সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

বাক্য প্রকরণ

৩৪৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রত্যক্ষ থেকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তনের নিয়ম :
- উদ্ধরণ চিহ্ন উঠে সংযোজক 'যে' বসে ।
- সর্বনাম 'আমি' বদলে 'সে' হয় ।
- ক্রিয়া 'কিনেছি' বদলে 'কিনেছে' হয় ।
সঠিক উত্তর: রহিম বলল যে সে বইটি কিনেছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'সে কথা শুনে হাসিয়া উঠিল' এটি একটি সরল বাক্য ।
যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে ।
এ বাক্যে:
- কর্তা: 'সে'
- সমাপিকা ক্রিয়া: 'হাসিয়া উঠিল'
এখানে একটিমাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকায় এটি সরল বাক্য।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে আশ্রিত খণ্ডবাক্য সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে ।
- 'যদিও... তথাপি' হলো সাপেক্ষ যোজক পদ যা দুটি বাক্যাংশকে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল করে ।
- প্রদত্ত বাক্যে 'যদিও' ও 'তথাপি' ব্যবহার করে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
গঠন অনুসারে বাংলা বাক্য প্রধানত ৩ প্রকার ।
- সরল বাক্য: এতে একটি মাত্র কর্তা ও সমাপিকা ক্রিয়া থাকে ।
- জটিল বাক্য: প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত থাকে ।
- যৌগিক বাক্য: একাধিক স্বাধীন বাক্য যোজক দ্বারা যুক্ত হয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে আশ্রিত খণ্ডবাক্য সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তা জটিল বাক্য ।
এখানে 'যদি...তাহলে' সাপেক্ষ অব্যয় দিয়ে বাক্যটি সম্পন্ন করা হয়েছে ।
তাই 'সত্য বললে মুক্তি পাবে' সরল বাক্যটির সঠিক জটিল রূপ হলো— 'যদি সত্য বলো, তাহলে মুক্তি পাবে' ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি সার্থক বাক্যের পদগুলোর মধ্যে অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনকে যোগ্যতা বলে। বাক্যে উপমা-অলঙ্কারের সঠিক প্রয়োগ না হলে বাক্যের অর্থ ও ভাবের স্বাভাবিকতা নষ্ট হয়। যেমন- "হৃদয়-মন্দিরে বীজ রোপণ করা"- মন্দিরে বীজ রোপণ হয় না বলে বাক্যের যোগ্যতা বিনষ্ট হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
অর্থ প্রকাশ অনুযায়ী বাংলা বাক্যকে প্রধানত ৭ ভাগে ভাগ করা হয় । যথা:
- বিবৃতিমূলক
- প্রশ্নবাচক
- অনুজ্ঞাবাচক
- প্রার্থনাসূচক
- কার্যকারণাত্মক
- সংশয়সূচক
- বিস্ময়সূচক ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছাকে আকাঙ্ক্ষা বলে ।
'চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে...' বললে বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে এবং আরও কিছু শোনার আগ্রহ থেকে যায় । 'ঘোরে' শব্দটি বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণ হয় । তাই এখানে আকাঙ্ক্ষা গুণের অভাব রয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
একটি বাক্যের প্রধান দুটি অংশ থাকে- উদ্দেশ্য ও বিধেয়।
- উদ্দেশ্য: বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয় (এখানে 'খোকা')।
- বিধেয়: উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়।
এখানে খোকা কী করছে বা তার সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তা হলো 'বই পড়ছে'। তাই 'বই পড়ছে' বাক্যের বিধেয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রত্যক্ষ উক্তি পরোক্ষ করার নিয়ম :
- সর্বনাম: 'আমি' বদলে 'তিনি' হয়।
- কাল: 'আগামীকাল' এর বদলে 'পরদিন' বসে।
- স্থান: 'এখানে' বদলে 'সেখানে' হয়।
- ক্রিয়া: 'আসব' বদলে 'যাবেন' হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
শিক্ষক নিবন্ধন
ব্যাখ্যা (Explanation)
- ভাষার মূল উপকরণ : বাক্য
- ভাষার মূল উপাদান : ধ্বনি
- ভাষার বৃহত্তম একক : বাক্য
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি
- বাক্যের মৌলিক উপাদান :  শব্দ
- বাক্যের মূল উপাদান : শব্দ
- বাক্যের মূল উপকরণ : শব্দ
- বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক : শব্দ, বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রতিটি শব্দকে পদ বলে। 
- শব্দের মূল উপাদান : ধ্বনি
- শব্দের মূল উপকরণ : ধ্বনি
- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি
ব্যাখ্যা (Explanation)
উক্তি দুই প্রকার- প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি।

প্রত্যক্ষ উক্তি:
যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে।
প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (‘ ’/“ ”)-এর মধ্যে থাকে এবং বক্তার কথা ‍উদ্ধৃত করার আগে কমা (,) ব্যবহার করা হয়। এগুলো দেখে সহজেই প্রত্যক্ষ উক্তি চেনা যায়।
যেমন,
- খোকা বলল, আমার বাবা বাড়ি নেই।
- লোকটি আমাকে বললেন, 'অনুগ্রহ করে আপনি সামনের আসনে বসুন।'

পরোক্ষ উক্তি:
যে বাক্যে বক্তার কথা অন্যের জবানীতে পরিবর্তিত/রূপান্তরিত ভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে পরোক্ষ উক্তি বলে।
পরোক্ষ উক্তিতে কোনো উদ্ধরণ চিহ্ন থাকে না, এবং প্রথম উদ্ধরণ চিহ্নের স্থলে ‘যে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
বেশিরভাগ পরোক্ষ উক্তিতেই ‘যে’ সংযোজক অব্যয়টি থাকে বলে একে দেখে পরোক্ষ উক্তি চেনা যেতে পারে। তবে ‘যে’ ছাড়াও অনেক পরোক্ষ উক্তি গঠিত হতে পারে।
যেমন, 
- খোকা বলল যে, তার বাবা বাড়ি ছিলেন না।
- লোকটি আমাকে সামনের আসনে বসতে অনুরোধ করলেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উক্তি দুই প্রকার- প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরোক্ষ উক্তি।

প্রত্যক্ষ উক্তি:
যে বাক্যে বক্তার কথা অবিকল উদ্ধৃত হয়, তাকে প্রত্যক্ষ উক্তি বলে।
প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার কথা উদ্ধরণ চিহ্ন (‘ ’/“ ”)-এর মধ্যে থাকে এবং বক্তার কথা ‍উদ্ধৃত করার আগে কমা (,) ব্যবহার করা হয়। এগুলো দেখে সহজেই প্রত্যক্ষ উক্তি চেনা যায়।
যেমন,
- খোকা বলল, আমার বাবা বাড়ি নেই।
- লোকটি আমাকে বললেন, 'অনুগ্রহ করে আপনি সামনের আসনে বসুন।'

পরোক্ষ উক্তি:
যে বাক্যে বক্তার কথা অন্যের জবানীতে পরিবর্তিত/রূপান্তরিত ভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে পরোক্ষ উক্তি বলে।
পরোক্ষ উক্তিতে কোনো উদ্ধরণ চিহ্ন থাকে না, এবং প্রথম উদ্ধরণ চিহ্নের স্থলে ‘যে’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
বেশিরভাগ পরোক্ষ উক্তিতেই ‘যে’ সংযোজক অব্যয়টি থাকে বলে একে দেখে পরোক্ষ উক্তি চেনা যেতে পারে। তবে ‘যে’ ছাড়াও অনেক পরোক্ষ উক্তি গঠিত হতে পারে।
যেমন,
- খোকা বলল যে, তার বাবা বাড়ি ছিলেন না।
- লোকটি আমাকে সামনের আসনে বসতে অনুরোধ করলেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।।
ব্যাখ্যা (Explanation)
যখন কোনো বাক্যে আবেগ (আনন্দ, দুঃখ, বিস্ময়, রাগ, অনুতাপ ইত্যাদি) প্রকাশ পায়, তখন সেটিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় শুধু “বলল” ব্যবহার করলেই হয় না, বরং আবেগ অনুযায়ী রিপোর্টিং ক্রিয়ায় ভাব প্রকাশ করতে হয়।

আবেগভেদে রিপোর্টিং ক্রিয়া
আনন্দ প্রকাশে: আনন্দের সাথে বলল / আনন্দ প্রকাশ করল
দুঃখ প্রকাশে: দুঃখের সাথে বলল / শোক প্রকাশ করল
বিস্ময় প্রকাশে: বিস্ময়ের সাথে বলল / আশ্চর্য হয়ে বলল
রাগ প্রকাশে: রাগের সাথে বলল / ক্রোধ প্রকাশ করল
অনুতাপ প্রকাশে: অনুতাপের সাথে বলল / আক্ষেপ করে বলল
উদাহরণ
1. প্রত্যক্ষ উক্তি: রাহিম বলল, “আহা! আমি পরীক্ষায় পাস করেছি।”
পরোক্ষ উক্তি: রাহিম আনন্দের সাথে বলল যে সে পরীক্ষায় পাস করেছে।
2. প্রত্যক্ষ উক্তি: সোহেল বলল, “হায়! আমি হেরে গেছি।”
পরোক্ষ উক্তি: সোহেল দুঃখের সাথে বলল যে সে হেরে গিয়েছিল।
3. প্রত্যক্ষ উক্তি: তারা বলল, “বাহ! কেমন সুন্দর দৃশ্য!”
পরোক্ষ উক্তি: তারা বিস্ময়ের সাথে বলল যে দৃশ্যটি খুব সুন্দর।
ব্যাখ্যা (Explanation)
হ্যাঁ/না ধরনের প্রশ্নে (Yes-No Question):
পরোক্ষ ক্রিয়া হয় – জিজ্ঞাসা করল / জানতে চাইল
উদাহরণ:
প্রত্যক্ষ: রাহিম বলল, “তুমি কি স্কুলে যাবে?”
পরোক্ষ: রাহিম জানতে চাইল আমি স্কুলে যাব কি না।
কে, কী, কোথায়, কবে ইত্যাদি প্রশ্নে (Wh-Question):
পরোক্ষ ক্রিয়া হয় – জিজ্ঞাসা করল / জানতে চাইল
এবং প্রশ্নবোধক শব্দ (কে, কী, কোথায়, কবে ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকে।
উদাহরণ:
প্রত্যক্ষ: শিক্ষক বললেন, “তুমি কোথায় যাচ্ছ?”
পরোক্ষ: শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন আমি কোথায় যাচ্ছি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
• প্রত্যক্ষ উক্তিতে চিরন্তন সত্যের উদ্ধৃতি থাকলে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কালের কোনো পরিবর্তন হয় না।
যেমন:
প্রত্যক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন, “চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।”
পরোক্ষ উক্তি: শিক্ষক বললেন যে, চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।

আবার,
• প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে পরিবর্তন করার সময়ে কালবাচক ও স্থানবাচক শব্দের পরিবর্তন হয়।
যেমন:
প্রত্যক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন, “আমি আগামীকাল এখানে আবার আসব ।”
পরোক্ষ উক্তি: লোকটি বললেন যে, তিনি পরদিন সেখানে আবার যাবেন ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রত্যক্ষ উক্তিকে পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তর করার সময় সময়, স্থান, নির্দেশক শব্দ (যেমন– এখানে, এখন, আজ, আগামীকাল ইত্যাদি) পরিবর্তিত হয়ে যায়।
‘এখানে’ পরোক্ষ উক্তিতে সাধারণত ‘সেখানে’ হয়ে যায়।
উদাহরণ
1. প্রত্যক্ষ উক্তি: রাহিম বলল, “আমি এখানে থাকি।”
পরোক্ষ উক্তি: রাহিম বলল যে সে সেখানে থাকে।
2. প্রত্যক্ষ উক্তি: সোহেল বলল, “আমরা এখানে খেলব।”
পরোক্ষ উক্তি: সোহেল বলল যে তারা সেখানে খেলবে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
আজ’ পরোক্ষ উক্তিতে সাধারণত ‘সেদিন’ হয়ে যায়।
উদাহরণ
1. প্রত্যক্ষ উক্তি: রাহিম বলল, “আজ আমি স্কুলে যাব।”
পরোক্ষ উক্তি: রাহিম বলল যে সেদিন সে স্কুলে যাবে।
2. প্রত্যক্ষ উক্তি: সুমি বলল, “আজ আমাদের ছুটি।”
পরোক্ষ উক্তি: সুমি বলল যে সেদিন তাদের ছুটি ছিল।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- সাপেক্ষ যোজক বা নিত্যসম্বন্ধীয় অব্যয় সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয় এবং একটি অন্যটির উপর নির্ভরশীল থাকে।
- এই যোজকগুলো মিশ্র বা জটিল বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যেখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে এক বা একাধিক आश্রিত খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করে।
- যেমন: "যদি তুমি আসো, তবে আমি যাবো" - এখানে 'যদি-তবে' হলো সাপেক্ষ যোজক যা দুটি খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করেছে।

- অন্যান্য সাপেক্ষ যোজকের উদাহরণ হলো: যত-তত, যখন-তখন, যিনি-তিনি, যেমন-তেমন ইত্যাদি।
- সরল বাক্যে কোনো যোজক থাকে না, কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে।
- যৌগিক বাক্যে নিরপেক্ষ যোজক (যেমন: এবং, ও, কিন্তু, অথবা) ব্যবহৃত হয়, যা দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করে।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- "তিনি সৎ ব্যক্তি" বাক্যটিতে 'তিনি' হলো কর্তা এবং 'হন' (উহ্য) হলো সমাপিকা ক্রিয়া, তাই এটি একটি সরল বাক্য।
- "যে পরিশ্রম করে, সে-ই লাভ করে" - এটি একটি জটিল বা মিশ্র বাক্য, কারণ এখানে 'যে-সে' সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে।
- "তুমি আসবে এবং আমি যাব" - এটি একটি যৌগিক বাক্য, কারণ 'এবং' অব্যয় দ্বারা দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করা হয়েছে।
- "যদিও তিনি ধনী, তবুও তিনি সুখী নন" - এটিও একটি জটিল বা মিশ্র বাক্য, কারণ এখানে 'যদিও-তবুও' সাপেক্ষ যোজক ব্যবহৃত হয়েছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য 'এবং, ও, কিন্তু, অথবা' ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত হলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

• উদাহরণ:
- যৌগিক বাক্য: তাঁর টাকা আছে, কিন্তু তিনি দান করেন না।
- সরল বাক্য: তাঁর টাকা থাকলেও তিনি দান করেন না।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- যদিও তাঁর টাকা আছে, তবুও তিনি দান করেন না: এটি জটিল বাক্য, কারণ 'যদিও...তবুও' সাপেক্ষ শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।
- তিনি ধনী এবং দান করেন না: এটি একটি যৌগিক বাক্য।
- টাকা থাকা সত্ত্বেও তিনি অদানশীল: এটি সরল বাক্য হলেও, মূল বাক্যের ক্রিয়াপদ 'দান করেন না' পরিবর্তন করে 'অদানশীল' বিশেষণ করায় অপশন ৩-এর তুলনায় এটি কম মানানসই।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
এই বাক্যটিতে বক্তার মনের আকস্মিক আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পেয়েছে। বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!) ব্যবহার করা হয় অথবা বাক্যের গঠন ও শব্দের মাধ্যমে (যেমন: সত্যি!) মনের আবেগ প্রকাশ করা হয়, তাই এটি বিস্ময়বোধক বা আবেগসূচক বাক্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য কোনো অব্যয় বা যোজক দ্বারা সংযুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- যৌগিক বাক্যে 'এবং, ও, কিন্তু, অথবা, তবে' ইত্যাদি যোজক ব্যবহৃত হয়।

• উদাহরণ:
- লোকটি ধনী কিন্তু কৃপণ।
- মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নৃত্য করে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- যখন মেঘ গর্জন করে, তখন ময়ূর নৃত্য করে: এটি জটিল বাক্য, কারণ 'যখন...তখন' সাপেক্ষ যোজক ব্যবহৃত হয়েছে।
- মেঘের গর্জনে ময়ূর নৃত্য করে: এটি একটি সরল বাক্য, কারণ এতে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
- যেহেতু মেঘ গর্জন করে, সেহেতু ময়ূর নৃত্য করে: এটিও জটিল বাক্য ('যেহেতু...সেহেতু' থাকার কারণে)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে রূপান্তর: জটিল বাক্যের অন্তর্গত খণ্ডবাক্যগুলোকে সঙ্কুচিত করে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত সরল বাক্যে পরিণত করতে হয়। এখানে 'যারা পরিশ্রম করে' খণ্ডবাক্যটি সঙ্কুচিত হয়ে 'পরিশ্রমীরা' পদটিতে পরিণত হয়েছে এবং 'সফল হয়' সমাপিকা ক্রিয়া হিসেবে অপরিবর্তিত রয়েছে।

• উদাহরণ: যারা ভালো ছেলে, তারা শিক্ষকের আদেশ পালন করে (জটিল) - ভালো ছেলেরা শিক্ষকের আদেশ পালন করে (সরল)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- 'পরিশ্রম করে জীবনে সফল হওয়া যায়' এবং 'পরিশ্রমের দ্বারা সাফল্য আসে': বাক্যগুলোর অর্থ ঠিক থাকলেও ব্যাকরণগত রূপান্তর হিসেবে এগুলো আদর্শ সরল বাক্য নয়; এগুলো মূলত ভাববাচ্যের রূপ।
- 'যে পরিশ্রমী, সে সফল': এটি একটি জটিল বাক্য, কারণ এতে 'যে... সে' সাপেক্ষ সর্বনাম রয়ে গেছে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
A) বৃষ্টি থামার পর আমরা স্কুলে রওনা হলাম: এটি একটি সরল বাক্য। এখানে "রওনা হলাম" একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে।

B) বৃষ্টি থামল এবং আমরা স্কুলে রওনা হলাম: এটি একটি যৌগিক বাক্য। এখানে "বৃষ্টি থামল" এবং "আমরা স্কুলে রওনা হলাম" দুটি স্বাধীন বাক্যকে "এবং" অব্যয় দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে।

C) আমরা স্কুলে রওনা হলাম কারণ বৃষ্টি থেমেছিল: এটিও একটি জটিল বাক্য, কারণ এখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সাথে "কারণ" দ্বারা একটি অধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে। তবে, গঠনগত দিক থেকে (D) বিকল্পটি জটিল বাক্যের সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ।

D) যখন বৃষ্টি থামল, তখন আমরা স্কুলে রওনা হলাম: এটি একটি জটিল বাক্য। এখানে "তখন আমরা স্কুলে রওনা হলাম" হলো প্রধান খণ্ডবাক্য এবং "যখন বৃষ্টি থামল" হলো তার উপর নির্ভরশীল একটি आश্রিত খণ্ডবাক্য। বাক্য দুটি "যখন-তখন" সাপেক্ষ যোজক দ্বারা যুক্ত।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যৌগিক বাক্য হল যে বাক্যে দুই বা ধিক স্বাধীন উপবাক্য সংযোজক অব্যয় (এবং, কিন্তু, অথবা, না হয় ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে।
- "কাজ কর, না হয় বসে পড়" - এটি যৌগিক বাক্য। এখানে "কাজ কর" এবং "বসে পড়" দুটি স্বাধীন বাক্য "না হয়" সংযোজক দ্বারা যুক্ত।

ব্যাখ্যা (Explanation)
- যৌগিক বাক্য হল যে বাক্যে দুই বা ধিক স্বাধীন উপবাক্য সংযোজক অব্যয় (এবং, কিন্তু, অথবা, না হয় ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে।
- সঠিক উত্তর: তিনি অত্যন্ত দরিদ্র কিন্তু তাঁর অন্তঃকরণ অতিশয় উচ্চ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যৌগিক বাক্য হল যে বাক্যে দুই বা ধিক স্বাধীন উপবাক্য সংযোজক অব্যয় (এবং, কিন্তু, অথবা, না হয় ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে।

প্রদত্ত বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ:
A) "তুমি না এলে আমি যাব না" - এটি জটিল বাক্য, কারণ এখানে উপবাক্য রয়েছে।
B) "কাজ কর, না হয় বসে পড়" - এটি যৌগিক বাক্য। এখানে "কাজ কর" এবং "বসে পড়" দুটি স্বাধীন বাক্য "না হয়" সংযোজক দ্বারা যুক্ত।
C) "সে বই পড়ে" - এটি সরল বাক্য।
D) "যদি তুমি যাও, তবে আমি যাব" - শর্তাধীন জটিল বাক্য।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- প্রদত্ত উক্তি একটি প্রত্যক্ষ উক্তি, যেখানে খোকার মূল বক্তব্য এবং অনুভূতি ("বাহ!" - আনন্দ) স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

পরোক্ষ উক্তিতে রূপান্তরের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হবে:
উত্তেজনা/আনন্দের প্রকাশ ("বাহ!"): পরোক্ষ উক্তিতে এটি "আনন্দের সাথে বলল"-এ রূপান্তরিত হবে।
মূল বক্তব্য: "পাখিটা তো চমৎকার" → পরোক্ষ উক্তিতে "যে, পাখিটি চমৎকার" হবে।
পরোক্ষ উক্তিতে উদ্ধৃতি চিহ্ন (" ") থাকে না এবং "যে" সংযোজন করা হয়।

সঠিক উত্তর A) "খোকা আনন্দের সাথে বলল যে, পাখিটি চমৎকার।"

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রত্যক্ষ উক্তি (Direct Speech) কে পরোক্ষ উক্তি (Indirect Speech)-এ রূপান্তর করার সময় সময় বাচক শব্দ (Time Expressions) পরিবর্তন হয়। \

কিছু সাধারণ সময় বাচক শব্দের পরিবর্তন:
১. আজ (Today) → সেই দিন 
প্রত্যক্ষ: সে বলল, "আজ আমি বাড়ি যাব।"
পরোক্ষ: সে বলল যে সেই দিন সে বাড়ি যাবে।

২. গতকাল (Yesterday) → পূর্বদিন/একদিন আগে
প্রত্যক্ষ: সে বলল, "গতকাল আমি স্কুলে যাইনি।"
পরোক্ষ: সে বলল যে পূর্বদিন সে স্কুলে যায়নি।

৩. আগামীকাল (Tomorrow) → পরদিন/পরের দিন 
প্রত্যক্ষ: সে বলল, "আগামীকাল আমি ঢাকা যাব।"
পরোক্ষ: সে বলল যে পরদিন সে ঢাকা যাবে।

৪. এখন (Now) → তখন (Then)
প্রত্যক্ষ: সে বলল, "এখন আমি পড়ছি।"
পরোক্ষ: সে বলল যে তখন সে পড়ছিল।

৫. আগামী বছর (Next year) → পরের বছর (The following year)
প্রত্যক্ষ: সে বলল, "আগামী বছর আমি বিদেশ যাব।"
পরোক্ষ: সে বলল যে পরের বছর সে বিদেশ যাবে

৬. এই সপ্তাহে (This week) → সেই সপ্তাহে (That week)
প্রত্যক্ষ: সে বলল, "এই সপ্তাহে আমি ব্যস্ত আছি।"
পরোক্ষ: সে বলল যে সেই সপ্তাহে সে ব্যস্ত ছিল।

৭. গত মাসে (Last month) → পূর্ব মাসে (The previous month)
প্রত্যক্ষ: সে বলল, "গত মাসে আমি চট্টগ্রাম গিয়েছিলাম।"
পরোক্ষ: সে বলল যে পূর্ব মাসে সে চট্টগ্রাম গিয়েছিল।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।