পদাশ্রিত নির্দেশক (43 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উত্তর: ক্রিয়া বিশেষণ
- বাংলা ব্যাকরণে নির্দেশক (যেমন: -টা, -টি, -খানা, -খানি, -গুলো) সাধারণত বিশেষ্য, বিশেষণ এবং সর্বনাম পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায়।

- বিশেষ্য পদের সাথে: "ছেলেটি", "বইটা"
- বিশেষণ পদের সাথে: "লাল জামাটা"
- সর্বনাম পদের সাথে: "ওটা", "এগুলো"

- কিন্তু ক্রিয়া বিশেষণ (Adverb) ক্রিয়ার ভাব, স্থান, কাল বা অবস্থা প্রকাশ করে। এর সঙ্গে নির্দেশক প্রত্যয় যুক্ত হয় না।
- যেমন - "ছেলেটি তাড়াতাড়ি হাঁটে" - এখানে "তাড়াতাড়ি" একটি ক্রিয়া বিশেষণ এবং এর সাথে কোনো নির্দেশক যুক্ত হয়নি। যদি বলা হয় "তাড়াতাড়িটা", তবে তা ভুল প্রয়োগ হবে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- জন: এই নির্দেশকটি কেবল মানুষ বা ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "পাঁচ জন লোক", "কয়েক জন ছাত্র"। অন্য কোনো প্রাণি বা বস্তুর ক্ষেত্রে "জন" ব্যবহার করা হয় না।

- টি: এটি ছোট বা মাঝারি আকারের বস্তু এবং প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "একটা টি বই", "দুটা টি পাখি"।

- খানি: এটিও বস্তু বা জিনিসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি অনির্দিষ্টতা বা অল্প পরিমাণ বোঝাতে পারে। যেমন: "এক খানি রুটি", "একটু খানি জায়গা"।

- টুকু: এটি সাধারণত কোনো কিছুর ছোট অংশ বা খণ্ড বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "এক টুকু মাংস", "একটু টুকু জল"।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে নির্দিষ্ট করার জন্য এদের পরে যে কতকগুলো শব্দ বা শব্দখণ্ড ব্যবহৃত হয়, তাদের পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। 
-বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি 'Definite Article the' এর সমতুল্য। 
-যেমনঃ টা, টি, টুক, টুকু, খানা, খানি, গাছ, গাছা, গাছি ইত্যাদি। ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির আগে বসে এবং খানা, খানি পরে বসে। 
-এগুলো নির্দিষ্ট ও অনির্দিষ্ট দুই অর্থেই প্রযোজ্য। ‘গোটা' শব্দ আগে বসে এবং সংশ্লিষ্ট পদটি নির্দিষ্টতা না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ব্যাকরণে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে শব্দের শেষে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে ।
- যেমন: টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি ।
অন্যদিকে উপ হলো একটি তৎসম উপসর্গ, যা শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে । তাই এটি পদাশ্রিত নির্দেশক নয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব শব্দাংশ পদের শেষে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে ।
- টুক, গাছি, খানা হলো পদাশ্রিত নির্দেশক যা নির্দিষ্টতা বোঝাতে বসে (যেমন: একটুক, বইখানা) ।
- গুচ্ছ কোনো নির্দেশক নয়, এটি মূলত অপ্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনবোধক শব্দ (যেমন: কবিতাগুচ্ছ) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
-বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে নির্দিষ্ট করার জন্য এদের পরে যে কতকগুলো শব্দ বা শব্দখণ্ড ব্যবহৃত হয়, তাদের পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। 
-বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি 'Definite Article the' এর সমতুল্য। 
-যেমনঃ টা, টি, টুক, টুকু, খানা, খানি, গাছ, গাছা, গাছি ইত্যাদি। ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির আগে বসে এবং খানা, খানি পরে বসে। 
-এগুলো নির্দিষ্ট ও অনির্দিষ্ট দুই অর্থেই প্রযোজ্য। ‘গোটা' শব্দ আগে বসে এবং সংশ্লিষ্ট পদটি নির্দিষ্টতা না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টতা বোঝায়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ব্যাকরণে 'টি', 'টা' হলো পদাশ্রিত নির্দেশক, যা সাধারণত কোনো কিছু নির্দিষ্ট করে বোঝাতে বসে। তবে মাঝে মাঝে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ ছাড়াই কেবল বাক্যের শ্রুতিমধুরতা বাড়াতে বা ঝোঁক বোঝাতে এগুলো ব্যবহৃত হয়, একে নিরর্থক ব্যবহার বলে।
- 'সারা বিকেল' বলতে এমনিতেই পুরো বিকেল বোঝায়।
- এখানে 'টি' যুক্ত হয়ে 'সারাটি বিকেল' হলেও নতুন কোনো অর্থ তৈরি করেনি। তাই 'টি' নিরর্থকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'এক' শব্দের সাথে 'টা', 'টি' বা 'টু' যুক্ত হলে সেটি অনির্দিষ্টতা বোঝায় ।
- 'একটা কলম দাও' বাক্যে কোনো নির্দিষ্ট কলমকে না বুঝিয়ে যেকোনো একটি কলমকে বোঝানো হয়েছে।
- অন্য সংখ্যার সাথে যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বোঝায় । তাই 'একটা' হলো অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'ছোটটি কোথায়?' বাক্যে 'টি' হলো পদাশ্রিত নির্দেশক
- যেসব প্রত্যয় বা অব্যয় কোনো পদের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যক্তি বা বস্তুর নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে ।
- একবচন বুঝাতে টি, টা, খানা, খানি ইত্যাদি নির্দেশক ব্যবহৃত হয় । এখানে 'ছোট' পদের সাথে 'টি' যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি জিনিস বা ব্যক্তিকে বুঝিয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- একবচনে নির্দেশিত পদাশ্রিত নির্দেশক- টি, টা, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি।
- বহুবচনে নির্দেশিত পদাশ্রিত নির্দেশক- গুলি, গুলো, গুলিন ইত্যাদি।
- পরিমাণে স্বল্পতা বুঝাতে ব্যবহৃত পদাশ্রিত নির্দেশক- টে, টুক, টুকু, টুকুন, টো, গোটা ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শব্দ পদে পরিণত হওয়ার সময়ে তার সাথে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, যেগুলোকে লগ্নক বলে। লগ্নক চার প্রকার। যথা-
- বিভক্তি,
- নির্দেশক,
- বচন,
- বলক।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কেতা, তা, পাটি- এগুলা বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়। যেমন- এ তিন কেতা জমির দাম ২০ হাজার মাত্র, আমাকে দশ তা কাগজ দাও, আমার এক পাতি জুতা ছিঁড়ে গেছে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সংখ্যা বা পরিমাপের স্বল্পতা বুঝাতে টে, টুকু, টুকুন ইত্যাদি। যেমন- তিনটে চাল, ভাতটুকু, পায়েস টুকুন, এতটুকুন মেয়ে ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সমূহ শব্দটি প্রাণী ও অপ্রাণী উভয় ক্ষেত্রে বহুবচন বোঝাতে বসে । যেমন: মানুষসমূহ (প্রাণী), বৃক্ষসমূহ (অপ্রাণী) ।
অন্য বিকল্পগুলো খেয়াল করো:
- মণ্ডলী: শুধু উন্নত প্রাণীর ক্ষেত্রে বসে (যেমন: শিক্ষকমণ্ডলী) ।
- রাশিআবলি: শুধু অপ্রাণীবাচক শব্দে বসে (যেমন: বালিরাশি, গ্রন্থাবলি) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
শব্দের শেষে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
- একবচন বোঝাতে টা, টি, খানা, খানি, গাছা, গাছি বসে (যেমন: চুড়িগাছি)।
- বহুবচন বোঝাতে গুলি, গুলা, গুলিন বসে।
- টুকুন দিয়ে সাধারণত পরিমাণ বোঝায়।
তাই অপশনগুলোর মধ্যে গাছি হলো একবচন।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্যাকরণে বচনবাচক বা সংখ্যাবাচক শব্দের আগে 'গোটা' বসলে তা বাক্যের প্রয়োগ অনুযায়ী নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা দুটিই বোঝাতে পারে ।
'গোটা দেশটাই গোল্লায় গেছে'— এখানে 'টা' পদাশ্রিত নির্দেশকটি সুনির্দিষ্ট কোনো স্থান বা সীমানাকে না বুঝিয়ে, সাধারণভাবে সম্পূর্ণ দেশের অবস্থাকে একটি অনির্দিষ্ট বা ব্যাপক অর্থে তুলে ধরেছে। তাই ব্যাকরণ অনুযায়ী এখানে নির্দেশকটি অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অব্যয় বা প্রত্যয় শব্দের পরে যুক্ত হয়ে সেই শব্দের নির্দিষ্টতা বুঝায়, যাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। বচনভেদে পদাশ্রিত নির্দেশকের বিভিন্নতা প্রযুক্ত হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার :
১. এক, এক যে, গোটা ইত্যাদি শব্দযোগে পদের অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপন করে। যেমন ‘এক দেশে এক রাজা ছিল’, ‘এক যে ছিল দেশ,’ গোটা রাজ্যে সুখ বিরাজ করল।
২. ‘এক’ এর সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বুঝায়। যেমন : একটি দেশ, তিনটি টাকা।
৩. উদ্দেশ্যহীনভাবেও ‘টা’ ‘টি’ যুক্ত হয়। যেমন : সারাটা বেলা-,সারাটা দুপুর।
৪. নির্দেশক সর্বনামের পরে ‘টা’ টি’ যুক্ত হলে সুনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। উদাহরণ: ওটি..., সেইটে... ইত্যাদি।
৫. ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির পূর্বে বসে। যেমন: গোটা দুই কমলা।
৬. খানি/খানা  যেমন : গ্রামখানি, একখানা।
৭. টাকা, টুকু, টুক, টো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক নির্দিষ্টতা এবং অনির্দিষ্টতা দুই-ই বুঝায়। পোয়াটাক দুধ দাও, সবটুকু দুধ খাও।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পদাশ্রিত নির্দেশক মূলত শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝায়। এটি কখনোই পুরুষ বা কালভেদে বিভিন্ন হয় না, বরং বচনভেদে এর রূপ ভিন্ন হয় ।
- একবচনে ব্যবহৃত হয়: টা, টি, খানা, খানি (যেমন: বইটি)
- বহুবচনে ব্যবহৃত হয়: গুলো, গুলি, গুলা (যেমন: বইগুলো) ।
তাই তোমার দেওয়া উত্তরটি ভুল, সঠিক উত্তর হবে বচনভেদে
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'একখানা বই কিনে দিও' বাক্যে 'খানা' পদাশ্রিত নির্দেশকটি অনির্দিষ্টতা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- নিয়ম অনুযায়ী, 'এক' শব্দের সাথে টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি নির্দেশক যুক্ত হলে তা অনির্দিষ্টতা বোঝায় ।
- এখানে নির্দিষ্ট কোনো বইয়ের নাম না বলে যেকোনো একটি বইয়ের কথা বলা হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার :
১. এক, এক যে, গোটা ইত্যাদি শব্দযোগে পদের অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপন করে। যেমন ‘এক দেশে এক রাজা ছিল’, ‘এক যে ছিল দেশ,’ গোটা রাজ্যে সুখ বিরাজ করল।
২. ‘এক’ এর সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বুঝায়। যেমন : একটি দেশ, তিনটি টাকা।
৩. উদ্দেশ্যহীনভাবেও ‘টা’ ‘টি’ যুক্ত হয়। যেমন : সারাটা বেলা-,সারাটা দুপুর।
৪. নির্দেশক সর্বনামের পরে ‘টা’ টি’ যুক্ত হলে সুনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। উদাহরণ: ওটি..., সেইটে... ইত্যাদি।
৫. ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির পূর্বে বসে। যেমন: গোটা দুই কমলা।
৬. খানি/খানা  যেমন : গ্রামখানি, একখানা।
৭. টাকা, টুকু, টুক, টো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক নির্দিষ্টতা এবং অনির্দিষ্টতা দুই-ই বুঝায়। পোয়াটাক দুধ দাও, সবটুকু দুধ খাও।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব শব্দাংশ কোনো পদের সাথে যুক্ত হয়ে বস্তু বা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্টভাবে বোঝায়, তাদের পদাশ্রিত নির্দেশক বলে ।
- এখানে 'ওটি' শব্দের 'টি' হলো পদাশ্রিত নির্দেশক।
- বাক্যে 'ও' সর্বনামের সাথে 'টি' যুক্ত হয়ে 'লজ্জাবতী লতা' কে নির্দিষ্ট করে বুঝিয়েছে ।
তাই সঠিক উত্তর 'ওটি'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশক শব্দের শেষে বসে নির্দিষ্টতা বা পরিমাণ বোঝায় ।
- 'টুকু', 'টুক' বা 'টু' নির্দেশকগুলো কোনো কিছুর অল্প পরিমাণ বা সামান্য অংশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় । যেমন: 'একটু' পানি বা 'শরবতটুকু' ।
- 'টা' নির্দিষ্টতা এবং 'গুলো' বহুবচন বোঝায় । তাই পরিমাণের স্বল্পতা বোঝাতে 'টুকু' সঠিক।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে নির্দিষ্ট করার জন্য এদের পরে যে কতকগুলো শব্দ বা শব্দখণ্ড ব্যবহৃত হয়, তাদের পদাশ্রিত অব্যয় বা পদাশ্রিত নির্দেশক বলে। বাংলায় নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক প্রত্যয় ইংরেজি 'Definite Article the' এর সমতুল্য। যেমনঃ টা, টি, টুক, টুকু, খানা, খানি, গাছ, গাছা, গাছি ইত্যাদি। 
পদাশ্রিত নির্দেশকের ব্যবহার :
১. এক, এক যে, গোটা ইত্যাদি শব্দযোগে পদের অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপন করে। যেমন ‘এক দেশে এক রাজা ছিল’, ‘এক যে ছিল দেশ,’ গোটা রাজ্যে সুখ বিরাজ করল।
২. ‘এক’ এর সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে অনির্দিষ্টতা কিন্তু অন্য সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে ‘টা’ টি যুক্ত হলে নির্দিষ্টতা বুঝায়। যেমন : একটি দেশ, তিনটি টাকা।
৩. উদ্দেশ্যহীনভাবেও ‘টা’ ‘টি’ যুক্ত হয়। যেমন : সারাটা বেলা-,সারাটা দুপুর।
৪. নির্দেশক সর্বনামের পরে ‘টা’ টি’ যুক্ত হলে সুনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে। উদাহরণ: ওটি..., সেইটে... ইত্যাদি।
৫. ‘গোটা’ বচনবাচক শব্দটির পূর্বে বসে। যেমন: গোটা দুই কমলা।
৬. খানি/খানা  যেমন : গ্রামখানি, একখানা।
৭. টাকা, টুকু, টুক, টো ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশক নির্দিষ্টতা এবং অনির্দিষ্টতা দুই-ই বুঝায়। পোয়াটাক দুধ দাও, সবটুকু দুধ খাও।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যেসব অব্যয় বা প্রত্যয় কোনো পদের সাথে যুক্ত হয়ে তার নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করে, তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে । এটি অনেকটা ইংরেজির Definite Article 'the' এর মতো কাজ করে।
- উদাহরণস্বরূপ: 'বইটি' বা 'খাতাখানা' শব্দগুলোতে 'টি' এবং 'খানা' হলো পদাশ্রিত নির্দেশকের উদাহরণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ব্যাকরণে কোনো বস্তুকে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে পদাশ্রিত নির্দেশক ব্যবহৃত হয় ।
- সংখ্যাবাচক শব্দের শেষে 'টি', 'টা', 'খানা', 'খানি' যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে ।
- যেমন: 'দশটি টাকা', এখানে 'টি' পদটিকে নির্দিষ্ট করেছে ।
- 'গোটা' শব্দের আগে বসে এবং 'টুকু' সামান্য পরিমাণ বোঝায় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্যাকরণে নির্দেশক সর্বনাম (যেমন: এ, ও, সে) দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করা হয়।
- যখন এসব সর্বনামের শেষে 'টা' বা 'টি' যুক্ত হয়, তখন তা যেকোনো কিছুকে একদম সুনির্দিষ্ট করে বোঝায়।
- যেমন: 'ওটা আন' বা 'সেটা আমার'- এখানে নির্দিষ্ট করে একটি বস্তুকে বোঝানো হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- পদাশ্রিত নির্দেশক হলো এমন কিছু শব্দাংশ যা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়।
- সাধারণত নির্দিষ্টতা বোঝাতে 'টি', 'টা', 'খানা', 'খানি' ইত্যাদি বসে।
- কিন্তু কেতা, তা, পাটি ইত্যাদি শব্দগুলো বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: 'এক পাটি জুতো', এখানে 'পাটি' বলতে জোড়ার নির্দিষ্ট একটিকে বুঝিয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশক শব্দের শেষে বসে নির্দিষ্টতা বোঝায় । এগুলো মূলত বচনভেদে বা সংখ্যার ধারণার ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন হয় ।
যেমন:
- একবচনে: টা, টি, খানা, খানি (বইটি, খাতাখানা) ।
- বহুবচনে: গুলি, গুলা, গুলো (বইগুলো, মানুষগুলি) ।
তাই বচন পরিবর্তিত হলে নির্দেশকের রূপও বদলে যায়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ব্যাকরণে 'খানি' একটি পদাশ্রিত নির্দেশক। আমরা যখন কোনো কিছু নির্দিষ্ট করে বোঝাতে চাই, তখন শব্দের শেষে খানা, খানি ইত্যাদি যোগ করি।
- কবিতায় শব্দের শেষে 'খানি' যুক্ত হলে তা নির্দিষ্টার্থে বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় ।
যেমন: "ব্যর্থ সাধনখানি"। এখানে নির্দিষ্ট একটি সাধনাকে বোঝানো হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0