সরাসরি মূল কন্টেন্টে যান

ছন্দ ও অলংকার

১০৬ টি প্রশ্ন
টপিক তালিকা
একই বিষয়ের সব টপিক
ব্যাখ্যা (Explanation)
যে ছন্দ রীতিতে উচ্চারণের গতিবেগ বা লয় দ্রুত এবং অক্ষরমাত্রেই এক মাত্রার হয়, তাকে স্বরবৃত্ত ছন্দ বলে।
বৈশিষ্ট্য:
- এ ছন্দে যে কোনো অক্ষর (মুক্তাক্ষর বা বদ্ধাক্ষর) একমাত্রার ধরা হয়। যেমন: আড়াল = আ (১) + ড়াল (১) = ২ মাত্রা।
- এ ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা ৪ মাত্রা।
উদাহরণ:
- বৃষ্টি পড়ে / টাপুর টুপুর / নদেয় এল / বান (মাত্রা: ৪/৪/৪/১)
- শিব ঠাকুরের / বিয়ে হলো / তিন কন্যে / দান (মাত্রা: ৪/৪/৪/১)
ব্যাখ্যা (Explanation)
স্বরবৃত্ত ছন্দের উচ্চারণের গতি অত্যন্ত দ্রুত থাকে। বাংলা সাহিত্যের অধিকাংশ প্রাচীন ছড়া ও লোকগাথা এই ছন্দে রচিত হওয়ায় একে ছড়ার ছন্দ বা লৌকিক ছন্দ বলা হয়।
ছান্দসিক প্রবোধচন্দ্র সেন এই ছন্দের নাম দিয়েছেন দলবৃত্ত।
বৈশিষ্ট্য:
- মূল পর্ব সবসময় ৪ মাত্রার হয়।
- উচ্চারণে প্রতি পর্বের আদিতে শ্বাসাঘাত বা জোর পড়ে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা কবিতায় মূল ছন্দ রীতি প্রধানত ৩টি:
- স্বরবৃত্ত ছন্দ: এটি দ্রুত লয়ের ছন্দ। প্রধানত লোকছড়া ও হালকা চালের কবিতায় এ ছন্দ ব্যবহৃত হয়।
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দ: এটি মধ্যম লয়ের ও ধ্বনিপ্রধান ছন্দ। এতে মাত্রা গণনার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- অক্ষরবৃত্ত ছন্দ: এটি ধীর লয়ের ছন্দ। গম্ভীর ভাব প্রকাশে ও দীর্ঘ কবিতায় এর প্রয়োগ দেখা যায়।
সুতরাং বাংলা কবিতার প্রধান তিনটি ছন্দ রীতি হলো স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
উপমেয় (যাকে তুলনা করা হয়) ও উপমানের (যার সাথে তুলনা করা হয়) মধ্যে পার্থক্য ভুলে যখন তাদের অভেদ বা এক বলে কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক অলংকার বলে।
এখানে উপমেয়ের ওপর উপমানের অভেদ আরোপ করা হয়।
যেমন:
- মন-মাঝি (মন রূপ মাঝি)
- শোক-সাগর (শোক রূপ সাগর)
এখানে 'মন' (উপমেয়) এবং 'মাঝি' (উপমান)-এর মধ্যে কোনো ভেদ না রেখে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
মানুষ যেমন রূপ বৃদ্ধির জন্য গহনা পড়ে, তেমনি কাব্যের সৌন্দর্য ও মাধুর্য বৃদ্ধি করার শৈল্পিক উপাদানকে অলংকার বলা হয়।
অলংকার প্রধানত দুই প্রকার:-
- শব্দালংকার: শব্দের ধ্বনি মাধুর্য দ্বারা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
- অর্থালংকার: শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য দিয়ে সৌন্দর্য সৃষ্টি করে।
অন্যান্য অপশন:-
- ছন্দ: কবিতার দোলা বা গতির নিয়ম।
- রস: কাব্য পাঠে মনের অনুভূতি বা আনন্দ।
- রীতি: রচনার কৌশল বা প্রকাশভঙ্গি।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্য ও কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের (চতুর্দশপদী কবিতা) প্রথম প্রবর্তক হলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত । তিনি পাশ্চাত্য সাহিত্যের অনুকরণে বাংলা কবিতায় প্রথাগত পয়ার ছন্দের অন্ত্যমিল ভেঙে অমিত্রাক্ষর ছন্দের উদ্ভাবন করেন । বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' (১৮৬০) । এছাড়া, তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের অনুকরণে বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনা করেন এবং তাঁর সনেট সংকলন 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
উক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর।
কাব্যতত্ত্বে ছন্দ-এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই মন্তব্যটি করেন। সাধারণ গদ্য বা মুখের কথা সাধারণত জড়তা ও বৈচিত্র্যহীনতায় থাকে। ছন্দ ভাষাকে গতিশীল, সুরেলা ও রসঘন করে তোলে। ছন্দের দোলায় সাধারণ বাক্য তার জড়তা কাটিয়ে কাব্যিক সৌন্দর্য লাভ করে। রবীন্দ্রনাথের মতে, ছন্দের মূল কাজই হলো ভাষার আড়ষ্টতা দূর করে তাকে ভাবরসে প্রাণবন্ত করা।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
উপমার চারটি অঙ্গ থাকে। যার সাথে তুলনা করা হয় তাকে উপমান এবং যাকে তুলনা করা হয় তাকে উপমেয় বলে।
এখানে 'বেতের ফলের মত তার ম্লান চোখ মনে আসে' চরণটিতে:
- উপমেয়: চোখ (যাকে তুলনা করা হয়েছে)
- উপমান: বেতের ফল (যার সাথে তুলনা করা হয়েছে)
- সাধারণ ধর্ম: ম্লান (উভয়ের সাধারণ গুণ)
- তুলনাবাচক শব্দ: মত
যেহেতু 'চোখ'-কে 'বেতের ফল'-এর সাথে তুলনা করা হয়েছে, তাই 'বেতের ফল' হলো উপমান।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
কবিতাংশটিতে 'ভারত' শব্দটি পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়েছে এবং প্রতিবারে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করছে।
- প্রথম 'ভারত' শব্দের অর্থ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- দ্বিতীয় 'ভারত' শব্দের অর্থ ভারতবর্ষ।
একই শব্দ ভিন্ন অর্থে একাধিকবার পুনরাবৃত্ত হলে তাকে যমক অলংকার বলে। এখানে একই 'ভারত' শব্দ দুটি ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় যমক অলংকার সৃষ্টি হয়েছে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা ওয়েবসাইটে; সবগুলোর সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে অ্যাপ ইন্সটল করুন।

ব্যাখ্যা (Explanation)
কবিতায় একই ধ্বনি বা বর্ণ পরপর একাধিকবার ব্যবহৃত হয়ে সৌন্দর্য সৃষ্টি করলে তাকে অনুপ্রাস অলংকার বলে।
প্রদত্ত পংক্তিতে 'ক' ব্যঞ্জনধ্বনিটি বারবার ব্যবহৃত হয়েছে, যেমন:
- কাক, কালো, কোকিল, কন্যার, কেশ।
এখানে 'ক' ধ্বনির পুনরাবৃত্তির ফলে শ্রুতিমধুর ঝংকার সৃষ্টি হয়েছে। তাই এটি অনুপ্রাস অলংকার।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
চতুর্দশপদী বা সনেট হলো ১৪ চরণের কবিতা, যা মূলত দুই ভাগে বিভক্ত ।
- প্রথম ৮ চরণকে বলা হয় অষ্টক (Octave), যেখানে কবিতার মূল ভাব বা বিষয়ের উপস্থাপন ঘটে ।
- শেষ ৬ চরণকে বলা হয় ষষ্ঠক (Sestet), যেখানে ভাবের পরিণতি প্রকাশ পায় ।
সুতরাং, চতুর্দশপদী বা সনেট কবিতার প্রথম ৮ চরণকে অষ্টক বলা হয় ।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
অক্ষরবৃত্ত ছন্দে মাত্রা গণনার নিয়মগুলো নিম্নরূপ:
- মুক্তাক্ষর শব্দের যেকোনো স্থানে থাকলে সবসময় ১ মাত্রা হয়।
- বদ্ধাক্ষর শব্দের শুরুতে বা মাঝে থাকলে ১ মাত্রা গণ্য হয়।
- বদ্ধাক্ষর শব্দের শেষে থাকলে বা একা (একক শব্দ) অবস্থিত হলে তা ২ মাত্রা গণ্য হয়।
তাই অক্ষরবৃত্ত ছন্দের রীতি অনুযায়ী শব্দের শেষে অবস্থিত বদ্ধাক্ষরকে ২ মাত্রা হিসেবে ধরা হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ছন্দ হিসেবে পরিচিত।
- এটি ধ্বনিপ্রধান ছন্দ, যার মূল পর্ব সাধারণত ৪, ৫, ৬ বা ৭ মাত্রার হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এটিকে 'সংস্কৃতভাঙা' ছন্দ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- মাত্রাবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতার আবৃত্তির গতি স্বরবৃত্ত ছন্দের চেয়ে ধীর, কিন্তু অক্ষরবৃত্ত ছন্দের চেয়ে দ্রুত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যমক: একই শব্দ বারবার ব্যবহার করে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করা
- অনুপ্রাস: একই বর্ণ বা ধ্বনির পুনরাবৃত্তি
- শ্লেষ: একটি শব্দ দ্বারা একাধিক অর্থ প্রকাশ করা
- অপহ্নূতি হল একটি অর্থালংকার, যেখানে কোনো বস্তুকে অস্বীকার করে অন্য বস্তু হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এটি শব্দের ধ্বনি বা উচ্চারণের সাথে নয়, বরং অর্থের সাথে সম্পর্কিত।
ব্যাখ্যা (Explanation)
উপমেয়র উপর উপমানের ব্যবহার সমারোপিত হলে তাকে সমাসোক্তি বলে।
যেমন- 'পর্বত চাহিল হতে বৈশাখের নিরুদ্দেশ মেঘ।'
Job Solutions বিসিএস
ব্যাখ্যা (Explanation)
- এটি একটি অপ্রচলিত প্রশ্ন ।
- একটি উপমেয়কে অস্বীকার করে, সেখানে অন্য একটিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- তাহলে অপহ্নতি অলংকার হয়।
- এখানে জল কে অস্বীকার করে অশ্রুধারা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
একস্থানে কারণ থাকলে এবং অপরস্থানে কার্যোৎপত্তি হলে তাকে অসঙ্গতি অলঙ্কার বলে। যেমন ঃ হ্রদয় মাঝে মেঘ উদয় করি /নয়নের মাঝে ঝরিল বারি । প্রদত্ত উদাহরণের আমরা দেখতে পাই ,হ্রদয়ের মাঝে মেঘ জমেছে ,অথচ বৃষ্টি ঝড়েছে চোখ দিয়ে ।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
এখানে 'ফুটপাতে শুয়ে থাকা মানুষ' বা উপমেয়কে ছড়ানো খড় বা উপমানের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
- বাক্যে 'যেন' থাকায় এটি একটি উপমা।
- কিন্তু এই সাধারণ তুলনার আড়ালে মানুষের চরম অসহায়ত্বের গভীর রূপক লুকিয়ে আছে।
উপমা থেকে এমন রূপক অর্থ তৈরি হওয়ায় একে উপমাসঞ্জাত রূপক বলা হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
"গাছের পাতার সেই বেদনায় বুনো পথে যেতো ঝরে,
ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে।
পথ দিয়া যেতে গেঁয়ো পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ,
চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত গাছের পাতার শোক।"

কবিতাংশটি জসীমউদ্দিনের 'কবর' কবিতা থেকে গৃহীত।
কবিতায় বৃদ্ধের ছেলের মৃত্যুর শোক প্রকাশের জন্য কবিচিত্তের প্রতিবিম্ব একেছেন, তার ভাব চেতনার কাব্যময় চিত্রই হলো 'চিত্রকল্প'।

উপমা হল 'বৈসাদৃশ্যর মধ্যে সাদৃশ্য কল্পনা করা' 

নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন — অ্যাপে লাইভ পরীক্ষা দিয়ে মেরিট লিস্টে নিজের অবস্থান দেখুন।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- চিত্রকল্প মানে শব্দের সাহায্যে মনের ভেতর কোনো ছবি বা দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা।
- 'কবরী এলো করে আকাশ দেখা মুহূর্ত' লাইনটি পড়ার সাথে সাথেই চোখের সামনে এক নারীর চুল খুলে আকাশ দেখার একটি জীবন্ত দৃশ্য ভেসে ওঠে।
- এখানে শব্দের তুলিতে একটি সুন্দর দৃশ্য আঁকা হয়েছে, তাই এটি চিত্রকল্প।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- যখন দুই বা তার বেশি ব্যঞ্জনধ্বনি পরপর মাত্র দুবার ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে ছেকানুপ্রাস বলে ।
- 'ওরে বিহঙ্গ ওরে বিহঙ্গ মোর' বাক্যে 'ওরে বিহঙ্গ' ধ্বনিগুচ্ছ পরপর ঠিক দুবার আসায় এটি ছেকানুপ্রাস অলঙ্কার ।
- অন্য অপশনগুলোতে যেমন 'কাননে কুসুম কলি...'-তে 'ক' ধ্বনিটি বারবার আসায় সেটি বৃত্ত্যনুপ্রাসের উদাহরণ ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
পজ্ঝটিকা হলো প্রাচীনকালের একটি সংস্কৃত ছন্দ।
- বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে পুরোনো নিদর্শন 'চর্যাপদ' মূলত এই ছন্দেই লেখা হয়েছিল।
- এই ছন্দে সাধারণত ১৬টি মাত্রা থাকে, যা অনেকটা আমাদের বর্তমান বাংলা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের মতোই কাজ করে।
তাই এখানে সঠিক উত্তরটি হবে সংস্কৃত ছন্দ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
'লিমেরিক' (Limerick) হলো পাঁচ লাইনের একটি হাস্যরসাত্মক ছড়া বা বিশেষ ধরনের ছন্দপদ্য ।
- এটি একটি নির্দিষ্ট ছন্দ ও মিলের নিয়ম মেনে লেখা হয় ।
- ইংরেজি সাহিত্যে এডওয়ার্ড লিয়ারের (Edward Lear) লেখা এই পঞ্চপদী ছড়াগুলো খুব বিখ্যাত । তাই সঠিক উত্তর: বিশেষ ধরনের ছন্দপদ্য।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার মোট ১৪টি লাইন বা চরণ থাকে।
- প্রথম ৮ লাইনকে অষ্টক বলে।
- শেষের ৬ লাইনকে ষটক বলে।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'বঙ্গভাষা' কবিতার শেষের ৬ লাইন বা ষটকের ছন্দের মিলবিন্যাস বা অন্ত্যমিল হলো গঘঘগঙঙ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট কবিতা ‘বঙ্গভাষা' এর বিখ্যাত পঙ্ক্তি ‘ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি, / এ ভিখারী দশা তবে কেন তোর আজি।' 
- কবিতাটি অষ্টক ও ষটকে বিভক্ত এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
সনেট হলো ১৪ লাইনের একটি বিশেষ কবিতা। এর প্রধান দুটি অংশ থাকে।
- প্রথম অংশকে অষ্টক বলা হয়, যেখানে ৮টি লাইন থাকে। এখানে সাধারণত ভাবের প্রবর্তন বা শুরু হয়।
- দ্বিতীয় অংশকে ষট্ক বলা হয়, যেখানে ৬টি লাইন থাকে। এখানে ভাবের পরিণতি বা সমাপ্তি ঘটে।
এজন্যই সনেটের প্রথম ভাগে ৮টি লাইন থাকে।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট হলো ১৪ লাইন বিশিষ্ট বিশেষ এক ধরনের কবিতা, যার প্রতিটি লাইনে ১৪টি অক্ষর বা মাত্রা থাকে।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় প্রথম চতুর্দশপদী কবিতা রচনা করেন।
- তাঁর রচিত 'বঙ্গভাষা' একটি বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা।
- অপশনের 'কবর' ও 'আসমানী' জসীমউদ্দীনের এবং 'আযান' কায়কোবাদের লেখা সাধারণ কবিতা।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তন মাইকেল মধুসূদন দত্ত । তিনি বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনা করেন । সনেটকে বাংলায় বলা হয় 'চতুর্দশপদী কবিতা' ।
 - সনেট কবিতার একটি বিশেষ রুপকল্প। একটি সনেটে ১৪ চরণ থাকে। এ ১৪ চরণ ৮ চরণ ও ৬ চরণে বিভাজিত হয়। প্রথম ৮ চরণকে অষ্টক আর শেষ ৬ চরণকে বলে ষটক।
 - মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে তিনি 'মধুকবি' নামে পরিচিত।
 - বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ সর্বপ্রথম সনেট এবং মহাকাব্য রচনা করেন।
 - ফররুখ আহমেদের সনেট সংকলনের নাম 'মুহূর্তের কবিতা'।
 - সনেটের জনক 'ইটালীর পেত্রার্ক'
Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা হলো ১৪ লাইনের এক বিশেষ কবিতা।
- বিশ্বে সর্বপ্রথম সনেট রচনা করেন ইতালীয় কবি পেত্রার্ক । তাই তাঁকে সনেটের আদি রচয়িতা বলা হয় ।
- আর বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট লেখেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত ।
যেহেতু প্রশ্নে পৃথিবীর প্রথম রচয়িতার কথা বলা হয়েছে, তাই উত্তর হবে পেত্রার্ক।

সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এই টপিকের সব প্রশ্ন ব্যাখ্যাসহ, ভুল-সঠিক-বুকমার্ক আলাদা করে রিভিশন — অ্যাপে।

Job Solutions
ব্যাখ্যা (Explanation)
অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো এমন এক ধরনের ছন্দ যার কবিতার লাইনের শেষে কোনো মিল থাকে না, ইংরেজিতে একে Blank Verse বলা হয় ।
- বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম এই নতুন ছন্দের প্রবর্তন করেন ।
- তাঁর বিখ্যাত 'মেঘনাদবধ কাব্য' এই ছন্দে লেখা ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: ০ ভুল উত্তর: ০
নোটিশ

 ✅ টপিক ও সাব-টপিকভিত্তিক জব সলিউশন্স 

২০০৫ – ২০২৬ সাল পর্যন্ত সব জব সলিউশন্স প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়েছে — সর্বমোট প্রায় ২৫ হাজার ইউনিক প্রশ্ন। ১২তম – ২০তম গ্রেডের পরীক্ষার্থীরা শুধু এইগুলো পড়লেই হবে।

▶ প্রশ্ন ব্যাংক → অনুশীলন → এরপর উপরের ডানে হলুদ বাটনে ক্লিক করে Job Solutions ফিল্টার করে নিন।
↻ প্রতি সপ্তাহে নতুন জব প্রশ্ন টপিক ও সাব-টপিক আকারে যোগ করা হয়।


 ★ বর্তমান চলমান কোর্স (সব পরীক্ষা website থেকে OMR পদ্ধতিতে দিতে পারবেন) 

১) ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি'র লং কোর্স (১৫৬ দিন)  নতুন 
২) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (লেকচার শিট ভিত্তিক কোর্স) নতুন 
৩) ‘অগ্রদূত বাংলা’ ৯০ দিনের মাস্টার স্টাডি রুটিন নতুন 
৪) Master English Study (৯৯ দিনের স্পেশাল কোর্স) নতুন 
৫)
১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — লেকচারশীট ভিত্তিক
৬) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (স্কুল পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৭) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন (কলেজ পর্যায়) — বাংলা 
 নতুন 
৮) ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন — সমাজবিজ্ঞান
৯) ১৯তম নিবন্ধন (প্রভাষক) — গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান
১০) ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি — ২৩৬ দিনে সম্পূর্ণ সিলেবাস
১১) টপিক ভিত্তিক জব সলিউশন রুটিন (১৬৫ দিনের)
১২) প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি (৩য় ব্যাচ)
১৩)  ৫১তম স্পেশাল বিসিএস (স্বাস্থ্য) সমন্বিত প্রস্তুতি রুটিন (মেডিকেল)  নতুন 
১৪) সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


 ➤ আপকামিং কোর্স ও রুটরশ

✦ ১০তম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি।  
◆ ৫২তম বিসিএস প্রস্তুতি।