- ভাষার মূল উপকরণ : বাক্য - ভাষার মূল উপাদান : ধ্বনি - ভাষার বৃহত্তম একক : বাক্য - ভাষার ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি - বাক্যের মৌলিক উপাদান : শব্দ - বাক্যের মূল উপাদান : শব্দ - বাক্যের মূল উপকরণ : শব্দ - বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক : শব্দ, বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রতিটি শব্দকে পদ বলে। - শব্দের মূল উপাদান : ধ্বনি - শব্দের মূল উপকরণ : ধ্বনি - শব্দের ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি
প্রত্যক্ষ উক্তি: যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে। প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (‘ ’/“ ”)-এর মধ্যে থাকে এবং বক্তার কথা উদ্ধৃত করার আগে কমা (,) ব্যবহার করা হয়। এগুলো দেখে সহজেই প্রত্যক্ষ উক্তি চেনা যায়। যেমন, - খোকা বলল, আমার বাবা বাড়ি নেই। - লোকটি আমাকে বললেন, 'অনুগ্রহ করে আপনি সামনের আসনে বসুন।'
পরোক্ষ উক্তি: যে বাক্যে বক্তার কথা অন্যের জবানীতে পরিবর্তিত/রূপান্তরিত ভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে পরোক্ষ উক্তি বলে। পরোক্ষ উক্তিতে কোনো উদ্ধরণ চিহ্ন থাকে না, এবং প্রথম উদ্ধরণ চিহ্নের স্থলে ‘যে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বেশিরভাগ পরোক্ষ উক্তিতেই ‘যে’ সংযোজক অব্যয়টি থাকে বলে একে দেখে পরোক্ষ উক্তি চেনা যেতে পারে। তবে ‘যে’ ছাড়াও অনেক পরোক্ষ উক্তি গঠিত হতে পারে। যেমন, - খোকা বলল যে, তার বাবা বাড়ি ছিলেন না। - লোকটি আমাকে সামনের আসনে বসতে অনুরোধ করলেন।
প্রত্যক্ষ উক্তি: যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে। প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (‘ ’/“ ”)-এর মধ্যে থাকে এবং বক্তার কথা উদ্ধৃত করার আগে কমা (,) ব্যবহার করা হয়। এগুলো দেখে সহজেই প্রত্যক্ষ উক্তি চেনা যায়। যেমন, - খোকা বলল, আমার বাবা বাড়ি নেই। - লোকটি আমাকে বললেন, 'অনুগ্রহ করে আপনি সামনের আসনে বসুন।'
পরোক্ষ উক্তি: যে বাক্যে বক্তার কথা অন্যের জবানীতে পরিবর্তিত/রূপান্তরিত ভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে পরোক্ষ উক্তি বলে। পরোক্ষ উক্তিতে কোনো উদ্ধরণ চিহ্ন থাকে না, এবং প্রথম উদ্ধরণ চিহ্নের স্থলে ‘যে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বেশিরভাগ পরোক্ষ উক্তিতেই ‘যে’ সংযোজক অব্যয়টি থাকে বলে একে দেখে পরোক্ষ উক্তি চেনা যেতে পারে। তবে ‘যে’ ছাড়াও অনেক পরোক্ষ উক্তি গঠিত হতে পারে। যেমন, - খোকা বলল যে, তার বাবা বাড়ি ছিলেন না। - লোকটি আমাকে সামনের আসনে বসতে অনুরোধ করলেন।
যখন কোনো বাক্যে আবেগ (আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, রাগ, অনুতাপ ইত্যাদি) প্রকাশ পায়, তখন সেটিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় শুধু “বলল” ব্যবহার করলেই হয় না, বরং আবেগ অনুযায়ী রিপোর্টিং ক্রিয়ায় ভাব প্রকাশ করতে হয়।
আবেগভেদে রিপোর্টিং ক্রিয়া আনন্দ প্রকাশে: আনন্দের সাথে বলল / আনন্দ প্রকাশ করল দুঃখ প্রকাশে: দুঃখের সাথে বলল / শোক প্রকাশ করল বিস্ময় প্রকাশে: বিস্ময়ের সাথে বলল / আশ্চর্য হয়ে বলল রাগ প্রকাশে: রাগের সাথে বলল / ক্রোধ প্রকাশ করল অনুতাপ প্রকাশে: অনুতাপের সাথে বলল / আক্ষেপ করে বলল উদাহরণ 1. প্রত্যক্ষ উক্তি: রাহিম বলল, “আহা! আমি পরীক্ষায় পাস করেছি।” পরোক্ষ উক্তি: রাহিম আনন্দের সাথে বলল যে সে পরীক্ষায় পাস করেছে। 2. প্রত্যক্ষ উক্তি: সোহেল বলল, “হায়! আমি হেরে গেছি।” পরোক্ষ উক্তি: সোহেল দুঃখের সাথে বলল যে সে হেরে গিয়েছিল। 3. প্রত্যক্ষ উক্তি: তারা বলল, “বাহ! কেমন সুন্দর দৃশ্য!” পরোক্ষ উক্তি: তারা বিস্ময়ের সাথে বলল যে দৃশ্যটি খুব সুন্দর।
• প্রত্যক্ষ উক্তিতে চিরন্তন সত্যের উদ্ধৃতি থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোনো পরিবর্তন হয় না। যেমন: প্রত্যক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন, “চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।” পরোক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
আবার, • প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়। যেমন: প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, “আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব ।” পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় সময়, স্থান, নির্দেশক শব্দ (যেমন– এখানে, এখন, আজ, আগামীকাল ইত্যাদি) পরিবর্তিত হয়ে যায়। ‘এখানে’ পরোক্ষ উক্তিতে সাধারণত ‘সেখানে’ হয়ে যায়। উদাহরণ 1. প্রত্যক্ষ উক্তি: রাহিম বলল, “আমি এখানে থাকি।” পরোক্ষ উক্তি: রাহিম বলল যে সে সেখানে থাকে। 2. প্রত্যক্ষ উক্তি: সোহেল বলল, “আমরা এখানে খেলব।” পরোক্ষ উক্তি: সোহেল বলল যে তারা সেখানে খেলবে।
আজ’ পরোক্ষ উক্তিতে সাধারণত ‘সেদিন’ হয়ে যায়। উদাহরণ 1. প্রত্যক্ষ উক্তি: রাহিম বলল, “আজ আমি স্কুলে যাব।” পরোক্ষ উক্তি: রাহিম বলল যে সেদিন সে স্কুলে যাবে। 2. প্রত্যক্ষ উক্তি: সুমি বলল, “আজ আমাদের ছুটি।” পরোক্ষ উক্তি: সুমি বলল যে সেদিন তাদের ছুটি ছিল।
- সাপেক্ষ যোজক বা নিত্যসম্বন্ধীয় অব্যয় সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয় এবং একটি অন্যটির উপর নির্ভরশীল থাকে। - এই যোজকগুলো মিশ্র বা জটিল বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে এক বা একাধিক आश্রিত খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করে। - যেমন: "যদি তুমি আসো, তবে আমি যাবো" - এখানে 'যদি-তবে' হলো সাপেক্ষ যোজক যা দুটি খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করেছে।
- অন্যান্য সাপেক্ষ যোজকের উদাহরণ হলো: যত-তত, যখন-তখন, যিনি-তিনি, যেমন-তেমন ইত্যাদি। - সরল বাক্যে কোনো যোজক থাকে না, কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে। - যৌগিক বাক্যে নিরপেক্ষ যোজক (যেমন: এবং, ও, কিন্তু, অথবা) ব্যবহৃত হয়, যা দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে।
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। - "তিনি সৎ ব্যক্তি" বাক্যটিতে 'তিনি' হলো কর্তা এবং 'হন' (উহ্য) হলো সমাপিকা ক্রিয়া, তাই এটি একটি সরল বাক্য। - "যে পরিশ্রম করে, সে-ই লাভ করে" - এটি একটি জটিল বা মিশ্র বাক্য, কারণ এখানে 'যে-সে' সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে। - "তুমি আসবে এবং আমি যাব" - এটি একটি যৌগিক বাক্য, কারণ 'এবং' অব্যয় দ্বারা দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করা হয়েছে। - "যদিও তিনি ধনী, তবুও তিনি সুখী নন" - এটিও একটি জটিল বা মিশ্র বাক্য, কারণ এখানে 'যদিও-তবুও' সাপেক্ষ যোজক ব্যবহৃত হয়েছে।
এই বাক্যটিতে বক্তার মনের আকস্মিক আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে। বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা হয় অথবা বাক্যের গঠন ও শব্দের মাধ্যমে (যেমন: সত্যি!) মনের আবেগ প্রকাশ করা হয়, তাই এটি বিস্ময়বোধক বা আবেগসূচক বাক্য।
A) বৃষ্টি থামার পর আমরা স্কুলে রওনা হলাম: এটি একটি সরল বাক্য। এখানে "রওনা হলাম" একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে।
B) বৃষ্টি থামল এবং আমরা স্কুলে রওনা হলাম: এটি একটি যৌগিক বাক্য। এখানে "বৃষ্টি থামল" এবং "আমরা স্কুলে রওনা হলাম" দুটি স্বাধীন বাক্যকে "এবং" অব্যয় দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে।
C) আমরা স্কুলে রওনা হলাম কারণ বৃষ্টি থেমেছিল: এটিও একটি জটিল বাক্য, কারণ এখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে "কারণ" দ্বারা একটি অধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে। তবে, গঠনগত দিক থেকে (D) বিকল্পটি জটিল বাক্যের সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ।
D) যখন বৃষ্টি থামল, তখন আমরা স্কুলে রওনা হলাম: এটি একটি জটিল বাক্য। এখানে "তখন আমরা স্কুলে রওনা হলাম" হলো প্রধান খণ্ডবাক্য এবং "যখন বৃষ্টি থামল" হলো তার উপর নির্ভরশীল একটি आश্রিত খণ্ডবাক্য। বাক্য দুটি "যখন-তখন" সাপেক্ষ যোজক দ্বারা যুক্ত।
- যৌগিক বাক্য হল যে বাক্যে দুই বা ধিক স্বাধীন উপবাক্য সংযোজক অব্যয় (এবং, কিন্তু, অথবা, না হয় ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে। - "কাজ কর, না হয় বসে পড়" - এটি যৌগিক বাক্য। এখানে "কাজ কর" এবং "বসে পড়" দুটি স্বাধীন বাক্য "না হয়" সংযোজক দ্বারা যুক্ত।
- যৌগিক বাক্য হল যে বাক্যে দুই বা ধিক স্বাধীন উপবাক্য সংযোজক অব্যয় (এবং, কিন্তু, অথবা, না হয় ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে। - সঠিক উত্তর: তিনি অত্যন্ত দরিদ্র কিন্তু তাঁর অন্তঃকরণ অতিশয় উচ্চ।
- যৌগিক বাক্য হল যে বাক্যে দুই বা ধিক স্বাধীন উপবাক্য সংযোজক অব্যয় (এবং, কিন্তু, অথবা, না হয় ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে।
প্রদত্ত বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ: A) "তুমি না এলে আমি যাব না" - এটি জটিল বাক্য, কারণ এখানে উপবাক্য রয়েছে। B) "কাজ কর, না হয় বসে পড়" - এটি যৌগিক বাক্য। এখানে "কাজ কর" এবং "বসে পড়" দুটি স্বাধীন বাক্য "না হয়" সংযোজক দ্বারা যুক্ত। C) "সে বই পড়ে" - এটি সরল বাক্য। D) "যদি তুমি যাও, তবে আমি যাব" - শর্তাধীন জটিল বাক্য।
- প্রদত্ত উক্তি একটি প্রত্যক্ষ উক্তি, যেখানে খোকার মূল বক্তব্য এবং অনুভূতি ("বাহ!" - আনন্দ) স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তরের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হবে: উত্তেজনা/আনন্দের প্রকাশ ("বাহ!"): পরোক্ষ উক্তিতে এটি "আনন্দের সাথে বলল"-এ রূপান্তরিত হবে। মূল বক্তব্য: "পাখিটা তো চমৎকার" → পরোক্ষ উক্তিতে "যে, পাখিটি চমৎকার" হবে। পরোক্ষ উক্তিতে উদ্ধৃতি চিহ্ন (" ") থাকে না এবং "যে" সংযোজন করা হয়।
সঠিক উত্তর A) "খোকা আনন্দের সাথে বলল যে, পাখিটি চমৎকার।"
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
প্রত্যক্ষ উক্তি (Direct Speech) কে পরোক্ষ উক্তি (Indirect Speech)-এ রূপান্তর করার সময় সময় বাচক শব্দ (Time Expressions) পরিবর্তন হয়। \
কিছু সাধারণ সময় বাচক শব্দের পরিবর্তন: ১. আজ (Today) → সেই দিন প্রত্যক্ষ: সে বলল, "আজ আমি বাড়ি যাব।" পরোক্ষ: সে বলল যে সেই দিন সে বাড়ি যাবে।
২. গতকাল (Yesterday) → পূর্বদিন/একদিন আগে প্রত্যক্ষ: সে বলল, "গতকাল আমি স্কুলে যাইনি।" পরোক্ষ: সে বলল যে পূর্বদিন সে স্কুলে যায়নি।
৩. আগামীকাল (Tomorrow) → পরদিন/পরের দিন প্রত্যক্ষ: সে বলল, "আগামীকাল আমি ঢাকা যাব।" পরোক্ষ: সে বলল যে পরদিন সে ঢাকা যাবে।
৪. এখন (Now) → তখন (Then) প্রত্যক্ষ: সে বলল, "এখন আমি পড়ছি।" পরোক্ষ: সে বলল যে তখন সে পড়ছিল।
৫. আগামী বছর (Next year) → পরের বছর (The following year) প্রত্যক্ষ: সে বলল, "আগামী বছর আমি বিদেশ যাব।" পরোক্ষ: সে বলল যে পরের বছর সে বিদেশ যাবে
৬. এই সপ্তাহে (This week) → সেই সপ্তাহে (That week) প্রত্যক্ষ: সে বলল, "এই সপ্তাহে আমি ব্যস্ত আছি।" পরোক্ষ: সে বলল যে সেই সপ্তাহে সে ব্যস্ত ছিল।
৭. গত মাসে (Last month) → পূর্ব মাসে (The previous month) প্রত্যক্ষ: সে বলল, "গত মাসে আমি চট্টগ্রাম গিয়েছিলাম।" পরোক্ষ: সে বলল যে পূর্ব মাসে সে চট্টগ্রাম গিয়েছিল।
- বাক্যের গঠন ও বিশ্লেষণের প্রধান বিষয় হলো শব্দ। - বাক্য মূলত শব্দের সুনির্দিষ্ট বিন্যাস, যা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে। - একটি বাক্য গঠনের জন্য শব্দগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজানো হয় এবং তাদের মধ্যে অর্থবহ সম্পর্ক থাকতে হয়।
- চিরন্তন সত্য প্রকাশে, স্থায়ী সত্য প্রকাশে, ঐতিহাসিক বর্তমানের ক্ষেত্রে, কাব্যের ভণিতার ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তির ক্রিয়ার কাল অপরিবর্তিত থাকে। - যেমন: দুই আর তিনে পাঁচ হয়, সম্রাট বাবর মোঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, সকালে সূর্য উদিত হয় ইত্যাদি।
বর্ণনা বা বিবরণমূলক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে কোনাে কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয়, সে বাক্যকে বলা হয় বর্ণনামূলক বাক্য। যেমন- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘােরে। লােকটি প্রতিদিন পুকুরে সাতার কাটে।
প্রশ্নবােধক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে কোনাে কিছু জিঞ্জাসা বা প্রশ্ন করা হয়, তাকে বলা হয় প্রশ্নবােধক বাক্য। যেমন: তুমি কি লােকটিকে চিন? সে কি আজ বাড়ি যাবে?
অনুজ্ঞাসূচক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে আদেশ, উপদেশ, অনুরােধ, নিষেধ, প্রস্তাব ইত্যাদি প্রকাশিত হয় তাকে বলা হয় অনুজ্ঞাসূচক বাক্য। যেমন - আদেশ: এখান থেকে বিদায় হও। - অনুরোধ : দয়া করে আমার কাজটি করে দাও। - উপদেশ : অযথা সময় নষ্ট করাে না। - নিষেধ : অনুমতি ছাড়া কখনও তার ঘরে প্রবেশ করাে না। - প্রস্তাব : চল, খেলার মাঠে ফুটবল খেলি আসি।
ইচ্ছাসূচক বাক্য: এ ধরনের বাক্যে শুভজনক প্রার্থনা, আশিস্, আকাঙ্ক্ষা করা হয়। যেমন - তােমার মঙ্গল হােক। পরীক্ষায় সফল হও।
বিস্ময়সূচক বাক্য: যে বাক্যে আশ্চর্যজনক কিছু বুঝায় তাকে বিস্ময়সূচক বাক্য বলে। যেমন - 'হে সিন্ধু! বন্ধু মোর- মজিনু তব রূপে।
যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পায় তাকে অনুজ্ঞা বাক্য বলে। একে অনুজ্ঞাবাচক, অনুজ্ঞাসূচক, আজ্ঞাবাহক বাক্যও বলা হয়। যেমন- উপদেশ- ভালো ফলের চেষ্টা কর। আদেশ- চুপটি করে বসো, বাড়ি যাও; অঙ্কটি কর। অনুরোধ- কাজটি করে দাও না ভাই।
- 'গাড়িঘোড়া চড়লে লেখাপড়া কর' বাক্যটি একটি শর্তসূচক সরল বাক্য। - এর যৌগিকরূপ তৈরি করতে শর্তসূচক অংশটিকে দুটি স্বাধীন বাক্যে বিভক্ত করা হয় এবং তাদের মধ্যে একটি যোজক শব্দ যোগ করা হয়। - যৌগিক বাক্যে দুটি বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য থাকে, যা যোজক শব্দ (যেমন: এবং, কিন্তু, তাহলে ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত হয়। - এখানে "লেখাপড়া কর" এবং "গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে" দুটি স্বাধীন বাক্য। এগুলো "তাহলে" যোজক শব্দ দিয়ে যুক্ত হয়েছে। - বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে এটি যৌগিক বাক্যে রূপান্তরিত হয়েছে। - সঠিক উত্তর: লেখাপড়া কর, তাহলে গাড়িঘোড়ায় চড়তে পারবে।
- জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর করার সময় সাপেক্ষ সর্বনাম (যেমন: "যে", "যিনি") এবং সাপেক্ষ যোজক (যেমন: "তাই", "যেহেতু") বাদ দিয়ে বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে একটি সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যটি জটিল বাক্য: "যে পড়াশোনা করে, সে সফল হয়।" - এখানে দুটি অংশ রয়েছে:
"যে পড়াশোনা করে" (অধীন বাক্য) "সে সফল হয়" (প্রধান বাক্য)
- এটি সরল রূপে প্রকাশ করতে হলে, "পড়াশোনা করা ব্যক্তি" দিয়ে বাক্যটি গঠন করা হয়। ফলে সরল রূপ হবে: "পড়াশোনা করা ব্যক্তি সফল হয়।"
- সরল বাক্য হলো এমন একটি বাক্য যা একটি মাত্র কাজ বা ভাব প্রকাশ করে। - প্রশ্নে দেওয়া বাক্যটি যৌগিক বাক্য, যেখানে দুটি অংশ রয়েছে: "সে গান গায়।" "সবাই মুগ্ধ হয়।"
- এই দুটি অংশকে সরল রূপে প্রকাশ করতে হলে একটি কাজ বা ভাব প্রকাশ করতে হবে। - এখানে "গান গাওয়া" এবং "মুগ্ধ করা" দুটি কাজকে একত্রিত করে সরল রূপ হবে: "গান গেয়ে সে সবাইকে মুগ্ধ করে।"
এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।
- যৌগিক বাক্য গঠনের জন্য দুটি বা ততোধিক স্বাধীন বাক্যকে সংযোজক অব্যয় (যেমন: এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত করা হয়। - বাক্যটি "সে ভোরে উঠে ভ্রমণ করে" একটি সরল বাক্য। এটি দুটি অংশে বিভক্ত করা যায়: "সে ভোরে উঠে।" "সে ভ্রমণ করে।"
- এই দুটি অংশকে "এবং" সংযোজক দিয়ে যুক্ত করলে বাক্যটি যৌগিক রূপ পায়: "সে ভোরে উঠে এবং ভ্রমণ করে।"
চাকরি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল পেতে নিয়মিত অনুশীলন ও লাইভ পরীক্ষার কোন বিকল্প নেই।
অনুশীলন প্রশ্ন ব্যাংক বিষয়ভিত্তিক, টপিক ও সাবটপিক আকারে সাজানো। ২০০৫ থেকে সব জব সলিউশন ও টপিকভিত্তিক জব সলিউশন বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ, রুটিন ভিত্তিক নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা, পিডিএফ লেকচার শীট।
২০০৫-২০২৬ সাল পর্যন্ত টপিক ও সাবটপিক আকারে জব শুলুশন্স প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে, ১২তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লে হবে, সব প্রশ্ন ইউনিক সর্বমোট ২৫ হাজার হবে। প্রশ্ন ব্যাংক -> অনুশীলন -> এরপর উপরের ডানে একটা হলুদ বাটন ক্লিক করে job solutions ফিল্টার করে নিবেন। প্রতি সপ্তাহের নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাবটপিক আকারে যোগ করা হয়।
✅ প্রধান শিক্ষক প্রস্তুতি - লেকচারশীট ভিত্তিকঃ রুটিন আপলোড করা হয়েছে। (২য় ব্যাচ) পরীক্ষা শুরুঃ ৫ ফেব্রুয়ারি। মোট পরীক্ষা – ৮০টি। টপিক ভিত্তিক – ৪০টি। সাবজেক্ট ভিত্তিক – ২০টি। ফুল মডেল টেস্ট – ২৮টি। প্রতিদিন পরীক্ষা ও প্রতি ৩ দিন পরপর ফুল ও বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্ট। সব প্রশ্ন সাজেশন্স ভিত্তিক।
✅ ৫১ তম বিসিএস প্রস্ততি - ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলিবাস। ✪ পরীক্ষা শুরুঃ ১০ ফেব্রুয়ারি। ✪ মোট পরীক্ষাঃ ১৬২টি ✪ ডেইলি পরীক্ষাঃ ১০০টি ✪ প্রতি ২টি ডেইলি পরীক্ষার পর ১টি করে রিভিশনের মোট পরীক্ষাঃ ৫০টি ✪ পাক্ষিক রিভিশনঃ ১১টি ✪ প্রতি পরীক্ষায় ৫০টি Exclusive MCQ
✅ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (রুটিনের জন্য পিডিএফ বাটন দেখুন) - পরীক্ষা শুরুঃ ১০ নভেম্বর। - মোট পরীক্ষাঃ ১২৮টি, - টপিক ভিত্তিকঃ ১১২টি, - রিভিশন পরীক্ষাঃ ২২টি, - Vocabulary রিভিশনঃ ৩বার
অ্যাপ এর হোম screen -এ পিডিএফ বাটন ক্লিক করুন, এখান থেকে রুটিন ডাউনলোড করতে পারবেন। রুটিনের তারিখ অনুযায়ী পরীক্ষা রাত ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যেকোন সময় দিতে পারবেন, ফলাফল সাথে সাথে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ দেওয়া হয়। missed পরীক্ষাগুলো আর্কাইভ থেকে দিতে পারবেন, তবে মেরিট লিস্ট আসবে না, মেরিট লিস্টে থাকতে হলে রুটিন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখে দিতে হবে। আর্কাইভ থেকে পরীক্ষা দিতে হলে ভিজিট করুনঃ অ্যাপ এর হোম স্ক্রীনে 'পরীক্ষার সেকশন' বাটনে ক্লিক করুন -> বিসিএস বাটন -> [ফ্রি কোর্স] ৫০তম বিসিএস প্রিলি ২২০ দিনের সেকশনের All Exam বাটন ক্লিক করুন -> এখান Upcoming, Expired ট্যাব পাবেন।
✅ আপকামিং রুটিনঃ - ১০০ দিনের বিসিএস বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি। - অগ্রদূত বাংলা বই অনুসারে বাংলা সাহিত্য ও ভাষা রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।। - English মাস্টার বই অনুসারে রুটিনে টপিক ও বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর উল্লেখ থাকবে।