ক্রিয়ার কাল (74 টি প্রশ্ন )
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
প্রশ্নে বাক্যটি মূলত 'বাবা আমাদের দেখাশুনা করছিলেন' হবে। এটি ঘটমান অতীত কালের উদাহরণ ।
অতীতে যে কাজ চলছিল এবং সে-সময়ে শেষ হয়নি, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে ।
- এখানে বাবার কাজটি অতীতে চলমান বা ঘটমান বোঝানো হয়েছে।
- ক্রিয়ার শেষে 'করছিলেন', 'যাচ্ছিলেন' থাকলে তা ঘটমান অতীত হয়।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):

ক্রিয়ার কাল বলতে বোঝায় ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়কে। বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়ার কাল প্রধানত তিন প্রকার—বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্রিয়ার কাল তার স্বাভাবিক নিয়ম মেনে চলে না। ক্রিয়ার এই ধরনের ব্যতিক্রমী প্রয়োগকে ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ বলা হয়।

যেমন, সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ-এর ক্ষেত্রে একটি ঘটনা অতীতে ঘটলেও ক্রিয়াপদটি ভবিষ্যৎ কালের রূপ নেয়। আপনার দেওয়া উদাহরণটি এর একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত:

"তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে।"

এই বাক্যে 'শুনে থাকবে' ক্রিয়াপদটি ভবিষ্যৎ কালের হলেও, ছয় দফার কথা শোনার ঘটনাটি কিন্তু অতীতে ঘটেছে। এটিই ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগের একটি উদাহরণ।

i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল ক্রিয়া দ্বারা কোন কাজ অনির্দিষ্টভাবে ভবিষ্যতে হইবে বা ঘটবে এইরূপ বুঝালে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল হয়। অথবা, ভবিষ্যৎ কালে যে কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে।

চিনিবার উপাই(Identification):- বাংলা বাক্যের ক্রিয়ার শেষে ব, বে, বেন ইত্যাদি চিহ্ন থাকবে। যেমন আমি স্কুলে যাব।

যেমনঃ
- আমি রাস্তার মোড়ে তোমার জন্য অপেক্ষা করব।
- আমরা সবাই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করব।
- আজ থেকে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে আরম্ভ করব।
- আগামীকাল আমি রুবিকে একটি স্বর্ণের চেইন উপহার দিব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- সাধারণ বর্তমান কাল (Present Indefinite Tense) এমন কাল যা নিয়মিত ঘটে এমন ঘটনা, অভ্যাস বা সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করে।
- "বিপদ যখন আসে, তখন এমনি করেই আসে।" এখানে ক্রিয়াটি নির্দেশ করছে এমন একটি কাল যা সাধারণত নিয়মিত বা সত্য ঘটনা বোঝায়, যা সময়ের সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং সার্বজনীন সত্য বা অভ্যাসগত ঘটনা।
- বাক্যের ক্রিয়া "আসে" এবং "করেই আসে" সাধারণ বর্তমান কাল নির্দেশ করে, যা নিয়মিত বা অভ্যাসগত সত্য বোঝায়।
- এখানে বিপদ আসার ঘটনা কোনো নির্দিষ্ট অতীত বা ভবিষ্যৎ সময়ে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি সার্বজনীন সত্য বা নিয়মিত ঘটনা হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। তাই এটি সাধারণ বর্তমান কাল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ব্যাকরণে বচনভেদে অর্থাৎ কর্তা একবচন না বহুবচন তার ওপর ভিত্তি করে ক্রিয়াপদের কোনো পরিবর্তন হয় না ।
- যেমন: 'আমি বই পড়ি' (একবচন) এবং 'আমরা বই পড়ি' (বহুবচন)। দুটি বাক্যেই 'পড়ি' ক্রিয়াপদটি অপরিবর্তিত।
- তবে পুরুষভেদে (উত্তম, মধ্যম, নাম পুরুষ) ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য দেখা যায় । যেমন: আমি পড়ি, তুমি পড়ো। সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সকল ক্রিয়া দ্বারা কোন কাজ অনির্দিষ্টভাবে ভবিষ্যতে হইবে বা ঘটবে এইরূপ বুঝালে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল হয়। অথবা, ভবিষ্যৎ কালে যে কাজ সাধারণভাবে সম্পন্ন হবে বোঝায়, তাকে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল বলে।

চিনিবার উপাই(Identification):- বাংলা বাক্যের ক্রিয়ার শেষে ব, বে, বেন ইত্যাদি চিহ্ন থাকবে। যেমন আমি স্কুলে যাব।

যেমনঃ
- আমি রাস্তার মোড়ে তোমার জন্য অপেক্ষা করব।
- আমরা সবাই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করব।
- আজ থেকে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে আরম্ভ করব।
- আগামীকাল আমি রুবিকে একটি স্বর্ণের চেইন উপহার দিব।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- উত্তম পুরুষ হল বক্তা বা নিজের সম্পর্কে কিছু বলার সময় যে সর্বনাম ও ক্রিয়া ব্যবহার করে।
- উত্তম পুরুষের সর্বনামগুলো হল: আমি, আমরা, আমাকে, আমাদিগকে, আমার, আমাদের ইত্যাদি।
- উত্তম পুরুষের ক্রিয়াপদের বৈশিষ্ট্য হল ক্রিয়ার শেষে "-ই", "-ছি", "-লাম", "-ব" ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
- বলেছি, করেছি - এই ক্রিয়াপদগুলো উত্তম পুরুষের উদাহরণ।
- এখানে "-ই" এবং "-ছি" বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। বক্তা নিজের সম্পর্কে বলছেন "আমি বলেছি", "আমি করেছি"।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ (Imperative Future): এই কালের ক্রিয়াপদ ভবিষ্যৎকালে কোনো আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, বা অনুমতি প্রকাশ করে।
- এই বাক্যটিতে বক্তা শ্রোতাকে ভবিষ্যতে কাজটি তাড়াতাড়ি করার জন্য আদেশ দিচ্ছেন।
- প্রদত্ত বাক্য "তাড়াতাড়ি কাজটি কোরো।" একটি অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে ক্রিয়া অতীত কালে সাধারণভাবে সংঘটিত হয়েছে অর্থাৎ বর্তমান কালের পূর্বে সংঘটিত হয়েছে , তাকে সাধারণ অতীত কাল বলা হয়।
যেমন:
- প্রদীপ নিভে গেল।
- আমি কাজটি করলাম।
- আমি খেলা দেখে এলাম।
- বিড়াল ইঁদুরটিকে ধরল।

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
• নামপুরুষ হলো বক্তা বা শ্রোতার অনুপস্থিতিতে তৃতীয় ব্যক্তির কথা বলা।
• সে - এই সর্বনাম ব্যবহার করে তৃতীয় ব্যক্তির কথা বলা হয়।
• আপনি, আমি, এবং তুমি - এই সর্বনামগুলো ব্যবহার করে বক্তা বা শ্রোতার কথা বলা হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে ক্রিয়া অতীত কালে চলেছিল, তখনো শেষ হয়নি বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলা হয়।

যেমন:
• রিতা ঘুমাচ্ছিল।
• তিনি মেয়েটির চেহারা কেমন জানতে চাইছিলেন।
• সেদিন রাতে আমি সিনেমা দেখছিলাম
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়ই ঘটত এমন বোঝায়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলা হয়।
- এক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষে ইতাম, ইত, ইতেন, ইতে যুক্ত হয়।
যেমন:
বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন।
ছুটিতে প্রতিবছর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতাম।

- নিত্যবৃত্ত অতীতের বিশিষ্ট ব্যবহার:
• অসম্ভব কল্পনায়: এই বাড়ি হতাে যদি রাজার বাড়ি।
• কামনা প্রকাশে: আজ যদি রাসেল আসতাে, কেমন মজা হতাে।
• সম্ভাবনা প্রকাশে: তুমি যদি আসতে, তবে ভালােই হতাে।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রিয়া পূর্বে শেষ হলে এবং তার ফল এখনও বর্তমান থাকলে পুরাঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয় ।
যেমন - এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি, বুকের রক্তে লিখেছি একটি নাম বাংলাদেশ, এতক্ষণ আমি অঙ্ক করেছি ইত্যাদি। 
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
বাংলা ভাষায় সর্বনামের মর্যাদাভেদে ক্রিয়ার রূপের পরিবর্তন ঘটে। তাই করেছে, করেছো, করেছেন রূপগুলো মর্যাদাভেদের কারণে ব্যবহৃত হয়।

করেছে: এটি সাধারণ নাম পুরুষ (যেমন: সে, তারা) এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। (উদাহরণ: সে কাজটি করেছে)।
করেছো: এটি সাধারণ মধ্যম পুরুষ (যেমন: তুমি, তোমরা) এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। (উদাহরণ: তুমি কাজটি করেছো)।
করেছেন: এটি সম্মানার্থক মধ্যম পুরুষ (যেমন: আপনি, আপনারা) এবং সম্মানার্থক নাম পুরুষ (যেমন: তিনি, তাঁরা) এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। (উদাহরণ: তিনি/আপনি কাজটি করেছেন)।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিজের নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত সর্বনাম পদকে উত্তম পুরুষ (আমি, আমরা) বলে ।
- 'আমি' বা 'আমরা' কর্তা হলে এর সাথে যুক্ত ক্রিয়াপদটি উত্তম পুরুষের হয় ।
- যেমন: আমি করেছি বা খেয়েছি
অন্য অপশনে 'বলেছ' মধ্যম পুরুষ (তুমি) এবং 'এসেছেন' নাম পুরুষ (তিনি) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ব্যক্তি বা বস্তু নির্দেশক সর্বনামকেই ব্যাকরণে পক্ষ বা পুরুষ বলে। পুরুষ প্রধানত তিন প্রকার:

উত্তম পুরুষ: স্বয়ং বক্তাই উত্তম পুরুষ। যেমন: আমি, আমরা, আমার।
মধ্যম পুরুষ: প্রত্যক্ষভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি বা শ্রোতাকে মধ্যম পুরুষ বলে। যেমন: তুমি, তোমরা, আপনি।
প্রথম বা নাম পুরুষ: অনুপস্থিত বা পরোক্ষভাবে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীই নাম পুরুষ। যেমন: সে, তারা, তিনি, যেকোনো নাম ইত্যাদি।

যেহেতু 'সে' দ্বারা একজন অনুপস্থিত বা পরোক্ষ ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে, তাই এটি প্রথম পুরুষ বা নাম পুরুষ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে সর্বনাম পদ দ্বারা ব্যক্তির পার্থক্য বোঝায় বাংলা ব্যাকরণে সে সর্বনাম পদকে পুরুষ বলে। পুরুষ তিন প্রকার ।যথা-উত্তম,মধ্যম ও নাম পুরুষ ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
সোর্স ফাইলের তথ্য অনুযায়ী, যে ক্রিয়া সম্ভবত ঘটে গিয়েছে এবং সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের রূপ দিয়ে তা প্রকাশ করা হয়, তাকে 'পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ' কাল বলে । সোর্সে পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কালের একটি উদাহরণ হিসেবে "হয়তো আমরা এ কথা বলে থাকব" বাক্যটি উল্লেখ করা হয়েছে । প্রশ্নে উল্লেখিত "কথাটি বলে থাকবো কিন্তু মনে পড়ছে না" বাক্যটিতে 'বলে থাকবো' অংশটি দিয়ে এমন একটি কাজকে বোঝানো হচ্ছে যা অতীতে সম্ভবত সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু বক্তা সে বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত নন (তার মনে পড়ছে না)। যেহেতু এখানে অতীতে সম্ভবত ঘটে যাওয়া একটি কাজকে ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়ার রূপ ('থাকবো') দিয়ে অনুমান হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি 'পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ' কাল হবে। (উল্লেখ্য, প্রশ্নে দেওয়া হুবহু বাক্যটি সোর্স ফাইলে নেই, তবে সোর্সে দেওয়া পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কালের নিয়মের ভিত্তিতে এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যা আমার নিজস্ব ব্যাকরণগত জ্ঞানের দ্বারাও সমর্থিত।)
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
কখনো কখনো অতীতের কোনো দুঃখ বা আক্ষেপ বোঝাতে অতীত কালের বদলে ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহার করা হয় ।
- যেমন: "কে জানত আমার ভাগ্য এমন হবে!"
এই বাক্যে ঘটনাটি অতীতে ঘটে গেলেও, মনের গভীর আক্ষেপ বা আফসোস বোঝানোর জন্য 'হবে' (ভবিষ্যৎ কাল) ব্যবহৃত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর ভবিষ্যৎ কাল।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
⇒ নিত্যবৃত্ত অতীত কাল সাধারণত অতীতে কোনো কাজ নিয়মিত করা হতো বা অভ্যাস ছিল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
⇒ তবে কালের বিশিষ্ট প্রয়োগের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বাক্যে অতীতকালীন কোনো ইচ্ছা বা অসম্ভব কল্পনা প্রকাশ পায়, তখনও নিত্যবৃত্ত অতীত ব্যবহৃত হয়।
⇒ এখানে "যদি বাবা আসতেন" দ্বারা এমন একটি কামনার কথা বলা হয়েছে যা বাস্তবে ঘটেনি অর্থাৎ এটি একটি অতীতকালীন অসমাপ্ত ইচ্ছা।
⇒ তাই ‘যদি... তবে’ যুক্ত এ ধরনের অতীত সম্ভাবনামূলক বাক্যগুলো নিত্যবৃত্ত অতীত কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ হিসেবে গণ্য হয়।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অতীতে কোনো কাজ নিয়মিত বা প্রতিদিন ঘটত বোঝালে তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে ।
- 'প্রতিদিন ফুল ফুটত' বাক্যে অতীতে নিয়মিত ফুল ফোটার অভ্যাস বোঝায়, তাই এটি নিত্যবৃত্ত অতীত
- 'প্রদীপ নিভে গেল' ও 'শিকারী পাখিটিকে গুলি করলো' অতীতের সাধারণ কাজ, তাই এগুলো সাধারণ অতীত ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিত্যবৃত্ত অতীত কাল: অতীত কালে যে ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে ।
- 'শৈশবে আম কুড়াতে আনন্দ পেতাম' বাক্যে 'পেতাম' ক্রিয়াটি দিয়ে অতীতের একটি নিয়মিত অভ্যাসের কথা বোঝানো হয়েছে।
- যেহেতু কাজটি অতীতে প্রায়ই বা বারবার করা হতো, তাই এটি নিত্যবৃত্ত অতীত কালের উদাহরণ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অতীতে কোনো কাজ প্রায়ই ঘটত এমন বোঝালে তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে। তবে শুধু অতীতের অভ্যাস নয়, অসম্ভব ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা, শর্ত বা কাল্পনিক প্রস্তাব বোঝাতেও নিত্যবৃত্ত অতীত কালের ব্যবহার হয়।

• ‘আমি যদি পাখি হতাম’ বাক্যটিতে বক্তার একটি অসম্ভব ইচ্ছা বা কাল্পনিক আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। তাই এটি নিত্যবৃত্ত অতীত কালের উদাহরণ।
• চেনার উপায়: এই কালের ক্রিয়াপদের শেষে সাধারণত -তাম, -তে, -ত, -তেন ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকে। যেমন: হতাম, যেতাম, খেতাম, পড়ত ইত্যাদি।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
নিত্যবৃত্ত অতীত: অতীতকালে যে কাজ নিয়মিত বা অভ্যাসবশত করা হতো, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত বলে ।
- 'গাইতাম গীত শুনি কোকিলের ধ্বনি' বাক্যে 'গাইতাম' ক্রিয়াটি অতীতের একটি নিয়মিত অভ্যাসকে বোঝাচ্ছে ।
- ক্রিয়ার শেষে 'ইতাম', 'ইত' যুক্ত থাকলে সাধারণত তা নিত্যবৃত্ত অতীত হয় ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
অতীতে কোনো কাজ নিয়মিত বা বারবার করা হতো, অর্থাৎ অতীতের অভ্যাস বোঝাতে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল ব্যবহৃত হয় ।
- যেমন: 'বাবা প্রতিদিন খবরের কাগজ পড়তেন' ।
এখানে কাজটি আগে নিয়মিত করা হতো, তাই এটি নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
- বর্তমান কালের পূর্বে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে তার সংঘটন কালই সাধারণ অতীত কাল।
- যেমন- প্রদীপ নিভে গেছে, শিকারি পাখিরটিকে গুলি করল।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'লিখেছি' শব্দটি খেয়াল করো। যে কাজ কিছুক্ষণ আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও রয়ে গেছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে ।
- বাক্যটিতে লেখা কাজটি আগে শেষ হলেও 'বাংলাদেশ' নামটির অস্তিত্ব বা ফল এখনো রয়ে গেছে ।
- এই কালের ক্রিয়াপদের শেষে চলিত রীতিতে সাধারণত 'এছি' যুক্ত থাকে (লিখ্ + এছি = লিখেছি) ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
ক্রিয়া পূর্বে শেষ হলে এবং তার ফল এখনও বর্তমান থাকলে পুরাঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয় ।
যেমন - এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি ।

- যে কাজ এখনও চলমান তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে ।
- বর্তমান কালের পূর্বে সংঘটিত ক্রিয়ার কালকে অতীতকাল বলে।
- আর অতীতের কোন ক্রিয়া সাধারণ অভ্যস্ততা বুঝালে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল হয় ।
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
যে ক্রিয়ার কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল এখনও বর্তমান রয়েছে, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান কাল বলে ।
- 'বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে' বাক্যে স্বাধীনতা অর্জনের কাজটি সম্পন্ন হলেও এর ফল (স্বাধীন দেশ) এখনও টিকে আছে ।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ

এখানে প্রথম ৩০টি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন, বাকি সব প্রশ্নের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পেতে এখনই অ্যাপ ইন্সটল করুন।

Install App
i
ব্যাখ্যা (Explanation):
'কাল থেকে পড়া শুরু কর' বাক্যটিতে 'কর' হলো আদেশ বা নির্দেশ।
- আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝালে তাকে অনুজ্ঞা বলে।
- কাজটি আগামীকাল করতে বলা হলেও, 'কর' পদটি বর্তমান কালের রূপ।
তাই এটি বর্তমান অনুজ্ঞা-এর প্রয়োগ। প্রশ্নে দেওয়া 'ঘটমান বর্তমান' উত্তরটি ভুল, কারণ কাজটি চলমান অবস্থায় নেই।
সোর্সঃ অগ্রদূত বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: 0 | ভুল উত্তর: 0