সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

সন্ধি

৬২৩ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
'কাঁদ্ + না = কান্না' - এটি একটি খাঁটি বাংলা সন্ধি-এর উদাহরণ।

ব্যাকরণগত নিয়ম:
খাঁটি বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধিতে অনেক ক্ষেত্রেই সমীভবন-এর নিয়ম পরিলক্ষিত হয়। পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে একই রকম ধ্বনিতে পরিণত হলে তাকে পরাগত সমীভবন বলে।

- প্রগত সমীভবন: আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি বদলায়।
- পরাগত সমীভবন: পরের ধ্বনির প্রভাবে আগের ধ্বনি বদলায়।

এখানে 'কাঁদ্ + না' সন্ধিতে পরের ধ্বনি 'ন'-এর প্রভাবে আগের 'দ' ধ্বনিটি বদলে 'ন' হয়ে গেছে এবং 'কান্না' শব্দটি গঠিত হয়েছে। যেহেতু শব্দগুলো বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ (তদ্ভব বা দেশি শব্দ) এবং এটি সংস্কৃত বা তৎসম ভাষার নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি, তাই এটি খাঁটি বাংলা সন্ধির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'উন্নীত' শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো উৎ + নীত।

ব্যাকরণগত নিয়ম:
তৎসম ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'ত্' (বা ৎ) কিংবা 'দ্'-এর পর 'ন্' বা 'ম্' থাকলে পূর্ববর্তী 'ত্' বা 'দ্' স্থানে 'ন্' হয়।

এখানে 'উৎ' শব্দের শেষে 'ৎ' (ত্) ধ্বনি এবং 'নীত' শব্দের শুরুতে 'ন্' ধ্বনি রয়েছে। এই দুটি ধ্বনি মিলিত হয়ে 'ন্ন' (ন্ + ন্) যুক্তবর্ণ তৈরি করেছে। ফলে 'উৎ + নীত' মিলে 'উন্নীত' শব্দটি গঠিত হয়েছে। 'উন্নীত' শব্দের অর্থ হলো যা উঁচুতে তোলা হয়েছে বা উন্নতি লাভ করেছে এমন।

অন্যদিকে, 'উন্ + নীত', 'উদ্‌ + নীত' এবং 'উত + নীত' সন্ধি-বিচ্ছেদগুলো ভুল। কারণ, এগুলো তৎসম ব্যঞ্জনসন্ধির এই নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'কূলটা' শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো কূল + অটা । বাংলা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী অ-কারের পর অ-কার থাকলে উভয় মিলে 'আ-কার' হওয়া উচিত ছিল । কিন্তু 'কুলটা' শব্দটি সাধারণ নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি । ব্যাকরণে নিয়মবহির্ভূতভাবে বা ব্যতিক্রম হিসেবে গঠিত এই ধরনের সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি বলা হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'দুলোক' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো দিব্ + লোক ।
- এটি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি ।
- এখানে 'দিব্' অর্থ স্বর্গ এবং 'লোক' অর্থ ভুবন ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
অ-কার বা আ-কারের পর 'ঋত' শব্দ থাকলে উভয়ে মিলে 'আর' হয় । ফলে পূর্ববর্তী বর্ণে আ-কার এবং পরে রেফ (র্) যুক্ত হয় ।
- অ + ঋ = আর
- শীত + ঋত = শীতার্ত
সুতরাং, 'শীতার্ত' এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো শীত + ঋত ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, পদের শেষে ৎ এবং পরে ঘোষ ধ্বনি ব থাকলে ৎ উঠে বর্গের ৩য় ধ্বনি দ্ হয় ।
এখানে, জগৎ-এর ৎ ও বন্ধু-এর ব মিলে দ্ হয়ে জগদ্বন্ধু গঠিত হয়েছে ।
- জগৎ + বন্ধু = জগদ্বন্ধু ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
এটি একটি স্বরসন্ধি। নিয়ম অনুসারে, পূর্বপদের শেষে ই-কার (ি) এবং পরপদের শুরুতে অ থাকলে 'ই + অ' মিলে য-ফলা (্য/্যা) হয় ।
এখানে, 'যদি' শব্দের শেষধ্বনি 'ই' এবং 'অবধি' শব্দের প্রথমধ্বনি 'অ' যুক্ত হয়ে 'যদ্যাবধি' গঠিত হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ই-কার (ি)-এর পর অন্য স্বরধ্বনি (ঊ) থাকলে ই-কার স্থানে য-ফলা (্য) হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনি (ঊ-কার) যুক্ত হয় ।
- নিয়ম: ই + ঊ = ্য + ূ (য-ফলা ও ঊ-কার) ।
- বিশ্লেষণ: 'প্রতি' শব্দের 'ই' এবং 'ঊষ' শব্দের 'ঊ' মিলে 'প্রত্যূষ' গঠিত হয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'অপেক্ষা' শব্দটির সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো অপ + ঈক্ষা ।
- অ-কারের পর ঈ-কার থাকলে উভয় মিলে এ-কার (ে) হয় ।
- অপ (অ) + ঈক্ষা (ঈ) = অপেক্ষা (এ-কার যুক্ত হয়ে গঠিত) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
উৎস বা প্রকৃতিগত দিক থেকে বিসর্গকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
- র-জাত বিসর্গ: 'র্' স্থানে যে বিসর্গ হয়। যেমন: প্রাতর্ > প্রাতঃ।
- স-জাত বিসর্গ: 'স্' স্থানে যে বিসর্গ হয়। যেমন: নমস্ > নমঃ।
মূলত 'র্' ও 'স্' এর সংক্ষিপ্ত রূপই হলো বিসর্গ (ঃ)।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বদ্' শব্দের 'দ্' হলো ত-বর্গীয় ধ্বনি এবং 'জাত' শব্দের 'জ্' হলো চ-বর্গীয় ধ্বনি।
সন্ধির নিয়মে ত-বর্গীয় ধ্বনির পর চ-বর্গীয় ধ্বনি এলে ত-বর্গীয় ধ্বনিটি চ-বর্গীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে 'দ্' ধ্বনিটি 'জ্'-এ পরিণত হয়ে 'দ্' + 'জ্' = 'জ্জ' (তজ্জাত) হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণ নিয়মে অ-কারের পর ঊ-কার থাকলে ও-কার (ো) হয় । কিন্তু অক্ষ + ঊহিণী = অক্ষৌহিণী শব্দে নিয়ম না মেনে ও-কারের পরিবর্তে ঔ-কার (ৌ) হয়েছে ।
যেসব স্বরসন্ধি ব্যাকরণের কোনো সাধারণ নিয়ম না মেনে স্বয়ংসিদ্ধভাবে গঠিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে । তাই অক্ষৌহিণী নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্বরসন্ধির নিয়ম:
- ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার স্থানে 'য-ফলা' (্য) হয়।
- 'অতি' শব্দের শেষে 'ই-কার' এবং 'উক্তি' শব্দের শুরুতে ভিন্ন স্বর 'উ' রয়েছে।
- ফলে ই-কার স্থানে য-ফলা (্য) এবং উ-কার যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে অত্যন্তুক্তি (অতি + উক্তি)।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ-কার বা আ-কারের পর 'ঋত' শব্দ থাকলে উভয় মিলে 'আর' হয় । এতে পূর্ববর্তী বর্ণে 'আ-কার' এবং পরবর্তী বর্ণে 'রেফ' যুক্ত হয় ।
উদাহরণ:
- শীত + ঋত = শীতার্ত (অ + ঋ = আর)
- তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত (আ + ঋ = আর)
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'যা + ইচ্ছা + তাই = যাচ্ছেতাই' খাঁটি বাংলা স্বরসন্ধির নিয়ম। এখানে 'যা' এর শেষে 'আ' এবং 'ইচ্ছা' এর শুরুতে 'ই' ধ্বনি আছে। খাঁটি বাংলা স্বরসন্ধিতে পাশাপাশি দুটি স্বরের শেষেরটি লোপ পায় । তাই 'আ' ও 'ই' এর মধ্যে শেষের 'ই-কার' লোপ পেয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন । পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনি মিলে এক হওয়াকে সন্ধি বলে ।
সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য দুটি:
- উচ্চারণের সুবিধা বা সহজপ্রবণতা তৈরি করা ।
- ধ্বনিকে শ্রুতিমধুর বা ধ্বনিগত মাধুর্য দান করা ।
যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যেসব সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম না মেনে সাধিত হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
এখানে 'বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি' ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুসরণ না করেই গঠিত হয়েছে।
তাই এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ব্যাকরণের রীতি অনুযায়ী বাংলা ভাষায় সন্ধি প্রধানত তিন প্রকার ।
এগুলো হলো:
- স্বরসন্ধি
- ব্যঞ্জনসন্ধি
- বিসর্গ সন্ধি
খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি ২ প্রকার হলেও তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে বিসর্গ সন্ধিসহ মোট ৩ প্রকার সন্ধি হয়ে থাকে ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘উ-কার’ (ু) + ‘উ-কার’ (ু) = ‘ঊ-কার’ (ূ) হয় ।
এখানে-
- মরু শব্দের শেষে ‘উ’ ।
- উদ্যান শব্দের শুরুতে ‘উ’ ।
উভয় ‘উ’ মিলে ‘ঊ-কার’ (ূ) গঠন করায় সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো মরু + উদ্যান ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
'চতুষ্পদ' শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত ।
নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পূর্বে 'উ' ধ্বনি (চতুঃ) এবং পরে 'প' বর্ণ থাকলে বিসর্গটি (ঃ) পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য 'ষ' হয় ।
যেমন: চতুঃ + পদ = চতুষ্পদ ।
তাই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো চতুঃ + পদ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
এটি স্বরসন্ধির নিয়ম । ই-কার-এর পর 'উ' থাকলে 'ই' স্থানে য-ফলা (্য) হয় ।
এখানে উপরি-এর 'ই' এবং উক্ত-এর 'উ' মিলে '্য+ু' (্যু) গঠিত হয়েছে ।
সুতরাং: উপরি + উক্ত = উপর্যুক্ত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম। ক্-এর পর ঘোষ ধ্বনি (যেমন- ধ) থাকলে ক্-ধ্বনিটি একই বর্গের ৩য় বর্ণ 'গ্'-তে রূপান্তরিত হয় ।
যেমন:
- বাক্ (ক্) + ধারা (ধ) = বাগধারা (গ্) ।
সুতরাং, ‘বাগধারা’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ বাক্ + ধারা ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আব হয়।
যেমন-
নৈ + অক = নায়ক,
গৈ + অক = গায়ক,
পো + অন = পবন,
গো + এষণা = গবেষণা,
নৌ + ইক = নাবিক,
পো + ইত্র = পবিত্র,
গো + আদি = গবাদি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'অতএব'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: অতঃ + এব। 

- এটি একটি বিসর্গ সন্ধি।
- নিয়মটি হলো, অ-কারের পরস্থিত বিসর্গের (অঃ) পর অ-কার ভিন্ন অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গটি লোপ পায় অর্থাৎ বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- এখানে, 'অতঃ' শব্দে 'ত'-এর সাথে থাকা 'অ'-কারের পর বিসর্গ (ঃ) রয়েছে।
- এরপর 'এব' শব্দের শুরুতে 'এ'-কার আছে, যা 'অ'-কার ভিন্ন একটি স্বরধ্বনি।
- ফলে নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গটি লোপ পেয়ে দুটি শব্দ মিলিত হয়ে 'অতএব' গঠিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'চলচ্ছক্তি'-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: চলৎ + শক্তি। 

- এটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম।
- নিয়মটি হলো, 'ত্' বা 'দ্'-এর পর 'শ' থাকলে, 'ত্' বা 'দ্'-এর স্থলে 'চ' এবং 'শ'-এর স্থলে 'ছ' হয়। এই দুটি মিলে 'চ্ছ' তৈরি হয়।
- এখানে, 'চলৎ' শব্দের শেষে 'ত্' রয়েছে।
- এরপর 'শক্তি' শব্দের শুরুতে 'শ' রয়েছে।
- সন্ধির নিয়ম অনুসারে 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'চ' এবং 'শ' পরিবর্তিত হয়ে 'ছ' হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সম্’ উপসর্গের পর ‘কৃ’ ধাতু থেকে উদ্ভূত পদ (যেমন – কার, কৃত, কৃতি ইত্যাদি) থাকলে, সন্ধির ফলে মাঝখানে একটি ‘স্’ (দন্ত্য স) বর্ণের আগম হয়।

এই নিয়মানুযায়ী:
সম্ + কৃত = সংস্কৃত
সম্ + কার = সংস্কার
সম্ + কৃতি = সংস্কৃতি
পরি + কার = পরিষ্কার

সুতরাং, 'সংস্কৃত' শব্দটি একটি বিশেষ নিয়মে সাধিত ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)

-বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে, মিলিত দুটি ধ্বনির মধ্যে একটি সর্বদা বিসর্গ (ঃ) থাকে।
-অন্য ধ্বনিটি স্বরধ্বনি অথবা ব্যঞ্জনধ্বনি হতে পারে। যেহেতু এই সন্ধির মূল ভিত্তিই হলো বিসর্গের উপস্থিতি, তাই একে একটি আলাদা শ্রেণি হিসেবে "বিসর্গ সন্ধি" নামে অভিহিত করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ
-বিসর্গ + স্বরধ্বনি: প্রাতঃ + আশ = প্রাতরাশ।
এখানে বিসর্গের (ঃ) সঙ্গে স্বরধ্বনি 'আ' যুক্ত হয়েছে।
-বিসর্গ + ব্যঞ্জনধ্বনি: মনঃ + কামনা = মনস্কামনা।
এক্ষেত্রে বিসর্গের (ঃ) সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি 'ক' যুক্ত হয়েছে।

ব্যাখ্যা (Explanation)

-এটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। নিয়মটি হলো:

ত্ বা দ্-এর পর হ থাকলে, ত্ বা দ্-এর স্থানে দ্ এবং হ-এর স্থানে ধ হয়। এই দ্ ও ধ মিলিত হয়ে দ্ধ গঠন করে।

এই নিয়ম অনুসারে:
-উৎ (এখানে 'ৎ' মূলত 'ত্'-এর খণ্ড রূপ) + হত
-এখানে সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী 'ৎ' পরিবর্তিত হয়ে 'দ্' হয়েছে এবং 'হ' পরিবর্তিত হয়ে 'ধ' হয়েছে।
-ফলে, দ্ + ধ = দ্ধ
-অতএব, উৎ + হত = উদ্ধত

একই নিয়মে গঠিত আরও কিছু শব্দ হলো:
উৎ + হার = উদ্ধার
উৎ + হৃত = উদ্ধৃত
পদ্ + হতি = পদ্ধতি
তদ্ + হিত = তদ্ধিত

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
ব্যাকরণ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো:
বি + আ + √কৃ + অন
এখানে,
বি (উপসর্গ)
আ (উপসর্গ)
√কৃ (ধাতু, যার অর্থ 'করা' বা 'সৃষ্টি করা')
অন (প্রত্যয়)
এই চারটি অংশ মিলে 'ব্যাকরণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি ব্যাকরণের ব্যুৎপত্তিগত
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।