- বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করার জন্য এবং পড়ার সময় শ্বাস নেওয়ার সুবিধার জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাদের যতি চিহ্ন, বিরাম চিহ্ন বা ছেদ চিহ্ন বলা হয়। - এই চিহ্নগুলো বাক্যের বিভিন্ন আবেগ (যেমন: বিস্ময়, প্রশ্ন, অনুরোধ) এবং সমাপ্তি নির্দেশ করে। - যেমন: দাঁড়ি (।), কমা (,), প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?), বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ইত্যাদি।
"কোলন" যতিচিহ্ন: একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্য লিখতে হলে কোলন ব্যবহার করতে হয়। যেমন: 'সভায় ঠিক করা হল: এক মাস পর আবার সভা অনুষ্ঠিত হবে।'
নিম্নলিখিত স্থানে কোলন ব্যবহৃত হয় - কয়টা বাজে কত মিনিট তা সংখ্যায় নির্দেশ করতে। যেমন: ৮: ৫০। বাক্যে কোনো প্রসঙ্গ অবতারণার আগে কোলন বসে। যেমন: আমি বললাম : পাশ করবই। নাটকের চরিত্রের পরে ও সংলাপের আগে। যেমন: রাজা: উজিররা সবাই এসে হাসির হও।
মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়। তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে ‘কমা’ বসে। যেমন: - ১৯শে আশ্বিন, বৃহস্পতিবার, ১৪২৫ সালে মীম বান্দরবান জেলায় জন্মগ্রহণ করে।
- প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন ৩টি। যথা: দাঁড়ি, প্রশ্নচিহ্ন ও বিস্ময়চিহ্ন। - বাক্যের অভ্যন্তরে বসে ৩টি বিরাম চিহ্ন। যথা: কমা, সেমিকোলন ও ড্যাস। - একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোলন ব্যবহৃত হয়। - যেমন: সভায় সাব্যস্ত হলো: এক মাস পরে নতুন সভাপতি নির্বাচিত করা হবে।
বাক্যের শেষে বসে ৩টি যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন। এগুলো হলোঃ দাঁড়ি চিহ্ন, প্রশ্নবোধক চিহ্ন এবং বিস্ময় চিহ্ন। এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বলে। (বোর্ড বই অনুসারে)। কিছু বইতে ৪টি দেওয়া আছে, দাঁড়ি ,দুই দাঁড়ি চিহ্ন মূলত পদ্যে ব্যবহৃত হয়। প্রাচীনকাল পদ্যে প্রথম চরণে এক দাঁড়ি ও দ্বিতীয় চরণে দাঁড়ি ব্যবহৃত হতো । বোর্ড বই অনুসারে আমাদের ৩টি দিতে হবে।
- সম্বোধন পদের শেষে কমা বসে। - প্রত্যেক উক্তির পূর্বে সূচক বাক্যের শেষে কমা বসে। - বড় রাশিকে স্পষ্ট করে বুঝানোর জন্য কমা বসে। - শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমা বসে। - বাড়ী বা রাস্তার নামের পরে কমা বসে। - বাক্য পাঠকালে সুস্পষ্টত বা অর্থ-বিভাগ দেখাবার জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা ব্যবহৃত হয় ।
- যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে দুই বা তারচেয়েও বেশি পৃথক বাক্য লেখার সময় তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে ড্যাস চিহ্ন ব্যবহার করা যায়। - যেমন - তোমরা দরিদ্রের উপকার কর - এতে তোমাদের সম্মান যাবে না - বাড়বে। - এছাড়াও এক বাক্যের সঙ্গে অন্য বাক্যের সংমিশ্রণে ড্যাস চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ত্রিবিন্দু ( ... )-কোনো অংশ বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দুর ব্যবহার হয়। - যেমনঃ তিনি রেগে গিয়ে বললেন, “তার মানে তুমি একটা ...।আমাদের ঐক্য বাইরের। ... এ ঐক্য জড় অকর্মক, সজীব সকর্মক নয়।"
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- ‘মাথার ’পরে জ্বলছে রবি’ বাক্যে ব্যবহৃত চিহ্নটি হলো ইলেক বা লোপ চিহ্ন (’)। - এটি এমন একটি চিহ্ন যা কোনো শব্দের একটি অংশ বা বর্ণ লোপ পেলে তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, এখানে ‘পরে’ শব্দটি ‘ওপরে’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। ইলেক চিহ্ন ব্যবহার করে এটি বোঝানো হয়েছে।
প্রদত্ত বাক্যটিতে সঠিক বিরাম চিহ্ন বসালে বাক্যটির রূপ হবে: 'অর্থাৎ যা কখনো ঘটে না, তাই ঘটলো সেদিন— আগুনে দগ্ধ হলো জল।'
এখানে মোট তিনটি বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে: ১. কমা (,): 'ঘটে না' অংশের পর সামান্য বিরতি বোঝাতে। ২. ড্যাশ (—): 'সেদিন' শব্দের পর পূর্ববর্তী কথার দৃষ্টান্ত বা বিশদ অর্থ তুলে ধরতে। ৩. দাঁড়ি (।): বাক্যের শেষে সম্পূর্ণ বিরতি নির্দেশ করতে।
মুখের কথাকে লিখিত রুপ দেয়ার সময়ে কম -বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয় ,সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। বাক্যের কোন অংশ বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দু যতিচিহ্নের ব্যবহার হয় ।
- কোনো কিছু উদ্ধৃত করার কাজে বা সংলাপে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। - এ চিহ্ন দুই রকম (একক ও দ্বৈত)। যেমন: ‘সিরাজউদ্দৌলা একটি ঐতিহাসিক নাটক। শিক্ষক বললেন, “গতকাল তুরস্কে ভয়ানক ভূমিকম্প হয়েছে।”
বাংলা ব্যাকরণে কোনো শব্দ থেকে কোনো বর্ণের লোপ বা বিলুপ্তি ঘটলে তা বোঝানোর জন্য ইলেক বা লোপ চিহ্ন (') ব্যবহার করা হয়।
- এই চিহ্নটি বিলুপ্ত বর্ণের স্থানে বসে এবং উচ্চারণের সময় সেই বিলুপ্ত বর্ণটিকে ছাড়াই শব্দটি পড়া হয়। - এটি সাধারণত কবিতায় ছন্দের মিল রাখার জন্য বা কথ্য ভাষার রূপ লেখায় ফুটিয়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ: - মাথার 'পরে (ওপরে) হাত রেখে দোয়া করে দাও। - এটা তার' (তাহার) নয়। - দু'জন (দুইজন) লোক এদিকে আসছে।
- হাইফেন এর অপরনাম সংযোগ চিহ্ন। - সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য হাইফেনের ব্যবহার হয়। - যেমন: জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকেই দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
উদাহরণ প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোলনড্যাস ( :- ) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যেমন - পদ পাঁচ প্রকার :- বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।
যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বক্যের সমন্বয় বোঝাতে ড্যাস ব্যবহৃত হয়। যেমন - তোমরা দরিদ্রের উপকার কর - এতে তোমাদের সম্মান যাবেনা - বাড়বে।
বাক্যের কোনো উক্তি অসমাপ্ত রাখার ইঙ্গিতে কিংবা বাক্যের একটি অংশের কোনো বক্তব্য বিশদ করে বোঝাতে ড্যাশ (—) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
ড্যাশ চিহ্নের ব্যবহার: - অসমাপ্ত উক্তি বোঝাতে: যখন বক্তা তার কথা শেষ না করেই থেমে যান। যেমন: 'আমি তাকে বলেছিলাম, কিন্তু—' - দৃষ্টান্ত বা বিবরণ দিতে: বাক্যের কোনো অংশের বিশদ ভাব প্রকাশ করতে। যেমন: 'তার একটাই লক্ষ্য— পরীক্ষায় প্রথম হওয়া।' - ড্যাশ চিহ্নে থামার সময়কাল হলো এক সেকেন্ড।
যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে দুই বা তারচেয়েও বেশি পৃথক বাক্য লেখার সময় তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে ড্যাস চিহ্ন ব্যবহার করা যায়। যেমন - তোমরা দরিদ্রের উপকার কর - এতে তোমাদের সম্মান যাবে না - বাড়বে। এছাড়াও এক বাক্যের সঙ্গে অন্য বাক্যের সংমিশ্রণে ড্যাস চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কোলন : একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্য লিখতে হলে কোলন ব্যবহার করতে হয়। যেমন - সভায় ঠিক করা হল : এক মাস পর আবার সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেমিকোলন (;) : কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতি দেয়ার জন্য সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন - আমরা সবাই সবাইকে ভালবাসি; আসলেই কি সবাই ভালবাসি?হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন : সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেন ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, দুটি পদ একসঙ্গে লিখতে গেলে হাইফেন দিয়ে লিখতে হয়। যেমন - সুখ - দুঃখ, মা - বাবা।
শূন্যস্থান পূরণের ক্ষেত্রে লুপ্ত জায়গায় বা ফাঁকা স্থানে সাধারণত ড্যাশ (—) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- কোনো বাক্যের অংশবিশেষ বাদ দিয়ে সেখানে সঠিক শব্দ বসানোর নির্দেশ দিতে এই চিহ্নটি দেওয়া হয়। - উদাহরণ: বাংলাদেশের রাজধানীর নাম ———। - শূন্যস্থান নির্দেশ করতে একাধিক হাইফেন বা লম্বা ড্যাশ ব্যবহার করা হয়। এটি হাইফেন (-)-এর চেয়ে আকারে বড় হয় এবং এখানে এক সেকেন্ড থামতে হয়।
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, দুটি পদ বা শব্দকে যুক্ত করে একটি নতুন শব্দ গঠনে মূলত হাইফেন (-) বা সংযোগ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যেমন: 'মা-বাবা', 'চা-বিস্কুট'।
- সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দেখানোর জন্য হাইফেনের প্রয়োগ ঘটে। - বি.দ্র.: প্রদত্ত উত্তরে 'ড্যাশ' দেওয়া থাকলেও, প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দ গঠনে হাইফেন ব্যবহৃত হয়। ড্যাশ (—) আকারে বড় এবং এটি সাধারণত বাক্যের মাঝে দৃষ্টান্ত বা অসমাপ্ত উক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, শব্দ গঠনে নয়।
⇒ সঠিক উত্তর: বিস্ময়সূচক, দাঁড়ি • 'হায়' শব্দটি একটি আবেগ বা বিস্ময়সূচক অব্যয়। তাই নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটির পরে একটি বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) বসবে। • অন্যদিকে, 'এ আমার কী হলো' বাক্যটি দিয়ে মনের একটি আক্ষেপ বা পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি বোঝানো হয়েছে। একটি সাধারণ বা পূর্ণাঙ্গ বাক্যের শেষে সর্বদা দাঁড়ি (।) বসে। • সুতরাং সঠিক বাক্যটি হবে: "হায়! এ আমার কী হলো।"
- বাক্যের পরিসমাপ্তি বোঝাতে দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করতে হয়। - দাড়ি চিহ্ন থাকলে এক সেকেন্ড বিরতির প্রয়োজন হয়। - যেমন: শীতকালে এ দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকে। প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
সেমিকোলন (;) হলো এমন একটি যতি চিহ্ন যা বাক্যের মধ্যকার বিরতিকাল নির্দেশ করে। - কমা (,) অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে। এটি এক সেকেন্ডের সমপরিমাণ বিরতি নির্দেশ করে। - স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে বা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। - যেমন: সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি। কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়। - একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে সেমিকোলন বসে। যেমন: সংসারের মায়াজালে আবদ্ধ আমরা; সে মায়ার বাঁধন কি সত্যিই দুশ্ছেদ্য?
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন(জেনারেল) - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (৫ম ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ মে, ২০২৬। মোট পরীক্ষা – ১২০টি। টপিক ভিত্তিক – ১০০টি। রিভিশন – ২০টি। প্রতিদিন পরীক্ষা।
Subjective Exam হিসাব বিজ্ঞান ১২ মে থেকে শুরু হবে, এই সপ্তাহে আরও দুইটি বিষয়ের রুটিন দেওয়া হবে।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।