সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

দ্বিরুক্ত শব্দ

১৮৯ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনি বা শব্দের কাল্পনিক অনুকরণে যে শব্দ গঠিত হয়, তাকে ধনাত্মক শব্দ বলে । বৃষ্টি পড়ার কাল্পনিক বা প্রাকৃতিক শব্দ বোঝাতে 'টাপুর টুপুর' শব্দটি পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়েছে । তাই 'টাপুর টুপুর' একটি ধনাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে গঠিত শব্দকে ধনাত্মক শব্দ বলে । বৃষ্টি পড়ার শব্দ অনুকরণ করে 'টাপুর টুপুর' শব্দটি তৈরি হয়েছে । এই ধনাত্মক শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হওয়ায় এটি ধনাত্মক দ্বিরুক্ত ।
- উদাহরণ: ঝমঝম, কলকল ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'পটাপট' বা 'টপাটপ' হলো ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি । এখানে মূল শব্দ 'পট' বা 'টপ'-এর প্রথম অংশের শেষে স্বরধ্বনি 'আ' যুক্ত করে (পট+আ = পটা -> পটাপট) শব্দ গঠিত হয় ।
নিয়ম:
- প্রথম শব্দের শেষে 'আ' যোগে: পটাপট, টপাটপ, খটাখট ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি: কোনো বস্তুর প্রাকৃতিক ধ্বনি বা অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে । "গা ছমছম করে" বাক্যে ভয়ের অনুভূতি প্রকাশ পাওয়ায় "ছমছম" একটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে । এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও দ্বিতীয় শব্দটি অনুকরণে তৈরি হয় এবং এর কোনো অর্থ থাকে না ।
এখানে 'বই' অর্থপূর্ণ শব্দ হলেও 'টাই' অংশটি অনুকরণে গঠিত অর্থহীন শব্দ, যা অনির্দিষ্ট ভাব বোঝায় । তাই 'বই-টাই' হলো অনুকার দ্বিত্ব ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাক্যে 'দেখতে দেখতে' একটি ক্রিয়াবাচক শব্দের দ্বিরুক্তি । এটি দিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে চোখের সামনে আকাশ মেঘলা হয়ে যাওয়াকে বোঝানো হয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণে কোনো কাজ খুব অল্প সময় জুড়ে ঘটা বোঝালে তাকে স্বল্পকাল স্থায়ী ভাব বলে । তাই 'দেখতে দেখতে' দ্বিরুক্তিটি স্বল্পকাল স্থায়ী ভাব প্রকাশ করছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো বাক্যে সর্বনাম পদ পরপর দুবার বসে একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে তাকে সর্বনামের দ্বিরুক্তি বলে । 'সে সে লোক গেল কোথায়?' বাক্যে 'সে' সর্বনাম পদটি দুবার ব্যবহৃত হয়ে বহু লোককে নির্দেশ করছে, তাই এটি আধিক্য বা বহুবচনাত্মক অর্থ প্রকাশ করে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
একই শব্দকে কিছুটা পরিবর্তন করে আবার ব্যবহার করাকে যুগ্মরীতি বলে । শব্দের দ্বিতীয়বার ব্যবহারের সময় ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তনে গঠিত যুগ্মরীতির দ্বিরুক্তি বলা হয় । এখানে 'চট' শব্দে 'চ' বদলে 'প' হয়ে 'চটপট' এবং 'নিশ' বদলে 'নিশপিশ' তৈরি হয়েছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
'মনে মনে' দ্বিরুক্তিটির প্রয়োগ বিশ্লেষণ:
- অর্থ বিস্তার: শব্দটি অনুভূতির মন জুড়ে ব্যাপ্তি বোঝায়।
- ব্যাপ্তি অর্থ: কোনো চিন্তা পুরো মন জুড়ে বিস্তৃত থাকা প্রকাশ করে।
তাই 'মনে মনে তুলনা করে দেখলাম' বাক্যে সঠিক উত্তর ব্যাপ্তি অর্থে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে তৈরি শব্দ দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে ধন্যাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্তি বলে ।
বৃষ্টি পতনের শব্দ বোঝাতে 'টাপুর টুপুর' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে । এটি বৃষ্টির শব্দের একটি কাল্পনিক অনুকরণ । ফলে 'টাপুর টুপুর' হলো ধন্যাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্তি ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কোনো অব্যয় পদ দুইবার ব্যবহৃত হয়ে মনের বিশেষ অনুভূতি প্রকাশ করলে তাকে অব্যয়ের দ্বিরুক্তি বলে ।
'ছি ছি, তুমি কী করেছ?' বাক্যে 'ছি ছি' অব্যয়টি দ্বারা তীব্র ঘৃণা ও ভাবের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে । তাই সঠিক উত্তর 'ভাবের গভীরতা বা ঘৃণা' ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা বাক্যে একই পদ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয় । এখানে 'ডেকে ডেকে' হলো ক্রিয়াবাচক দ্বিরুক্ত শব্দ, যা কোনো কাজ একাধিকবার বা পুনঃপুন ঘটা প্রকাশ করে । বাক্যটিতে এক বার নয়, বরং বার বার ডাকার বিষয়টি ঘটেছে । তাই এটি পৌনঃপুনকতা অর্থ প্রকাশ করেছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)

- 'ধপ+ধপ' থেকে 'ধপাধপ' শব্দটি অসমীকরণ (Dissimilation) প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।
- যখন দুটি একই রকম ধ্বনি বা শব্দের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে একটি স্বরধ্বনির আগমন ঘটে, তখন তাকে অসমীকরণ বলা হয়।

- এখানে 'ধপ' শব্দটি দুবার উচ্চারিত হয়েছে। এই পুনরাবৃত্তির ফলে সৃষ্ট একঘেয়েমি দূর করার জন্য মাঝখানে একটি 'আ' স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে 'ধপাধপ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- এর ফলে উচ্চারণ সহজ এবং শ্রুতিমধুর হয়। একই ধরনের আরও উদাহরণ হলো 'টপ+টপ' থেকে 'টপাটপ'।

ব্যাখ্যা (Explanation)
⇒ সঠিক উত্তর: ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।
• কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলা হয় এবং এই শব্দের পরপর দুবার প্রয়োগকে ‘ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি’ বলে।
• ‘হাপুস হুপুস’ শব্দটি দিয়ে মূলত গোগ্রাসে বা খুব দ্রুত শব্দ করে কিছু খাওয়ার একটি কাল্পনিক অনুভূতি বা শব্দকে বোঝানো হয়।
• বাংলা ব্যাকরণে যুগ্মরীতিতে গঠিত ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির ক্ষেত্রে প্রথম শব্দের সাথে মিল রেখে দ্বিতীয় শব্দের স্বরের সামান্য পরিবর্তন করা হয়।
• যেমন— টাপুর টুপুর (বৃষ্টি পড়ার শব্দ), কিচির মিচির (পাখির ডাক), ঠিক তেমনি ‘হাপুস হুপুস’ গোগ্রাসে খাওয়ার কাল্পনিক শব্দ নির্দেশ করে।
• যেহেতু এটি কোনো বাস্তব বা কাল্পনিক শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়ে দ্বিরুক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির একটি নিখুঁত উদাহরণ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
'বীপ্সা' কথাটির অর্থ হলো বারবার বা প্রতিটি বোঝানো।
- 'পথে পথে সে কথা রটে গেল' বাক্যটিতে 'পথে পথে' বলতে 'প্রতিটি পথে' বা সব স্থানে বোঝানো হয়েছে।
- কোনো শব্দ পরপর দুবার বসে যখন 'প্রতিটি' বা 'ব্যাপ্তি' অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে বীপ্সা অর্থে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে।
তাই এখানে এটি বীপ্সা অর্থে ব্যবহৃত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের: অনুকার দ্বিত্ব, ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব।
- অনুকার দ্বিত্বঃ পরপর প্রয়ােগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়, যেমন-অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বঃ কোনাে প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলােকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন –ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনাে ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য কোনাে ধাতব পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনাে ততােধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়। যেমন –কুটুস-কুটুস, খক খক, খুটুর-খুটুর, টুং টুং, ঠুক ঠুক, ধুপ ধুপ, দুম দুম, ঢং ঢং, ইত্যাদি।
- পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বঃ পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে। যেমন – জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, ভালো ভালো, জোরে জোরে ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা ব্যাকরণে এমন কিছু শব্দ আছে যা শুনতে প্রায় একই রকম, কিন্তু তাদের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা। এগুলোকে প্রায় সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ বলে।
- ফিক শব্দটির অর্থ হলো মৃদু হাসি বা মুচকি হাসি। যেমন আমরা কথায় বলি, 'ফিক করে হাসা'।
- ফীক শব্দটির অর্থ হলো বসন্তের সুরেলা পাখি কোকিল।
তাই এই শব্দজোড়টির সঠিক অর্থ 'মৃদু হাসি - কোকিল'।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনাে শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে।
- শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের: অনুকার দ্বিত্ব, ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব। 
- অনুকার দ্বিত্বঃ পরপর প্রয়ােগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়, যেমন-অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর
 
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বঃ কোনাে প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলােকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
যেমন –ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনাে ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য কোনাে ধাতব পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনাে ততােধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়। যেমন –কুটুস-কুটুস, খক খক, খুটুর-খুটুর, টুং টুং, ঠুক ঠুক, ধুপ ধুপ, দুম দুম, ঢং ঢং, ইত্যাদি।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
যেমনঃ
- বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালাে ভালাে (কথা), কত কত (লােক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।
- বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সকল অব্যয় রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে।
- এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব বা আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়।
- যেমন: বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদেয় এল বান।প্রদত্ত উদাহরণে 'টাপুর টুপুর' ধ্বন্যাত্মক শব্দটি বৃষ্টির ধ্বনির অবস্থাকে প্রকাশ করেছে।

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
সঠিক উত্তর: C) হাতে হাতে
• পদাত্মক দ্বিরুক্তির ব্যাকরণগত পরিচয়: বিভক্তিযুক্ত পদ পর পর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে পদাত্মক দ্বিরুক্তি বা পদের দ্বিরুক্তি বলা হয়।
• সঠিক উত্তরের বিশ্লেষণ (হাতে হাতে): 'হাত' একটি নাম শব্দ বা প্রাতিপদিক, যার সাথে সপ্তমী বিভক্তি 'এ' যুক্ত হয়ে 'হাতে' পদটি গঠিত হয়েছে (হাত + এ = হাতে)। এখানে বিভক্তিযুক্ত 'হাতে' পদটি দুবার ব্যবহৃত হওয়ায় এটি পদাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ।
• অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
• A) দিন দিন ও B) রোজ রোজ: এগুলো বিভক্তিহীন শব্দের পরপর দুইবার ব্যবহারের মাধ্যমে গঠিত শব্দের দ্বিরুক্তি (বা পৌনঃপুনিকতা অর্থে অব্যয়ের দ্বিরুক্তি)।
D) শুনশান: এটি অর্থহীন অনুকার বা ধনাত্মক দ্বিরুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা (Explanation)

- বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে। এ ধরনের শব্দের পরপর দুইবার প্রয়োগেই দ্বিরুক্ত শব্দ গঠিত হয়। ভাবের গভীরতা বোঝাতে অব্যয়ের দ্বিরুক্তি বা দ্বিত্ব হয়। যেমন: ছি! ছি! তুমি এত খারাপ।

- ভাবের ধারাবাহিকতা বোঝাতে পদের দ্বিরুক্তি বা দ্বিত্ব হয়। যেমন: তুমি দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছ।

- দ্বিরুক্ত শব্দ ৩ প্রকার- শব্দের দ্বিরুক্তি, পদের দ্বিরুক্তি ও অনুকার দ্বিরুক্তি

অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি -
১. ভাবের গভীরতা বোঝাতেঃ সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি এত খারাপ!
২. পৌনঃপুনিকতা বোঝাতেঃ
    বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
৩. অনুভূতি বা ভাব বোঝাতেঃ
    ভয়ে গা ছম ছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
৪. বিশেষণ বোঝাতেঃ
   পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটির মিটির।
৫. ধ্বনিব্যঞ্জনাঃ
    ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।
- এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
- যেমন: এলোমেলো, অঙ্ক-টঙ্ক, আম- টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, ঝাল- টাল, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, ঝিলমিল, শেষ-মেষ, অল্পস্বল্প, গুটিশুটি, মোটাসোটা, নরম-সরম, বুঝে-সুঝে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- পরপর প্রয়ােগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।
- এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
- এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়।
যেমন- অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর, গরু-টরু, ছাগল-টাগল, ঝাল-টাল, হেন-তেন, লুচিফুচি, টাটু-ফাটু, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলােমেলাে, ঝিকিমিকি, কচর-মচর, ঝিলমিল, শেষ মেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মােটাসােটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝেসুঝে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনাে শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে।
-শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের: অনুকার দ্বিত্ব, ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব। 
-অনুকার দ্বিত্বঃ পরপর প্রয়ােগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়, যেমন-অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর
 
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বঃ কোনাে প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলােকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন –ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনাে ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য কোনাে ধাতব পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনাে ততােধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়। যেমন –কুটুস-কুটুস, খক খক, খুটুর-খুটুর, টুং টুং, ঠুক ঠুক, ধুপ ধুপ, দুম দুম, ঢং ঢং, ইত্যাদি।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্বঃ পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে। যেমন – জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

(নবম-দশম শ্রেনীর পুরাতন বইয়ে এই অধ্যায়টার নাম ছিল দ্বিরুক্ত শব্দ এবং ধন্যাত্মক ও অনুকার কে একই বলা হলেও নতুন বইয়ে এই অধ্যায়ের নাম শব্দদ্বিত্ব এবং ধন্যাত্মক ও অনুকার কে আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে)
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যে সকল অব্যয় রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, তাকে অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে।
- এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব বা আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়।
- যেমন: বাতাসের গতি → শন শন; মেঘের গর্জন  → গুড় গুড়; কোকিলের রব → কুহু কুহু ।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারায় কোনাে শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে।
- শব্দদ্বিত্ব তিন ধরনের: অনুকার দ্বিত্ব, ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব ও পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব। 
- অনুকার দ্বিত্বঃ পরপর প্রয়ােগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়, যেমন-অঙ্ক-টঙ্ক, আম-টাম, কেক-টেক, ঘর-টর
 
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বঃ কোনাে প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলােকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
যেমন –ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনাে ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য কোনাে ধাতব পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনাে ততােধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়। যেমন –কুটুস-কুটুস, খক খক, খুটুর-খুটুর, টুং টুং, ঠুক ঠুক, ধুপ ধুপ, দুম দুম, ঢং ঢং, ইত্যাদি।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
যেমনঃ
- বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত: ভালাে ভালাে (কথা), কত কত (লােক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।
- বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত: কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
যেমন- ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ঠন শব্দটি পর পর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়।

- কয়েকটি ধ্বন্যাত্বক দ্বিত্বের উদাহরণ:
চকচক, জ্বলজ্বল, থকথকে, কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস কুটুস, খক খক, খুটুর খুটুর, টুং টুং, ঢং ঢং, ঝমঝম, ধুপ ধুপ, শোঁ শোঁ ইত্যাদি।

- কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে।
যেমন: খপাখপ, হবাগব, ঝটাঝট, ফটাফট, দমাদম, পটাপট।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
যেমন- ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। ঠন শব্দটি পর পর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়।

- কয়েকটি ধ্বন্যাত্বক দ্বিত্বের উদাহরণ:
চকচক, জ্বলজ্বল, থকথকে, কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস কুটুস, খক খক, খুটুর খুটুর, টুং টুং, ঢং ঢং, ঝমঝম, ধুপ ধুপ, শোঁ শোঁ ইত্যাদি।

- কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে।
যেমন: খপাখপ, হবাগব, ঝটাঝট, ফটাফট, দমাদম, পটাপট।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- একই শব্দ পরপর দুই বার ব্যবহৃত হলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে । 

দ্বিরুক্ত শব্দের প্রকারভেদ
দ্বিরুক্ত শব্দ মূলত তিন প্রকার। যথা :
ক. শব্দের দ্বিরুক্তি : একই শব্দ দুবার ব্যবহারকে শব্দের দ্বিরুক্তি বলে। যেমন : ভালো ভালো ফল, ফোঁটা ফোঁটা পানি, বড় বড় দালান ইত্যাদি।

খ. পদের দ্বিরুক্তি : একই পদ দুবার ব্যবহার হলে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বলে। যেমন : ঘরে ঘরে, দেশে দেশে, মনে মনে ইত্যাদি।

গ. অনুকার দ্বিরুক্তি : কোনো কিছুর ধ্বনি, ডাক, আওয়াজ ও কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে অনুকার দ্বিরুক্তি বলে। যেমন : মিউমিউ, ঘেউঘেউ, টাপুর টুপুর ইত্যাদি।

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
বিভিন্ন পদরূপে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার-
বিশেষ্য- বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তোলে,
বিশেষণ- নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়,
ক্রিয়া- কলকলিয়ে উঠিল সেথায় নারীর প্রতিবাদ,
ক্রিয়া বিশেষণ- চিকচিক করে বালি কোথা নাই কাদা।
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।