সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

পদ প্রকরণ

৫৬৭ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে পদ ক্রিয়ার ধরন, গতি বা অবস্থা প্রকাশ করে তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
- 'সুস্থ হচ্ছে' হলো বাক্যের ক্রিয়াপদ।
- 'আস্তে আস্তে' শব্দটি ক্রিয়াটি কীভাবে ঘটছে তা বোঝাচ্ছে।
তাই 'আস্তে আস্তে' একটি ক্রিয়া বিশেষণ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি অসমাপিকা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া একত্রে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে ।
'বসে পড়েছে' ক্রিয়াপদে:
- 'বসে' = অসমাপিকা ক্রিয়া
- 'পড়েছে' = সমাপিকা ক্রিয়া
দুটি ক্রিয়া মিলে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করায় এটি যৌগিক ক্রিয়া ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে । 'মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ!' বাক্যে 'মরি মরি' অব্যয়টি দিয়ে প্রভাতের সৌন্দর্য দেখে আনন্দের অতিশয্য বোঝানো হয়েছে । তাই এটি উচ্ছ্বাস প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
এখানে ‘গাড়ি’ হলো বিশেষ্য পদ । ‘চলন্ত’ শব্দটির মাধ্যমে গাড়িটির অবস্থা বোঝানো হচ্ছে ।
যে পদ কোনো বিশেষ্য পদের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষ্যের বিশেষণ বলে । তাই ‘চলন্ত’ শব্দটি এখানে বিশেষ্যের বিশেষণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে পদ ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা প্রকাশ করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে ।
- 'মেয়েটি গুনগুনিয়ে গান গায়' বাক্যে 'গায়' হলো ক্রিয়া পদ ।
- 'গুনগুনিয়ে' পদটি গান গাওয়ার ধরন বা পদ্ধতি বোঝাচ্ছে ।
ক্রিয়ার ভাব বা ধরন বোঝানোর কারণে 'গুনগুনিয়ে' পদটি একটি ক্রিয়া বিশেষণ ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধাতুর সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
- 'চলন্ত' এর গঠন: √চল্ (ধাতু) + অন্ত (কৃৎ প্রত্যয়) = চলন্ত।
এখানে 'চলন্ত' শব্দটি 'গাড়ি' (বিশেষ্য) পদের অবস্থা প্রকাশ করায় এটি বিশেষণ পদ। ধাতুজাত হওয়ায় এটি কৃদন্ত বিশেষণ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- উৎস ও ব্যবহারের প্রাথমিক বিভাজন অনুযায়ী পদ প্রধানত দুই প্রকার।
১. অব্যয় পদ
২. সব্যয় পদ

পদের অন্যান্য শ্রেণীবিভাগ:
- প্রশ্ন যদি হয় 'পদ মোট কত প্রকার?' তবে উত্তর হবে পাঁচ প্রকার।
যথা: ১. বিশেষ্য, ২. বিশেষণ, ৩. সর্বনাম, ৪. ক্রিয়া এবং ৫. অব্যয়।
(নোট: এনসিটিবি-র নতুন বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে পদ বা শব্দশ্রেণিকে আট ভাগে ভাগ করা হলেও, প্রথাগত ও প্রাথমিক বিভাজনে এটি মূলত সব্যয় ও অব্যয়—এই দুই ভাগে বিভক্ত।)

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- তিন প্রকার, চার প্রকার বা পাঁচ প্রকার: পদের প্রাথমিক বিভাজন হিসেবে এগুলো সঠিক নয়। পাঁচ প্রকার হলো প্রথাগত ব্যাকরণে পদের মোট শ্রেণীবিভাগ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাধারণত 'লাল' শব্দটি কোনো বস্তুর গুণ বোঝালে বিশেষণ হয় (যেমন: লাল ফুল)।
- কিন্তু 'লাল থেকে নীল ভালো' বাক্যে 'লাল' শব্দটি কোনো পদকে বিশেষিত না করে নিজে একটি রঙের নাম বা বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে কখনো কখনো বাক্যের শোভা বর্ধন করে,কখনো একাধিক পদের ,বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযোগ বা বিয়োগ সম্বন্ধ ঘটায় ,তাকে অব্যয় পদ বলে।যে যদি ,যদিও ,যেন, তাই প্রভৃতি কয়েকটি শব্দ সংযোজক অব্যয়ের কাজ করে থাকে। 
যেমন: 
- দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে ।
- এভাবে চেষ্টা করবে যেন কৃতকার্য হতে পার।
 
আরো কিছু উদাহোরনঃ 
- সে মার খায় কিন্তু প্রতিবাদ করে না।
- তুমি আর আমি ছাড়া কেউ আসবে না।
- রাম এবং শ্যাম আজ দার্জিলিং যাবে।

এখানে- কিন্তু, আ্‌  এবং-------- সংযোজক অব্যয়। এরূপ – অথচ, অথব্‌ বরং, ব্‌ তবু, কিংব্‌ যেহেতু ইত্যাদি।

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে সকল অব্যয় রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে। এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব বা আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়। যেমন: বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদেয় এল বান। প্রদত্ত উদাহরণে 'টাপুর টুপুর' ধ্বন্যাত্মক শব্দটি বৃষ্টির ধ্বনির অবস্থাকে প্রকাশ করেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- এটি অধিকরণ কারকের একটি প্রকারভেদ।
- যখন একটি ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য একটি ক্রিয়ার ভাব, অবস্থা বা কারণ প্রকাশ করে, তখন তাকে ভাবাধিকরণ বলে।
- এতে সর্বদা সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয় বলে একে ‘ভাবে সপ্তমী’ও বলা হয়।
- যেমন: "কান্নায় শোক কমে।" এখানে ‘কান্না’ (ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য) ‘শোক কমা’ (ক্রিয়া)-র ভাবটি প্রকাশ করছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- আবেগ শব্দ মনের আকস্মিক ভাব বা অনুভূতিকে প্রকাশ করে।
- বাক্যের অর্থের ওপর ভিত্তি করে আবেগ শব্দের শ্রেণিবিভাগ করা হয়।
- 'আহা! বেচারার এত কষ্ট'—এই বাক্যে 'আহা' শব্দটি দ্বারা অন্যের কষ্ট দেখে সহানুভূতি, মায়া বা করুণার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। তাই এটি একটি করুণা আবেগ।

অন্যদিকে, 
- আনন্দ আবেগ: কোনো আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ করে (যেমন: বাহ! কী সুন্দর দৃশ্য!)।
- বিস্ময় আবেগ: আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশ করে (যেমন: আরে! তুমি কখন এলে!)।
- বিরক্তি আবেগ: বিরক্তি বা ঘৃণা প্রকাশ করে (যেমন: ছি ছি! এ কী কাজ!)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ক্রিয়া-বিশেষণ ক্রিয়াপদকে বিশেষিত করে, অর্থাৎ কাজটি কখন, কোথায়, কীভাবে বা কী পরিমাণে ঘটছে তা নির্দেশ করে।
- 'টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে'—এই বাক্যে 'পড়ছে' ক্রিয়াপদটিকে 'কীভাবে পড়ছে?' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর আসে 'টিপ টিপ'।
- যেহেতু এটি ক্রিয়া সংঘটনের ধরণ বা রীতি বোঝাচ্ছে, তাই এটি একটি ধরনবাচক ক্রিয়া-বিশেষণ।

অন্যদিকে, 
- কালবাচক: ক্রিয়ার কাল নির্দেশ করে (যেমন: সকালে এসো)।
- স্থানবাচক: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে (যেমন: এখানে বসো)।
- পরিমাণবাচক: ক্রিয়ার পরিমাণ নির্দেশ করে (যেমন: অনেক খেয়েছি)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'শাবাশ' একটি ফারসি শব্দ, যার অর্থ "প্রশংসাসূচক উক্তি", "ধন্য" বা "বাহবা"।
- এটি কোনো কাজ বা কথায় মুগ্ধ হয়ে প্রশংসা বা তারিফ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- যখন কোনো ব্যক্তি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো কিছু করে, তখন তাকে উৎসাহিত করতে বা তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ 'শাবাশ' বলা হয়।

উদাহরণ ও বিশ্লেষণ:
প্রশংসাসূচক আবেগ শব্দ প্রশংসা বা তারিফের মনোভাব প্রকাশ করে। যেমন:
"শাবাশ! দেখার মতো একটা ছক্কা হাঁকালে।"
"বাঃ! চমৎকার গান গায় মেয়েটা!"
ব্যাখ্যা (Explanation)
- 'যিনি' শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে সাপেক্ষ সর্বনাম বা নিত্যসম্বন্ধী সর্বনাম হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ।
- এর কারণ হলো, এই ধরণের সর্বনাম বাক্যে একা ব্যবহৃত না হয়ে অন্য কোনো সর্বনামের ওপর নির্ভর করে ব্যবহৃত হয়।
- 'যিনি' সর্বনামটি বাক্যে সবসময় 'তিনি' সর্বনামের সাথে একটি সম্পর্ক স্থাপন করে। 'যিনি' দ্বারা যাকে বোঝানো হয়, 'তিনি' দ্বারাও সেই একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করা হয়। এই দুটি সর্বনাম একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে।

উদাহরণস্বরূপ:
যিনি সত্য কথা বলেন, তিনিই সৎ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- বিশেষ্য পদ হলো সেই শব্দ যা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, গুণ বা ধারণা নির্দেশ করে।

বিশেষ্যকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়:
- সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য – ব্যক্তি বা বস্তু/জিনিসের নাম (যেমন: মানুষ, বই, ঢাকা)
- বস্তুবাচক বিশেষ্য – সরাসরি কোনো জিনিসের নাম (যেমন: মেঘ, গাছ, নদী)
- গুণবাচক বিশেষ্য – কোনো গুণ, বৈশিষ্ট্য বা মান নির্দেশ করে (যেমন: সৌন্দর্য, মাধুর্য, সাহস)
- সমষ্টিবাচক বিশেষ্য – একাধিক বস্তু বা ব্যক্তির সমষ্টি নির্দেশ করে (যেমন: জনতা, সম্প্রদায়)

‘মধুরতা’ শব্দটি বোঝাচ্ছে কোনো কিছুর মিষ্টতা বা আনন্দদায়ক বৈশিষ্ট্য। এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বা ব্যক্তি নয়, বরং গুণ নির্দেশ করছে, তাই এটি গুণবাচক বিশেষ্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)

-ক্রিয়াপদ হলো সেই পদ যা বাক্যে কোনো কার্য সম্পাদন বা কোনো কিছু ঘটা বোঝায়।
-অর্থাৎ, কাজটি কে করছে বা কী ঘটছে, তা ক্রিয়াপদ দ্বারা প্রকাশিত হয়।

উদাহরণস্বরূপ
 "আমি 
খাই",
"সে 
যায়",
"তারা 
খেলছে"
– এই বাক্যগুলিতে "খাই", "যায়", "খেলছে" হলো ক্রিয়াপদ, কারণ এগুলি কোনো না কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে।

 

ব্যাখ্যা (Explanation)
- আবেগ শব্দ বা অনন্বয়ী অব্যয় হলো এমন কিছু শব্দ যা বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে স্বাধীনভাবে মনের নানা ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে।
- যেমন – আনন্দ, বেদনা, বিস্ময়, প্রশংসা, ঘৃণা ইত্যাদি।
- ‘শাবাশ!’ শব্দটি সাধারণত কোনো ভালো কাজের জন্য কাউকে উৎসাহ বা প্রশংসা জানাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "শাবাশ! খুব ভালো খেলেছ।"
- ‘বাহ্!’ শব্দটি কোনো সুন্দর জিনিস বা ভালো কাজ দেখে মুগ্ধতা বা প্রশংসা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। যেমন: "বাহ্! কী সুন্দর দৃশ্য!"
- উভয় শব্দই বক্তার ইতিবাচক মনোভাব এবং প্রশংসার অনুভূতিকে প্রকাশ করে।
- তাই, এগুলোকে প্রশংসা আবেগ (Admiration) বা প্রশংসাসূচক আবেগ শব্দের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)

-মেঘের গর্জন বোঝাতে 'গুড় গুড়' অনুকার অব্যয়টি ব্যবহৃত হয়।
-এর কারণ হলো, এই শব্দটি মেঘের গম্ভীর এবং ক্রমাগত ধ্বনির সঠিক অনুকরণ করে।
-অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় হলো সেই সব শব্দ যা কোনো কিছুর স্বাভাবিক ধ্বনি বা শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
- এই শব্দগুলো আমাদের মনে একটি নির্দিষ্ট ধ্বনির চিত্র তৈরি করে।
যেমন - পাখির ডাক বোঝাতে 'কিচিরমিচির' বা জলের পড়ার শব্দ বোঝাতে 'টুপটাপ' ইত্যাদি।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)

-যে অব্যয় পদ দুটি বা তার বেশি পদ, বাক্যাংশ বা বাক্যকে সংযুক্ত করে বা তাদের মধ্যে সংযোগ ঘটায়, তাকে সংযোজক অব্যয় বলা হয়। 
-এই অব্যয়গুলো মূলত যোগ করার কাজ করে থাকে।
-‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’—এই তিনটি অব্যয়ই দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
-এদের মূল কাজই হলো সংযোগ সাধন করা।
উদাহরণ
- ও: দুটি পদের সংযোগ ঘটাতে ব্যবহৃত হয়। যেমন
রহিম ও করিম দুই ভাই।
সুখ ও দুঃখ জীবনে আসবেই।
- এবং: দুটি বাক্য বা বাক্যাংশের সংযোগে ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণত লেখ্য ভাষায় বেশি দেখা যায়। 
যেমন -
তিনি বাড়ি গেলেন এবং আমি রওনা হলাম।
মেঘ করেছে এবং বৃষ্টি পড়ার সম্ভাবনা আছে।
- আর: দুটি পদ বা বাক্যের সংযোগ সাধনে ব্যবহৃত হয়। এটি কথ্য ভাষায় বেশি প্রচলিত।
যেমন -
তুমি আর আমি সেখানে যাবো।
কামনা ত্যাগ করলে ধনী হয়, আর লোভ ত্যাগ করলেই সুখী হয়

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে বিশেষণ পদ কোনো ক্রিয়া থেকে উদ্ভূত হয়ে বিশেষ্য পদের গুণ, অবস্থা বা ধর্ম প্রকাশ করে, তাকে ক্রিয়াজাত বিশেষণ বলে। একে ধাতুসাদিত বিশেষণও বলা হয়।
- এখানে, 'চলন্ত' শব্দটি 'চলা' ক্রিয়া থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এটি 'গাড়ি' নামক বিশেষ্য পদটির অবস্থা (চলমান অবস্থা) প্রকাশ করছে।
- অর্থাৎ, গাড়িটি চলছে এমন বোঝানো হচ্ছে।
- যেহেতু বিশেষণটি একটি ক্রিয়া থেকে জাত বা তৈরি হয়েছে, তাই এটি একটি ক্রিয়াজাত বিশেষণ।

এরকম আরও কিছু উদাহরণ হলো:
- উড়ন্ত পাখি (উড়া ক্রিয়া থেকে জাত)
- হারানো মোবাইল (হারানো ক্রিয়া থেকে জাত)
- পড়ন্ত বিকেল (পড়া ক্রিয়া থেকে জাত)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে পদ বাক্যের মধ্যে থাকা অন্য কোনো পদের (সাধারণত বিশেষ্য, সর্বনাম বা ক্রিয়াপদ) দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
- বিশেষ্যের বিশেষণ: 'নীল আকাশ' - এখানে 'নীল' শব্দটি 'আকাশ' (বিশেষ্য) এর অবস্থা প্রকাশ করছে।
- সর্বনামের বিশেষণ: 'সে খুব মেধাবী' - এখানে 'মেধাবী' শব্দটি 'সে' (সর্বনাম) এর গুণ প্রকাশ করছে।
- ক্রিয়ার বিশেষণ: 'ঘোড়াটি দ্রুত দৌড়ায়' - এখানে 'দ্রুত' শব্দটি 'দৌড়ায়' (ক্রিয়া) এর অবস্থা প্রকাশ করছে। (এটিকে ক্রিয়া-বিশেষণও বলা হয়, যা বিশেষণ পদেরই একটি অংশ)।
সুতরাং, সংজ্ঞা অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো বিশেষণ পদ।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ভাববাচক বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বলে।
- এই ধরনের বিশেষ্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে না বুঝিয়ে একটি কাজের অবস্থাকে বোঝায়।
- ভোজন: এই শব্দটি 'ভুজ্' নামক ক্রিয়ামূল থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'খাওয়া' নামক কাজটি বা ক্রিয়ার ভাব।
- শয়ন: এই শব্দটি 'শী' নামক ক্রিয়ামূল থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'শুয়ে থাকা' বা 'ঘুমানো' নামক কাজটি বা ক্রিয়ার ভাব।

একইভাবে, ‘গমন’ (যাওয়ার কাজ), ‘দর্শন’ (দেখার কাজ), ‘শ্রবণ’ (শোনার কাজ) ইত্যাদিও ভাববাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে পদ ক্রিয়া সংঘটনের ভাব, কাল বা রূপ নির্দেশ করে, তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে।
- ছেলেটি দ্রুত দৌঁড়ায়।
- এখানে 'দ্রুত' শব্দটি হচ্ছে ক্রিয়া বিশেষণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- কারকের মূল শর্ত হলো ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সরাসরি সম্পর্ক থাকতে হবে। কিন্তু যখন কোনো নামপদ ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত না হয়ে অন্য একটি নামপদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, তখন তাকে সম্বন্ধ পদ বলে।
- এতে সাধারণত ‘র’ বা ‘এর’ বিভক্তি যুক্ত থাকে।
- যেমন: "রহিমের ভাই বাজারে যায়।"
- এখানে ‘রহিমের’ পদটির সম্পর্ক ‘ভাই’ (নামপদ)-এর সাথে, ‘যায়’ (ক্রিয়াপদ)-এর সাথে নয়। তাই ‘রহিমের’ একটি সম্বন্ধ পদ, এটি কোনো কারক নয়।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন একটি কাজ বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য আরেকটি কাজের অবস্থা বা ভাব প্রকাশ করে, তখন তাকে ভাবাধিকরণ বলে ।
- যেমন: 'সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূর হয়'। এখানে 'সূর্যোদয়' একটি কাজ, যা অন্ধকার দূর হওয়ার ভাবটি বুঝিয়ে দিচ্ছে ।
- এই কারকে সবসময় সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী-ও বলা হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
-বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয় ,তাকে সর্বনাম পদ বলে ।
-সর্বনাম সাধারণত ইতোপূর্বে ব্যবহৃত বিশেষ্যের প্রতিনিধি শব্দ ।
-সুতরাং বিশেষ্যের পরিবর্তে সর্বনাম ব্যবহৃত হয় । যেমনঃ
-রহিম মেধাবী ছাত্র।
-রহিম নিয়মিত স্কুলে যায়।
-এক্ষেত্রে রহিম বার বার ব্যবহার না করে 'সে' ব্যবহার করা হয়। 
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে বিশেষ্য একই জাতীয় ব্যক্তি বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায় তখন সেই বিশেষ্য কে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে।
উদাহরণ: Army(সৈন্যদল), class(শ্রেণী) family(পরিবার).
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে বিশেষ্য দ্বারা কোন বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায় ,তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলে ।

যেমনঃ
-মধুরতা (মধুর মিষ্টত্বের গুণ)
- ,তারল্য (তরল দ্রব্যের গুণ ) ,
- তিক্ততা (তিক্ত দ্রব্যের দোষ বা গুণ ) ,
- তারুণ্য (তরুণের গুণ ) ,
- সুখ ,
- বীরত্ব,
- অহংকার,
- সৌন্দর্য,
- দুঃখ ,
- সরলতা ,
- দয়া আনন্দ ইত্যাদি ।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো উপাদানবাচক পদার্থ বা বস্তুর নাম বোঝায়, যাকে গণনা করা যায় না কিন্তু ওজন বা পরিমাপ করা যায়, তাকে বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলে।
উদাহরণ:
লোহা (একটি উপাদান)
সোনা (একটি উপাদান)
চাল (একটি দ্রব্য)
চিনি (একটি দ্রব্য)
জল (একটি তরল পদার্থ)

অন্যান্য option গুলো কেন ভুল:
গুণবাচক বিশেষ্য: কোনো গুণের নাম বোঝায় (যেমন- সততা, দয়া, সৌন্দর্য)।
জাতিবাচক বিশেষ্য: এক জাতীয় প্রাণী বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝায় (যেমন- মানুষ, নদী, পর্বত)।
সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য: কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায় (যেমন- ঢাকা, পদ্মা, হিমালয়)।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।