। যথা- ত, থ, দ, ধ, ন, ল, স।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
‘ট’ বর্গের বর্ণগুলো (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) উচ্চারণের সময় আমাদের জিভের ডগা উল্টিয়ে ওপরের পাটির দাঁতের গোড়ার পেছনের উঁচু অংশকে স্পর্শ করে। মুখের ভেতরের এই উঁচু অংশটির নাম হলো ‘মূর্ধা’ ।
- যেহেতু এই বর্ণগুলো মূর্ধাকে স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়, তাই এদের মূর্ধন্য বর্ণ বলা হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বর্ণ ঃ উচ্চারণ স্থানগত অবস্থান- 
- ক  খ  গ  ঘ  ঙ ঃ কণ্ঠ বা জিহ্বামূলীয় বর্ণ
- চ  ছ  জ  ঝ  ঞ  শ  য  য় ঃ তালব্য বর্ণ
- ট  ঠ  ড  ঢ  ণ  ষ  র  ড়  ঢ় ঃ মূর্ধণ্য বা পশ্চাত দন্তমূলীয় বর্ণ
- ত  থ  দ  ধ  ন  ল  স ঃ দন্ত বর্ণ
- প  ফ  ব  ভ  ম ঃ ওষ্ঠ্য বর্ণ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions প্রাইমারি
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব বর্ণ উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখের ভেতরের তালু স্পর্শ করে, তাদের তালব্য বর্ণ বলে ।
- 'ই' ও 'ঈ' উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুকে স্পর্শ করে, তাই এরা তালব্য বর্ণ ।
- 'উ' এবং 'ঊ' হলো ওষ্ঠ্য বর্ণ ।
- 'এ', 'ঐ' কণ্ঠতালব্য এবং 'ও', 'ঔ' কণ্ঠৌষ্ঠ্য বর্ণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।