- উত্তর: ক্রিয়া বিশেষণ - বাংলা ব্যাকরণে নির্দেশক (যেমন: -টা, -টি, -খানা, -খানি, -গুলো) সাধারণত বিশেষ্য, বিশেষণ এবং সর্বনাম পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
- কিন্তু ক্রিয়া বিশেষণ (Adverb) ক্রিয়ার ভাব, স্থান, কাল বা অবস্থা প্রকাশ করে। এর সঙ্গে নির্দেশক প্রত্যয় যুক্ত হয় না। - যেমন - "ছেলেটি তাড়াতাড়ি হাঁটে" - এখানে "তাড়াতাড়ি" একটি ক্রিয়া বিশেষণ এবং এর সাথে কোনো নির্দেশক যুক্ত হয়নি। যদি বলা হয় "তাড়াতাড়িটা", তবে তা ভুল প্রয়োগ হবে।
- জন: এই নির্দেশকটি কেবল মানুষ বা ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "পাঁচ জন লোক", "কয়েক জন ছাত্র"। অন্য কোনো প্রাণি বা বস্তুর ক্ষেত্রে "জন" ব্যবহার করা হয় না।
- টি: এটি ছোট বা মাঝারি আকারের বস্তু এবং প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "একটা টি বই", "দুটা টি পাখি"।
- খানি: এটিও বস্তু বা জিনিসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি অনির্দিষ্টতা বা অল্প পরিমাণ বোঝাতে পারে। যেমন: "এক খানি রুটি", "একটু খানি জায়গা"।
- টুকু: এটি সাধারণত কোনো কিছুর ছোট অংশ বা খণ্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "এক টুকু মাংস", "একটু টুকু জল"।
কয়েকটি অব্যয় বা প্রত্যয় কোন না কোন পদের আশ্রয়ে বা পরে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা কিংবা অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে ,এগুলোকে পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে ।যেমন -একবচনে -টি (ছোটটি ) ,টা (টাকাটা) ,খানি (বইখানি ) ।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
কেতা, তা, পাটি- এগুলা বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়। যেমন- এ তিন কেতা জমির দাম ২০ হাজার মাত্র, আমাকে দশ তা কাগজ দাও, আমার এক পাতি জুতা ছিঁড়ে গেছে।
পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার : ১. এক, এক যে, গোটা ইত্যাদি শব্দযোগে পদের অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপন করে। যেমন ‘এক দেশে এক রাজা ছিল’, ‘এক যে ছিল দেশ,’ গোটা রাজ্যে সুখ বিরাজ করল। ২. ‘এক’ এর সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বুঝায়। যেমন : একটি দেশ, তিনটি টাকা। ৩. উদ্দেশ্যহীনভাবেও ‘টা’ ‘টি’ যুক্ত হয়। যেমন : সারাটা বেলা-,সারাটা দুপুর। ৪. নির্দেশক সর্বনামের পরে ‘টা’ টি’ যুক্ত হলে সুনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। উদাহরণ: ওটি..., সেইটে... ইত্যাদি। ৫. ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির পূর্বে বসে। যেমন: গোটা দুই কমলা। ৬. খানি/খানা যেমন : গ্রামখানি, একখানা। ৭. টাকা, টুকু, টুক, টো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক নির্দিষ্টতা এবং অনির্দিষ্টতা দুই-ই বুঝায়। পোয়াটাক দুধ দাও, সবটুকু দুধ খাও।
পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার : ১. এক, এক যে, গোটা ইত্যাদি শব্দযোগে পদের অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপন করে। যেমন ‘এক দেশে এক রাজা ছিল’, ‘এক যে ছিল দেশ,’ গোটা রাজ্যে সুখ বিরাজ করল। ২. ‘এক’ এর সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বুঝায়। যেমন : একটি দেশ, তিনটি টাকা। ৩. উদ্দেশ্যহীনভাবেও ‘টা’ ‘টি’ যুক্ত হয়। যেমন : সারাটা বেলা-,সারাটা দুপুর। ৪. নির্দেশক সর্বনামের পরে ‘টা’ টি’ যুক্ত হলে সুনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। উদাহরণ: ওটি..., সেইটে... ইত্যাদি। ৫. ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির পূর্বে বসে। যেমন: গোটা দুই কমলা। ৬. খানি/খানা যেমন : গ্রামখানি, একখানা। ৭. টাকা, টুকু, টুক, টো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক নির্দিষ্টতা এবং অনির্দিষ্টতা দুই-ই বুঝায়। পোয়াটাক দুধ দাও, সবটুকু দুধ খাও।
বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে নির্দিষ্ট করার জন্য এদের পরে যে কতকগুলো শব্দ বা শব্দখণ্ড ব্যবহৃত হয়, তাদের পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি 'Definite Article the' এর সমতুল্য। যেমনঃ টা, টি, টুক, টুকু, খানা, খানি, গাছ, গাছা, গাছি ইত্যাদি।
পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার : ১. এক, এক যে, গোটা ইত্যাদি শব্দযোগে পদের অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপন করে। যেমন ‘এক দেশে এক রাজা ছিল’, ‘এক যে ছিল দেশ,’ গোটা রাজ্যে সুখ বিরাজ করল। ২. ‘এক’ এর সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বুঝায়। যেমন : একটি দেশ, তিনটি টাকা। ৩. উদ্দেশ্যহীনভাবেও ‘টা’ ‘টি’ যুক্ত হয়। যেমন : সারাটা বেলা-,সারাটা দুপুর। ৪. নির্দেশক সর্বনামের পরে ‘টা’ টি’ যুক্ত হলে সুনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। উদাহরণ: ওটি..., সেইটে... ইত্যাদি। ৫. ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির পূর্বে বসে। যেমন: গোটা দুই কমলা। ৬. খানি/খানা যেমন : গ্রামখানি, একখানা। ৭. টাকা, টুকু, টুক, টো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক নির্দিষ্টতা এবং অনির্দিষ্টতা দুই-ই বুঝায়। পোয়াটাক দুধ দাও, সবটুকু দুধ খাও।
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।